var Dinajpuritems =
{
menusystembengali :
" "+
"এই পাতার জায়গাসমূহঃ-"+
"মেনু দেখতে ক্লিক করুন"+
" •কুলিক-পাখিরালয়"+
" •দুর্গাপুর-রাজবাড়ি "+
" •কুন্নুর-গ্রাম"+
" •বাহিন-রাজবাড়ি"+
" •বাণগড় "+
" •মানহোলি-রাজবাড়ি"+
" •হিলি",
menusystemenglish :
" "+
"Places in This Page:-"+
"Click To See Menu"+
" •Kulik-Bird-Sanctuary"+
" •Durgapur-Rajbari "+
" •Kunnur-Village"+
" •Bahin-Rajbari"+
" •Bangarh "+
" •Manholi-Rajbari"+
" •Hili",
menusystemhindi :
" "+
"इस पृष्ठ के स्थान"+
"उस पेज मेनू पर क्लिक करें"+
" •कुलिक-पक्षी-अभयारण्य"+
" •दुर्गापुर-राजबाड़ी "+
" •कुन्नूर-गाँव"+
" •बहिन-राजबाड़ी"+
" •बनगढ़ "+
" •मनहोली-राजबाड़ी"+
" •हिली",
kulikbengali : "কুলিক পাখিরালয়ঃ-১৯৭০ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এই এলাকার উন্নতি ঘটা শুরু হয়। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কদম, জারুল, শিশু এবং ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো হয়। ছানা তোলার সময় এশিয় শামুকখোলা এবং অন্যান্য পরিযায়ী পাখির প্রজাতিগুলো কৃত্রিম বাগানে ঘোরাঘুরি করে। ১৯৮৫ সালে এই বনাঞ্চলকে আনুষ্ঠানিকভাবে রায়গঞ্জ বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এটা কুলিক পক্ষী অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত, কারণ কুলিক নদী অভয়ারণ্যের পাশ দিয়ে প্রবাহিত। কুলিক নদী পাখিরালয়ের দক্ষিণ ও পূর্ব সীমানা রচনা করেছে। অসংখ্য ছোট-বড় খাল কুলিকের সঙ্গে যুক্ত। ফলে বর্ষায় পাখিরালয়ে জল ঢুকে যায়। সেই সময় পাখিদের উপযোগী প্রচুর খাদ্য পাওয়া যায়। বিশেষ করে এশিয়ান ওপেনবিলের মূল খাদ্য অ্যাপেল স্নেল। পাখিরালয়টা খুবই সুন্দর কিন্তু সেরকম পাখি নেই। বেশিরভাগই জলের পাখি। তবে সেখানকার কর্মচারীরা পাখিরালয়টা বেশ যত্ন করে রাখেন। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও ঘণ্টা তিনেক খুব ভালোভাবে কাটানো যায়। কোথাও কোথাও চিড়িয়াখানার মতো বিভিন্ন রকমের পাখি ও কিছু জন্তু জানোয়ার রাখা আছে। কয়েকটা ওয়াচ টাওয়ারও আছে। সেখান থেকে চতুর্দিকটা ভালো দেখা যায়। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
kulikenglish : "Kulik Bird Sanctuary:-The area has been improving since 1970 through the West Bengal Government's Social Forestry Project. Kadam, Jarul, Shishu and Eucalyptus trees are planted through various projects. Asian snail shells and other migratory bird species roam the artificial garden during hatching. In 1985, this forest area was officially identified as Raiganj Wildlife Sanctuary. It is known as the Kulik Bird Sanctuary because the Kulik River flows past the sanctuary. The Kulik River forms the southern and eastern boundaries of the aviary. Numerous small and large canals are connected with Kulik. As a result, water enters the aviary in the rainy season. At that time there was plenty of food for the birds. In particular, the main food of the Asian Openbill is apple snail. The aviary is very beautiful but there are no such birds. Mostly water birds. However, the staff there took good care of the aviary. Clean and tidy. Three hours can be spent very well here. Somewhere there are different kinds of birds and some animals like zoo. There are also a few Watch Towers. From there, the surroundings can be seen well. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
kulikhindi : "कुलिक पक्षी अभयारण्य:-पश्चिम बंगाल सरकार की सामाजिक वानिकी परियोजना के माध्यम से 1970 से इस क्षेत्र में सुधार हो रहा है। विभिन्न परियोजनाओं के माध्यम से कदम, जारुल, शिशु और नीलगिरी के पेड़ लगाए गए हैं। एशियाई घोंघा के गोले और अन्य प्रवासी पक्षी प्रजातियां हैचिंग के दौरान कृत्रिम उद्यान में घूमती हैं। 1985 में, इस वन क्षेत्र को आधिकारिक तौर पर रायगंज वन्यजीव अभयारण्य के रूप में पहचाना गया था। इसे कुलिक पक्षी अभयारण्य के रूप में जाना जाता है क्योंकि कुलिक नदी अभयारण्य के पास से बहती है। कुलिक नदी एवियरी की दक्षिणी और पूर्वी सीमा बनाती है। कई छोटी और बड़ी नहरें कुलिक से जुड़ी हुई हैं। परिणामस्वरूप, बरसात के मौसम में पानी एवियरी में प्रवेश करता है। उस समय पक्षियों के लिए भरपूर भोजन होता था। विशेष रूप से, एशियाई ओपनबिल का मुख्य भोजन सेब घोंघा है यहाँ तीन घंटे बहुत अच्छे से बिताए जा सकते हैं। कहीं-कहीं तरह-तरह के पक्षी और कुछ चिड़ियाघर जैसे जानवर भी हैं। कुछ वॉच टावर भी हैं। वहाँ से आसपास का नज़ारा बहुत अच्छा दिखता है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photokulik: ""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
durgapurrajbaribengali : "দুর্গাপুর রাজবাড়িঃ-দারুণ সুন্দর রাজবাড়িটা। এখন সামনের ব্লকটা পুলিশ স্টেশন হয়ে গেছে, আর পেছনের ব্লকে জমিদার পরিবারের বাস। উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের দুর্গাপুর রাজবাড়ি, বিখ্যাত তার পাঁচশো বছরের পুরোনো দুর্গাপুজোর জন্যে। বর্তমানে রাজা না থাকলেও রয়েছেন তার বংশধরেরা। সময়ের সাথে সাথে বাড়ীর জৌলুস অনেকটা কমলেও, প্রাচীনত্বের ঐতিহ্য আজও অম্লান। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে, এবছর শুধু ঘটপুজো হয়েছে। লোকমুখে প্রচলিত যে, এই বংশের পূর্বপুরুষদের বাংলা-বিহার-ওড়িশার বিশাল অংশে জমিদারী ছিল। শের শাহের আমলে এই পরিবারে দুর্গাপূজার প্রচলন হয়। প্রথমে ইটাহারের চূড়ামন এস্টেটে পুজো হতো, পরে কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী ও ভূপাল চন্দ্র রায়চৌধুরীর হাত ধরে, পুজো শুরু হয় দুর্গাপুর রাজবাড়ীতেও। ইতিহাসের পথ ধরে আজও পরবর্তী প্রজন্ম, পুজোর ঐতিহ্য মেনে, দেবী দুর্গার আরাধনা করে আসছেন, প্রাচীনত্বের গন্ধমাখা কয়েকশো বছরের পুরানো মন্দিরে। তবে সময়ের সাথে সাথে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে পুজোতে। আগে মহালয়ার দিন থেকেই দেবীর আরাধনায় মেতে উঠতেন রাজপরিবারের সদস্যরা। দেবীর কাছে মোষ ও ছাগল বলির প্রথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে দেবীর বোধন হয় ষষ্ঠীতে, উঠে গেছে বলিপ্রথাও। তবে প্রতিমার আদল ও পুজো পদ্ধতি রয়ে গিয়েছে আগের মতোই। এই পুজোয় অসুরের গায়ের রঙ ঘন সবুজ, দুর্গাপ্রতিমার মাথার ওপর গঙ্গা, বিষ্ণু এবং মহেশ্বরের অবস্থান। দেবী মূর্তির দুদিকে থাকেন রাম ও লক্ষণের মূর্তি। প্রতিবছর জাঁকজমক করে পুজো হয় তবে এ বছর তা হয়নি। পড়াশোনা বা জীবিকার কারণে রাজবাড়ীর সদস্যরা ছড়িয়ে রয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিন্তু পুজোর সময় সবাই বাড়িতে ফেরেন। ফলে পুজোর চারটে দিন, যেন আগের মতোই জমজমাট হয়ে ওঠে রাজবাড়ী। আলোর রোশনাই, আর মানুষের কোলাহলে যেন কয়েকশো বছর পিছিয়ে যায় সময়, পৌঁছে যায় রাজা-রাজরাদের আমলে। প্রাচীনত্বের প্রথা মেনে দশমীতে মেলা বসে রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে। সমাগম হয় হাজার হাজার মানুষের। আদিবাসী নাচ ও পৌরাণিক যাত্রাপালার মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এখানে মঞ্চস্থ হয়। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
durgapurrajbarienglish : "Durgapur Rajbari:-This is a beautiful palace. Now the front block has become a police station, and the landlord’s family lives in the back block. Durgapur Rajbari in Raiganj block of Uttar Dinajpur district is famous for its five hundred year old Durga Puja. Although there is no king at present, there are his descendants. Although the splendor of the house has diminished over time, the tradition of antiquity is still alive today. However, due to the Corona infection, only Ghatpuja has taken place this year. It is popularly known that the ancestors of this dynasty had landlordship in a large part of Bengal-Bihar-Orissa. Durga Puja was introduced in this family during the reign of Sher Shah. First the puja was performed at the Churaman Estate in Itahar, then at the hands of Krishnachandra Roy Chowdhury and Bhupal Chandra Roychowdhury. The puja also started at Durgapur Rajbari. Following the path of history, the next generation is still worshiping Goddess Durga in a traditional manner, in a temple of few hundreds of years old. But over time, there are some changes in Puja. Earlier, members of the royal family used to worship the goddess from the days of Mahalaya. Buffaloes and goats were sacrificed to Goddess. But now the Goddess is established on sixth, the sacrificial system has been abolished. However, the form of idol worship has remained the same as before. In this puja, the skin color of the demon is dark green, the position of Ganga, Vishnu and Maheshwar on the head of the Durga idol. On both sides of the idol of the goddess are the idols of Rama and Lakshmana. Worship is done with pomp every year but this year it did not happen. Members of the royal family are scattered in different parts of the country due to their studies or livelihood. But everyone returned home during Puja. As a result, during the four days of Puja, the palace became as crowded as before. The light shines, and the noise of the people seems to go back hundreds of years, reaching the time of the kings. Following the tradition of antiquity, a fair is held on Dashmi in the courtyard of the palace. Thousands of people gathered. Cultural events such as tribal dances and mythological processions are staged here. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
durgapurrajbarihindi : "दुर्गापुर राजबाड़ी:-यह एक खूबसूरत महल है। अब सामने वाला ब्लॉक पुलिस स्टेशन बन गया है और जमींदार का परिवार पीछे वाले ब्लॉक में रहता है। उत्तर दिनाजपुर जिले के रायगंज ब्लॉक में दुर्गापुर राजबाड़ी अपनी पांच सौ साल पुरानी दुर्गा पूजा के लिए प्रसिद्ध है। हालांकि वर्तमान में कोई राजा नहीं है, लेकिन उनके वंशज हैं। हालांकि समय के साथ घर का वैभव कम हो गया है, लेकिन प्राचीनता की परंपरा आज भी जीवित है। हालांकि, कोरोना संक्रमण के कारण इस साल केवल घटपूजा हुई है। यह लोकप्रिय रूप से जाना जाता है कि इस राजवंश के पूर्वजों के पास बंगाल-बिहार-उड़ीसा के एक बड़े हिस्से में जमींदारी थी। शेरशाह के शासनकाल के दौरान इस परिवार में दुर्गा पूजा की शुरुआत हुई थी। सबसे पहले इटाहार के चुरामन एस्टेट में पूजा की जाती थी, फिर कृष्णचंद्र रॉय चौधरी और भूपाल चंद्र रॉयचौधरी के हाथों। दुर्गापुर राजबाड़ी में भी पूजा शुरू हुई। इतिहास के रास्ते पर चलते हुए, अगली पीढ़ी आज भी कुछ सौ साल पुराने मंदिर में पारंपरिक तरीके से देवी दुर्गा की पूजा कर रही है। लेकिन समय के साथ पूजा में कुछ बदलाव हुए हैं। पहले राजपरिवार के सदस्य महालया के दिनों से देवी की पूजा करते थे। देवी को भैंसे और बकरे की बलि दी जाती थी। लेकिन अब देवी की स्थापना छठी को होती है, बलि प्रथा समाप्त कर दी गई है। हालाँकि मूर्ति पूजा का स्वरूप पहले जैसा ही रहा है। इस पूजा में राक्षस की त्वचा का रंग गहरा हरा होता है, दुर्गा मूर्ति के सिर पर गंगा, विष्णु और महेश्वर की स्थिति होती है। देवी की मूर्ति के दोनों ओर राम और लक्ष्मण की मूर्तियाँ होती हैं। हर साल धूमधाम से पूजा की जाती है लेकिन इस साल ऐसा नहीं हुआ। राजपरिवार के सदस्य अपनी पढ़ाई या आजीविका के कारण देश के विभिन्न हिस्सों में बिखरे हुए हैं। लेकिन पूजा के दौरान सभी घर लौट आते हैं रोशनी चमकती है, और लोगों का शोर सैकड़ों साल पीछे, राजाओं के ज़माने तक पहुँचता हुआ प्रतीत होता है। प्राचीन परंपरा का पालन करते हुए, दशमी के दिन महल के प्रांगण में मेला लगता है। हज़ारों लोग इकट्ठा होते हैं। यहाँ आदिवासी नृत्य और पौराणिक जुलूस जैसे सांस्कृतिक कार्यक्रम आयोजित किए जाते हैं। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photodurgapurrajbari : ""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
kunoorbengali : "কুন্নুর গ্রামঃ-উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের কাছেই টেরাকোটা গ্রাম কুন্নুর। এক সময় সারা বাংলার শিল্প রসিকদের তাক লাগিয়ে দেওয়া কুন্নুরের কারুকার্যময় মাটির ঘোড়া আর হাতি তৈরি হতো। কালের নিয়মে হারিয়ে যেতে বসলেও, টেরাকোটার লণ্ঠনের দৌলতে কুন্নুরের নাম শৌখিন বাঙালি মহলে, আবারও জায়গা করে নিয়েছে। টেরাকোটার এই সুদৃশ্য লণ্ঠনের চাহিদা আজ শুধুমাত্র বাংলায় নয়, ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বাড়ির বারান্দায় টেরাকোটার এই লণ্ঠন, আলাদা করে যে অতিথিদের নজর কাড়বে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। একই সঙ্গে এখানকার খোদাই করা ডিশ আর কাপ বেশ আকর্ষণীয়। এছাড়াও নানান ধরণের মাটির আলোকসজ্জা, আর অপূর্ব প্রদীপদানি রয়েছে নজরকাড়ার তালিকায়। বর্তমানে এখানকার আধুনিক ডিজাইনের টেরাকোটার গয়নার চাহিদা, যে কোনও অলঙ্কারের সাথে সমান তালে টক্কর দিচ্ছে। বললে বা অর্ডার দিলে বা ছবি পাঠালে নিজেদের পছন্দমতো টেরাকোটার নিমন্ত্রণপত্র, বিভিন্ন গিফটের জিনিস পাওয়া যায় বা তৈরি করানো যায়। তবে কোন সময় থেকে কুন্নুরের মৃৎ শিল্পের এই সুখ্যাতি, তা সঠিক করে বলা যায় না। সাধারণভাবে মনে করা হয় বখতিয়ার খিলজির সময়কাল থেকে, এখানে টেরাকোটা শিল্পের সূচনা হয়। তাঁর বাংলা বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখতে কুন্নুরে এক ধরণের মাটির ঘোড়া তৈরির সূত্রপাত হয়। ত্রিভুজাকৃতি এই ঘোড়া একসময় সারা বাংলায় দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় এই যে, এখন এই ঘোড়া আর কেউ বানায় না। পেটের টানে, চাহিদা বুঝে ঘোড়া নির্মাণ ছেড়ে তেল রাখার পাত্র, দুধ দোয়ার পাত্র, ধুনুচি, প্রদীপদানি, মাটির কলসি, হাঁড়ি, সরা ইত্যাদি, গৃহস্থালির নানান জিনিসের দিকে মন দিয়েছেন এখানকার শিল্পীরা। কেউ কেউ এই পেশা পরিত্যাগ করে অন্য পেশায় মনোনিবেশ করেছেন। কেউ কেউ আবার শিল্প সৃষ্টির তাড়নায়, রয়ে গেছেন মাটির তাল থেকে শিল্প ফুটিয়ে তুলতে। এখানকার মাটির পুতুলও এক সময় জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই পুতুল বানিয়েই, ১৯৮২ সালে প্রয়াত লক্ষ্মীকান্ত রায় জাতীয় পুরস্কার পান। তবে সময়ের সাথে সাথে, এবং শিল্প নৈপুণ্যের তাড়নায়, এখানকার শিল্পীরা আবারও, টেরাকোটার নানান শৌখিন জিনিষ তৈরিতে মনোনিবেশ করেছেন। সাবেকী মডেল ছেড়ে, টেরাকোটার আধুনিকীকরণের উপরে জোর দেন। ফলস্বরূপ তৈরি হয় টেরাকোটার লণ্ঠন, ম্যাজিক লণ্ঠন, কাপ-ডিস, পঞ্চপ্রদীপ, প্রদীপদানি ইত্যাদি, টেরাকোটার নানান শৌখিন সামগ্রী। বেশ কিছু দিন হ’ল টেরাকোটার অলঙ্কার নির্মাণেও কুন্নুর, দেশের প্রথম সারিতে উঠে এসেছে। অলঙ্কার কে না ভালোবাসে। সে হোক না মাটির, তাতে ক্ষতি কিসের? একবার মানানসই পোশাকের সঙ্গে, সেই মাটির টেরাকোটার অলঙ্কার যদি ম্যাচ করে যায়, তাহলে তো কথাই নেই। তাই মহিলা মহলে, দিনকে দিন বেড়েই চলেছে এই সব টেরাকোটার অলঙ্কারের চাহিদা। তবে রাজ্যের সর্বত্র যেভাবে প্রচারের দরকার ছিল, তার কিছুই জোটেনি কুন্নুরের কপালে। আর সঠিক প্রচারের অভাবে, মার খাচ্ছে বিপণন। ফলে আরও অভাবী হয়ে পড়ছেন শিল্পীরা, মার খাচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন কুন্নুরের টেরাকোটা শিল্প। তবে যদি সত্যিই এই শিল্পকে বাঁচাতে হয়, তবে সরাসরি উত্তর দিনাজপুরের কুন্নুর গিয়ে, পছন্দমত টেরাকোটার জিনিষ নিজের জন্যে, বা প্রিয়জনদের উপহারের জন্যে, কিনে আনা যেতে পারে। তবেই বেঁচে থাকবেন কুন্নুরের টেরাকোটা শিল্পীরা। বিশ্ব দরবারে আরও বেশি সমাদৃত হবে কুন্নুর তথা বাংলার এই টেরাকোটা শিল্প। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
kunoorenglish : "Kunnur Village:-Terracotta village of Kunnur is situated near Raiganj in North Dinajpur. At one time, Kunnur's decorated earthen horses and elephants were made to attract art lovers from all over Bengal. Despite being lost in course of time, the name of Kunnur has re-emerged to the fancy Bengali classes with the help of terracotta lanterns. The demand for this beautiful terracotta lantern has gained popularity not only in Bengal, but also in other states of India. Needless to say, this terracotta lantern on the porch of the house, which will attract the guests differently. At the same time the carved dishes and cups here are quite interesting. There is also a variety of earthen lighting, and a wonderful lamp stand. At present the demand for terracotta jewelry of modern design here at par with any ornament. Terracotta invitations of your choice, various gift items can be obtained by ordering or sending pictures. However, it is not possible to say exactly when this reputation of Kunnur pottery came. It is generally believed that the terracotta industry originated here from the time of Bakhtiyar Khilji. To commemorate his Bengali victory, a kind of earthen horse was made in Coonoor. This triangular horse was once very popular all over Bengal. But the sad thing is that now no one makes this horse. The artists here have turned their attention to various household items such as oil storage containers, milk utensils, incense burners, lamp stands, earthenware pots, tavern, etc. Some have given up this profession and concentrated on other professions. Some, in the pursuit of art, are thriving. Clay dolls also became popular here at one time. The late Laxmikant Roy received the National Award in 1982 for making this doll. But over time, and in the pursuit of artistic craftsmanship, the artists here have, again, concentrated on creating a variety of fancy terracotta items. Leaving the former model, he emphasized the modernization of terracotta. The result is terracotta lanterns, magic lanterns, cup-dishes, five headed lamp, lanterns, etc., as well as various fancy terracotta items. For some time now, Coonoor has been at the forefront of terracotta ornaments. Who doesn't love jewelry? Be it is soil, what is the harm? Once the terracotta ornaments of that earthenware match with the matching garment, then there is no question of refusal. So in the women's court, the demand for these terracotta ornaments is increasing day by day. However, the manner in which the campaign was needed all over the state did not happen. And in the absence of proper publicity, marketing is hitting hard. As a result, the artists are becoming more and more destitute; the century old terracotta art of Coonoor is loosing. But if you really want to save this industry, you can go directly to Kunnur in North Dinajpur and buy the terracotta items of your choice for yourself or for gifts to your loved ones. Only then the terracotta artists of Kunnur survive. This terracotta art of Kunnur and Bengal will be more appreciated in the world. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
kunoorhindi : "कुन्नूर गाँव:-उत्तरी दिनाजपुर में रायगंज के पास कुन्नूर का टेराकोटा गाँव स्थित है। एक समय में, कुन्नूर के सजे हुए मिट्टी के घोड़े और हाथी पूरे बंगाल के कला प्रेमियों को आकर्षित करते थे। समय के साथ लुप्त होने के बावजूद, टेराकोटा लालटेन की मदद से कुन्नूर का नाम बंगाली लोगों के बीच फिर से उभरा है। इस खूबसूरत टेराकोटा लालटेन की माँग न केवल बंगाल में, बल्कि भारत के अन्य राज्यों में भी बढ़ी है। कहने की ज़रूरत नहीं कि घर के बरामदे पर सजा यह टेराकोटा लालटेन मेहमानों को अलग ही आकर्षित करेगा। साथ ही, यहाँ की नक्काशीदार प्लेटें और प्याले भी काफी दिलचस्प हैं। यहाँ मिट्टी की लाइटिंग और अद्भुत लैंप स्टैंड की भी विविधता है। वर्तमान में यहाँ आधुनिक डिज़ाइन के टेराकोटा आभूषणों की माँग किसी भी आभूषण के बराबर है। अपनी पसंद के टेराकोटा निमंत्रण, विभिन्न उपहार वस्तुएँ ऑर्डर करके या तस्वीरें भेजकर प्राप्त की जा सकती हैं। हालाँकि, यह कहना ठीक नहीं है कि कुन्नूर के मिट्टी के बर्तनों की यह ख्याति कब आई। आमतौर पर यह माना जाता है कि बख्तियार खिलजी के समय से यहां टेराकोटा उद्योग की शुरुआत हुई थी। उनकी बंगाली विजय की याद में, कुन्नूर में एक प्रकार का मिट्टी का घोड़ा बनाया गया था। यह त्रिकोणीय घोड़ा कभी पूरे बंगाल में बहुत लोकप्रिय था। लेकिन दुख की बात यह है कि अब कोई भी इस घोड़े को नहीं बनाता है। यहां के कलाकारों ने अपना ध्यान विभिन्न घरेलू वस्तुओं जैसे तेल भंडारण कंटेनर, दूध के बर्तन, धूप बर्नर, लैंप स्टैंड, मिट्टी के बर्तन, मधुशाला आदि पर केंद्रित कर लिया है। कुछ ने इस पेशे को छोड़ दिया है और अन्य व्यवसायों पर ध्यान केंद्रित किया है। कुछ, कला की खोज में, फल-फूल रहे हैं। मिट्टी की गुड़िया भी एक समय में यहां लोकप्रिय थीं। स्वर्गीय लक्ष्मीकांत रॉय को इस गुड़िया को बनाने के लिए 1982 में राष्ट्रीय पुरस्कार मिला। लेकिन समय के साथ, और कलात्मक शिल्प कौशल की खोज में, यहां के कलाकारों ने फिर से विभिन्न प्रकार की फैंसी टेराकोटा वस्तुओं को बनाने पर ध्यान केंद्रित किया है नतीजा यह है कि टेराकोटा लालटेन, मैजिक लालटेन, कप-डिश, पांच सिर वाले लैंप, लालटेन आदि के साथ-साथ विभिन्न फैंसी टेराकोटा आइटम भी तैयार हो रहे हैं। पिछले कुछ समय से कुन्नूर टेराकोटा आभूषणों के मामले में अग्रणी रहा है। आभूषण किसे पसंद नहीं होते? चाहे वह मिट्टी ही क्यों न हो, इसमें क्या बुराई है? एक बार उस मिट्टी के बर्तन के टेराकोटा आभूषण मैचिंग परिधान से मेल खा जाएं, तो मना करने का सवाल ही नहीं उठता। इसलिए महिलाओं के दरबार में इन टेराकोटा आभूषणों की मांग दिन-प्रतिदिन बढ़ती जा रही है। हालांकि, जिस तरह से पूरे राज्य में अभियान की जरूरत थी, वह नहीं हुआ। और उचित प्रचार के अभाव में विपणन बुरी तरह प्रभावित हो रहा है। नतीजतन, कलाकार और अधिक निराश्रित होते जा रहे हैं; कुन्नूर की सदियों पुरानी टेराकोटा कला लुप्त हो रही है। लेकिन अगर आप वास्तव में इस उद्योग को बचाना चाहते हैं, तो आप सीधे उत्तर दिनाजपुर के कुन्नूर जा सकते हैं और अपनी पसंद की टेराकोटा वस्तुएं अपने लिए या अपने प्रियजनों को उपहार के लिए खरीद सकते हैं। तभी कुन्नूर के टेराकोटा कलाकार जीवित रहेंगे। कुन्नूर और बंगाल की यह टेराकोटा कला दुनिया में और अधिक सराही जाएगी। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photokunoor : ""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
bahinrajbaribengali : "বাহিন রাজবাড়িঃ-একেবারেই ভাঙাচোরা রাজবাড়ি। শুধু কাঠামোটা পড়ে আছে। একটা পুলিশ পোস্ট রয়েছে এই রাজবাড়িতে। জিজ্ঞাসা করতে বলল, সমাজবিরোধীদের বড্ড উৎপাত তাই পুলিশ রয়েছে। সামনেই রয়েছে নাগরি নদী। নদীর একপাড়ে দিনাজপুর, আর অন্য পারে বিহার। রাজবাড়িটা অবশ্য দিনাজপুরেই পড়ে। উত্তর দিনাজপুর জেলার বাসিন্দাদের কাছে, আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে রাজবাড়ির পুজো। লোকমুখে বাহিন রাজবাড়ির পুজো বলে খ্যাত হলেও, আদতে তা জমিদার বাড়ির পুজো। বর্তমানে পুজোর দায়িত্ব বাহিনের জমিদার বাড়ির পরিবার আর নেয় না। তাই একদা বাড়ির পুজো আজ সার্বজনীন। বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দারাই এই পুজোর দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। বিহার-বাংলা সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত বাহিন জমিদার বাড়ির পুজো, একসময় জাঁকজমক করে হতো। জমিদার বাড়ির পেছনে দিয়ে বয়ে যাওয়া নাগরি নদী, এখানে বাংলা ও বিহারকে ভাগ করেছে। জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা ঐতিহ্যবাহী বাহিন রাজবাড়ীর ঠাকুরদালানে পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে দুর্গাপুজো করা হতো। রায়গঞ্জ শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে, বাহিন জমিদার বাড়ির দুর্গাপুজো, রায়গঞ্জ সহ গোটা উত্তর দিনাজপুরেই পরিচিত। এই বাড়িতে এখন আর জমিদার পরিবারের কেউ থাকেন না। সত্তরের দশকে ওই জমিদার পরিবার এই বাড়ি ছেড়ে রায়গঞ্জের রবীন্দ্র-পল্লীতে চলে এসেছিলেন। জমিদাররা এই বাড়ি ছেড়ে আসার পর নজর দিতে না পারায় রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব, ভারত সেবাশ্রম সংঘের হাতে অর্পণ করেন। তবে ভারত সেবাশ্রম সেভাবে নজর না দেওয়ায়, অবস্থা আরও খারাপ হয়ে দাঁড়ায়। এরপর জঙ্গল কেটে তৈরি হয়েছে পুলিশ ক্যাম্প। ভগ্ন জরাজীর্ণ জমিদার বাড়ির পাশেই রয়েছে পুরনো সিংহবাহিনী মন্দির। সেখানেই প্রতিবছর দুর্গাপুজো হয়। সিংহ বাহিনীর সোনার মূর্তি বহুদিন আগেই চুরি হয়ে গেছে। কিন্তু এখনও সিংহ বাহিনীর থানে, নিত্যপুজোর রীতি চালু রেখেছেন গ্রামবাসীরা। পুজোতে জৌলুস না থাকলেও নিষ্ঠার অভাব নেই। পুজোর টানে সংলগ্ন রাজ্য বিহার থেকেও অনেকেই বাহিনের ঐতিহ্যমণ্ডিত পুজো দেখতে ভিড় জমান। একসময় এই জমিদার বাড়ি সংলগ্ন সিংহবাহিনীর মন্দিরের পাশে রাখা হতো হাতি, ঘোড়া। এখনও এদিক ওদিক খুঁজলে কয়েকটা কংক্রিটের হাতি বাঁধার খুঁটি নজরে আসবে। তবে সেসব এখন স্মৃতি। ঐতিহ্যশালী এই পুজোকে বাঁচিয়ে রাখতে সাধারণ মানুষ এবং এলাকাবাসী উদ্যোগ নিয়েছেন। সব নিয়ম মেনেই দুর্গাপুজো করা হয়। স্থানীয় মানুষজনের কথায়, এক সময়ে ইটাহারের চূড়ামন রায়চৌধুরী পরিবারের শরিকরা এই জমিদার বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন। তবে সেটা কত পুরোনো তা সঠিকভাবে জানা যায় না। জমিদার বাড়ি নির্মাণ করার পরেই সেখানকার ঠাকুরদালানে দুর্গাপুজো শুরু হয়। বহু বছর আগে শুরু হওয়া এই দুর্গাপুজোর বয়সও কেউ বলতে পারেন না। অতীতে পুজোর সময় বা অন্যান্য সময়ও জমিদার বাড়ির সামনে বড় বাগানে হাতি বাঁধা থাকত। গ্রামবাসীদের দাবি, এখানে চার পাঁচটা হাতি সবসময়ই বাঁধা থাকতো। সেই হাতির পিঠে চড়ে পরিদর্শনে যেতেন জমিদারেরা। জমিদার বাড়ির পেছন দিয়ে বয়ে যাওয়া নাগরি নদীর ধারে যে পাকা ঘাটটা রয়েছে, তার অবস্থা এখন খুবই খারাপ। তবুও পুজোর টানে ওপার থেকে এপারে আসেন বহু দর্শনার্থী। আগে প্রতি বছর পুজোর আগে নদীর উপরে অস্থায়ীভাবে সেতু তৈরি করা হতো, তবে কয়েকবছর হল এখানে পাকা ব্রিজ তৈরি হয়েছে। ফলে এপার ওপার করতে আর কোন অসুবিধা হয় না। আগে সিংহবাহিনী মন্দিরে চণ্ডীপাঠ ও দুর্গাপুজো করতেন জনা তিনেক পুরোহিত। তবে এখন আর সেসব আড়ম্বর নেই। কালের নিয়মে জমিদারবাড়ির জৌলুসের সঙ্গে সেসব কোথায় যেন হারিয়ে গেছে, আর বাহিন রাজবাড়ি এখন পুলিশ ক্যাম্পে পরিণত হয়েছে। তবে কোনভাবেই পুজোর আনন্দ, পুজোর নিষ্ঠা এবং পুজোর নিয়ম থেকে একচুলও সরে আসেননি সেখানকার বর্তমান উদ্যোক্তারা। কিছু ছবি নিয়ে চললাম নৌবিহারে। অসাধারণ এই নৌকো চড়া। নদীর থেকে রাজবাড়িটা খুব সুন্দর লাগে। কিছু ছবি   🎞️ তুলে মিনিট পঁয়তাল্লিশ পরে ফিরে এলাম রাজবাড়িতে। তখন সূর্য পশ্চিম দিগন্তে হেলতে শুরু করেছে। পড়ন্ত সূর্যের মিঠে লাল-সোনালী রশ্মি গোটা পরিবেশকে মোহময়ী করে তুলেছে আর ভাঙা রাজবাড়ির সিলিউট যেন এক পুরানো ইতিহাসের কথা শোনাতে চাইছে। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
bahinrajbarienglish : "Bahin Rajbari:-Absolutely ruined palace. Only the structure is existing. There is a police post in this palace. When asked about the police post they say, the anti-social nuisance is so bad that the police are there. Nagri River is in front. Dinajpur on one side of the river, and Bihar on the other. The palace, however, falls in Dinajpur. For the residents of Uttar Dinajpur district, the Puja of Rajbari has become the center of attraction. Although Bahin is popularly known as the Puja of the royal house, it is basically the Puja of the landlord’s house. At present the family of the landlord house of Bahin no longer takes charge of Puja. So once Rajbari Puja is public today. At present, the locals have taken the responsibility of this Puja. The Puja of the Bahin landlord’s house, situated in the Bihar-Bangla border area, used to be a pompus issue. The Nagari River, which flows behind the landlord’s house, divides Bengal and Bihar here. Durga Puja was performed with full devotion in the Thakurdalan of the dilapidated traditional Bahin Rajbari. 14 km away from Raiganj city, DurgaPuja of Bahin Zamindar house is known all over North Dinajpur including Raiganj. No one from the zamindar family now lives in this house. In the seventies, the zamindar family left this house and moved to Rabindra-Palli in Raiganj. Since the zamindars could not pay attention after leaving the house, the responsibility of maintenance was handed over to Bharat Sebashram Sangha. However, the situation worsened when Bharat Sebashram did not pay attention to it. After that, a police camp has been set up by cutting down the jungle. There is an old Singha Bahini temple next to the dilapidated zamindar's house. Durga Puja is held there every year. The gold idol of the Singha Bahini was stolen long time ago. But still in the Singha Bahini temple, the villagers have continued the ritual of regular Puja. Although there is no pomp in Puja, yet there is no lack of devotion. Many people from the adjoining state of Bihar also flock to see the traditional Puja of the Bahin. Once upon a time, elephants and horses were kept next to the temple of Singha Bahini adjacent to this zamindar's house. If you still look around, you will see a few concrete elephant poles. But those are now memories. Ordinary people and locals have taken initiative to keep this traditional Puja alive. Durga Puja is performed according to all the rules. According to the locals, at one time the zamindar house was built by the members of the Churaman Roychowdhury family of Itahar. However, it is not known exactly how old it is. After the construction of the zamindar's house, Durga Puja started at the Thakurdalan. No one can say the age of this Durga Puja which started many years ago. In the past, elephants were tied in the big garden in front of the zamindar's house during puja or other times. The villagers claim that four or five elephants were always tied here. The zamindars used to visit the villages on the back of that elephant. The condition of the concrete ferry ghat on the banks of the Nagri river, which flows behind the zamindar's house, is now in a very bad condition. However, many visitors came here from the other side of the rivere to witness Puja. Earlier, a temporary bridge was built over the river before Puja every year, but a few years ago, a paved bridge was built here. As a result, there is no difficulty in crossing. Earlier, three priests used to recite Chandi and Durga Puja in the Singhabahini temple. But now there is no such style. As a rule of thumb, they seem to have been lost with the pomp of the zamindar house, and Bahin Rajbari has now become a police camp. However, the current entrepreneurs have not deviated from Puja's pleasure, Puja's devotion and Puja's rules. I went to have a boat trip for some pictures. It was awesome boat ride. The palace looks very beautiful from the river. After taking some pictures and videos, I came back to the palace after forty five minutes. Then the sun began to set on the western horizon. The sweet red-gold rays of the setting sun enchanted the whole environment and the silhouette of the broken palace seemed to tell its old history. "+
"Read More..."+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
bahinrajbarihindi : "बहिन राजबाड़ी:-बिल्कुल खंडहर हो चुका महल। अब केवल ढांचा ही बचा है। इस महल में एक पुलिस चौकी है। पुलिस चौकी के बारे में पूछने पर वे कहते हैं कि असामाजिक तत्व इतने परेशान हैं कि पुलिस वहां रहती है। सामने नागरी नदी है। नदी के एक तरफ दिनाजपुर और दूसरी तरफ बिहार। हालाँकि, यह महल दिनाजपुर में पड़ता है। उत्तर दिनाजपुर जिले के निवासियों के लिए राजबाड़ी की पूजा आकर्षण का केंद्र बन गई है। हालाँकि बहिन को राजघराने की पूजा के रूप में जाना जाता है, यह मूल रूप से जमींदार के घराने की पूजा है। वर्तमान में बहिन के जमींदार घराने का परिवार अब पूजा की जिम्मेदारी नहीं लेता है। इसलिए कभी राजबाड़ी पूजा आज सार्वजनिक है। वर्तमान में स्थानीय लोगों ने इस पूजा की जिम्मेदारी ले ली है। बिहार-बांग्लादेश सीमा क्षेत्र में स्थित बहिन जमींदार के घराने की पूजा एक धूमधाम का विषय हुआ करती थी जीर्ण-शीर्ण पारंपरिक बहिन राजबाड़ी के ठाकुरदलान में पूरी श्रद्धा के साथ दुर्गा पूजा की जाती थी। रायगंज शहर से 14 किमी दूर बहिन जमींदार घराने की दुर्गापूजा रायगंज समेत पूरे उत्तर दिनाजपुर में प्रसिद्ध है। इस घर में अब जमींदार परिवार का कोई भी व्यक्ति नहीं रहता है। सत्तर के दशक में जमींदार परिवार इस घर को छोड़कर रायगंज के रवींद्र-पल्ली में रहने लगा था। घर छोड़ने के बाद चूंकि जमींदार ध्यान नहीं दे सकते थे, इसलिए रखरखाव की जिम्मेदारी भारत सेवाश्रम संघ को सौंप दी गई थी। हालांकि, स्थिति तब और बिगड़ गई जब भारत सेवाश्रम ने इस पर ध्यान नहीं दिया। उसके बाद जंगल काटकर पुलिस कैंप स्थापित किया गया है। जीर्ण-शीर्ण जमींदार के घर के बगल में एक पुराना सिंह बाहिनी मंदिर है। वहां हर साल दुर्गा पूजा होती है पूजा में भले ही कोई धूमधाम न हो, फिर भी भक्ति में कोई कमी नहीं है। बहिन की पारंपरिक पूजा देखने के लिए पड़ोसी राज्य बिहार से भी कई लोग आते हैं। किसी समय इस जमींदार के घर से सटे सिंह बहिनी के मंदिर के बगल में हाथी और घोड़े रखे जाते थे। अगर आप अभी भी इधर-उधर देखें, तो आपको कुछ कंक्रीट के हाथी के डंडे दिखाई देंगे। लेकिन वे अब यादें बनकर रह गए हैं। आम लोगों और स्थानीय लोगों ने इस पारंपरिक पूजा को जीवित रखने की पहल की है। दुर्गा पूजा पूरे नियमों के अनुसार की जाती है। स्थानीय लोगों के अनुसार, एक समय में इटाहार के चुरामन रायचौधरी परिवार के सदस्यों द्वारा जमींदार घर का निर्माण कराया गया था। हालाँकि, यह वास्तव में कितना पुराना है, इसका पता नहीं है। जमींदार के घर के निर्माण के बाद, ठाकुरदलान में दुर्गा पूजा शुरू हुई। कई साल पहले शुरू हुई इस दुर्गा पूजा की उम्र कोई नहीं बता सकता। ग्रामीणों का दावा है कि यहां हमेशा चार-पांच हाथी बंधे रहते थे। जमींदार उस हाथी की पीठ पर सवार होकर गांवों का दौरा करते थे। जमींदार के घर के पीछे बहने वाली नागरी नदी के किनारे बने पक्के घाट की हालत अब बेहद खराब है। हालाँकि, पूजा देखने के लिए नदी के दूसरी ओर से कई पर्यटक यहाँ आते थे। पहले, हर साल पूजा से पहले नदी पर एक अस्थायी पुल बनाया जाता था, लेकिन कुछ साल पहले, यहाँ एक पक्का पुल बनाया गया था। परिणामस्वरूप, पार करने में कोई कठिनाई नहीं होती है। पहले, तीन पुजारी सिंहबाहिनी मंदिर में चंडी और दुर्गा पूजा का पाठ करते थे। लेकिन अब ऐसी कोई शैली नहीं है। एक नियम के रूप में, वे जमींदार घराने की धूमधाम के साथ खो गए हैं, और बहिन राजबाड़ी अब एक पुलिस छावनी बन गई है। हालाँकि, वर्तमान उद्यमी पूजा के आनंद, पूजा की भक्ति और पूजा के नियमों से विचलित नहीं हुए हैं। मैं कुछ तस्वीरें लेने के लिए नाव की सैर पर गया था। यह नाव की सवारी बहुत शानदार थी। नदी से महल बहुत सुंदर दिखता है। कुछ तस्वीरें और वीडियो लेने के बाद, मैं पैंतालीस मिनट बाद महल में वापस आ गया।तभी पश्चिमी क्षितिज पर सूरज डूबने लगा। डूबते सूरज की मधुर लाल-सुनहरी किरणों ने पूरे वातावरण को मंत्रमुग्ध कर दिया और टूटे हुए महल का सिल्हूट मानो अपना पुराना इतिहास बयां कर रहा था। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photobahinrajbari : ""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
bangarhbengali : "বাণগড়ঃ-বাণগড়ে রয়েছে একটা বহু পুরানো খননকার্য। বাণগড় সাইটটা একদম খোলা। কোন পাঁচিল বা গার্ড নেই। ফলে প্রায় প্রতিদিনই ইট-পাথর চুরি হয়ে যাচ্ছে। আর সমাজবিরোধীদের আড্ডা হয়েছে তা দেখলেই বোঝা যায়। শুধুমাত্র রক্ষণাবেক্ষণ ও খননকার্য মাঝপথে থমকে যাওয়ায় ভারতের অজানা ইতিহাস এখনও মাটির তলায়। অথচ ঐতিহাসিকরা বলছেন, দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার বাণগড় প্রাচীন ভারতের ইতিহাসটাই বদলে দিতে পারে। শুরু হয়েছিল, কিন্তু সম্পূর্ণ খনন কাজ না হওয়ার, প্রাচীন ভারতের ইতিহাস এখনও পাতালপুরীতে বন্দি হয়ে আছে। ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ একটা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েই দায় সেরেছেন। সর্বেক্ষণের এই উদাসীনতায় জেলাবাসী থেকে শুরু করে দেশবাসী সবার কাছেই অনেক ইতিহাসই অজানা রয়ে গেছে বলে মনে করছেন, বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষক-অধ্যাপকরা। খুব বেশি আগের কথা নয়, ঘটনাটা ২০০০ সালের হবে। বালুরঘাট কলেজের সংস্কৃতির অধ্যাপক শখের ইতিহাসবিদ, অচিন্ত্যকৃষ্ণ গোস্বামী খবর পান, গঙ্গারামপুর থানার বাণগড় সংলগ্ন পূর্ণভবা নদীতে বালি খুঁড়ে জল তুলতে গিয়ে কয়েকজন শিশু একটা গোলাকার বস্তু পেয়েছে। উৎসুক অচিন্ত্যকৃষ্ণবাবু গাড়ি ভাড়া করে বালুরঘাট থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তিনি দেখেন কালো রঙের অনেকটা কামানের গোলার মতো একটা ডিম্বাকৃতি বস্তু। তিনি মাত্র কয়েকশো টাকার বিনিময়ে সেটা কিনে নেন। আরও খোঁজাখুঁজি করে এই ধরণের বেশ কয়েকটি ডিম্বাকৃতির বস্তু তিনি সেদিন নিয়ে গিয়ে বালুরঘাটের তাঁর নিজস্ব মিউজিয়ামে রেখে দেন। কোনও ভাবে একটা বস্তু ভেঙে গিয়েছিল। তার থেকে অচিন্ত্যবাবুর ধারণা হয়, এই ডিম্বাকৃতি বস্তু আসলে একটা কামানের গোলা। পরবর্তীকালে অচিন্ত্যকৃষ্ণবাবু একটা তাজ্জব করা তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেছিলেন, ভারতের ইতিহাসে, ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে, প্রথম বারুদের ব্যবহার করেছিলেন বাবর। কিন্তু, পূর্ণভবা নদীর চরে পাওয়া কামানের গোলা ভারতের ইতিহাসকেই বদলে দিতে পারে। কারণ, পানিপথের প্রথম যুদ্ধের কয়েকশো বছর আগে পাল-সেন যুগে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল বাণগড়ে। এই কামানের গোলায় ছিল বারুদের ব্যবহার। স্বাভাবিকভাবেই বাবর নয়, প্রাচীন ভারতে বারুদের ব্যবহার হয়েছিল বাণগড়ে। সেদিন তিনি বলেছিলেন, বাণগড়ের মাটি চাপা পড়ে আছে ভারতের অনেক অজানা ইতিহাস। তার উদ্ধার করা গোলার একটা নমুনা ভারতীয় সেনাবাহিনীও নিয়ে গিয়ে তাদের সংগ্রহশালায় রেখেছেন। অনেক চেষ্টা করেও অচিন্ত্যকৃষ্ণবাবু বাণগড়ে সম্পূর্ণ খননকার্য শুরু করাতে পারেননি। সেই আক্ষেপ নিয়ে তিনি এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। তারপর ওনার মতো আর কেউ বাণগড় নিয়ে সেরকম কোন কিছু ভাবেনি। এখনও তাই ভারতের প্রাচীন ইতিহাস মাটি চাপা পড়ে রয়েছে বাণগড়ে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন অধ্যাপক কুঞ্জগোবিন্দ গোস্বামীর নেতৃত্বে ১৯৩৮-১৯৪১ পর্যন্ত এখানে প্রথম খনন কাজ হয়। এই খননের ফলে পালযুগের একটা মন্দিরের অবয়ব আবিষ্কৃত হয় ও মৌর্য, গুপ্ত ও সেন যুগের বহু প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায়। সেগুলোর বেশিরভাগই বালুরঘাট মিউজিয়ামে রাখা আছে। তার পরেই নজরে আসে বাণগড়। এরপর আর কোন খনন হয়নি। বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠায় ২০০৮-০৯ সালে ফের খনন শুরু হয়। যা বেশিদূর এগোয়নি। ১৪০ একর জায়গা জুড়ে বিশাল মাটির ঢিপি এবং চারপাশের ১০০০ একর এলাকাকে চিহ্নিত করে সেই অনুসন্ধান চালিয়েছিলেন আর্কিওলজিক্যাল সার্ভের কলকাতা মণ্ডলের অফিসার টি জে বৈদ্য। বাণগড়ের ঢিবির দিকে যাওয়ার পথেই, ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষেণ একটা সাইনবোর্ড দিয়ে গোটা এলাকাকে তাদের অধীনে নিয়ে নিয়েছেন। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস জানার প্রচেষ্টা বলতে এটুকু। যদিও, ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানাচ্ছে, তাদের খনন কাজের ফলে জানা গিয়েছে বাণগড়ে মাটিতে চাপা পড়ে রয়েছে পাল-সেন যুগের বহু ইতিহাস। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে খননকার্যে জানা গেছে, বাণগড়ের ধ্বংসাবশেষ, প্রাচীন 'কোটিবর্ষ' এবং 'দেবীকোট' নামে পরিচিত আয়তকার প্রতিরক্ষা প্রাকার বেষ্টিত একটি সুরক্ষিত এলাকা। উত্তর-পূর্বের বিস্তৃত প্রাচীন বসতিও এই সংরক্ষিত এলাকার অন্তর্ভুক্ত। এই স্থানে মৌর্য যুগ থেকে মুসলমান কাল পর্যন্ত পাঁচটা অধিবসতির স্তর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ সনাক্ত করেছেন। খননের ফলে যা পাওয়া গেছে, তার মধ্যে পালযুগের স্তম্ভবিশিষ্ট চন্দ্রাতপ দ্বারা আচ্ছাদিত একটা অপরিসর পদ্মাকৃতি কুণ্ড। ধ্বংসস্তূপের গৃহসারির মধ্যে একটা শস্যাগারের সন্ধান মিলেছে। পাওয়া গেছে লাল ও কালোমাটির অনেকগুলো পাত্র, তামার সামগ্রী, ওটেল অ্যান্ড ডাম্ব পদ্ধতিতে (ছোট ছোট বাঁশের আড়াআড়ি খাঁচায় মাটি জমিয়ে) তৈরি বাড়িঘর ও অগ্নিকুণ্ড। ওটেল অ্যান্ড ডাম্ব পদ্ধতিতে এখনও বাড়ি তৈরি করেন আদিবাসীরা, যা প্রাচীনতম পদ্ধতি বলে মনে করা হয়। পাওয়া গেছে প্রাচীন মুদ্রা, বৃষ, বরাহ দেবতা ও পাথরের বহু দেবদেবীর মূর্তি। এছাড়া তামা ও নানা ধাতুর তৈরি বহু বাসনপত্র ও গয়না উদ্ধার হয়েছে। অর্থাৎ সেই সময় এইসব সামগ্রীর ব্যবহার চালু ছিল। এর অনেকগুলোই সপ্তম থেকে নবম শতকের মধ্যে পালযুগে তৈরি বলে গবেষকদের মত। অতি সম্প্রতি উদ্ধার হয়েছে ধনুর্ধরের মূর্তিখচিত একটি পট্ট, ব্যাসাল্ট পাথরের বুদ্ধের মস্তক ও বৌদ্ধমঠে ব্যবহৃত জলদানের ঝারি। একটা ছোট নৌকা উদ্ধারে প্রমাণিত হয় যে, এই নগর নৌ-বাণিজ্যে পটু ছিল। এখানে গুপ্ত যুগের বৃহৎ দেওয়াল, তামার মুদ্রা, পাল যুগের মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, মৌর্য যুগের পাতকুয়া, পোড়ামাটির থালা, বিভিন্ন ধরনের মৃৎপাত্র, পাথরের মালা, তামার মুদ্রা ইত্যাদি পাওয়া গেছে। তাছাড়া পোড়ামাটির স্ত্রী মূর্তি, ব্রাহ্মীলিপি যুক্ত পোড়ামাটির শিলিং, নগর রক্ষায় নির্মিত পোড়ামাটির ক্ষেপনীও পাওয়া গেছে। এর বেশি কিছু আর খুঁজে দেখাই হয়নি। কারণ, খনন কাজের এক শতাংশও সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে, বহু অজানা ইতিহাস মাটি চাপা পড়ে রয়েছে বাণগড়ে। বাণগড়ে মৌর্য-শুঙ্গ-কুশান ও গুপ্তযুগ, গুপ্তযুগের পরবর্তী পর্যায় এবং পালযুগের সামগ্রীর অসংখ্য নিদর্শন রয়েছে। শুঙ্গ ও কুশানযুগ হল খ্রিস্টপূর্ব ১৩০ থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দের প্রথমার্ধ। তারও আগে ছিল মৌর্যযুগ। খৃস্টপূর্ব ৩২১ থেকে খৃস্টপূর্ব ১৮৫ সাল। এটাই প্রাচীন দেবকোট। এই আবিষ্কার করেছেন আবার পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের বাংলার কর্মীরাই। অধুনা বাংলাদেশের রাজা পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী মহাস্থানগড়ের অধীনেই ছিল দেবীকোটা। পরবর্তীকালে চন্দ্রবংশ, বর্মনরাজ এবং সেনরাজাদের সময়েও তার প্রতিপত্তি ছিল। ১২০৪ সালে বক্তিয়ার খিলজি বাংলায় রাজত্ব শুরুর সময়েও পুনর্ভবা নদীতীরে, রাঢ় বাংলার দেবকোটে কিছুদিন রাজধানী তৈরি করেছিলেন। উত্তরবঙ্গের ইতিহাসবিদদের মতে, বাণগড়ের দেবকোট, উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন স্থান। স্থানীয় এলাকার প্রাচীন সাহিত্যগুলোতে এর উল্লেখ আছে। গুপ্তযুগে প্রাচীন নগর ও দুর্গের চিহ্নবিশিষ্ট এ-জায়গার নাম ছিল - বিষয়। গভীর পরিখা দিয়ে ঘেরা ভিতরে দুর্গের পাঁচিলে সুরক্ষিত ছিল এই নগর। দুর্গের দেওয়াল ছিল নগরের উচ্চতার চেয়েও আট ফুট উঁচু। উত্তর-পশ্চিমে নগরে প্রবেশের পথে ছিল আটটা পাহারা শিবির। পরিখার সঙ্গে যুক্ত ছিল একটা বিশাল দিঘি, আর দিঘির সঙ্গে যুক্ত ছিল পুনর্ভবা নদী। অর্থাৎ, পরিখার জল কমে গেলে দিঘির থেকে জল সরবরাহ করা হতো, আর দিঘির জল যাতে না কমে তার জন্য খাল দিয়ে যোগ ছিল নদীর। ছিল উন্নত পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থাও, যা আধুনিক নগরের প্রমাণ। গড়ের উত্তর ও পূর্ব দিকেই ছিল মূল জনবসতি। পুরাতাত্ত্বিকদের মতে, ১২০০ একর এলাকা জুড়ে ছিল বাণগড়, যার ১৪১ একরে ছিল দুর্গ। খননে তারই খানিকটা আজ দেখা যায়। সেই সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হতে বসেছে এই প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইণ্ডিয়ার উদ্যোগে বেশ কয়েকবার খনন কার্য হয়েছে। তাতে পাল, সেন ও মৌর্য যুগের বহু নিদর্শন পাওয়া যায়। কিন্তু আজও খনন কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ফলে নিতান্ত অবহেলায় পড়ে রয়েছে এই বাণগড়। সমগ্র উত্তরবঙ্গে এরকম প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন আর নেই। বেশ কয়েকবার খনন কাজে বহু প্রাচীন নিদর্শন মিলেছে। খনন কাজ শেষ করা হলে হয়ত আরও অনেক কিছু পাওয়া যেত। প্রশাসনের কাছে আবেদন, ফের খনন কার্য শুরু করা হোক। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সদর বালুরঘাট থেকে ৪৭ কিলোমিটার দুরে গঙ্গারামপুর থানার গঙ্গারামপুর ব্লকের শিববাড়িতে বাণগড় অবস্থিত। বর্তমানে এটা ঢিবির আকারে রয়েছে। কথিত আছে এই গড় থেকে রাজ্য শাসন করতেন বালি রাজা। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে বান, রাজা হয়েছিলেন। তাঁর নাম অনুসারেই এর নাম হয়েছে বাণগড়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাণগড়ের মতো অমূল্য ঐতিহাসিক নিদর্শনকে টিকিয়ে রাখতে হলে, প্রথমেই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অন্তত সীমানা প্রাচীর দেওয়া উচিত। না হলে এই নিদর্শন একদিন হারিয়ে যাবে। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
bangarhenglish : "Bangarh:-There is a very old excavation in Bangarh. The Bangarh site is quite open. There is no wall or guard. As a result, bricks and stones are being stolen almost every day. And it can be understood only by seeing that the anti-socials have had a chat there. The unknown history of India is still in underground as only the maintenance and excavations have come to a halt. However, historians say that Bangarh of Gangarampur police station in South Dinajpur can change the history of ancient India. Started, but not completely excavated, the history of ancient India is still imprisoned in the underearth. The Archaeological Survey of India has done away with the responsibility by hanging a signboard. Due to this indifference of the survey, a lot of history has remained unknown to everyone from the district people to the countrymen, the teachers and professors of history of various colleges and universities. Not too long ago, the incident will be in the year 2000. Achintyakrishna Goswami, a hobby historian and professor of culture at Balurghat College, got the news that some children had found a rounded object while digging sand in the Purnabhaba river near Bangarh in Gangarampur police station. Curious Achintyakrishnababu rented a car and reached the spot from Balurghat. He saw an oval object, much like a black cannonball. He bought it for only a few hundred rupees. After further searching, he took several such oval objects that day and kept them in his own museum at Balurghat. Somehow an object broke. Achintyababu's idea is that this oval object is actually a cannonball. Later, Achintyakrishnababu presented a surprising information. He said that in the history of India, in the first battle of Panipat in 1526, Babur used gunpowder for the first time. However, artillery shells found on the banks of the Purnabhava River could change India's history. Because, in the Pal-Sen era, civilization was formed in Bangarh hundreds of years before the first battle of Panipath. This cannonball had the use of ammunition. Not naturally Babur, gunpowder was used in ancient India in Bangarh. On that day, he said, there is a lot of unknown history of India buried in the soil of Bangarh. The Indian Army also took a sample of his recovered ammunition and kept it in their archives. Despite many attempts, Achintyakrishnababu could not start complete excavation work in Bangarh. With that unhappiness, he has left the world. Then no one else like him thinks anything like that about Bangarh. That is why the ancient history of India is still buried in Bangarh. The first excavations were carried out here from 1938-1941 under the leadership of the then Professor Kunjagobinda Goswami of Calcutta University. The excavations led to the discovery of a Pal-era temple and many ancient relics from the Maurya, Gupta and Sen era. Most of them are kept in Balurghat Museum. After that Bangarh came to notice. No more excavations were carried out after that. Excavation resumed in 2008-09 due to demands from various quarters, which did not go far? The search was carried out by T J Vaidya, an officer of the Calcutta Division of the Archaeological Survey, marking a huge mound of soil over an area of 140 acres and the surrounding 1000 acres. On their way to the mound at Bangarh, the Archaeological Survey of India has taken the whole area under their control with a signboard. This is an attempt to know the history of ancient India. However, according to the Indian Archaeological Survey, their excavations have revealed that there is a lot of history of the Pal-Sen period buried in the ground at Bangarh. Excavations under the supervision of Calcutta University have revealed that the ruins of Bangarh are a protected area surrounded by ancient 'Kotivarsha' and 'Debikot' rectangular defenses. Extensive ancient settlements in the north-east also include this protected area. Archaeological Survey of India has identified five settlements at this place from Maurya period to Muslim period. Excavations have unearthed an impenetrable lotus-shaped pond covered by Pal-era pillars. A granary was found in the rubble. Many red and black earthenware pots, copper utensils, houses and fireplaces made in the Otel and Dumb method were found. Indigenous people still build houses in the Otel and Dumb method, which is considered to be the oldest method. Ancient coins, idols of bulls, pigs and many stone deities have been found. Besides, many utensils and jewels made of copper and various metals have been recovered. In other words, the use of these materials was done at that time. According to researchers, many of them were made in the Pal period between the seventh and ninth centuries. Most recently, a plate with a statue of an archer, a basalt stone Buddha's head and a watering can used in a Buddhist monastery have been recovered. The rescue of a small boat proved that the city was good at shipping. Large walls of the Gupta period, copper coins, ruins of temples of the Pal period, pot wells of the Maurya period, terracotta dishes, various types of pottery, stone garlands, copper coins etc. have been found here. Besides, terracotta female idols, terracotta shillings with Brahmi inscriptions, terracotta missiles built to protect the city have also been found. Nothing more was found. Because, even one percent of the excavation work was not completed. As a result, many unknown histories are buried in Bangarh. There are innumerable specimens of Maurya-Shunga-Kushan and Gupta period, later stages of Gupta period and Pal period in Bangarh. The Shunga and Kushan periods are from 130 BC to the first and second half of the second century AD. Even before that was the Maurya era. 321 BC to 165 BC. This is the ancient Devkot. This discovery was made again by the Bengali workers of the Archaeological Survey. Devikota was now under Mahasthangarh, the capital of King Pundravardhana of Bangladesh. Later he also had prestige during the Chandra dynasty, Burman Raj and Sena Rajas. Even at the beginning of the reign of Bakhtiyar Khilji in Bengal in 1204, on the banks of the river Punarbhaba, Radh made Devkot the capital of Bengal for some time. According to the historians of North Bengal, Devkot in Bangarh is one of the most important ancient sites in North Bengal. It is mentioned in the ancient literature of the local area. In the Gupta period, the name of this place was marked with ancient cities and forts. The city was protected by a fortified wall inside a deep moat. The walls of the fort were eight feet higher than the height of the city. There were eight guard camps at the entrance to the city to the north-west. Associated with the moat was a huge tank, and with the tank was connected the river Punarbhaba. That is to say, water was supplied from the tank when the water of the moat decreased, and the river was added through the canal so that the water of the tank did not decrease at any time. There was also an improved sewerage system, which is a evidence to the modern city. The main settlements were to the north and east of the Fort. According to archaeologists, Bangarh covered an area of 1,200 acres, with a fort on 141 acres. Some of it can be seen in the excavations today. At the same time, these ancient historical monuments are being ruined due to lack of maintenance. Excavations have been carried out several times at the initiative of the Archaeological Survey of India. It contains many specimens of the Pal, Sen and Maurya eras. But even today the excavation work is not completely finished. As a result, this fort is completely neglected. There are no such ancient historical monuments in the whole of North Bengal. Many ancient artifacts have been found during excavations. If the excavation work had been completed, perhaps more could have been found. Appeal to the administration; let the excavation work be started again. Bangarh is located at Shivbari in Gangarampur block of Gangarampur police station, 48 km from South Dinajpur district headquarters Balurghat. At present it is in the form of mounds. It is said that the king of Bali ruled the kingdom from this fort. After his death, his son Ban became king. Bangarh is named after him. According to knowledgeable sources, in order to preserve invaluable historical monuments like Bangarh, at least a boundary wall should be provided for maintenance. Otherwise this historical presentation will be lost one day. "+
"Read More..."+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
bangarhhindi : "बनगढ़:-बनगढ़ में बहुत पुराना उत्खनन स्थल है। बनगढ़ स्थल काफी खुला है। कोई दीवार या पहरा नहीं है। नतीजतन, लगभग हर दिन ईंट और पत्थर चोरी हो रहे हैं। और यह देखकर ही समझा जा सकता है कि असामाजिक तत्वों ने वहां बातचीत की है। भारत का अज्ञात इतिहास अभी भी जमीन के नीचे है क्योंकि केवल रखरखाव और खुदाई रुक गई है। हालांकि, इतिहासकारों का कहना है कि दक्षिण दिनाजपुर के गंगारामपुर थाने का बनगढ़ प्राचीन भारत के इतिहास को बदल सकता है। शुरू हुआ, लेकिन पूरी तरह से खुदाई नहीं हुई, प्राचीन भारत का इतिहास अभी भी जमीन के नीचे कैद है। भारतीय पुरातत्व सर्वेक्षण ने एक साइनबोर्ड लटकाकर जिम्मेदारी से इतिश्री कर ली है। सर्वेक्षण की इस उदासीनता के कारण, जिले के लोगों से लेकर देशवासियों, विभिन्न कॉलेजों और विश्वविद्यालयों के इतिहास के शिक्षकों और प्रोफेसरों तक सभी के लिए बहुत सारा इतिहास अज्ञात रह गया है। ज्यादा समय पहले की बात नहीं है, घटना वर्ष 2000 की होगी। बालुरघाट कॉलेज में शौकिया इतिहासकार और संस्कृति के प्रोफेसर अचिंत्यकृष्ण गोस्वामी को खबर मिली कि कुछ बच्चों को गंगारामपुर थाने के बनगढ़ के पास पूर्णाभाबा नदी में रेत खोदते समय एक गोल वस्तु मिली है। जिज्ञासु अचिंत्यकृष्णबाबू ने एक कार किराए पर ली और बालुरघाट से घटनास्थल पर पहुंचे। उन्होंने एक अंडाकार वस्तु देखी, जो काले तोप के गोले जैसी थी। उन्होंने इसे केवल कुछ सौ रुपये में खरीद लिया। आगे खोज करने के बाद, उन्होंने उस दिन ऐसी कई अंडाकार वस्तुएं लीं और उन्हें बालुरघाट के अपने संग्रहालय में रख दिया। किसी तरह एक वस्तु टूट गई। अचिंत्यबाबू का विचार है कि यह अंडाकार वस्तु वास्तव में एक तोप का गोला है। बाद में, अचिंत्यकृष्णबाबू ने एक आश्चर्यजनक जानकारी प्रस्तुत की। उन्होंने कहा कि भारत के इतिहास में, 1526 में पानीपत की पहली लड़ाई में क्योंकि, पाल-सेन युग में, पानीपत की पहली लड़ाई से सैकड़ों साल पहले बनगढ़ में सभ्यता का निर्माण हुआ था। इस तोप के गोले में गोला-बारूद का इस्तेमाल होता था। स्वाभाविक रूप से बाबर नहीं, बनगढ़ में प्राचीन भारत में बारूद का इस्तेमाल किया जाता था। उस दिन, उन्होंने कहा, बनगढ़ की धरती में भारत का बहुत सारा अज्ञात इतिहास दफन है। भारतीय सेना ने उनके बरामद गोला-बारूद का एक नमूना भी लिया और उसे अपने अभिलेखागार में रखा। कई प्रयासों के बावजूद, अचिंत्यकृष्णबाबू बनगढ़ में पूर्ण खुदाई का काम शुरू नहीं कर सके। उस दुःख के साथ, उन्होंने दुनिया छोड़ दी है। फिर उनके जैसा कोई और बनगढ़ के बारे में ऐसा कुछ नहीं सोचता। इसीलिए भारत का प्राचीन इतिहास आज भी बनगढ़ में दफन है। पहली खुदाई यहां 1938-1941 के बीच कलकत्ता विश्वविद्यालय के तत्कालीन प्रोफेसर कुंजगोविंद गोस्वामी के नेतृत्व में की गई थी उसके बाद कोई और खुदाई नहीं की गई। विभिन्न तिमाहियों से मांग के कारण 2008-09 में खुदाई फिर से शुरू हुई, जो ज्यादा आगे नहीं बढ़ पाई। पुरातत्व सर्वेक्षण के कलकत्ता डिवीजन के एक अधिकारी टी जे वैद्य ने खोज की, जिसमें 140 एकड़ और आसपास के 1000 एकड़ क्षेत्र में मिट्टी का एक विशाल टीला चिह्नित किया गया। बनगढ़ में टीले के रास्ते में, भारतीय पुरातत्व सर्वेक्षण ने एक साइनबोर्ड के साथ पूरे क्षेत्र को अपने नियंत्रण में ले लिया है। यह प्राचीन भारत के इतिहास को जानने का एक प्रयास है। हालांकि, भारतीय पुरातत्व सर्वेक्षण के अनुसार, उनके उत्खनन से पता चला है कि बनगढ़ में पाल-सेन काल का बहुत सारा इतिहास जमीन में दबा हुआ है। कलकत्ता विश्वविद्यालय की देखरेख में किए गए उत्खनन से पता चला है कि बनगढ़ के खंडहर एक संरक्षित क्षेत्र हैं जो प्राचीन 'कोटिवर्ष' और 'देवीकोट' आयताकार सुरक्षा से घिरा हुआ है भारतीय पुरातत्व सर्वेक्षण ने इस स्थान पर मौर्य काल से लेकर मुस्लिम काल तक की पाँच बस्तियों की पहचान की है।उत्खनन से पाल-युग के स्तंभों से ढका एक अभेद्य कमल के आकार का तालाब मिला है। मलबे में एक अन्न भंडार मिला है। लाल और काले मिट्टी के बर्तन, तांबे के बर्तन, ओटेल और डंब पद्धति से बने घर और चूल्हे मिले हैं। स्थानीय लोग आज भी ओटेल और डंब पद्धति से घर बनाते हैं, जिसे सबसे प्राचीन पद्धति माना जाता है। प्राचीन सिक्के, बैल, सूअर और कई पत्थर के देवताओं की मूर्तियाँ मिली हैं। इसके अलावा, तांबे और विभिन्न धातुओं से बने कई बर्तन और आभूषण भी मिले हैं। दूसरे शब्दों में, उस समय इन सामग्रियों का उपयोग किया जाता था। शोधकर्ताओं के अनुसार, इनमें से कई सातवीं और नौवीं शताब्दी के बीच पाल काल में बनाए गए थे। हाल ही में, एक धनुर्धर की मूर्ति वाली एक प्लेट, बेसाल्ट पत्थर से बना बुद्ध का सिर और एक बौद्ध मठ में इस्तेमाल होने वाला पानी का डिब्बा बरामद किया गया है। एक छोटी नाव के बचाव ने साबित कर दिया कि यह शहर नौवहन में अच्छा था। गुप्त काल की विशाल दीवारें, तांबे के सिक्के, पाल काल के मंदिरों के खंडहर, मौर्य काल के कुएँ, टेराकोटा के बर्तन, विभिन्न प्रकार के मिट्टी के बर्तन, पत्थर की मालाएँ, तांबे के सिक्के आदि यहाँ मिले हैं। इसके अलावा, टेराकोटा की महिला मूर्तियाँ, ब्राह्मी शिलालेखों के साथ टेराकोटा शिलिंग, शहर की रक्षा के लिए निर्मित टेराकोटा मिसाइलें भी मिली हैं। इससे अधिक कुछ नहीं मिला। क्योंकि, खुदाई का एक प्रतिशत काम भी पूरा नहीं हुआ था। परिणामस्वरूप, कई अज्ञात इतिहास बनगढ़ में दफन हैं। बनगढ़ में मौर्य-शुंग-कुषाण और गुप्त काल, गुप्त काल के बाद के चरणों और पाल काल के असंख्य नमूने हैं। शुंग और कुषाण काल 130 ईसा पूर्व से दूसरी शताब्दी ईस्वी के पूर्व और उत्तरार्ध तक हैं। उससे भी पहले मौर्य युग था। 321 ईसा पूर्व से 165 ईसा पूर्व तक। यह प्राचीन देवकोट है। यह खोज पुरातत्व सर्वेक्षण के बंगाली श्रमिकों द्वारा फिर से की गई थी। बाद में चंद्र वंश, बर्मन राज और सेन राजाओं के समय भी उनकी प्रतिष्ठा रही। 1204 में बंगाल में बख्तियार खिलजी के शासनकाल के आरंभ में भी, पुनर्भा नदी के तट पर, राधा ने कुछ समय के लिए देवकोट को बंगाल की राजधानी बनाया था। उत्तर बंगाल के इतिहासकारों के अनुसार, बनगढ़ स्थित देवकोट उत्तर बंगाल के सबसे महत्वपूर्ण प्राचीन स्थलों में से एक है। स्थानीय क्षेत्र के प्राचीन साहित्य में इसका उल्लेख मिलता है। गुप्त काल में, इस स्थान का नाम प्राचीन नगरों और किलों से अंकित था। शहर एक गहरी खाई के अंदर एक किलेबंद दीवार से सुरक्षित था। किले की दीवारें शहर की ऊंचाई से आठ फीट ऊंची थीं। शहर के प्रवेश द्वार पर उत्तर-पश्चिम में आठ रक्षक शिविर थे। खाई से जुड़ा एक विशाल तालाब था, और तालाब से पुनर्भा नदी जुड़ी हुई थी। अर्थात्, जब खाई का पानी कम हो जाता था, तो तालाब से पानी की आपूर्ति की जाती थी यहां एक बेहतर सीवरेज प्रणाली भी थी, जो आधुनिक शहर का प्रमाण है। मुख्य बस्तियां किले के उत्तर और पूर्व में थीं। पुरातत्वविदों के अनुसार, बनगढ़ 1,200 एकड़ क्षेत्र में फैला था, जिसमें 141 एकड़ में एक किला था। इसका कुछ हिस्सा आज खुदाई में देखा जा सकता है। वहीं, रखरखाव के अभाव में ये प्राचीन ऐतिहासिक स्मारक बर्बाद हो रहे हैं। भारतीय पुरातत्व सर्वेक्षण की पहल पर कई बार खुदाई की गई है। इसमें पाल, सेन और मौर्य युग के कई नमूने हैं। लेकिन आज भी खुदाई का काम पूरी तरह से समाप्त नहीं हुआ है। नतीजतन, यह किला पूरी तरह से उपेक्षित है। पूरे उत्तर बंगाल में ऐसा कोई प्राचीन ऐतिहासिक स्मारक नहीं है। खुदाई के दौरान कई प्राचीन कलाकृतियां मिली हैं। अगर खुदाई का काम पूरा हो गया होता, तो शायद और भी मिल सकते थे। प्रशासन से अपील है कि खुदाई का काम फिर से शुरू किया जाए। वर्तमान में यह टीलों के रूप में है। कहा जाता है कि बलि के राजा इसी किले से राज्य चलाते थे। उनकी मृत्यु के बाद उनके पुत्र बाण राजा बने। उन्हीं के नाम पर बाणगढ़ का नाम पड़ा। जानकार सूत्रों के अनुसार, बाणगढ़ जैसी अमूल्य ऐतिहासिक धरोहर को संरक्षित रखने के लिए कम से कम एक चारदीवारी का रखरखाव तो होना ही चाहिए। अन्यथा यह ऐतिहासिक धरोहर एक दिन लुप्त हो जाएगी। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photobangarh : ""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
manholirajbaribengali : "মানহোলি রাজবাড়িঃ-চললাম মানহোলি রাজবাড়িতে। এই ভাঙ্গা রাজবাড়ি নিয়ে অনেক   🎞️ আমি দেখেছি, ও ভয়ানক ভয়ানক ভূতের গল্প রয়েছে এই রাজবাড়িকে কেন্দ্র করে। অনেক লোককে জিজ্ঞাসা করে পৌঁছলাম আমাদের অভীষ্ট জায়গায়। প্রথমেই একটা ভাঙা পুরানো রাজবাড়ি দেখলাম। পাশেই রয়েছে একটা দুর্গা দালান। মনে হয় এখানে পুজো হয়, কারণ জায়গাটা একেবারে ভেঙে পড়েনি। পাশেই রয়েছে আসল রাজবাড়ি। বর্তমানে রাজবাড়ি দেখভাল করার জন্যে, এক ভদ্রমহিলা ও তাঁর ভাই থাকেন । আমরা যেতে উনি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব কিছু দেখালেন ও পুরানো ইতিহাস বললেন। এখানকার প্রায় পুরো গ্রামটাই রাজবাড়ির অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু কালের নিয়মে আর দেখভালের অভাবে, সব বেহাত হয়ে যায়। তবুও যা রয়েছে তা খুব কম নয়। সুন্দর স্টাকৌ কাজের বারান্দা ও মাথা, সাথে রয়েছে কাঠের কাজ করা খড়খড়ির জানলা। সামনে পুকুর ও পাশে রয়েছে দুর্গাদালান। ভেঙে গেলেও তার ঐতিহ্য এতটুকু ম্লান হয়নি। ভদ্রমহিলার সাথে কথা বললাম ও ওনাদের আগামী প্ল্যানিংও জানলাম। আমাদের দুর্গাপুজোর সময় নিমন্ত্রণ জানালেন। উষ্ণ আপ্যায়ন ও অভ্যর্থনায় আমরা মুগ্ধ। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
manholirajbarienglish : "Manholi Rajbari:-We went to Manholi Rajbari. I have seen many videos about this broken palace, and there are stories of horrible ghosts centering on this palace. After asking many people, we reached our destination. At first I saw a broken old palace. There is a fort building next to it. I think there is worship here, because the place is not completely broken. Next to it is the real palace. At present there is a lady and her brother to look after the palace. As we went she turned around and showed us everything and told the old history. Almost the whole village was included in the palace, but due to lack of time and care, everything became useless. Yet what is there is not too little. Beautiful stucco work porch and head, with wooden shuttered windows. There is a pond in front and Durgadalan next to it. Although broken, its tradition has not faded. I talked to the lady and got to know their future plans. He invited us during Durga Puja. We are fascinated by the warm hospitality and reception. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
manholirajbarihindi : "मनहोली राजबाड़ी:-हम मनहोली राजबाड़ी गए। मैंने इस टूटे-फूटे महल के बारे में कई वीडियो देखे हैं, और इस महल से जुड़ी भयानक भूत-प्रेतों की कहानियाँ भी हैं। कई लोगों से पूछते-पूछते हम अपनी मंज़िल पर पहुँच गए। सबसे पहले मैंने एक टूटा-फूटा पुराना महल देखा। उसके बगल में एक किलानुमा इमारत है। मुझे लगता है कि यहाँ पूजा होती होगी, क्योंकि यह जगह पूरी तरह टूटी-फूटी नहीं है। उसके बगल में ही असली महल है। फ़िलहाल महल की देखभाल के लिए एक महिला और उसका भाई रहते हैं। जाते-जाते उसने मुड़कर हमें सब कुछ दिखाया और पुराना इतिहास बताया। लगभग पूरा गाँव महल में समाया हुआ था, लेकिन समय और देखभाल की कमी के कारण सब कुछ बेकार हो गया। फिर भी जो कुछ है, वह कम नहीं है। सुंदर प्लास्टर वर्क वाला बरामदा और सिरहाने, लकड़ी के शटर वाली खिड़कियाँ। सामने एक तालाब है और उसके बगल में दुर्गादलन। हालाँकि टूटा-फूटा है, फिर भी इसकी परंपरा धूमिल नहीं हुई है। मैंने उस महिला से बात की और उनकी भविष्य की योजनाएँ जानीं। उन्होंने हमें दुर्गा पूजा के दौरान आमंत्रित किया था। हम उनके गर्मजोशी भरे आतिथ्य और स्वागत से अभिभूत हैं। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photomanholirajbari : ""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
hilibengali : "হিলিঃ-হিলি একটা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের স্থলবন্দর এবং সীমান্ত চৌকি, যা পণ্য এবং লোকজনের সুচারু চলাচলের জন্যে ২০১৮ সালে একীভূত চেকপোস্ট হিসাবে বিকশিত হয়েছে। হিলির একটা অংশ বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার হিলি স্থলবন্দর নামে পরিচিত। সীমান্তের ওপারে ট্রাকে করে বাণিজ্য হয়। হিলিতে আমদানির-রফতানির জন্যে একটা শুল্ক অফিস রয়েছে। এটা ২০১৩ সালে জাতিসংঘের একটা চুক্তি অনুযায়ী, যা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে, স্থল বন্দরগুলোর বিকাশের সহযোগিতার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তঃসরকারী চুক্তি করা হয়। হিলি, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত একটা জনপ্রিয় সীমানা হিসেবে পরিচিত।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
hilienglish : "Hili:-Hili is a land port and border post on the Bangladesh-India border, which was developed in 2016 as an integrated check post for the smooth movement of goods and people. A part of Hili is known as Hili land port of Dinajpur district of Bangladesh. Trade is done by truck across the border. Hili has a customs office for import-export. It was set up in 2013 under a United Nations agreement to co-operate in the development of land ports in the Asia-Pacific region. According to that rule, intergovernmental agreement was made with Bangladesh. Hili is known as a popular border line on the Indo-Bangladesh border."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
hilihindi : "हिली:-हिली, बांग्लादेश-भारत सीमा पर स्थित एक भूमि बंदरगाह और सीमा चौकी है, जिसे 2016 में माल और लोगों की सुचारू आवाजाही के लिए एक एकीकृत जाँच चौकी के रूप में विकसित किया गया था। हिली का एक हिस्सा बांग्लादेश के दिनाजपुर ज़िले में स्थित हिली भूमि बंदरगाह के रूप में जाना जाता है। सीमा पार व्यापार ट्रकों द्वारा किया जाता है। हिली में आयात-निर्यात के लिए एक सीमा शुल्क कार्यालय है। इसकी स्थापना 2013 में एशिया-प्रशांत क्षेत्र में भूमि बंदरगाहों के विकास में सहयोग हेतु संयुक्त राष्ट्र समझौते के तहत की गई थी। उसी नियम के अनुसार, बांग्लादेश के साथ एक अंतर-सरकारी समझौता किया गया था। हिली को भारत-बांग्लादेश सीमा पर एक लोकप्रिय सीमा रेखा के रूप में जाना जाता है।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photohili : ""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
dinajpurintrobengali : "দক্ষিণ দিনাজপুরঃ-১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময়, পূর্ব বাংলা বা বর্তমান বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলা থেকে, পশ্চিম দিনাজপুর জেলা তৈরি করা হয়েছিল। দিনাজপুর জেলার বাকি অংশ এখন বাংলাদেশে। ১৯৫৬ সালে, বিহারের কিছু এলাকা যুক্ত করে, রাজ্য পুনর্গঠনের সময়, পশ্চিম দিনাজপুর জেলাকে বড় করা হয়। এই জেলা ১ এপ্রিল ১৯৯২ সালে উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে বিভক্ত করা হয়। বাঁশিহারি এবং কুশমান্ডি ব্লকের সাথে পূর্ববর্তী বালুরঘাট মহকুমা, আগে যা রায়গঞ্জ মহকুমায় ছিল, তা নিয়ে নতুন জেলা গঠিত হয়। জেলায় আত্রেয়ী, পুনর্ভবা, টাঙ্গন এবং ব্রাহ্মণীর মতো উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত বেশ কয়েকটা নদী জেলাকে ঘিরে রেখেছে। এটা প্রধানত একটা কৃষিপ্রধান জেলা, যেখানে বিশাল এলাকা চাষের অধীনে রয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় কোন বড় শিল্প নেই। মাঝারি স্কেল সেক্টরে, প্রথম শিল্প ২০০৩ সালের নভেম্বর মাসে শুরু হয়। পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থাও খুব একটা সন্তোষজনক নয়। জেলা সদরের একলাখি ও বালুরঘাটের মধ্যে নতুন রেললাইন স্থাপন করা হয়েছে। ২০০৪ সালে ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়েছে। এখানে একটা মাত্র রাজ্য সড়ক রয়েছে যার মধ্যে ৩ কিমি ৩৪ নং জাতীয় সড়কে পড়ে। বাংলা এই জেলার প্রধান ভাষা। প্রধান সম্প্রদায় হলো হিন্দু আর মুসলমান এবং তারাই জনসংখ্যার প্রধান অংশ গঠন করে।দক্ষিণ দিনাজপুরের ইতিহাসঃ-পশ্চিম দিনাজপুর জেলা ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে অস্তিত্ব লাভ করে। দেশভাগ অনুযায়ী বাংলা প্রদেশকে দু ভাগে ভাগ করা হয়। বিভাজন রেখাটা দিনাজপুর জেলার মধ্যে দিয়ে গেছে। রেখার পশ্চিমে অবস্থিত অংশের নাম পশ্চিম দিনাজপুর। দিনাজপুর নামের উৎপত্তি সম্পর্কে কোনো স্থানীয় ঐতিহ্য নেই। পশ্চিম দিনাজপুর জেলা একটা এলাকা নিয়ে গঠিত, যা প্রাচীনকালে পুন্ড্রবর্ধন রাজ্যের অংশ ছিল বা পুন্ড্রদের দেশ ছিল। হরিসেনের বৃহৎকথাকোষ অনুসারে, চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের জৈন গুরু ছিলেন ভদ্রবাহু, যিনি পুন্ড্রবর্ধন রাজ্যের কোটিবর্ষ এলাকার এক ব্রাহ্মণের পুত্র। জৈন ঐতিহ্য অনুসারে, ভদ্রবাহুর শিষ্য গোদাসা, গোদাসাগন নামে একটা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা কালক্রমে চার শাখায় বিকশিত হয়। এই চারটের মধ্যে তিনটেকে বলা হতো তাম্রলিপিকা, কোটিবর্ষীয়, এবং পুন্ড্রবর্ধনীয়। কোটিবর্ষকে দেবকোটের সাথে সনাক্ত করা হয়েছে, যা গঙ্গারামপুরের বানগড়ে রয়েছে। জৈন ধর্মের প্রায় একই সময়ে পুন্ড্রবর্ধনে বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার ঘটে। মহাস্থানগড়ের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ১৯৩১ সালে একটা সীলমোহর আবিষ্কার, এই সত্য প্রতিষ্ঠিত করে যে, পুন্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়, মৌর্য যুগে বৌদ্ধ ধর্মের কেন্দ্র ছিল। মহাস্থানগড়ের সীলমোহরের বার্তা পুন্ড্রনগরে বসবাসকারী ছাভাগগিয়া সম্প্রদায়ের শ্রমণদের দুর্ভোগ প্রকাশ করে, এবং দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় তাদের সাহায্য করার পদক্ষেপ সম্পর্কে, নির্দেশনা প্রকাশ করে। ১৯৩৭ থেকে ১৯৪১ সালের মধ্যে বানগড়ে খননের সময় পাওয়া কয়েকটা মাটির সীলের গায়ে লেখা রয়েছে, যা মৌর্য যুগের পরিচয় বহন করে। তাই জেলাটা মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করা হয়। মহাস্থানগড় এবং বানগড়ে, শুঙ্গ যুগের টেরাকোটা মূর্তি, এবং কুশান স্বর্ণমুদ্রার আবিষ্কার থেকে বোঝা যায় যে, শুঙ্গ ও কুশান যুগের রাজত্বকালে পুন্ড্রবর্ধন ভারতের বাকি অংশের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখেছিল। টেরাকোটা মূর্তিগুলো দেখায় যে, সেই সময়ে চারুকলার বিকাশও হয়েছিল। সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ স্তম্ভের শিলালিপিতে সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্যের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত রাজ্য হিসেবে সমতট, দাভাক এবং কামরূপের উল্লেখ রয়েছে। পশ্চিম দিনাজপুর জেলার অভ্যন্তরে বা তার কাছাকাছি, গুপ্ত ও গুপ্ত পরবর্তী যুগের বহু শিলালিপির আবিষ্কার পুন্ড্রবর্ধনে গুপ্তদের থাকার যথেষ্ট সাক্ষ্য বহন করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ফুলবাড়ী থানার দামোদরপুর গ্রামে, পাঁচটা তাম্রলিপি আবিষ্কৃত হয়, এবং হিলি থানার বৈগ্রাম গ্রামে একটা তাম্র-ফলকের শিলালিপি আবিষ্কৃত হয়। হিলি থানার বৈগ্রামে পুকুর খননকালের সময় একটা তামার ফলক আবিষ্কৃত হয়। বৈগ্রাম তাম্রলিপি গুপ্ত যুগের ১২৮ সাল বা ৪৪৮ খৃষ্টাব্দের ইতিহাস প্রকাশ করে ও কুমারগুপ্ত-প্রথমের রাজত্বকে নির্দেশ করে। এই তাম্রলিপি গুপ্ত রাজাদের আমলে দেশের প্রশাসনের কিছু দিক সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য প্রদান করে। লিপিগুলো এই সময়ের মধ্যে একটা দক্ষ এবং পদ্ধতিগত প্রশাসনকে প্রকাশ করে, এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার ব্যবহারের সাথে দেশের সমৃদ্ধির সাক্ষ্য দেয়। গুপ্ত রাজত্বের পর গোপাল প্রতিষ্ঠিত পাল রাজবংশ আসে। পাল রাজাদের রাজত্ব বাংলার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়। পাল সম্রাটের এক সুসংগঠিত নৌবাহিনী ছিল। সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ছিল হস্তীরোহী, অশ্বারোহী এবং উট সৈন্যরা। পাল সম্রাটরা প্রবল বৌদ্ধ ছিলেন, কিন্তু অন্য ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তিদের কখনই বঞ্চিত করেননি। মদন পালের রাজত্বকালে বাংলায় পাল রাজবংশের অবসান ঘটে। সেন রাজবংশের বিজয়সেন তাকে পরাজিত করেন। উত্তরবঙ্গে সেনদের শাসন অবশ্য স্বল্পস্থায়ী ছিল, কারণ, ১২০১ সালে মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী এখানে মুসলিম রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিল। বিজয়সেন, বল্লালসেন, এবং লক্ষ্মণসেন ছিলেন সেই সেন রাজা, যারা খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতাব্দীতে উত্তরবঙ্গ শাসন করেছিলেন। মুহম্মদ বক্তিয়ার খিলজী ১২০১ খ্রিস্টাব্দে নদীয়ায় লক্ষ্মণসেনকে পরাজিত করে। লক্ষণসেন দেবকোটে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকার সময়, আলী মর্দান কাহলজী তাকে হত্যা করে। পরবর্তীকালে মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজীর এক অফিসার, মহম্মদ শিরাণ খিলজী, আলী মর্দানকে পরাজিত করে ও বন্দী করে। তখন মহম্মদ শিরাণ লক্ষণাবতীর শাসক নির্বাচিত হয়। আলী মর্দান দিল্লী পালিয়ে যায়। আলী মর্দান, যিনি মালিক ইজ্জুদ্দিন মুহম্মদ শিরানকে চালনা করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, বাংলার রাজনীতিতে পুনরায় আবির্ভূত হন। ১২১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি কুতাউদ্দীন আইবকের কাছ থেকে লক্ষণাবতীর উপ-রাজত্ব লাভ করেন। মর্দানের শাসনকালও স্বল্পস্থায়ী ছিল, এবং তিনি ১২১৩ সালে খিলজী অভিজাতদের দ্বারা নিহত হন, যারা হুসাম-উন-দিন ইওয়াজকে শাসক হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন। হুসাম-উদ-দিন ইওয়াজ প্রায় চৌদ্দ বছর রাজত্ব করেন, এবং সুলতান গিয়াস-উদ-দিন ইওয়াজ খিলজী উপাধি গ্রহণ করেন। তিনিই দেবকোট বা বর্তমান বানগড় থেকে, ঐতিহাসিক শহর, গৌড়-লক্ষণাবতীতে সরকার স্থানান্তর করেন। তিনি দেবকোট বা বর্তমান বানগড়, এবং বীরভূম জেলার লক্ষৌ, এই দুই সীমান্ত শহরকে একটা অস্বাভাবিক প্রশস্ত এবং উঁচু বাঁধযুক্ত গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের মাধ্যমে, লক্ষৌরের দিকে গঙ্গার মতো বড় নদীতে ফেরি দিয়ে, এবং মহানন্দা এবং পুনর্ভবাকে সংযুক্ত করেছিলেন। আলি মর্দান দিল্লির প্রতি তাঁর আনুগত্য ত্যাগ করেছিলেন এবং সুলতান গিয়াস-উদ-দিন ইওয়াজ খিলজী ১২২৭ সাল পর্যন্ত স্বাধীন রাজা হিসেবে শাসন করেছিলেন। তিনি সুলতান ইলতুৎমিশের জ্যেষ্ঠ পুত্র নাসির-উদ-দিনের হাতে পরাজিত হন। ১২২৭ থেকে ১২৮৭ সাল পর্যন্ত লক্ষণাবতীতে কমপক্ষে পনের জন প্রধানের কর্তৃত্ব ছিল, যাদের মধ্যে দশজন ছিলেন দিল্লির ইম্পিরিয়াল কোর্টের মামলুক বা বশংবদ। এই সময়ের ইতিহাস অভ্যন্তরীণ বিভেদ, দখল এবং হত্যার এক ভয়ানক ইতিহাস। আকবর ১৫৮৫ খ্রিস্টাব্দে বাংলা জয় করেন। তার শাসনামলে পশ্চিম দিনাজপুর জেলা সম্ভবত তাজপুর ও পাঞ্জার সরকারের অন্তর্গত ছিল। বাংলা মুঘলদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই দীর্ঘ প্রায় দুশো বছরের মধ্যে পশ্চিম দিনাজপুর জেলায় উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনা ঘটেনি। জেলাটা ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে আসে, যে বছর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে। তারা মুহম্মদ রেজা খানকে মুর্শিদাবাদে তাদের নায়েব বা ডেপুটি নিযুক্ত করেন। প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ অর্জনের জন্যে, তারা রেজা খানকে, মিরজাফরের পুত্র, নাজম-উদ-দৌলার অধীনে তার ডেপুটি হিসেবে নিয়োগের জন্যে সম্মতি দিতে বাধ্য করেছিল। আকবরের শাসনামলে, আমরা দিনাজপুরের মহান জমিদারী পরিবারের প্রথম প্রামাণিক নিদর্শন পাই, যার সাথে পরবর্তী দু শতাব্দীর এই জেলার ইতিহাস ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধে, এই জেলায় সন্ন্যাসী ও ফকিররা লুটপাট করতে শুরু করে। এই সন্ন্যাসীদের মধ্যে কেউ কেউ বসতি স্থাপন করে, এবং দিনাজপুর জেলা সহ অনেক জায়গায় সম্পত্তি অর্জন করে। এটা স্মরণ করা যেতে পারে যে প্রথম দিকের মুসলিম উপনিবেশিকদের কার্যকলাপ এই ফকির এবং সন্ন্যাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল। এই সন্ন্যাসী ও ফকিররা পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে তীর্থযাত্রার জন্যে এই জেলায় আসতো, কিন্তু বাস্তবে তারা জনগণকে লুণ্ঠন করে সম্পদ আহরণ করতো। ওয়ারেন হেস্টিংস সন্ন্যাসীদের কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেন, কিন্তু ফকিররা ১৭৯৯ সালের শেষের দিকেও জেলার জনগণের ওপর অত্যাচার অব্যাহত রাখে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাদের আইনের আওতায় আনার জন্যে জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ করে, এবং উনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে এগুলো সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়। ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ জেলাকে অশান্ত করে রেখেছিল। বিদ্রোহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল ছিল যে, ভারতীয় বিষয়গুলির প্রশাসন, ব্রিটিশ সরকারের হাতে চলে যায়, এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অস্তিত্ব বন্ধ হয়ে যায়। ব্রিটিশ প্রশাসন নিঃসন্দেহে বাসিন্দাদের উপর শান্তি এবং একধরনের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছিল ঠিকই, কিন্তু প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইংরেজ ও ভারতীয়দের মধ্যে যে বৈষম্য তৈরি করা হয়েছিল তা ধীরে ধীরে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুন তৈরি করে। ১৯০৫ সালে, সেক্রেটারি অফ স্টেট, দার্জিলিং জেলা বাদ দিয়ে, বাংলাকে দু ভাগে ভাগ করার জন্যে, ঢাকা এবং চট্টগ্রাম বিভাগকে আলাদা করে, পূর্ববঙ্গ ও আসামের একটা নতুন প্রদেশ গঠন করার নতুন পরিকল্পনায়, ভারত সরকারের সাথে সম্মত হন । প্রশাসনিক সুবিধার্থে, এবং শিক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে, পূর্ববঙ্গ ও আসামের অগ্রগতি নিশ্চিত করার জন্যে, বাংলাকে ভাগ করার এই প্রস্তাব করা হয়েছিল। এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছিল জেলার মানুষ। লাল মোহন ঘোষ পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, সমস্ত অনারারি ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা বোর্ডের সমস্ত সদস্য, পৌর কমিশনার এবং পঞ্চায়েতদের একসাথে পদত্যাগ করা উচিত। এই উপলক্ষে বারো মাস ধরে জাতীয় শোক পালন করা উচিত যে সময় জনগণ কোনও আনন্দে অংশগ্রহণ করবে না। ১৯০৫ সালের সেপ্টেম্বরে বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করা হয়েছিল। এই ঘোষণার জন্যে জেলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছিল, এবং মহারাজা গিরিজা নাথ রায় বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত দিনাজপুর জেলায় বিপ্লবী আন্দোলন চলতে থাকে। ১৯১৯ সালে স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হলে বালুরঘাটের স্থানীয় কংগ্রেস নেতারা মহকুমা জুড়ে কংগ্রেসের আদর্শ প্রচার করেন। এমনকি প্রত্যন্ত গ্রামেও প্রাথমিক কংগ্রেস কমিটিগুলো সংগঠিত হয়েছিল। সমান্তরাল প্রশাসন স্থাপন করা হয়েছিল। জেলার হিন্দু ও মুসলমানরা যৌথভাবে ১৯২০ সালের খিলাফত আন্দোলনে অংশ নেয়। বিখ্যাত বিপ্লবী পূর্ণচন্দ্র, ১৯৪২ সালে দিনাজপুরে গ্রেফতার হন। সরকারের প্রতিবেদনে দিনাজপুর একটা সমস্যাগ্রস্ত জেলা হিসেবে চিহ্নিত হয়। ১৯৩২ সালের জুন এবং জুলাই মাসে, বালুরঘাট মহকুমার গঙ্গারামপুর থানার আকছায়, সাঁওতালরা খাজনা, চৌকিদারি কর ইত্যাদি দেওয়া বন্ধ করে দেয়। ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময়, বালুরঘাট মহকুমার লোকেরা একটা উল্লেখযোগ্য কাজ করেছিল। স্থানীয় কংগ্রেস নেতা সরোজ রঞ্জন চ্যাটার্জীর নেতৃত্বে, তারা এক মিছিল সংগঠিত করে বালুরঘাটের দিকে অগ্রসর হয়, এবং শহর ঘেরাও করে। তবে, দিনাজপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে, সশস্ত্র পুলিশ সদস্যের একটা বিশাল দল আসার ফলে, এই আন্দোলন ব্যর্থ হয়। পশ্চিম দিনাজপুর জেলাকে ১৯৯২ সালে উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিভক্ত করা হয়।উত্তর দিনাজপুরের ইতিহাসঃ-পশ্চিমবঙ্গ, একটা বিস্তীর্ণ এবং বৈচিত্র্যময় রাজ্য হওয়ায়, এর গৌরবময় ইতিহাস এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। এর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ একটা অনন্য ভৌগলিক অবস্থানও দখল করে। হিমালয় অঞ্চলে চরম ঠাণ্ডা থেকে গ্রীষ্মকালে সমতলভূমির উত্তাপ পর্যন্ত, রয়েছে একটা ব্যতিক্রমী বৈচিত্র্যময় জলবায়ু। হাজার হাজার বছর ধরে বিস্তৃত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, স্থাপত্যের সেরা শিল্পকর্ম, সঙ্গীত, নৃত্য, চিত্রকর্ম, রীতিনীতি, ভাষা ইত্যাদি সবই পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের স্বর্গে পরিণত করেছে। উত্তর দিনাজপুর তার জন্ম থেকেই পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে একটা পালক যুক্ত করেছে। অবিভক্ত দিনাজপুর জেলা পুন্ড্র রাজ্যের অংশ ছিল। পুরো পুন্ড্র মৌর্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল এবং খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে এই অঞ্চলে জৈন ধর্ম ছড়িয়ে পড়ে। তাদের রাজধানী ছিল বর্তমানে বাংলাদেশের পুন্ড্রবর্ধনে। আরও দুটো প্রাচীন শহর ছিল গৌড়পুর এবং কোটিবর্ষ, যাকে এখন বানগড় বলা হয়। পরবর্তীকালে একাধিক শিলালিপিতে দেখা যায় কিভাবে গুপ্তরাও পুন্ড্রকে নিয়ন্ত্রণ করতেন। জেলাটা ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে পাল শাসনের অধীনে ছিল। সেনরা ১১৪৩ সালে পালদের উৎখাত করে। ১২০৪ সালে, বখতিয়ার খিলজী সেনদের পরাজিত করে, বানগড়কে এর রাজধানী করে। তার হত্যার পর, এটা গৌড় থেকে দিল্লির সুলতান কর্তৃক প্রেরিত বিভিন্ন গভর্নর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। ১৫৮৬ সালে, আকবর বাংলা জয় করেন এবং দিনাজপুর, তাজপুর ও পাঞ্জার সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। ১৭৬৫ সালে, এই জেলা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অধীনে পড়ে, এবং মুর্শিদাবাদ দ্বারা শাসিত হয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে ও উনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে এই জেল সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহের আবাসস্থল ছিল। বাকি সব সময়ে জেলা তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ ছিল। ১৯০৫ সালে দিনাজপুর জেলার মানুষ বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। তারা কর দিতে অস্বীকার করে, হরতাল করে, আন্দোলন করে ও স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে। ১৯৪৭ সালে, দিনাজপুর জেলা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত হয়ে, পশ্চিম দিনাজপুর জেলা তৈরি হয়। উত্তর দিনাজপুর জেলা ১ এপ্রিল, ১৯৯২ সালে বিভক্ত হয়ে, রায়গঞ্জ এবং ইসলামপুর দুটো মহকুমা নিয়ে পশ্চিম দিনাজপুর জেলা তৈরি হয়। জেলার পরিসীমা প্রায় ৩,১৪২ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে। এই জেলার পূর্বে বাংলাদেশ, পশ্চিমে বিহার, উত্তরে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলা, এবং দক্ষিণে মালদা জেলা। উত্তর দিনাজপুর জাতীয় মহাসড়ক, রাজ্য সড়ক এবং রেলপথের মাধ্যমে রাজ্যের বাকি অংশের সাথে ভালভাবে সংযুক্ত। জাতীয় সড়ক ৩১ ও ৩৪ জেলার কেন্দ্রস্থল দিয়ে গেছে। আঞ্চলিক ভূ-সংস্থান সাধারণত সমতল তবেএকটা অল্প দক্ষিণ ঢাল রয়েছে যার দিকে কুলিক, নগর, মহানন্দা ইত্যাদি প্রধান নদী প্রবাহিত হয়। এই জেলা, পূর্বে রাজমহল পাহাড়ের মধ্যে অবস্থিত অববাহিকার, একটা অংশ গঠন করে। উত্তর দিনাজপুরের জমি অত্যন্ত উর্বর মাটি দিয়ে তৈরি। পলি সঞ্চয়ের কারণে মাটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ যা ধান, পাট, আখ ইত্যাদি জন্মাতে সাহায্য করে। কুলিক নদীর তীরে রায়গঞ্জ জেলা সদর, যেখানে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম পাখির অভয়ারণ্য রায়গঞ্জ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য অবস্থিত। উত্তর দিনাজপুর জেলার সদর দপ্তর, রায়গঞ্জ ১৯৫১ সাল থেকে একটা পৌর শহর, এবং এটা উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র। স্থানটা জাতীয় মহাসড়ক, রাজ্য মহাসড়ক এবং রেলপথের মাধ্যমে, রাজ্যের বাকি অংশের সাথে ভালভাবে সংযুক্ত। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩ "+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
dinajpurintroenglish : "Dakshin Dinajpur:-During the Partition of India in 1947, West Dinajpur district was created from East Bengal or Dinajpur district of present-day Bangladesh. The rest of Dinajpur district is now in Bangladesh. In 1956, West Dinajpur district was enlarged during the reorganization of the state by adding some areas of Bihar. The district was split into North Dinajpur and South Dinajpur on 1 April 1992. Bansihari and Kushmandi blocks along with the erstwhile Balurghat subdivision, which was earlier in Raiganj subdivision, were made into new districts. The district is surrounded by several north-south flowing rivers such as Atreyi, Punarbhaba, Tangon and Brahmani. It is mainly an agricultural district, with large areas under cultivation. There are no major industries in South Dinajpur district. In the medium scale sector, the first industry was started in November 2003. The transport and communication system are also not satisfactory. A new railway line has been laid between Eklakhi and Balurghat in the district headquarters. The train service started in 2004. There is only one state highway, of which 3 km falls on National Highway 34. Bengali is the official language of the district. The main communities are Hindus and Muslims and they form the major part of the population.History of South Dinajpur:-West Dinajpur district came into existence with the partition of Bengal in August 1947. Bengal was divided into two parts. The dividing line passes through Dinajpur district. The western part of the line is called West Dinajpur. There is no local tradition about the origin of the name Dinajpur. West Dinajpur district comprises an area that was part of the Pundravardhan kingdom or the land of the Pundras in ancient times. According to Brihatkathakosha of Harisen, the Jain guru Chandragupta Maurya was Bhadrabahu, the son of a Brahmin from the Kotivarsha area of the Pundravardhan kingdom. According to Jain tradition, Godasa, a disciple of Bhadrabahu, founded a school called Godasagan, which developed into four branches over time. Of these four, three were called Tamralipika, Kotivarshiya, and Pundravardhana. Kotibarsha has been identified with Devkot, which is in Bangarh, Gangarampur. Buddhism spread to Pundravardhan around the same time as Jainism. The discovery of a seal in the ruins of Mahasthangarh in 1931 establishes the fact that Pundranagar or Mahasthangarh was a centre of Buddhism during the Maurya period. The message of the seal of Mahasthangarh expresses the suffering of the workers of the Chavaggiya community living in Pundranagar, and gives instructions on measures to help them to cope with the famine. Several clay seals found during excavations at Bangarh between 1937 and 1941, bear inscriptions that trace back to the Maurya period. Therefore, the district is considered to belong to the Maurya Empire. The discovery of terracotta figurines from the Shunga period, and Kushan gold coins at Mahasthangarh and Bangarh suggest, that Pundravardhan maintained contact with the rest of India during the reigns of the Shunga and Kushan periods. Terracotta figurines show that the fine arts also flourished at that time. Allahabad Pillar inscription of Samudragupta mentions Samatot, Davak and Kamrup as kingdoms on the eastern frontier of the empire of Samudragupta. The discovery of many inscriptions of the Gupta and post-Gupta eras, in or near the West Dinajpur district, bears ample testimony to the presence of the Guptas in Pundravardhan. In present-day Bangladesh, five copper-plate inscriptions were discovered in Damodarpur village of Phulbari thana, and one copper-plate inscription was discovered in Baigram village of Hili thana. During the excavation of a pond in Baigram under Hili police station, two copper plates were discovered. The Baigram copper plate inscription dates the year 128 of Gupta period or 448 AD and refers to the reign of Kumargupta-I. These copper plate inscriptions provide valuable information about some aspects of the administration of the country during the Gupta period. The inscriptions reveal an efficient and systematic administration during this period, and testify to the prosperity of the country with the use of gold and silver coins. After the Gupta rule came the Pala dynasty founded by Gopal. The reign of the Pala kings is a glorious chapter in the history of Bengal. The Pala emperor had a well-organized navy. The armed forces consisted of elephant riders, horsemen and camel soldiers. The Pala emperors were ardent Buddhists, but never deprived the believers of other religions. During the reign of Madan Pal, the Pala dynasty in Bengal came to an end. He was defeated by Vijaysen of the Sen dynasty. The rule of the Sen in North Bengal, however, was short-lived, as Muhammad Bakhtiyar Khilji established Muslim kingdom in 1201. Vijaysen, Ballalsen, and Lakshmansen were the Sena kings who ruled North Bengal in the 12th century AD. Muhammad Bakhtiyar Khilji defeated Lakshmansen at Nadia in 1201 AD. While Lakshman Sen was lying ill in Devkot, Ali Mardan Kahlji killed him. Later, an officer of Muhammad Bakhtiyar Khilji, Muhammad Shiran Khilji, defeated and captured Ali Mardan. Then Muhammad Shiran was elected as the ruler of Lakshmanavati. Ali fled to Delhi. Ali Mardan, who played an important role in driving Malik Izzuddin Muhammad Shiran, re-emerged in Bengal politics. In 1210, he received the sub-regency of Lakshmanavati from Qutauddin Aibak. The reign of Mardan was also short-lived, and he was killed in 1213 by the Khilji nobles, who elected Husam-un-Din Iwaz as ruler. Husam-ud-din Iwaz ruled for about fourteen years, and Sultan Ghiyas-ud-din Iwaz assumed the title of Khilji.It was he, who transferred the government from Devkot or present-day Bangarh, to the historic city of Gaur-Lakshmavati. He connected the two border towns of Devkot, or present-day Bangarh, and Lucknow in Birbhum district, by an unusually wide and high embankment-lined Grand Trunk Road, ferrying large rivers like the Ganges to Lucknow, and connecting Mahananda and Punarbhaba. Ali Mardan renounced his allegiance to Delhi, and Sultan Ghiyas-ud-din Iwaz Khilji ruled as an independent king until 1227. He was defeated by Nasir-ud-din, the eldest son of Sultan Iltutmish. From 1227 to 1287, Lakshmanavati was ruled by at least fifteen chiefs, ten of whom were mamluks or vassals of the imperial court at Delhi. The history of this period is a terrible history of internal dissension, occupation and murder. Akbar conquered Bengal in 1585. During his reign, the district of Paschim Dinajpur probably belonged to the governments of Tajpur and Panjar. In the nearly two hundred years, that Bengal remained under the control of the Mughals, nothing of noteworthy happened in the West Dinajpur district. The district came under the control of the East India Company in 1765, the year in which the East India Company received the Dewani of Bengal. They appointed Muhammad Reza Khan as their naib or deputy in Murshidabad. To gain control over the administration, they forced Reza Khan to agree to the appointment of Mir Jafar's son, Najm-ud-Daula, as his deputy. During rule of Akbar, we find the first authenticated traces of the great zamindari family of Dinajpur, with which the history of the district for the next two centuries is closely linked. In the latter half of the 18th century, monks and fakirs began to pillage the district. Some of these monks settled down, and acquired property in many places, including the Dinajpur district. It may be recalled that the activities of the early Muslim colonizers patronized these fakirs and monks. These monks and fakirs used to come to this district for pilgrimage from different parts of western India, but in reality, they used to plunder the people and acquire wealth. Warren Hastings stopped the activities of the monks, but the fakirs continued to oppress the people of the district as late as 1799. The East India Company took strong measures to bring them under the law, and by the beginning of the 19th century had completely abolished them. The revolt of 1857 had left the district in turmoil. The most important result of the rebellion was that, the administration of Indian affairs passed into the hands of the British government, and the East India Company ceased to exist. The British administration undoubtedly ensured peace and a measure of justice to the inhabitants, but the discrimination that was created between the English and the Indians in various areas of administration gradually created a fire of resentment against the British government. In 1905, the Secretary of State agreed with the Government of India on a new plan to create a new province of East Bengal and Assam, separating the Dhaka and Chittagong divisions, to divide Bengal into two parts, excluding the Darjeeling district. It was proposed to divide Bengal for administrative convenience and to ensure the progress of East Bengal and Assam in the field of education. The move was strongly opposed by the people of the district. Lal Mohan Ghosh suggested that all honorary magistrates and all members of district boards, municipal commissioners and panchayats should resign together. On this occasion, national mourning should be observed for twelve months during which the people would not participate in any rejoicing. The partition of Bengal was declared in September 1905. There was a strong reaction in the district to this announcement, and Maharaja Girija Nath Roy led the movement started against the partition of Bengal. The revolutionary movement continued in Dinajpur district till the First World War. When the struggle for independence began in 1919, the local Congress leaders of Balurghat propagated the Congress ideology throughout the subdivision. Even in remote villages, early Congress committees were organized. A parallel administration was established. Hindus and Muslims of the district, jointly participated in the Khilafat Movement of 1920. Famous revolutionary Purnachandra was arrested in Dinajpur in 1942. Dinajpur was listed as a problematic district in the government's report. In June and July 1932, the Santals stopped paying rent, chowkidari tax, etc., in the Gangarampur thana of Balurghat subdivision. During the Quit India Movement of 1942, the people of Balurghat subdivision did a remarkable job. Led by local Congress leader Saroj Ranjan Chatterjee, they formed a procession and marched towards Balurghat, encircling the town. However, with the arrival of a large contingent of armed policemen from Dinajpur, along with the district magistrate, the movement failed. West Dinajpur district was divided into North Dinajpur and South Dinajpur districts in 1992.History of Uttar Dinajpur:-West Bengal, being a vast and diverse state, has a glorious history and rich cultural heritage. In addition to its cultural heritage, West Bengal also occupies a unique geographical position. There is an exceptionally diverse climate, ranging from extreme cold in the Himalayas to the heat of the plains in summer. The wealth of cultural heritage spread over thousands of years, the natural environment, the finest works of architecture, music, dance, paintings, customs, languages, etc., have all made West Bengal a paradise of India. Uttar Dinajpur has added a feather to the map of West Bengal since its birth. The undivided Dinajpur district was part of the Pundra kingdom. The whole of Pundra was part of the Maurya Empire and Jainism spread in the region in the 4th century BC. Their capital was Pundravardhan in present-day Bangladesh. Two other ancient cities were Gourpur and Kotibarsha, now called Bangarh. Several later inscriptions show how the Guptas also controlled Pundra. The district was under Pala rule since 750 AD. The Sen dynesty overthrew the Palas in 1143. In 1204, Bakhtiyar Khilji defeated the Senas and made Bangarh its capital. After his assassination, it was controlled by various governors sent by the Sultan of Delhi from Gaur. In 1586, Akbar conquered Bengal and Dinajpur, Tajpur and Panjar were controlled by the government. In 1765, the district fell under the rule of the East India Company, and was ruled by Murshidabad. In the late 18th and early 19th centuries, the district was home to monastic and fakir rebellions. The rest of the district remained relatively peaceful. In 1905, the people of Dinajpur district protested against the partition of Bengal. They refused to pay taxes, went on strikes, agitated and participated in the freedom struggle. In 1947, Dinajpur district was divided between India and Pakistan, creating West Dinajpur district. Uttar Dinajpur district was divided on 1 April 1992 to form West Dinajpur district with two sub-divisions, Raiganj and Islampur. The district covers an area of about 3,142 square meters. It is bounded on the east by Bangladesh, on the west by Bihar, on the north by Darjeeling and Jalpaiguri districts, and on the south by Malda district. Uttar Dinajpur is well connected to the rest of the state through national highways, state roads and railways. National Highways 31 and 34 pass through the centre of the district. The topography is generally flat and there is a slight southern slope towards which major rivers like Kulik, Nagar, Mahananda etc. flow. The district forms part of the basin lying between the Rajmahal Hills to the east. The land of North Dinajpur is made up of very fertile soil. Due to the accumulation of silt the soil is very rich which helps in the growth of paddy, jute, sugarcane etc. Raiganj is the district headquarters on the banks of the Kulik River, where the Raiganj Wildlife Sanctuary, the second largest bird sanctuary in Asia, is located. The headquarters of Uttar Dinajpur district, Raiganj has been a municipal town since 1951, and is one of the major commercial centres of North Bengal. The place is well connected to the rest of the state through national highways, state highways and railways. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
dinajpurintrohindi : "दक्षिण दिनाजपुर:-1947 में भारत के विभाजन के दौरान, पश्चिम दिनाजपुर जिला पूर्वी बंगाल या वर्तमान बांग्लादेश के दिनाजपुर जिले से बनाया गया था। दिनाजपुर जिले का बाकी हिस्सा अब बांग्लादेश में है। 1956 में, बिहार के कुछ क्षेत्रों को जोड़कर राज्य के पुनर्गठन के दौरान पश्चिम दिनाजपुर जिले का विस्तार किया गया था। 1 अप्रैल 1992 को जिले को उत्तर दिनाजपुर और दक्षिण दिनाजपुर में विभाजित किया गया था। बंसीहारी और कुशमंडी ब्लॉकों के साथ-साथ तत्कालीन बालुरघाट उपखंड, जो पहले रायगंज उपखंड में था, नए जिलों में बनाया गया था। जिला कई उत्तर-दक्षिण बहने वाली नदियों जैसे अत्रेयी, पुनर्भाबा, तंगोन और ब्राह्मणी से घिरा हुआ है। यह मुख्य रूप से एक कृषि जिला है, जिसमें बड़े क्षेत्र में खेती होती है। दक्षिण दिनाजपुर जिले में कोई बड़ा उद्योग नहीं है जिला मुख्यालय में एकलखी और बालुरघाट के बीच एक नई रेलवे लाइन बिछाई गई है। रेल सेवा 2004 में शुरू हुई थी। यहाँ केवल एक राज्य राजमार्ग है, जिसका 3 किमी राष्ट्रीय राजमार्ग 34 पर पड़ता है। बंगाली जिले की आधिकारिक भाषा है। यहाँ के मुख्य समुदाय हिंदू और मुसलमान हैं और ये आबादी का बड़ा हिस्सा हैं।दक्षिण दिनाजपुर का इतिहास:-पश्चिम दिनाजपुर जिला अगस्त 1947 में बंगाल के विभाजन के साथ अस्तित्व में आया। बंगाल दो भागों में विभाजित हुआ था। विभाजन रेखा दिनाजपुर जिले से होकर गुजरती है। रेखा के पश्चिमी भाग को पश्चिम दिनाजपुर कहा जाता है। दिनाजपुर नाम की उत्पत्ति के बारे में कोई स्थानीय परंपरा नहीं है। पश्चिम दिनाजपुर जिले में एक ऐसा क्षेत्र शामिल है जो प्राचीन काल में पुंड्रवर्धन साम्राज्य या पुंड्रास की भूमि का हिस्सा था। हरिसेन के बृहत्कथाकोश के अनुसार, जैन गुरु चंद्रगुप्त मौर्य भद्रबाहु थे, जो पुंड्रवर्धन साम्राज्य के कोटिवर्ष क्षेत्र के एक ब्राह्मण के पुत्र थे। जैन परंपरा के अनुसार, भद्रबाहु के एक शिष्य गोडसा ने गोडसागण नामक एक स्कूल की स्थापना की, जो समय के साथ चार शाखाओं में विकसित हुआ। इन चार में से तीन को ताम्रलिपिक, कोटिवर्षीय और पुंड्रवर्धन कहा जाता था जैन धर्म के लगभग उसी समय पुंड्रावर्धन में बौद्ध धर्म का प्रसार हुआ। 1931 में महास्थानगढ़ के खंडहरों में एक मुहर की खोज इस तथ्य को स्थापित करती है कि मौर्य काल में पुंड्रानगर या महास्थानगढ़ बौद्ध धर्म का केंद्र था। महास्थानगढ़ की मुहर का संदेश पुंड्रानगर में रहने वाले चवग्गिया समुदाय के श्रमिकों की पीड़ा को व्यक्त करता है और अकाल से निपटने में उनकी सहायता के लिए निर्देश देता है। 1937 और 1941 के बीच बनगढ़ में खुदाई के दौरान मिली कई मिट्टी की मुहरों पर मौर्य काल के अभिलेख अंकित हैं। इसलिए, इस जिले को मौर्य साम्राज्य से संबंधित माना जाता है। शुंग काल की टेराकोटा मूर्तियों और महास्थानगढ़ तथा बनगढ़ में कुषाण स्वर्ण सिक्कों की खोज से पता चलता है कि शुंग और कुषाण काल के शासनकाल के दौरान पुंड्रावर्धन का शेष भारत के साथ संपर्क बना रहा। टेराकोटा मूर्तियाँ दर्शाती हैं कि उस समय ललित कलाएँ भी फली-फूली थीं। समुद्रगुप्त के इलाहाबाद स्तंभ अभिलेख में समुद्रगुप्त के साम्राज्य की पूर्वी सीमा पर स्थित समतोत, दवक और कामरूप राज्यों का उल्लेख है। पश्चिमी दिनाजपुर जिले में या उसके आसपास गुप्त और गुप्तोत्तर काल के कई अभिलेखों की खोज, पुंड्रवर्धन में गुप्तों की उपस्थिति के पर्याप्त प्रमाण प्रदान करती है। वर्तमान बांग्लादेश में, फुलबारी थाना के दामोदरपुर गाँव में पाँच ताम्रपत्र अभिलेख और हिली थाना के बाईग्राम गाँव में एक ताम्रपत्र अभिलेख की खोज हुई थी। हिली थाना अंतर्गत बाईग्राम में एक तालाब की खुदाई के दौरान दो ताम्रपत्र अभिलेख प्राप्त हुए। बाईग्राम ताम्रपत्र अभिलेख गुप्त काल के वर्ष 128 या 448 ईस्वी का है और कुमारगुप्त प्रथम के शासनकाल का उल्लेख करता है। ये ताम्रपत्र अभिलेख गुप्त काल के दौरान देश के प्रशासन के कुछ पहलुओं के बारे में बहुमूल्य जानकारी प्रदान करते हैं। ये अभिलेख उस काल के कुशल और व्यवस्थित प्रशासन का संकेत देते हैं और सोने-चाँदी के सिक्कों के प्रयोग से देश की समृद्धि की गवाही देते हैं। गुप्त शासन के बाद गोपाल द्वारा स्थापित पाल वंश आया। पाल राजाओं का शासनकाल बंगाल के इतिहास में एक गौरवशाली अध्याय है। पाल सम्राट के पास एक सुव्यवस्थित नौसेना थी। सशस्त्र बलों में हाथी सवार, घुड़सवार और ऊँट सैनिक शामिल थे। पाल सम्राट कट्टर बौद्ध थे, लेकिन उन्होंने कभी भी अन्य धर्मों के अनुयायियों को वंचित नहीं किया। मदन पाल के शासनकाल के दौरान, बंगाल में पाल वंश का अंत हो गया। उन्हें सेन वंश के विजयसेन ने हराया था। हालाँकि, उत्तर बंगाल में सेन का शासन अल्पकालिक था, क्योंकि मुहम्मद बख्तियार खिलजी ने 1201 में मुस्लिम राज्य की स्थापना की थी। विजयसेन, बल्लालसेन और लक्ष्मणसेन 12वीं शताब्दी ईस्वी में उत्तर बंगाल पर शासन करने वाले सेन राजा थे। मुहम्मद बख्तियार खिलजी ने 1201 ईस्वी में नादिया के युद्ध में लक्ष्मणसेन को हराया। जब लक्ष्मण सेन देवकोट में बीमार पड़े थे, अली मर्दन खिलजी ने उनकी हत्या कर दी। बाद में, मुहम्मद बख्तियार खिलजी के एक अधिकारी, मुहम्मद शिरान खिलजी ने अली मर्दान को हराकर उस पर कब्ज़ा कर लिया। फिर मुहम्मद शिरान को लक्ष्मणावती का शासक चुना गया। अली दिल्ली भाग गया। अली मर्दान, जिसने मलिक इज्जुद्दीन मुहम्मद शिरान को खदेड़ने में महत्वपूर्ण भूमिका निभाई, बंगाल की राजनीति में फिर से उभर आया। 1210 में, उसने कुतउद्दीन ऐबक से लक्ष्मणावती का उप-शासन प्राप्त किया। मर्दान का शासनकाल भी अल्पकालिक रहा, और 1213 में खिलजी सरदारों ने उसे मार डाला, जिन्होंने हुसाम-उन-दीन इवाज़ को शासक चुना। हुसाम-उद-दीन इवाज़ ने लगभग चौदह वर्षों तक शासन किया, और सुल्तान गयास-उद-दीन इवाज़ ने खिलजी की उपाधि धारण की। उन्होंने ही सरकार को देवकोट या वर्तमान बानगढ़ से ऐतिहासिक शहर गौर-लक्ष्मवती में स्थानांतरित किया था। उन्होंने दो सीमावर्ती शहरों देवकोट या वर्तमान बानगढ़ और बीरभूम जिले के लखनऊ को एक असामान्य रूप से चौड़े और ऊंचे तटबंधों से घिरे ग्रैंड ट्रंक रोड से जोड़ा, जो गंगा जैसी बड़ी नदियों को लखनऊ तक ले जाता था और महानंदा और पुनर्भभा को जोड़ता था। अली मर्दान ने दिल्ली के प्रति अपनी निष्ठा त्याग दी और सुल्तान गयासुद्दीन इवाज खिलजी ने 1227 तक एक स्वतंत्र राजा के रूप में शासन किया। उसे सुल्तान इल्तुतमिश के सबसे बड़े बेटे नासिरुद्दीन ने हराया था। 1227 से 1287 तक लक्ष्मणावती पर कम से कम पंद्रह सरदारों का शासन था, जिनमें से दस दिल्ली के शाही दरबार के मामलूक या जागीरदार थे। इस काल का इतिहास आंतरिक कलह, कब्जे और हत्या का एक भयानक इतिहास है। अकबर ने 1585 में बंगाल पर विजय प्राप्त की। उसके शासनकाल के दौरान, पश्चिम दिनाजपुर जिला संभवतः ताजपुर और पंजर की सरकारों के अधीन था। लगभग दो सौ वर्षों तक, जब बंगाल मुगलों के नियंत्रण में रहा, पश्चिम दिनाजपुर जिले में कोई उल्लेखनीय घटना नहीं घटी। यह जिला 1765 में ईस्ट इंडिया कंपनी के नियंत्रण में आया, जिस वर्ष ईस्ट इंडिया कंपनी को बंगाल की दीवानी प्राप्त हुई। उन्होंने मुहम्मद रजा खान को मुर्शिदाबाद में अपना नायब या डिप्टी नियुक्त किया। प्रशासन पर नियंत्रण पाने के लिए, उन्होंने रजा खान को मीर जाफर के पुत्र नज्म-उद-दौला को अपना डिप्टी नियुक्त करने के लिए मजबूर किया। अकबर के शासनकाल के दौरान, हमें दिनाजपुर के महान ज़मींदारी परिवार के पहले प्रमाणित निशान मिलते हैं, जिसके साथ अगली दो शताब्दियों तक जिले का इतिहास निकटता से जुड़ा हुआ है। 18वीं शताब्दी के उत्तरार्ध में, साधुओं और फ़कीरों ने जिले को लूटना शुरू कर दिया। इनमें से कुछ साधु यहीं बस गए और दिनाजपुर जिले सहित कई स्थानों पर संपत्ति अर्जित की। स्मरणीय है कि प्रारंभिक मुस्लिम उपनिवेशवादियों की गतिविधियों ने इन फकीरों और साधुओं को संरक्षण प्रदान किया था। ये साधु और फकीर पश्चिमी भारत के विभिन्न भागों से तीर्थयात्रा के लिए इस जिले में आते थे, लेकिन वास्तव में, वे लोगों को लूटकर धन अर्जित करते थे। वारेन हेस्टिंग्स ने साधुओं की गतिविधियों पर रोक लगा दी, लेकिन फकीरों ने 1799 तक जिले के लोगों पर अत्याचार जारी रखा। ईस्ट इंडिया कंपनी ने उन्हें कानून के दायरे में लाने के लिए कड़े कदम उठाए और 19वीं शताब्दी के आरंभ तक उन्हें पूरी तरह से समाप्त कर दिया। 1857 के विद्रोह ने जिले को अशांत कर दिया था। विद्रोह का सबसे महत्वपूर्ण परिणाम यह हुआ कि भारतीय मामलों का प्रशासन ब्रिटिश सरकार के हाथों में चला गया और ईस्ट इंडिया कंपनी का अस्तित्व समाप्त हो गया। ब्रिटिश प्रशासन ने निस्संदेह निवासियों के लिए शांति और न्याय सुनिश्चित किया, लेकिन प्रशासन के विभिन्न क्षेत्रों में अंग्रेजों और भारतीयों के बीच जो भेदभाव पैदा हुआ, उसने धीरे-धीरे ब्रिटिश सरकार के विरुद्ध आक्रोश की आग भड़का दी। 1905 में, राज्य सचिव ने भारत सरकार के साथ एक नई योजना पर सहमति व्यक्त की, जिसके तहत ढाका और चटगाँव संभागों को अलग करके पूर्वी बंगाल और असम नामक एक नया प्रांत बनाया गया, जिससे बंगाल को दार्जिलिंग जिले को छोड़कर दो भागों में विभाजित किया जा सके। प्रशासनिक सुविधा और शिक्षा के क्षेत्र में पूर्वी बंगाल और असम की प्रगति सुनिश्चित करने के लिए बंगाल को विभाजित करने का प्रस्ताव रखा गया था। इस कदम का जिले के लोगों ने कड़ा विरोध किया। लाल मोहन घोष ने सुझाव दिया कि सभी मानद मजिस्ट्रेट और जिला बोर्डों, नगर आयुक्तों और पंचायतों के सभी सदस्यों को एक साथ इस्तीफा दे देना चाहिए। इस अवसर पर बारह महीनों तक राष्ट्रीय शोक मनाया जाना चाहिए, जिसके दौरान लोग किसी भी खुशी के समारोह में भाग नहीं लेंगे। सितंबर 1905 में बंगाल के विभाजन की घोषणा की गई। इस घोषणा पर जिले में तीव्र प्रतिक्रिया हुई और महाराजा गिरिजा नाथ राय ने बंगाल विभाजन के विरुद्ध शुरू हुए आंदोलन का नेतृत्व किया। प्रथम विश्व युद्ध तक दिनाजपुर जिले में क्रांतिकारी आंदोलन जारी रहा। 1919 में जब स्वतंत्रता संग्राम शुरू हुआ, तो बालुरघाट के स्थानीय कांग्रेस नेताओं ने पूरे उपखंड में कांग्रेस की विचारधारा का प्रचार किया। सुदूर गाँवों में भी शुरुआती कांग्रेस कमेटियाँ गठित की गईं। एक समानांतर प्रशासन स्थापित किया गया। जिले के हिंदुओं और मुसलमानों ने मिलकर 1920 के खिलाफत आंदोलन में भाग लिया। प्रसिद्ध क्रांतिकारी पूर्णचंद्र को 1942 में दिनाजपुर में गिरफ्तार किया गया। सरकारी रिपोर्ट में दिनाजपुर को एक समस्याग्रस्त जिले के रूप में सूचीबद्ध किया गया था। जून और जुलाई 1932 में, संथालों ने बालुरघाट अनुमंडल के गंगारामपुर थाने में लगान, चौकीदारी कर आदि देना बंद कर दिया। 1942 के भारत छोड़ो आंदोलन के दौरान, बालुरघाट अनुमंडल के लोगों ने उल्लेखनीय कार्य किया। स्थानीय कांग्रेस नेता सरोज रंजन चटर्जी के नेतृत्व में, उन्होंने एक जुलूस बनाया और बालुरघाट की ओर कूच किया, शहर को घेर लिया। हालाँकि, जिला मजिस्ट्रेट के साथ दिनाजपुर से सशस्त्र पुलिसकर्मियों की एक बड़ी टुकड़ी के आने से आंदोलन विफल हो गया। 1992 में पश्चिम दिनाजपुर जिले को उत्तर दिनाजपुर और दक्षिण दिनाजपुर जिलों में विभाजित किया गया था।उत्तर दिनाजपुर का इतिहास:-पश्चिम बंगाल एक विशाल और विविधतापूर्ण राज्य होने के कारण, एक गौरवशाली इतिहास और समृद्ध सांस्कृतिक विरासत रखता है। अपनी सांस्कृतिक विरासत के अतिरिक्त, पश्चिम बंगाल एक अद्वितीय भौगोलिक स्थिति भी रखता है। यहाँ की जलवायु असाधारण रूप से विविध है, जिसमें हिमालय की अत्यधिक ठंड से लेकर गर्मियों में मैदानी इलाकों की गर्मी तक शामिल है। हजारों वर्षों में फैली सांस्कृतिक विरासत की संपदा, प्राकृतिक वातावरण, वास्तुकला की बेहतरीन कृतियाँ, संगीत, नृत्य, चित्रकारी, रीति-रिवाज, भाषा आदि सभी ने पश्चिम बंगाल को भारत का स्वर्ग बना दिया है। उत्तर दिनाजपुर ने अपने जन्म के बाद से पश्चिम बंगाल के मानचित्र पर एक पंख जोड़ा है। अविभाजित दिनाजपुर जिला पुंड्रा साम्राज्य का हिस्सा था। संपूर्ण पुंड्रा मौर्य साम्राज्य का हिस्सा था और चौथी शताब्दी ईसा पूर्व में इस क्षेत्र में जैन धर्म का प्रसार हुआ। उनकी राजधानी वर्तमान बांग्लादेश में पुंड्रवर्धन थी। दो अन्य प्राचीन शहर गौरपुर और कोटिबरशा थे, सेन राजवंश ने 1143 में पाल वंश को उखाड़ फेंका। 1204 में, बख्तियार खिलजी ने सेनों को हराया और बानगढ़ को अपनी राजधानी बनाया। उनकी हत्या के बाद, यह गौड़ से दिल्ली के सुल्तान द्वारा भेजे गए विभिन्न राज्यपालों द्वारा नियंत्रित किया गया था। 1586 में, अकबर ने बंगाल पर विजय प्राप्त की और दिनाजपुर, ताजपुर और पंजर सरकार के नियंत्रण में थे। 1765 में, जिला ईस्ट इंडिया कंपनी के शासन में आ गया, और मुर्शिदाबाद द्वारा शासित हुआ। 18वीं सदी के अंत और 19वीं सदी के प्रारंभ में, जिला मठवासी और फकीर विद्रोहों का केंद्र था। जिले के बाकी हिस्से अपेक्षाकृत शांतिपूर्ण रहे। 1905 में, दिनाजपुर जिले के लोगों ने बंगाल के विभाजन का विरोध किया। उन्होंने करों का भुगतान करने से इनकार कर दिया, हड़ताल की, आंदोलन किया और स्वतंत्रता संग्राम में भाग लिया उत्तर दिनाजपुर जिले को 1 अप्रैल 1992 को विभाजित कर पश्चिम दिनाजपुर जिला बनाया गया, जिसमें दो उप-प्रभाग, रायगंज और इस्लामपुर शामिल हैं। जिले का क्षेत्रफल लगभग 3,142 वर्ग मीटर है। यह पूर्व में बांग्लादेश से, पश्चिम में बिहार से, उत्तर में दार्जिलिंग और जलपाईगुड़ी जिलों से, और दक्षिण में मालदा जिले से घिरा है। उत्तर दिनाजपुर राष्ट्रीय राजमार्गों, राज्य सड़कों और रेलवे के माध्यम से राज्य के बाकी हिस्सों से अच्छी तरह से जुड़ा हुआ है। राष्ट्रीय राजमार्ग 31 और 34 जिले के केंद्र से होकर गुजरते हैं। स्थलाकृति आम तौर पर समतल है और थोड़ी दक्षिणी ढलान है, जिसकी ओर कुलिक, नागर, महानंदा आदि जैसी प्रमुख नदियाँ बहती हैं। जिला पूर्व में राजमहल पहाड़ियों के बीच स्थित बेसिन का हिस्सा है। उत्तर दिनाजपुर की भूमि बहुत उपजाऊ मिट्टी से बनी है। गाद के जमाव के कारण यहाँ की मिट्टी बहुत उपजाऊ है जो धान, जूट, गन्ना आदि की खेती में सहायक है। रायगंज, कुलिक नदी के तट पर स्थित ज़िला मुख्यालय है, जहाँ एशिया का दूसरा सबसे बड़ा पक्षी अभयारण्य, रायगंज वन्यजीव अभयारण्य स्थित है। उत्तर दिनाजपुर ज़िले का मुख्यालय, रायगंज 1951 से एक नगरपालिका शहर रहा है और उत्तर बंगाल के प्रमुख व्यावसायिक केंद्रों में से एक है। यह स्थान राष्ट्रीय राजमार्गों, राज्य राजमार्गों और रेलमार्गों के माध्यम से राज्य के बाकी हिस्सों से अच्छी तरह जुड़ा हुआ है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"