var Coochbeharitems =
{
menusystembengali :
" "+
"এই পাতার জায়গাসমূহঃ-"+
"মেনু দেখতে ক্লিক করুন"+
" •রসিকবিল",
menusystemenglish :
" "+
"Places in This Page:-"+
"Click To See Menu"+
" •Rasikbil",
menusystemhindi :
" "+
"इस पृष्ठ के स्थान:-"+
"उस पेज मेनू पर क्लिक करें"+
" •रसिकबिल",
rasikbilbengali : "রসিকবিলঃ-তুফানগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে ১৮ কি.মি. দূরে অবস্থিত রসিকবিল, ১৭৫ হেক্টর বিস্তৃত এক বিশাল প্রাকৃতিক ঝিল এবং এর আশপাশ জুড়ে রয়েছে প্রায় ৮০০ হেক্টরের বনভূমি৷ নিউ কোচবিহার রেল স্টেশন থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে তিনদিক জঙ্গলে ঘেরা এই হ্রদে প্রচুর পাখি দেখতে পাওয়া যায়। আর তাকেই মূল আকর্ষণ করে গড়ে উঠেছে এক জমজমাট ছুটি কাটানোর জায়গা। পর্যটক টানার জন্যে এখানে আছে একটি ডিয়ার পার্ক, আছে একটা বড়সড় অ্যাকোয়ারিয়ামও। রসিকবিলের জঙ্গলে ঘেরা নিস্তব্ধতার মধ্যে শান্ত জলে নৌকাবিহার একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা। নৌকায় চেপে রঙবেরঙের চেনা অচেনা অনেক পাখি আর প্রজাপতি দেখে নেওয়া যায়। জুন মাসের আগে গেলে দেখতে পাওয়া যাবে রেড ক্রেস্টেড পোচার্ডের মতো প্রচুর বিরল পাখি। এখানে থাকার জায়গাও আছে বনবিভাগের কটেজে। তবে তা করোনার জন্যে বর্তমানে বন্ধ আছে। শুধু ডিয়ার পার্ক আর অ্যাকোয়ারিয়ামই নয়, পর্যটক আকর্ষণের জন্যে এখানে গড়ে উঠেছে চিলড্রেন্স পার্ক, কাচে ঘেরা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। চিতাবাঘ, ময়ূর, ঘড়িয়াল, অজগর ইত্যাদি বিভিন্ন প্রাণীর সংরক্ষণ কেন্দ্র হয়েছে। কোচবিহারের রাজাদের মৃগয়াভূমি ছিল এই রসিকবিল। রসিকবিল তো নতুন নাম। এক সময় এর নাম ছিল বোচামারি বিল। আর জায়গাটার নাম নাগুরহাট বা আটিয়ামোচর। বিলকে ঘিরে নাগুরহাট ও আটিয়ামোচর শাল, সেগুন, শিশুর বনাঞ্চল। ছিল সাঁকোতে পারাপার করার ব্যবস্থা। আলিপুরদুয়ার থেকে ২৪ আর কোচবিহার থেকে ৪৫ কিমি দূরে রসিকবিল। আসা যায় বাসে, অটো বা ট্যাক্সিতে। ৬ কিমি দূরে কামাখ্যাগুড়ি স্টেশন। সেখান থেকে তো রিক্সা করেই আসা যায়। আদতে রসিকবিল একটা নিম্ন জলাভূমি৷ রসিকবিলের উপভোগ্য সময় হচ্ছে ভোর বেলা বা বিকেল বেলা। এই রসিকবিলের আশেপাশে বহু উপজাতি বসবাস করে, যারা সকালবেলা মাছ ধরার কাজে রসিকবিলে আসে৷ এছাড়া এখানে নৌকাবিহারের আনন্দই আলাদা৷ যারা পাখির ছবি তোলার জন্যে এখানে আসেন, তাদের নৌকো নেওয়া দরকার। শীতের সময় এখানে প্রচুর পরিযায়ী পাখির দেখা মেলে৷ যেমন শামুকখোলা, অনেক ধরনের বক, যেমন কোচবক, বাচকা, হট্রিটি, বালুবাটান, পানকৌড়ি, চখাচখি ইত্যাদি৷ এসময় রসিকবিল হয়ে ওঠে পাখিদের স্বর্গরাজ্য৷ এছাড়া বনের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় আরও অনেক রকমের পাখির যে দেখা মেলে, যেমন নীলকান্ত, বসন্তবৌরি, খঞ্জন, দোয়েল, বুলবুলি, মোহনচূড়া, সাইবেরিয়ান স্টোনচাট, মিনিভেট, নানারকমের মাছরাঙা, বাঁশপাতি, বাবুই, ফিঙে, বেনেবউ ইত্যাদি৷ "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
rasikbilenglish : "Rasikbil:-16 km from the heart of Tufanganj city Rosikbil is a huge natural lake of 175 hectares, and is surrounded by about 600 hectares of forest. Delimited by jungles on three sides, the lake is home to many birds and is just 35 km from the New Coochbehar railway station. And for the attraction of birds it has become a place to spend a great holiday. To attract tourists there is a deer park here and a large aquarium. Boating in calm waters is a different experience in the tranquility of Rosickbil. Many colorful and unfamiliar birds and butterflies can be seen while on the boat. If you go before the month of June, you will see a lot of rare birds like Red Crested Pochard. There is also a place to stay in the forest bunglow. However, it is currently closed for Corona. Not only deer parks and aquariums, but also a children's park and a glass enclosed observation center have been set up here to attract tourists. There have been conservation centers for various animals like leopard, peacock, crocodile, python etc. This Rasikbil was the hunting ground of the kings of Coochbehar. Rosikbill is the new name. At one time it was called Bochamari Bill. And the name of the place is Nagurhat or Atiyamochar. Surrounding the bill are shals, teak, Sishu forests. There were arrangements to cross via Bamboo Bridge. Rosikbil is 24 km from Alipurduar and 45 km from Coochbehar. You can come by bus, auto or taxi. Kamakhyaguri station is just 6 km away. From there you can come by Rickshaw even. Actually Rosikbil is a low wetland. Rosikbill's most enjoyable time is in the morning or afternoon. Many tribes live in the vicinity of Rosikbil, who come to Rosikbil in the morning for fishing. Here the pleasure of boating is different. Those who come here to take the pictures of birds need to take a boat. During the winter, a lot of migratory birds can be seen here Such as Asian oscitans, many types of egrets, such as Egretta garzetta, Black crowned night heron, Vanellus indicus, Common Sandpiper, Little Cormorant, Ruddy Shelduck etc. At this time Rosikbil became the paradise of birds. There are also many other species of birds that can be seen passing through the forest, such as Coracias benghalensis, Barbet, Wagtail, Magpie-robin, Pycnonotus cafer, Hoopoe, Siberian Stonechat, Minivet, different types of Kingfisher, Green Bee-eater, Weaver Bird, Black Drongo, Maroon Oriole etc. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"  🎞️"+
"Go To Page Menu ⇧",
rasikbilhindi : "रसिकबिल:-तूफानगंज शहर के केंद्र से 16 किमी दूर रसिकबिल 175 हेक्टेयर की एक विशाल प्राकृतिक झील है, और लगभग 600 हेक्टेयर जंगल से घिरी हुई है। तीन तरफ जंगलों से घिरी यह झील कई पक्षियों का घर है और न्यू कूचबिहार रेलवे स्टेशन से सिर्फ 35 किमी दूर है। और पक्षियों के आकर्षण के लिए, यह एक शानदार छुट्टी बिताने की जगह बन गई है। पर्यटकों को आकर्षित करने के लिए यहाँ एक हिरण पार्क और एक बड़ा मछलीघर है। रसिकबिल की शांति में शांत पानी में नौका विहार करना एक अलग अनुभव है। नाव पर रहते हुए कई रंग-बिरंगे और अपरिचित पक्षियों और तितलियों को देखा जा सकता है। यदि आप जून महीने से पहले जाते हैं, तो आपको रेड क्रेस्टेड पोचार्ड जैसे कई दुर्लभ पक्षी दिखाई देंगे। जंगल के बंगले में ठहरने की जगह भी है। हालाँकि, यह वर्तमान में कोरोना के लिए बंद है यहां तेंदुआ, मोर, मगरमच्छ, अजगर आदि विभिन्न जानवरों के संरक्षण केंद्र रहे हैं। यह रसिकबिल कूचबिहार के राजाओं का शिकारगाह था। रोसिकबिल इसका नया नाम है। किसी समय इसे बोचामारी बिल कहा जाता था। और इस जगह का नाम नागुरहाट या अतियामोचर है। बिल के आसपास शाल, सागौन, शिशु के जंगल हैं। बांस के पुल के जरिए पार करने की व्यवस्था थी। रसिकबिल अलीपुरद्वार से 24 किमी और कूचबिहार से 45 किमी दूर है। आप बस, कार या टैक्सी से आ सकते हैं। कामाख्यागुड़ी स्टेशन सिर्फ 6 किमी दूर है। वहां से आप रिक्शा से भी आ सकते हैं। दरअसल, रसिकबिल एक निचला आर्द्रभूमि है। रोसिकबिल का सबसे सुखद समय सुबह या दोपहर का होता है। रसिकबिल के आसपास कई जनजातियां रहती हैं सर्दियों के मौसम में यहाँ ढेरों प्रवासी पक्षी देखे जा सकते हैं। इस समय रसिकबिल पक्षियों का स्वर्ग बन जाता है। यहाँ कई अन्य प्रजाति के पक्षी भी जंगल से गुज़रते हुए देखे जा सकते हैं, जैसे कोरासियास बेंघालेंसिस, बारबेट, वैगटेल, मैगपाई-रॉबिन, पाइकोनोटस कैफ़र, हूपो, साइबेरियन स्टोनचैट, मिनिवेट, विभिन्न प्रकार के किंगफ़िशर, ग्रीन बी-ईटर, वीवर बर्ड, ब्लैक ड्रोंगो, मैरून ओरियोल आदि। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️ "+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photorasikbil : ""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
""+
"",
coochbeharintrobengali : "মুখবন্ধঃ-পশ্চিমবঙ্গের উত্তর-পূর্ব অংশ, উত্তরে আলিপুরদুয়ার জেলা, উত্তর-পশ্চিমে জলপাইগুড়ি, পূর্বে আসাম রাজ্য, এবং দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিমে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত, এই হচ্ছে কুচবিহার জেলার সীমানা। ইংরেজিতে জেলার নাম কোচবিহার, যেখানে বাংলায় এটা কুচবিহার নামে পরিচিত, যার অর্থ, সেই ভূমি যেখানে কোচ রাজারা ভ্রমণ করতেন বা ঘুরে বেড়াতেন অর্থাৎ বিহার। সময়ের সাথে সাথে, কুচবিহার একটা রাজত্ব থেকে রাজ্যে ও পরবর্তীকালে রাজ্য থেকে একটা জেলায় পরিণত হয়। ২৮ আগস্ট ১৯৪৯ সালের আগে, কুচবিহার ছিল কুচবিহারের রাজা দ্বারা শাসিত একটা রাজত্ব, যিনি ব্রিটিশ সরকারের অধীনে সামন্ত শাসক ছিলেন। ২৮ আগস্ট ১৯৪৯, একটা চুক্তির মাধ্যমে, কুচবিহারের রাজা, রাজ্যের সম্পূর্ণ এবং ব্যাপক কর্তৃত্ব, এক্তিয়ার, এবং ক্ষমতা, ভারতের ডোমিনিয়ন সরকারকে অর্পণ করেন। রাজ্যের প্রশাসন সরকারের কাছে হস্তান্তর হয় ও ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৯ সালে তা কার্যকর হয়। অবশেষে, ১৯ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে কুচবিহার পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের সাথে একীভূত হয় এবং সেই তারিখ থেকে কুচবিহার পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক মানচিত্রে একটা নতুন জেলা হিসেবে আবির্ভূত হয়। প্রকৃতপক্ষে, রাজার রাজতন্ত্র, আজও স্থানীয় মানুষের মেজাজে অতীতের গৌরবময় ভূমিকাকে ধরে রেখেছে। কুচবিহারের শান্তিপ্রিয় মানুষজন এই সুন্দর শহর নিয়ে গর্ব করে যেখানে মহারাজারা থাকতেন এবং রাজাদের কাহিনী বর্ণনা করে আনন্দ পান। এটা স্পষ্ট যে কুচবিহার শহর পরিদর্শন করেছেন এমন যে কেউ এই শহরের প্রশংসা না করার ক্ষেত্রে দৃঢ় থাকতে পারবেন না। কারণ এই সুন্দর পরিকল্পিত শহরের পরিকাঠামো, যে কোনও আধুনিক পরিকল্পিত শহরের মতোই, সাথে রয়েছে নিরিবিলি পরিবেশ।ইতিহাসঃ-আসামের ইতিহাসে কোচবিহারের আদি ইতিহাস খুঁজতে হয়। প্রারম্ভিক সময়ে এই অঞ্চল প্রাগজ্যোতিষ নামে পরিচিত ছিল, যা রামায়ণ ও মহাভারতে উল্লেখ আছে। প্রাগজ্যোতিষের আদি ভূখণ্ডের পশ্চিম অংশ পরবর্তীকালে কামরূপ নামে পরিচিত হয়। কামরূপ কিছুকাল গুপ্ত ও পালদের আধিপত্যে ছিল। ইতিহাস অনুসারে কামরূপ ১৪৯৮ সালে মুসলিম সেনারা জয় করেছিল, কিন্তু তারা বেশিদিন রাজ্য রাখতে পারেনি। মুসলিম সৈন্যদের বিতাড়িত করার পর কামতা রাজ্য নৈরাজ্যে নিমজ্জিত হয়। সেই সময়ে কোচ রাজার উত্থান শুরু হয়। ইতিহাস বলে করে যে, কামরূপের প্রাচীন অঞ্চলটা, পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার বর্তমান অঞ্চলের উন্নয়নে এক বড় ভূমিকা পালন করেছিল। বিখ্যাত গুপ্ত সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ স্তম্ভের শিলালিপিতে খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে কামরূপ অঞ্চলের অস্তিত্ব সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে। খ্রিস্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দীতে, কামরূপের পশ্চিম অংশ খেন রাজবংশের অধীনে এসে, কামতা নামে পরিচিত একটা নতুন রাজ্যের সূচনা করে। বর্তমান কোচবিহারের উৎপত্তি এই কামতা ভূমি থেকে। খেন রাজবংশ নীলধ্বজের রাজাদের জন্যে উল্লেখযোগ্য। রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা, তার পুত্র চক্রধ্বজ এবং পৌত্র নীলাম্বর। কেউ কেউ বলেছেন যে কোচ রাজবংশ নীলাম্বরের বংশ অনুসরণ করেছিল। কিন্তু সর্বাধিক গৃহীত মত অনুসারে মহারাজা বিশ্ব সিংহ ১৫১০ সালে একটা স্বাধীন কোচ রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শুরুতে, এই রাজ্যের রাজধানী এক জায়গায় ছিল না, এবং যখন থেকে কুচবিহারে স্থানান্তরিত হয়, তখন থেকেই স্থিতিশীল হয়ে ওঠে। মহারাজা বিশ্ব সিংহ এবং তাঁর পুত্র মহারাজা নরনারায়ণের আমলেও কুচবিহার অঞ্চল কামতা নামে পরিচিত ছিল। মুঘল বাহিনী সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে কামতা রাজ্যের কিছু অংশ দখল করে। পরবর্তীকালে বাদশানামা, শাহ-জাহা-নামা, তারিখ-ই-আসাম এবং আলমগীরনামা, ওই অঞ্চলগুলোকে কুচবিহার হিসেবে চিহ্নিত করে। তাই এটা খুবই স্পষ্ট যে কোচ রাজ্যটা কামতা নামে পরিচিত ছিল এমনকি সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে যখন মহারাজা বিশ্ব সিং, মহারাজা নারায়ণ এবং মহারাজা প্রাণ নারায়ণের মতো কোচ রাজারা কামতেশ্বর উপাধি ব্যবহার করেছিলেন। কোচ রাজাদের বীরত্ব মহারাজা নরনারায়ণের গর্ব দ্বারা সর্বাধিক পরিচিত। তিনি তাঁর নিজস্ব মুদ্রা জারি করেছিলেন। কুচবিহারের ইতিহাস পাল-সেনদের সময়কালের ভাস্কর্য, সুলতানি ও মুঘল আমলের মুদ্রা, মন্দির, মধ্যযুগীয় এবং মধ্যযুগের শেষের দিকের মসজিদ। প্রাচীন ধ্বংসাবশেষের মধ্যে গোসানিমারীর রাজপাট, বানেশ্বরের শিব মন্দির এবং কোচবিহারের প্রাসাদের উল্লেখ করা যেতে পারে। এটা ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয় যে দিনহাটা থানার পশ্চিমে ১৩ কিলোমিটার দূরে গোসানিমারি গ্রামে রাজপাটের বিশাল ঢিবি, খেন রাজাদের প্রাচীন রাজধানী কামতাপুরের স্থানকে চিহ্নিত করে। রাজপাট শব্দটা সম্ভবত বাংলা রাজবাড়ি বা রাজপ্রাসাদ থেকে এসেছে। এই কামতাপুর রাজ্যের খেন রাজা নীলাম্বর ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুলতান হোসেন শাহের কাছে এক যুদ্ধে পরাজিত হন। রাজপাটের আড়ম্বর ও গৌরব এখন চারিদিকে সবুজে ঘেরা বিশাল মাটির আমানতের নিচে ধ্বংসস্তূপে পরিণত। এটা বিশ্বাস করা হয় যে কামতাপুরের প্রাচীন প্রাসাদ কমপ্লেক্স সহ আদি কামতেশ্বরী মন্দিরের সমস্তই এই ঢিবির মধ্যে সমাহিত রয়েছে। এই ঢিবিটা বর্তমানে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া দ্বারা সুরক্ষিত। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️ "+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
coochbeharintroenglish : "Prelude:-The district is bounded on the north by Alipurduar district, on the west by Jalpaiguri district, on the east by Assam state, and on the south, southeast and southwest by the Indo-Bangladesh border. In English the name of the district is Cooch Behar, while in Bengali it is known as Cooch Behar, which means, the land where the Koch kings used to travel or roam i.e. Bihar. It is to be notes that according to the Bengali nomenclature, the speeling is different but in English it is same. Over time, Cooch Behar evolved from a princely state to a state and later from a state to a district. Before 28 August 1949, Cooch Behar was a princely state, ruled by the Raja of Cooch Behar, who was a feudal ruler under the British government. On 28 August 1949, by an agreement, the Raja of Cooch Behar delegated the full and comprehensive authority, jurisdiction, and powers of the state to the Dominion Government of India. The administration of the state was transferred to the government and came into effect on 12 September 1949. Finally, on 19 January 1950, Cooch Behar was merged with the province of West Bengal, and from that date, Cooch Behar appeared as a new district in the administrative map of West Bengal. In fact, the monarchy of the king, even today, retains the introduction of the glorious past in the mood of the local people. The peace-loving people of Cooch Behar take pride in this beautiful city, where the Maharajas lived, and enjoy narrating the stories of the kings. It is clear that anyone who has visited the city of Cooch Behar cannot stand firm without admiring this city. Because the infrastructure of this beautiful planned city is like any other modern planned city, with a peaceful environment.History:-The early history of Cooch Behar can be found in the history of Assam. In the early times this region was known as Pragjyotish, which is mentioned in Ramayana and Mahabharata. The original territory of the western part of Pragjyotish, later came to be known as Kamrup. Kamrup was for some time ruled by the Guptas and the Palas. According to history, Kamrup was conquered by Muslim armies in 1498, but they could not hold the kingdom for long. After the expulsion of the Muslim soldiers, the Kamta kingdom plunged into anarchy. At that time, the rise of the Koch king began. History reveals that the ancient region of Kamrup played a major role in the development of the present area of Cooch Behar district in West Bengal. The Allahabad Pillar inscription of the famous Gupta emperor Samudragupta, mentions the existence of the Kamrup region in the 4th century CE. In the 15th century CE, the western part of Kamrup came under the Khen dynasty, ushering in a new kingdom known as Kamta. The present-day Cooch Behar originates from this Kamta land. The Khen dynasty is notable for its Niladhwaj kings. The founder of the dynasty, his son Chakradhvaj and grandson Nilambara. Some say that the Koch dynasty followed the line of Nilambars. But according to the most accepted opinion, Maharaja Vishwa Singha established an independent Koch state in 1510. In the beginning, the capital of this state was not in one place, and since the time it was moved to Cooch Behar, it became stable. The region of Cooch Behar was also known as Kamta during the period of Maharaja Vishwa Singha and his son Maharaja Naranarayan. Mughal forces occupied parts of the Kamta kingdom in the mid-17th century. Later Badshanama, Shah-zaha-nama, Tarikh-i-Assam and Alamgirnama, identified those areas as Cooch Behar. So, it is very clear that the Koch kingdom was known as Kamta even in the middle of the seventeenth century, when the Koch kings like Maharaja Vishwa Singh, Maharaja Narayan and Maharaja Pran Narayan used the title Kamteshwar. The valour of the Koch kings is best known by the pride of Maharaja Naranarayan. He issued his own currency. The history of Cooch Behar includes sculptures from the Pala-Sena period, coins from the Sultanate and Mughal period, temples, medieval and late medieval mosques. Among the ancient ruins mention may be made of the royal palace of Gosanimari, the Shiva temple of Baneshwar and the palace of Cooch Behar. It is traditionally believed that the huge mound of Rajpat in Gosanimari village, 13 km to the west of Dinhata thana, marks the site of Kamtapur, the ancient capital of the Khen kings. The word Rajpat is probably derived from the Bengali Rajbari or Rajprasad. The Khen king Nilambar of this Kamtapur kingdom was defeated in a battle by the Sultan of Bengal, Husain Shah in 1498. The grandeur and glory of the palace is now in ruins under the huge deposits of soil surrounded by greenery all around. It is believed that the ancient palace complex of Kamtapur along with the Adi Kamteshwari temple are all buried in this mound. It is currently protected by the Archaeological Survey of India. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"  🎞️"+
"Go To Page Menu ⇧",
coochbeharintrohindi : "प्रस्तावना:-जिला उत्तर में अलीपुरद्वार जिले से, पश्चिम में जलपाईगुड़ी जिले से, पूर्व में असम राज्य से, और दक्षिण, दक्षिण-पूर्व और दक्षिण-पश्चिम में भारत-बांग्लादेश सीमा से घिरा है। अंग्रेजी में जिले का नाम कूचबिहार है, जबकि बंगाली में इसे कूच बिहार के रूप में जाना जाता है, जिसका अर्थ है, वह भूमि जहां कोच राजा यात्रा करते थे या घूमते थे यानी बिहार। यह ध्यान दिया जाना चाहिए कि बंगाली नामकरण के अनुसार, वर्तनी अलग है लेकिन अंग्रेजी में यह समान है। समय के साथ, कूचबिहार एक रियासत से एक राज्य और बाद में एक राज्य से एक जिले में विकसित हुआ। 28 अगस्त 1949 से पहले, कूचबिहार एक रियासत थी, जिस पर कूचबिहार के राजा का शासन था, जो ब्रिटिश सरकार के अधीन एक सामंती शासक थे। 28 अगस्त 1949 को, एक समझौते के तहत, कूचबिहार के राजा ने राज्य के पूर्ण और व्यापक अधिकार, अधिकार क्षेत्र और शक्तियाँ भारत की डोमिनियन सरकार को सौंप दीं। राज्य का प्रशासन सरकार को हस्तांतरित कर दिया गया और 12 सितंबर 1949 को लागू हुआ। अंततः, 19 जनवरी 1950 को कूचबिहार का पश्चिम बंगाल प्रांत में विलय कर दिया गया और उसी दिन से कूचबिहार पश्चिम बंगाल के प्रशासनिक मानचित्र पर एक नए जिले के रूप में प्रकट हुआ। वास्तव में, राजा की राजशाही आज भी स्थानीय लोगों के मन में गौरवशाली अतीत का परिचय देती है। कूचबिहार के शांतिप्रिय लोग इस खूबसूरत शहर पर गर्व करते हैं, जहाँ महाराजा रहते थे, और राजाओं की कहानियाँ सुनाने का आनंद लेते हैं। यह स्पष्ट है कि कूचबिहार शहर का दौरा करने वाला कोई भी व्यक्ति इस शहर की प्रशंसा किए बिना नहीं रह सकता। क्योंकि इस खूबसूरत नियोजित शहर का बुनियादी ढाँचा किसी भी अन्य आधुनिक नियोजित शहर की तरह ही शांतिपूर्ण वातावरण वाला है।इतिहास:-कूचबिहार का प्रारंभिक इतिहास असम के इतिहास में मिलता है। प्राचीन काल में यह क्षेत्र प्राग्ज्योतिष के नाम से जाना जाता था, जिसका उल्लेख रामायण और महाभारत में मिलता है। प्राग्ज्योतिष के पश्चिमी भाग का मूल भूभाग बाद में कामरूप के नाम से जाना जाने लगा। कामरूप पर कुछ समय तक गुप्त और पाल राजाओं का शासन रहा। इतिहास के अनुसार, 1498 में मुस्लिम सेनाओं ने कामरूप पर विजय प्राप्त की, लेकिन वे अधिक समय तक राज्य पर काबिज नहीं रह सके। मुस्लिम सैनिकों के निष्कासन के बाद, कामता साम्राज्य अराजकता में डूब गया। इसी समय, कोच राजा का उदय हुआ। इतिहास से पता चलता है कि प्राचीन कामरूप क्षेत्र ने पश्चिम बंगाल के वर्तमान कूचबिहार जिले के विकास में प्रमुख भूमिका निभाई। प्रसिद्ध गुप्त सम्राट समुद्रगुप्त के इलाहाबाद स्तंभ शिलालेख में चौथी शताब्दी ईस्वी में कामरूप क्षेत्र के अस्तित्व का उल्लेख है। 15वीं शताब्दी ईस्वी में, कामरूप का पश्चिमी भाग खेन राजवंश के अधीन आ गया, जिससे कामता नामक एक नए राज्य की स्थापना हुई। वर्तमान कूचबिहार इसी कामता भूमि से उत्पन्न हुआ है। खेन राजवंश अपने नीलाध्वज राजाओं के लिए उल्लेखनीय है। राजवंश के संस्थापक, उनके पुत्र चक्रध्वज और पोते नीलाम्बर थे। कुछ लोग कहते हैं कि कोच राजवंश नीलाम्बरों की वंशावली का अनुसरण करता था। लेकिन सबसे स्वीकृत राय के अनुसार, महाराजा विश्व सिंह ने 1510 में एक स्वतंत्र कोच राज्य की स्थापना की। शुरुआत में, इस राज्य की राजधानी एक स्थान पर नहीं थी, और जब से इसे कूचबिहार स्थानांतरित किया गया, यह स्थिर हो गया। महाराजा विश्व सिंह और उनके पुत्र महाराजा नरनारायण के काल में कूचबिहार क्षेत्र को कामता के नाम से भी जाना जाता था तो, यह बहुत स्पष्ट है कि सत्रहवीं शताब्दी के मध्य में भी कोच राज्य को कामता के रूप में जाना जाता था, जब महाराजा विश्व सिंह, महाराजा नारायण और महाराजा प्राण नारायण जैसे कोच राजा कामतेश्वर की उपाधि का प्रयोग करते थे। कोच राजाओं की वीरता महाराजा नरनारायण के गौरव से सबसे अच्छी तरह जानी जाती है। उन्होंने अपनी मुद्रा जारी की। कूचबिहार के इतिहास में पाल-सेना काल की मूर्तियां, सल्तनत और मुगल काल के सिक्के, मंदिर, मध्यकालीन और उत्तर मध्यकालीन मस्जिदें शामिल हैं। प्राचीन खंडहरों में गोसानीमारी के शाही महल, बाणेश्वर के शिव मंदिर और कूचबिहार के महल का उल्लेख किया जा सकता है। पारंपरिक रूप से यह माना जाता है कि दिनहाटा थाने से 13 किमी पश्चिम में गोसानीमारी गांव में राजपाट का विशाल टीला, खेन राजाओं की प्राचीन राजधानी कामतापुर का स्थल है। इस कामतापुर राज्य के खेन राजा नीलाम्बर को 1498 में बंगाल के सुल्तान हुसैन शाह ने एक युद्ध में पराजित किया था। चारों ओर हरियाली से घिरे इस महल की भव्यता और वैभव अब मिट्टी के विशाल भंडार के नीचे खंडहर में तब्दील हो चुका है। ऐसा माना जाता है कि कामतापुर का प्राचीन महल परिसर और आदि कामतेश्वरी मंदिर, सभी इसी टीले में दबे हुए हैं। यह वर्तमान में भारतीय पुरातत्व सर्वेक्षण द्वारा संरक्षित है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️ "+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"