"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
jayrambatienglish : "Jayarambati:-Jayarambati is the birthplace of Sri Sri Sarada Ma, who was the divine companion of the Godman and holy person Sri Sri Ramakrishnadev. This place is very sacred for those who want to get spiritual peace. This village under Kotalpur police station of Bishnupur subdivision of Bankura district and is only 6 km from Kamarpukur. The scenery of Jayarambati is very beautiful. The village is surrounded by green pastures, natural grasslands, trees and shrubs, which are the scene of a typical of Bengal. The fertile land rich in silt of the nearby Amodar River is very suitable for cultivation. Due to the fertility of the land, a lot of vegetables, grains and other agricultural products are produced here, which has resulted in substantial growth of the village. Sarada Ma had great devotion to Goddess Lakshmi. That is why the devotees keep talking about her as the reason for the prosperity of Jayarambati after her birth. There are many miraculous stories about Sarada Ma, which give lot of joy to the devotees. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
jayrambatihindi : "जयरामबटी:-जयरामबटी श्री श्री शारदा माँ का जन्मस्थान है, जो भगवान श्री रामकृष्णदेव की दिव्य सखी थीं। आध्यात्मिक शांति चाहने वालों के लिए यह स्थान अत्यंत पवित्र है। यह गाँव बांकुड़ा जिले के बिष्णुपुर अनुमंडल के कोटालपुर पुलिस थाने के अंतर्गत आता है और कामारपुकुर से केवल 6 किमी दूर है। जयराबटी का दृश्य अत्यंत मनोरम है। यह गाँव हरे-भरे चरागाहों, प्राकृतिक घास के मैदानों, पेड़ों और झाड़ियों से घिरा हुआ है, जो बंगाल की एक विशिष्ट पहचान है। पास की अमोदर नदी की गाद से समृद्ध उपजाऊ भूमि खेती के लिए बहुत उपयुक्त है। भूमि की उर्वरता के कारण यहाँ बहुत सारी सब्जियाँ, अनाज और अन्य कृषि उत्पाद पैदा होते हैं, जिसके परिणामस्वरूप गाँव का पर्याप्त विकास हुआ है। शारदा माँ की देवी लक्ष्मी में गहरी भक्ति थी। इसीलिए भक्त उनके जन्म के बाद जयरामबटी की समृद्धि का कारण मानकर उनकी चर्चा करते रहते हैं। शारदा माँ के बारे में कई चमत्कारी कहानियाँ हैं, जो भक्तों को बहुत आनंद देती हैं। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photojayrambati :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
bahularabengali : "বহুলাড়াঃ-স্থাপত্যের চূড়া আকাশ ছুঁয়ে আজও দাঁড়িয়ে, যা চমকে দেয় সাধারণ মানুষকে। তবে ইতিহাস এখন কালের গর্ভে। প্রায় পাঁচশো বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গঠিত, বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লকের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসামান্য সব স্থাপত্য। তবে তাদের ইতিহাস এখনও মাটির তলায় চাপা। সোনাতপল, বহুলাড়া, হরিহরপুরের মতো ওন্দা ব্লকের ছোট ছোট গ্রামে যে সব সৌধগুলো রয়েছে, তার প্রকৃত নির্মাণকাল কবে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। কারা এই স্থাপত্যগুলো গড়েছিলেন, তার উত্তর এখনও অজানা। এই ইতিহাসের খোঁজে নেমে অনেকেরই জীবন পার হয়ে গেছে। অনেকে এখনও তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। তা সত্যেও বহু প্রশ্নের কিনারা হয়নি। ইতিহাসের অনালোকিত অধ্যায় নিয়ে রয়ে গিয়েছে নানা বিতর্ক। নানা সূত্র ধরে ইতিহাসবিদরা জানাচ্ছেন, এই সব স্থাপত্য যখন গড়ে উঠেছিল, বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের তখন কোনও অস্তিত্বই ছিল না। অনুমান জৈন যুগে এইসব নির্মাণ কাজ হয়েছিল। জৈনরাই এই সব সৌধ তৈরি করেছিলেন। আবার ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, এই সব নির্মাণ বৌদ্ধ স্থাপত্যের নিদর্শন। তাঁদের মতে, বহুলাড়ার সিদ্ধেশ্বর শিবের মন্দিরের কারুকার্য মল্লরাজাদের স্থাপত্য শৈলীকেও চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। মন্দিরের সারা গায়ে অলঙ্করণ রয়েছে। ওড়িশার রেখ দেউলের সাদৃশ্যে গঠিত এই মন্দিরের উচ্চতা প্রায় ৬৩ ফুট। মন্দিরের ভেতরে শিবলিঙ্গ ছাড়াও, বহু প্রাচীন গণেশ, মহিষ-মর্দিনী ও পরেশনাথের মূর্তি রয়েছে। বর্তমানে এই মন্দিরের নাম সিদ্ধেশ্বর শিবমন্দির। এখানে প্রতি বছর গাজন উৎসব পালিত হয়। তবে এই মন্দির একসময় জৈনরাই স্থাপন করেছিল বলে মত রয়েছে। মন্দিরের পাশে খোঁড়াখুঁড়ি করে বেশ কয়েকটা স্তূপ পাওয়া গেছে। এই স্তূপগুলো দেখেই তা প্রমাণ হয়। ওন্দার ইতিহাস নিয়ে যারা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন তাঁদের দাবি, এই স্তূপগুলো আদপে জৈনদের সমাধি। দ্বারকেশ্বর নদের পারে, বর্তমান ওন্দা ব্লকে সেই সময় জৈনদের বসতি ছিল। এখানের অধিকাংশ স্থাপত্যই তাদের হাতে গড়া। আনুমানিক একাদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে এই স্থাপত্য নির্মিত হয়েছিল বলে গবেষকদের মত। মন্দিরের নির্মাণ কি ভাবে হয়েছিল তা নিয়েও অবশ্য কিছু গ্রামবাসীর মধ্যে একটি জনশ্রুতি প্রচলিত রয়েছে। এলাকার অনেক বয়স্ক লোকেরা বলেন দৈব কারণে নিজে নিজেই এই মন্দির সৃষ্টি হয়েছিল। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
bahularaenglish : "Bahulara:-The pinnacle of architecture still stands today, touching the sky, which amazes the common man. But history is now in the womb of time. Covering an area of about five hundred square kilometers, the Onda block of Bankura has all the outstanding architecture scattered all over the place. However, their history is still buried in the ground. The actual construction period of the monuments in the small villages of Onda block like Sonatpal, Bahulara, Hariharpur is still unclear. The answer to who built these structures is still unknown. Many have passed away in search of this history. Many are still searching. In fact, many questions has not been answered till now. There has been a lot of controversy over the unseen chapter of history. According to various sources, historians say that when all these architectures were developed, the Malla kings of Bishnupur did not exist then at all. Presumably these construction works took place in the Jain era. The Jains built all these monuments. Again, according to some historians, all these constructions are examples of Buddhist architecture. According to them, the architecture of the Siddheshwar Shiva temple in Bahulara can also challenge the architectural style of the Malla kings. There are ornaments all over the temple. The height of this temple, which resembles Rekh Deul in Orissa, is about 63 feet. Inside the temple, in addition to the Shivling, there are many ancient idols of Ganesha, Mahish-Mardini and Pareshnath. At present the name of this temple is Siddheshwar Shiva Temple. Gajan festival is celebrated here every year. However, it is believed that this temple was once built by the Jains. Several mounds have been found by digging next to the temple. This is proved by looking at these heaps. Those who have been researching the history of Onda for a long time claim that these stupas are actually the tombs of Jains. On the banks of the Dwarkeshwar River, the present Onda block was inhabited by Jains at that time. Most of the architecture here is made by them. According to researchers, this architecture was built in the early eleventh century. There is also a rumor among some villagers about how the temple was built. Many elderly people in the area say that the temple was created by the act of God. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
bahularahindi : "बहुलारा-वास्तुकला के शिखर आज भी आसमान को छूते हुए खड़े हैं, जो आम आदमी को अचंभित करते हैं। लेकिन इतिहास अब समय के गर्भ में है। लगभग पाँच सौ वर्ग किलोमीटर के क्षेत्र को कवर करते हुए, बांकुड़ा के ओंडा ब्लॉक में सभी उत्कृष्ट वास्तुकला जगह-जगह बिखरी हुई है। हालाँकि, उनका इतिहास अभी भी ज़मीन में दफन है। ओंडा ब्लॉक के छोटे गाँवों जैसे सोनतपाल, बहुलारा, हरिहरपुर में स्मारकों का वास्तविक निर्माण काल अभी भी स्पष्ट नहीं है। इन संरचनाओं का निर्माण किसने किया, इसका उत्तर अभी भी अज्ञात है। इस इतिहास की खोज में कई लोगों का निधन हो गया। कई अभी भी खोज कर रहे हैं। वास्तव में, कई सवालों के जवाब अब तक नहीं मिले हैं। इतिहास के अनदेखे अध्याय पर काफी विवाद रहा है। विभिन्न स्रोतों के अनुसार, इतिहासकारों का कहना है कि जब ये सभी वास्तुकलाएँ विकसित हुईं, तब बिष्णुपुर के मल्ल राजा अस्तित्व में नहीं थे। संभवतः ये निर्माण कार्य जैन काल में हुए थे। जैनियों ने इन सभी स्मारकों का निर्माण किया। फिर, कुछ इतिहासकारों के अनुसार, ये सभी निर्माण बौद्ध वास्तुकला के उदाहरण हैं। उनके अनुसार, बहुलारा में सिद्धेश्वर शिव मन्दिर की वास्तुकला मल्ल राजाओं की स्थापत्य शैली को भी चुनौती दे सकती है। पूरे मन्दिर में अलंकरण हैं। उड़ीसा के रेख देउल से मिलते जुलते इस मन्दिर की ऊंचाई लगभग 63 फीट है। मन्दिर के अंदर शिवलिंग के अलावा गणेश, महिष-मर्दिनी और परेशनाथ की कई प्राचीन मूर्तियाँ हैं। वर्तमान में इस मन्दिर का नाम सिद्धेश्वर शिव मन्दिर है। यहाँ हर साल गाजन उत्सव मनाया जाता है। हालाँकि, यह माना जाता है कि यह मन्दिर कभी जैनियों द्वारा बनाया गया था। मन्दिर के बगल में खुदाई करने पर कई टीले मिले हैं। इन ढेरों को देखकर यह बात साबित होती है। जो लोग लंबे समय से ओंडा के इतिहास पर शोध कर रहे हैं, उनका दावा है कि ये स्तूप वास्तव में जैनियों की समाधियाँ हैं। द्वारकेश्वर नदी के तट पर, वर्तमान ओंडा ब्लॉक उस समय जैनियों द्वारा बसा हुआ था। यहाँ की अधिकांश वास्तुकला उन्हीं द्वारा बनाई गई है। शोधकर्ताओं के अनुसार, इस वास्तुकला का निर्माण ग्यारहवीं शताब्दी के प्रारंभ में हुआ था। कुछ ग्रामीणों के बीच इस मन्दिर के निर्माण को लेकर भी एक अफवाह है। इलाके के कई बुजुर्ग कहते हैं कि मन्दिर ईश्वरीय कृपा से बना है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photobahulara :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
biknabengali : "বিকনার ডোকরা শিল্পঃ-ডোকরা হল হারানো মোম ঢালাই পদ্ধতিতে তৈরি এক শিল্পকর্ম, যা প্রায় সাড়ে চার হাজার বছরের পুরোনো। সিন্ধু সভ্যতার সময় মহেঞ্জোদারোতে ডোকরা শিল্পের অনেক নিদর্শন পাওয়া গেছে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রাচীন এই ধাতুজ শিল্প এক উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে রেখেছে। ডোকরা শিল্পের মধ্যে বেঁচে আছে আদিম শিল্পধারা। কল্পনা, বৈচিত্র্য এবং কারিগরি - এই তিনের মিশ্রণ দেখা যায় গ্রাম বাংলার এই লোকশিল্পে। ডোকরা শিল্পে পশ্চিমবঙ্গ বিশেষ সমাদৃত এবং বাঁকুড়া জেলার বিকনা গ্রাম হল ডোকরা শিল্পের জন্য জগৎ বিখ্যাত। বিকনা গ্রামটা বাঁকুড়া-রাণীগঞ্জ সড়কপথে বাঁকুড়া শহর থেকে মাত্র তিন কি.মি. দূরে অবস্থিত। কোন সুদূর অতীতে বিকনা গ্রামে ডোকরা শিল্পের প্রচলন হয়েছিল তা বর্তমানে বিস্মৃত। কেউ কেউ বলেন দেড়শো বছর বা তারও আগে বিকনাতে প্রথম ডোকরা শিল্পের কাজ শুরু হয়। অনুমান এই যে, স্থানীয় পরিসরে বর্তমান ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলে এই শিল্পের উদ্ভব হয়। তা প্রথমে ঝাড়খণ্ড ও বিহারে এবং পরে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও অন্ধপ্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাঁকুড়ার বিকনা গ্রামে কর্মকার সম্প্রদায়ের মানুষেরা ডোকরা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। এই কাজে যথেষ্ট কাঁচামাল ও শ্রম প্রয়োজন হয়। ডোকরা শিল্পকর্ম বানানোর প্রক্রিয়াটা জটিল ও সময়সাপেক্ষ। সাতটা ধাপে তৈরি হয় ডোকরার বিভিন্ন শিল্প সামগ্রী। ডোকরা শিল্পের মূল উপাদানসমূহ হল - মিহি করে গুঁড়ো করা মাটি, ধুনো ও তেল মেশানো আঁটা বা মণ্ড, মোম, পেতল, কাঠকয়লা ইত্যাদি। প্রথম ধাপে মাটিকে গুঁড়ো করে চালুনি দিয়ে খুব মিহি করে চেলে নেওয়া হয়। এরপর ধানের তুষ ও পরিমাণ মতো বালি মিশিয়ে মণ্ড করা হয়। যে মূর্তি বা বস্তু তৈরি করা হবে, মাটির মণ্ড দিয়ে তেমন আকৃতির আদলে একটা প্রাথমিক রূপ দেওয়া হয়। তার ওপরে গুঁড়ো মাটির সঙ্গে গোবর মিশিয়ে প্রলেপ দেওয়া হয় যাতে আগুনে গরম করার সময় ফেটে না যায়। পরে সেগুলোকে ভালো ভাবে শুকিয়ে নেওয়া হয়। দ্বিতীয় ধাপে মোমকে একটা পাত্রে গরম করে প্রলেপ দেওয়া হয়। তৃতীয় ধাপে ওই গলানো মোমের কিছুটা অংশ একটু ঠাণ্ডা করে সরু সরু লেচি কাটার মতো কেটে বিভিন্ন মূর্তির হাত পা তৈরি হয়। আরও সরু সুতোর মত লম্বা আকৃতির টুকরো করে নানারকম সাজসজ্জা ও কারুকার্য তৈরি করা হয়। চতুর্থ ধাপে মূর্তিগুলোর অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ও সাজসজ্জা তৈরির পর, পাতলা মাটি, ধানের তুষ ও বালি একসঙ্গে মেখে সম্পূর্ণভাবে ঢেকে দেওয়া হয়। পঞ্চম ধাপে মাটির প্রলেপ দিয়ে ঢাকার পর বড় ছুঁচ বা ছুরি দিয়ে মূর্তিগুলোর গায়ে চ্যানেল তৈরি করা হয়, যার মধ্য দিয়ে গলানো পেতল প্রবেশ করানো হয়ে থাকে। ষষ্ঠ ধাপে মূর্তিগুলোকে আগুনে পোড়ানোর সময় মোমের প্রলেপ গলে বেরিয়ে গিয়ে শূন্যতার সৃষ্টি হয়, আর গলানো পেতল সেই স্থান গুলো ভরাট করে। সম্পূর্ণ রূপে ভরাট হয়ে গেলে একটা পাত্রে জলের মধ্যে ডুবিয়ে রেখে ঠাণ্ডা করে, যত্ন সহকারে একটু একটু করে মাটির প্রলেপ গুলো ছাড়ানো হয়। এরপর সপ্তম ধাপে চলে ফিনিশিংয়ের কাজ, যা ডোকরা শিল্পীরা নিজেদের দক্ষতা ও পারদর্শিতার সাহায্যে ফুটিয়ে তোলেন। ডোকরা শিল্পে নির্মিত শিল্পসামগ্রী বর্তমানে বেশ বৈচিত্র্যময়। দীর্ঘ সময়ে একটু একটু করে পাল্টেছে বিকনার শিল্পীদের কাজের ধরন। এক সময় লক্ষ্মীর ভাঁড়, হাতি, ঘোড়া, চাল মাপার কুনকে, গণেশ, লক্ষ্মী, নারায়ণ ইত্যাদি দেবদেবীর মূর্তি তৈরির মধ্যেই ডোকরা শিল্প সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই শিল্পের পরিধি অনেক বিস্তৃত হয়েছে। জামাকাপড় রাখার হ্যাঙার থেকে পর্দা টাঙানোর ক্লিপ, গ্রিল থেকে শুরু করে মেয়েদের পার্সের বোতাম সবেতেই ঢুকে পড়েছে ডোকরা। বর্তমানে হাতের বালা, কানের দুল, পেনডেন্ট, পেপারওয়েট, চাবির রিং, ডোকরার গ্রিল, দরজার কড়া, সাবান কেস, আদিবাসী মূর্তি, গয়নার বাক্স, ফল রাখার ঝুড়ি, অ্যাসট্রে ইত্যাদি জিনিসও তৈরি হচ্ছে ডোকরা শিল্পে। বাঁকুড়ার বিকনা গ্রামের শিল্পীদের কাজ, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থানের ডোকরা শিল্পীদের কাজের থেকে আলাদা। কারণ বিকনা গ্রামে ডোকরার সলিড কাজের পাশাপাশি জালি বা নেটের কাজের সূক্ষ্মতাই তাঁদের শিল্পকে বিশিষ্ট করে তুলেছে। ডোকরা শিল্পে মহিলাদের সাহায্য অপরিহার্য, বিকনা গ্রামেও সেই ধারাই দেখা যায়। এখানে পুরুষ শিল্পীরা নকশা তৈরি করার পর মেটাল কাস্টিং পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে মহিলারাই প্রধান ভূমিকা নেন। বিকনা গ্রামেরই প্রয়াত বুদ্ধ কর্মকার ১৯৮৮ সালে ডোকরার মনসাঝাড় তৈরি করে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছিলেন। তাঁর হাতের কাজের জন্যেই ডোকরার পরিচিতি অন্য মাত্র পায়। বুদ্ধবাবু পুরস্কার পাওয়ার পরেই বিকনার ডোকরা শিল্পের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে দেশ-বিদেশে। ধীরে ধীরে বাজারে চাহিদাও বাড়িতে থাকে। তবে নব্বইয়ের দশকে লোকসানের মুখে পড়ে এই শিল্প। পরিস্থিতি এমনই হয় যে জীবনধারণের জন্যে বহু শিল্পীই শিল্পকর্ম ছেড়ে রিকশা চালানো, দিনমজুরি শুরু করেন। যদিও ছবিটা অনেক বদলে গেছে সাম্প্রতিক কালে। তবে বর্তমানেও ডোকরা শিল্পে অনেক সমস্যা আছে। বর্ধিত দ্রব্যমূল্য, পেতলের যোগানের স্বল্পতা, আধুনিক ক্রেতাদের রুচি ও চাহিদার ক্রমপরিবর্তন ইত্যাদি সমস্যা ও চ্যালেঞ্জকে সাথে নিয়েই বিকনার ডোকরা শিল্পীরা এগিয়ে চলেছেন। সাম্প্রতিককালে ডোকরা শিল্পসম্ভারের ঝুলিতে নতুন ভাবে সংযোজিত হয়েছে অনেক কিছুই, যা আকৃষ্ট করছে বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতাদের। রোজগার বেড়ে মুখে হাসি ফুটেছে শিল্পীদেরও। আশা রাখি, বিকনার ডোকরা শিল্প আগামী দিনে আরও উন্নতি করবে। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
biknaenglish : "Dokra Art of Bikna:-Dokra is a work of art made by the lost wax casting method, which is about four and a half thousand years old. Many specimens of Dokra art have been found in Mohenjo-daro during the Indus Valley Civilization. This ancient metal industry occupies a significant place in the history of human civilization. Primitive art has survived in the Dokra industry. Imagination, diversity and technique - a combination of these three can be seen in this folk art of rural Bengal. West Bengal is very popular in Dokra industry and Bikna village in Bankura district is world famous for Dokra industry. Bikna village is only 3 km from Bankura town on Bankura-Raniganj road. When the Dokra industry was introduced in the village of Bikna, is now a forgotten history. Some say that the first dokra industry started in Bikna a hundred and fifty years ago. It is speculated that the industry originated locally in the Bastar region of present-day Chhattisgarh. It spread first to Jharkhand and Bihar and later to West Bengal, Orissa and Andhra Pradesh. The people of Karmakar community in Bikna village of Bankura are associated with Dokra industry. This work requires sufficient raw materials and labour. The process of making Dokra artwork is complex and time consuming. Dokra's various art materials are made in seven steps. The main components of the dokra industry are - finely ground clay, incense and oil mixed clay or pulp, wax, brass, charcoal etc. In the first step, the soil is grind and filtered very finely. Then it is mixied with rice husk and sand. The statue or object to be made is given an initial shape in the shape of a clay pot. It is coated with cow dung mixed with powdered soil so that it does not burst during heating. Later they are dried well. In the second step, the wax is heated in a pot and coated. In the third step, some part of the melted wax is cooled down a little and cut like a fine pieces to make the hands and feet of different idols. Various ornaments and crafts are made by making long pieces like thinner threads. In the fourth stage, after making the limbs and ornaments of the idols, the thin soil, rice husk and sand are mixed together and completely covered. In the fifth step, after covering with clay, channels are made on the statues with large needles or knives, through which molten brass is inserted. In the sixth step, when the idols are burned in the fire, the wax coating melts out, creating a void, and the molten brass fills the space. When it is completely filled, it is immersed in water in a container and cooled. This is followed by the seventh stage of finishing work, which the Dokra artists use to enhance their skills and expertise.The artefacts made in the Dokra industry are now quite diverse. In the long run, the style of work of Bikna artists has changed slowly. At one time the Dokra industry was limited to making idols of Lakshmi's stongroom, elephants, horses, rice measuring pot, Ganesha, Lakshmi, Narayan etc. But in recent times the scope of this industry has expanded a lot. From the clothes hanger to the curtain hanging clips, from the grill to the buttons of the girls' purses, the dokra has just entered. At present, bracelets, earrings, pendants, paperweights, key rings, grills, door handles, soap cases, tribal idols, jewelry boxes, fruit baskets, ashtrays, etc. are also being made in the dokra industry. The work of the artists of Bikna village in Bankura is different from the work of Dokra artists in other parts of West Bengal. Because in the village of Bikna, the solid work of Dokra as well as the finesse of net or net work has made their art special. The help of women is essential in the dokra industry; the same trend can be seen in Bikna village also. After finfishing the artwork by the male counterpart, women play a major role in the various stages up to metal casting. Late Buddha Karmakar of Bikna village won the President's Award in 1986 by making Dokra Manasajhar. Dokra is known only for his handiwork. After receiving the award by Buddhababu, the fame of Bikna's dokra industry spread in the country and abroad. Gradually the market demand also increased. However, the industry suffered losses in the nineties. The situation is such that many artists give up their art work and start driving rickshaws and earning a living. Although the picture has changed a lot in recent times, yet there are still many problems in the dokra industry. Dokra artists of Bikna are moving forward with the problems and challenges of rising commodity prices, shortage of brass supply, changing tastes and demands of modern consumers. Recently, a lot of new things have been added to the Dokra art bag, which is attracting different classes of buyers. Artists are also smiling as their earnings increase. Hopefully, the bikna dokra industry will improve further in the coming days. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
biknahindi : "बिकना की डोकरा कला-डोकरा लुप्त मोम ढलाई विधि से बनी एक कलाकृति है, जो लगभग साढ़े चार हज़ार साल पुरानी है। सिंधु घाटी सभ्यता के दौरान मोहनजोदड़ो में डोकरा कला के कई नमूने मिले हैं। यह प्राचीन धातु उद्योग मानव सभ्यता के इतिहास में एक महत्वपूर्ण स्थान रखता है। डोकरा उद्योग में आदिम कला जीवित है। ग्रामीण बंगाल की इस लोक कला में कल्पना, विविधता और तकनीक - इन तीनों का सम्मिश्रण देखा जा सकता है। पश्चिम बंगाल डोकरा उद्योग में बहुत लोकप्रिय है और बांकुड़ा जिले का बिकना गाँव डोकरा उद्योग के लिए विश्व प्रसिद्ध है। बिकना गाँव बांकुड़ा-रानीगंज मार्ग पर बांकुड़ा शहर से केवल 3 किमी दूर है। बिकना गाँव में डोकरा उद्योग कब शुरू हुआ, यह अब एक भुला दिया गया इतिहास है। कुछ लोग कहते हैं कि पहला डोकरा उद्योग डेढ़ सौ साल पहले बिकना में शुरू हुआ था बांकुड़ा के बिकना गांव में कर्मकार समुदाय के लोग डोकरा उद्योग से जुड़े हैं। इस कार्य के लिए पर्याप्त कच्चे माल और श्रम की आवश्यकता होती है। डोकरा कलाकृति बनाने की प्रक्रिया जटिल और समय लेने वाली है। डोकरा की विभिन्न कला सामग्री सात चरणों में बनाई जाती है। डोकरा उद्योग के मुख्य घटक हैं - बारीक पिसी हुई मिट्टी, धूप और तेल मिश्रित मिट्टी या लुगदी, मोम, पीतल, लकड़ी का कोयला आदि। पहले चरण में मिट्टी को बहुत बारीक पीसकर छान लिया जाता है। फिर इसे चावल की भूसी और रेत के साथ मिलाया जाता है। बनाई जाने वाली मूर्ति या वस्तु को मिट्टी के बर्तन के आकार में प्रारंभिक आकार दिया जाता है। इसे गोबर में पिसी हुई मिट्टी मिलाकर लेप किया जाता है ताकि गर्म करने पर यह फट न जाए। बाद में इन्हें अच्छी तरह सुखाया जाता है। दूसरे चरण में मोम को बर्तन में गर्म करके लेप किया जाता है। तीसरे चरण में पिघले हुए मोम के कुछ भाग को थोड़ा ठंडा करके बारीक टुकड़ों की तरह काटा जाता है चौथे चरण में, मूर्तियों के अंग-प्रत्यंग और आभूषण बनाने के बाद, पतली मिट्टी, चावल की भूसी और रेत को एक साथ मिलाकर पूरी तरह से ढक दिया जाता है। पाँचवें चरण में, मिट्टी से ढकने के बाद, मूर्तियों पर बड़ी सुइयों या चाकू से चैनल बनाए जाते हैं, जिनके माध्यम से पिघला हुआ पीतल डाला जाता है। छठे चरण में, जब मूर्तियों को आग में जलाया जाता है, तो मोम की परत पिघल जाती है, जिससे एक शून्य बन जाता है, और पिघला हुआ पीतल उस स्थान को भर देता है। जब यह पूरी तरह से भर जाता है, तो इसे एक बर्तन में पानी में डुबोकर ठंडा किया जाता है। इसके बाद परिष्करण कार्य का सातवाँ चरण आता है, जिसका उपयोग डोकरा कलाकार अपने कौशल और विशेषज्ञता को बढ़ाने के लिए करते हैं।डोकरा उद्योग में बनाई जाने वाली कलाकृतियाँ अब काफी विविध हैं। समय के साथ, बिकना कलाकारों की कार्यशैली धीरे-धीरे बदल गई है। एक समय में डोकरा उद्योग लक्ष्मी के आसन, हाथी, घोड़े, चावल मापने वाले बर्तन, गणेश, लक्ष्मी, नारायण आदि की मूर्तियाँ बनाने तक ही सीमित था। लेकिन हाल के दिनों में इस उद्योग का दायरा काफी विस्तृत हो गया है। कपड़ों के हैंगर से लेकर पर्दे टांगने वाले क्लिप तक, ग्रिल से लेकर लड़कियों के पर्स के बटन तक, डोकरा ने अभी-अभी प्रवेश किया है। वर्तमान में, कंगन, झुमके, पेंडेंट, पेपरवेट, चाबी के छल्ले, ग्रिल, दरवाज़े के हैंडल, साबुन के डिब्बे, आदिवासी मूर्तियाँ, गहनों के डिब्बे, फलों की टोकरियाँ, ऐशट्रे आदि भी डोकरा उद्योग में बनाए जा रहे हैं। बांकुड़ा के बिकना गाँव के कलाकारों का काम पश्चिम बंगाल के अन्य हिस्सों के डोकरा कलाकारों के काम से अलग है। क्योंकि बिकना गाँव में, डोकरा के ठोस काम के साथ-साथ जाली या नेट वर्क की बारीकियों ने उनकी कला को विशिष्ट बना दिया है। डोकरा उद्योग में महिलाओं की मदद आवश्यक है, यही चलन बिकना गाँव में भी देखा जा सकता है। पुरुष समकक्ष द्वारा कलाकृति को अंतिम रूप देने के बाद, धातु की ढलाई तक के विभिन्न चरणों में महिलाएँ प्रमुख भूमिका निभाती हैं। बिकना गाँव के स्वर्गीय बुद्ध कर्मकार ने 1986 में डोकरा मनसाझार बनाकर राष्ट्रपति पुरस्कार जीता था। डोकरा अपनी हस्तकला के लिए ही जाने जाते हैं। बुद्धबाबू द्वारा पुरस्कार प्राप्त करने के बाद बिकना के डोकरा उद्योग की ख्याति देश-विदेश में फैल गई। धीरे-धीरे बाजार में मांग भी बढ़ी। हालांकि, नब्बे के दशक में इस उद्योग को नुकसान उठाना पड़ा। स्थिति यह है कि कई कलाकार अपनी कला का काम छोड़ कर रिक्शा चलाकर जीविकोपार्जन करने लगे हैं। हालांकि हाल के दिनों में तस्वीर काफी बदली है, फिर भी डोकरा उद्योग में अभी भी कई समस्याएं हैं। बिकना के डोकरा कलाकार वस्तुओं की बढ़ती कीमतों, पीतल की आपूर्ति की कमी, आधुनिक उपभोक्ताओं की बदलती पसंद और मांगों जैसी समस्याओं और चुनौतियों के साथ आगे बढ़ रहे हैं। हाल ही में डोकरा कला की झोली में कई नई चीजें जुड़ी हैं, जो विभिन्न वर्गों के खरीदारों को आकर्षित कर रही हैं। अपनी कमाई बढ़ने से कलाकारों के चेहरे पर भी मुस्कान है। उम्मीद है कि आने वाले दिनों में बिकना डोकरा उद्योग में और सुधार होगा। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photobikna :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
bharatpurbengali : "ভরতপুরের পটচিত্রঃ-ভরতপুর, প্রচারের আলো থেকে বঞ্চিত এক শিল্পগ্রাম। বাঁকুড়া জেলার পটের গ্রাম ভরতপুর। এক অবহেলিত, গরিব পটশিল্পীদের গ্রাম, যার সম্বন্ধে খুব কম লোকেই অবহিত। কেবলমাত্র পটচিত্রকে পেশা করে যেসব পটুয়া সম্প্রদায় আদি পটচিত্রের অঙ্কন ধারা এখনও বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন, ভরতপুর সেরকম একটা গ্রাম। এই যুগেও কেবলমাত্র পটচিত্র এঁকে, কথকথা করে বা পটের গান শুনিয়েই এনারা জীবননির্বাহ করেন।পশ্চিম মেদিনীপুরের নয়াগ্রামের পটচিত্র শিল্পীদের মতন শাড়ীর আঁচলে, জামা-কাপড়ে, এমন কি হাতপাখা বা ছাতার ওপরেও পটের ভাবনাকে ছড়িয়ে দেবার কথা এরা জানেন না, ভাবতেও পারেন না। তাই নয়াগ্রামে দেশি বিদেশি পর্যটক ও ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। কিন্তু ভরতপুর গ্রামের চিত্রকরেরাও আপন ক্ষেত্রে যথার্থই অনন্য। এঁদের কাছেই দেখতে পাওয়া যাবে একশ শতাংশ ভেষজ রঙ ও নিজেদের হাতে তৈরি তুলিতে আঁকা আদি, অকৃত্রিম, চিরকালীন পটচিত্র এবং পটের গান। সমকালীন রঙ-তুলির ভাবনা এঁদের কাছে ব্রাত্য। এই প্রাচীন ট্র্যাডিশনাল পট এঁকেই এখানকার সহদেব, মহাদেব চিত্রকর এবং আরও অনেকেই পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও জেলা পুরস্কার। সাধারণত পটচিত্র বলতে বোঝায় পট অথবা পট্ট বস্ত্র বা কাপড়ের টুকরোর ওপরে আঁকা ছবি। ভারতবর্ষে পটচিত্রের ইতিহাস খুবই প্রাচীন। প্রায় আড়াই হাজার বছর ধরে এই শিল্প বেঁচে আছে। গ্রামীণ ভারতীয় জনজীবনে সামাজিক নীতিশিক্ষা দান, ধর্মীয় ও পৌরাণিক কাহিনীর প্রচার ও প্রসারের সঙ্গে সামাজিক আদান প্রদানের এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল এই পট চিত্র এবং পটের গান গাওয়া পটুয়ারা। সপ্তম শতাব্দীতে বাংলাদেশে পটুয়ারা বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনীর উপর ভিত্তি করে সামাজিক উপাখ্যানমূলক সংগীত রচনা করতেন, এবং পটচিত্রের মাধ্যমে সেগুলো প্রচার করতেন। যেমন চণ্ডীমঙ্গল, ধর্মমঙ্গল, মনসামঙ্গল ইত্যাদি। এখনও এরকম বিষয় বস্তুর উপরে রচিত পৌরাণিক পটগুলি খুবই জনপ্রিয়। ষোড়শ শতাব্দীর প্রথমদিকের, চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, তাঁর কাব্যগ্রন্থে পটুয়াদের কথা উল্লেখ করেছেন। পশ্চিম মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান ও বীরভূমের পট যেভাবে প্রচারের আলো পেয়েছে, রাঢ় বাংলার পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ার পট সেভাবে প্রচারের আলোতে আসেনি। এর অন্যতম কারণ, এখানকার শিল্পীরা ভীষণই গরিব এবং শিক্ষার আলোক থেকে প্রায় বঞ্চিত। তাই এখানকার পটচিত্রের মধ্যে আধুনিকতার ছোঁয়া পাওয়া যায় না। কিন্তু পাওয়া যায় যুগ যুগ ধরে প্রচলিত যমপট, সাঁওতাল বা আদিবাসী পট, জাদুপট বা চক্ষুদান পটের আদিম ও নিখুঁত চিত্রায়ন। শিল্পসুষমা মণ্ডিত গণেশ জননী পটের বদলে ভরতপুরের পটে দেখবেন আদিম যুগের ট্র্যাডিশনাল পট। ভরতপুর ছাড়াও বাঁকুড়ার ছান্দার গ্রামে এবং বিষ্ণুপুরেও পটুয়া পাড়া আছে। প্রাচীন কালে বৌদ্ধ ও জৈন সন্ন্যাসীরা, মুখ্যত ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে একখণ্ড কাপড়ের উপর চিত্র এঁকে, সেই চিত্র দেখিয়ে সুর করে গান গাইতেন বা ছড়া কাটতেন। জৈন ধর্মের বিখ্যাত গ্রন্থ কল্পসূত্র। এটা মুখ্যত মহাবীরের বাণী বা উপদেশের সংকলন। তাঁর আদর্শ প্রচারের সঙ্গী বা মাধ্যম হয়ে, সে যুগেও চিত্রকর সম্প্রদায়ের উপস্থিতি চোখে পরে। জাতকের কাহিনী প্রচারেও এঁরা ছিলেন সঙ্গী। এঁরা মুখ্যত বুদ্ধদেবের জীবনী এবং জাতকের কাহিনীর গল্প আঁকতেন। শোনা যায় সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের, ইতিহাস বিখ্যাত প্রধানমন্ত্রী, অসম্ভব কূটবুদ্ধিশালী চাণক্য নাকি চিত্রকারদের নিয়োগ করতেন গুপ্ত খবর সংগ্রহ করবার জন্য। ষোড়শ শতকে শ্রী চৈতন্যদেবের বাণী প্রচারেও পট চিত্রের সাহায্য নেওয়া হয়। অতিশয় দুঃখজনক হলেও নির্মম ভাবে সত্য যে, একসময়ের ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দু সমাজে, চিত্রাঙ্কন, নৃত্যগীত এবং নাট্যশাস্ত্রের চর্চা করা অপরাধ বলে গণ্য করা হতো। মেয়েদের এসব চর্চা তো পতিতা বৃত্তির সমান বলে ভাবা হতো। পুরুষ শিল্পীদেরও অত্যন্ত নিচু চোখে দেখা হতো এবং তাঁদের সমাজের অত্যন্ত নিম্ন স্তরে বাস করতে বাধ্য করা হতো। কোন একটা উদ্ভট ঘটনা জুড়ে দিয়ে ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দু সমাজ, সেযুগে শিল্প কলা চর্চা করা চিত্রকর, বা পটুয়াদের কিম্বা ডোকরা ধাতু শিল্পের চর্চা করা ডোকরা সম্প্রদায়ের মানুষগুলোকে সমাজচ্যুত এবং অন্তজ করে রেখেছিল। পটুয়াদের সমাজচ্যুত হওয়ার পিছনে যে কারণ রয়েছে সেটা হচ্ছে-তাঁদের কোন এক পূর্ব পুরুষ নাকি মহাদেবকে না জানিয়ে মহাদেবের ছবি এঁকেছিলেন। ছবি আঁকা শেষ হলে পটুয়া দেখেন যে, সামনে স্বয়ং মহাদেব দাঁড়িয়ে আছেন। ভয়ের চোটে শিল্পী আঁকার তুলির দিকটা মুখে পুরে লুকিয়ে ফেলেন। এতে নাকি ক্রুদ্ধ হয়ে মহাদেব অভিশাপ দেন-পটুয়ারা না হিন্দু না মুসলমান হয়ে থাকবে, মুসলমানের রীতি আর হিন্দুর কর্ম করে খাবে। সাতে পাঁচে না থাকা ভোলে বাবা তো হিরণ্যকশিপু, রাবণ এরকম সব অসুরদের অব্দি বরদান করেন। আর স্রেফ না বলে ওনার ছবি আঁকার জন্যে, আর ভয় পেয়ে আঁকার তুলি মুখের মধ্যে লুকোবার চেষ্টা করার জন্যে, পুরো শিল্পী সম্প্রদায়ের জাত মেরে দিয়ে আধা মুসলমান হবার অভিশাপ দিয়ে দিলেন। সত্যি কথা বললে, শিব ঠাকুর তো আদিতে অনার্যদের পূজিত দেবতা ছিলেন। ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দু সমাজ অনেক পরে ওনাকে বৈদিক দেবতার স্তরে উন্নীত করে। সেই শিব ঠাকুর কয়েকটা গরিব শিল্পী মানুষকে অভিশাপ দিচ্ছেন-তোরা আদ্দেক মুসলমান হবি, এটা কি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য ? আর হিন্দু দেব দেবীদের নিয়ে ছবি আঁকা, গান গাওয়ার জন্যে মৌলবাদী মুসলিমরাও এঁদের সু-নজরে দেখে না। তাহলে কোথায় যাবে এই শিল্পী মানুষগুলো ? আসল কথা হচ্ছে এই জাত শিল্পীদের হাতের রং-তুলি দিয়ে আঁকা ছবিগুলোকে ব্রাহ্মন্যবাদী সমাজ ভয় পেত। নিজেদের চালে চলা গরিব মানুষগুলো কোনদিন ছবি এঁকে সমাজের নচ্ছামিকে টেনে রাস্তায় নামিয়ে দেবে, এই ভয়ে বিভিন্ন গালগল্প করে সমাজে তাদের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতো। অর্থাৎ সমস্ত শিল্পী জাতটাকেই ব্রাত্য করে দাও। আজকে ভারতবর্ষের বিজ্ঞানীরা চাঁদ ছাড়িয়ে মঙ্গলগ্রহে অভিযান করছেন। কিন্তু এই গরীব মানুষগুলির উপরে শিব ঠাকুরের অভিশাপ এখনও বলবৎ। সত্য সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দেশ। পুরাণের গল্প অনুযায়ী ব্রাহ্মণের অভিশাপে স্বর্গের অপ্সরা ঘৃতাচী মর্ত্যলোকে মন্মথ নামক গোয়ালার কন্যা হয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর নাম প্রভাতী। দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা প্রভাতীকে বিয়ে করেন। এঁদের বিবাহজাত অষ্টম সন্তান হচ্ছে চিত্রকর। নটা শিল্পী সম্প্রদায়ের নামগুলো হচ্ছে মালাকার, কর্মকার, শাঁখারি বা শঙ্খকার, তন্তুকার, কুম্ভকার, কাংশকার, সূত্রধর, চিত্রকর এবং স্বর্ণকার। তাই এই নটা শ্রেণীর বিভিন্ন শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি ব্যক্তির মতোই চিত্রকরদের কাছেও বিশ্বকর্মা পুজো হচ্ছে সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান। ভারতবর্ষের এক বিরাট দলিত সম্প্রদায়ের নাম বিশ্বকর্মা। এই সম্প্রদায়ের প্রতিটি ব্যক্তির অন্ত পদে থাকে বিশ্বকর্মা নাম এবং এঁরা মনে করেন, বিশ্বকর্মা পিছিয়ে পড়া দলিতদের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, আদিম পুরুষ, যিনি নিজ কর্মফল ও অসাধারণ প্রতিভার দ্বারা স্বর্গের দেবসভা, কুবেরের বাসস্থান, রাবণের সোনার লঙ্কা, শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকা, শিবের হরধনু, ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর ইত্যাদি নির্মাণ করেছেন। বিশ্বকর্মা আদতে দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। বিশ্বকর্মা পুজো ছাড়াও ভরতপুরের চিত্রকরেরা স্থানীয় বাঙালিদের সমস্ত পুজো পার্বণেই যোগদান করেন। এখানকার পটুয়ারা সম্ভবত জাতিতে সাঁওতাল কিন্তু হিন্দু রীতিনীতিতেই জীবন যাপন করেন। ভরতপুর গ্রামে ১৮-টা চিত্রকর পরিবারের বাস। এখানে আদিবাসী সাঁওতাল অধিবাসীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। চিত্রকরদের পূর্বপুরুষেরা আদিবাসী এবং চক্ষুদান পট আঁকার পুরস্কার হিসেবে, আদিবাসীদের দান করা একখণ্ড জমিতেই, এখানকার বসতি গড়ে তোলেন। কতদিন ধরে ওনারা এখানে আছেন তা ওনারাই জানেন।গ্রামে প্রবেশের মুখেই বাঁহাতে পড়ে একটি বাঁধানো মন্দির। মন্দিরের মধ্যে রয়েছে শ্মশান কালী মাতার মূর্তি। তার ভেতর দিয়ে চলে গেছে পাকা রাস্তা। আগে ছিল না, ইদানীং হয়েছে। ঘর বাড়ির চেহারা দেখে বোঝা যায় এনাদের আর্থিক অসচ্ছলতা। দারিদ্রের সাথে শিক্ষার অভাব বেশ প্রকট, তাই বিশ্বাস ও ভক্তির স্থানও ঠিকমত জানা নেই। দু-দিকেই রয়েছ টানা মাটির দেওয়াল, খালি পার্টিশন ওয়াল দিয়ে আলাদা আলাদা বাড়ি। মাথার উপরে আছে যেমন তেমন করে তৈরি খড় বা টালির ছাদ। মন্দির বাদে কয়েকটা পাকা বাড়ি রয়েছে। শুনলাম পঞ্চায়েতের আনুকূল্যে নির্মিত। আক্ষরিক অর্থেই বারো ঘর এক উঠোন। এবার দেখে নেওয়া যাক, ভরতপুরের পটুয়াদের কিছু বিশেষত্ব। রঙ তুলি এঁরা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বা ভেষজ জিনিষ যেমন গাছের পাতা, শিকড়, পাথরের গুঁড়ো, মাটি ইত্যাদি দিয়ে নিজেরাই তৈরি করেন। বাজারে কেনা রঙ তুলির চলন নেই। গেরুয়া মাটি থেকে তৈরি হয় গেরুয়া রঙ, খড়ি মাটি থেকে হয় সাদা রঙ, আবার এক রকম মাটি পোড়ালে নাকি সাদা রং পাওয়া যায়, সিম এবং গাছের সবুজ পাতা বেটে তৈরি হয় সবুজ রঙ, খয়ের ও চুন থেকে মেলে খয়েরি রঙ, ভুসোকালি এবং নারকোলের খোল পুড়িয়ে তৈরি হয় কালো রঙ ইত্যাদি। রঙের সঙ্গে মেশানো হয় বেল, শিরীষ, বাবলার আঠা। কখনও কখনও যোগ করা হয় তেঁতুল বীচ সেদ্ধ করে পাওয়া ঘন কাই। আর তুলি তৈরি হয় ছাগলের লোম দিয়ে। এনারা হিন্দু হলেও, বর্তমানে বাঙালি হিন্দু প্রধান গ্রামে, পটচিত্রের প্রদর্শন ও গান করতে, প্রায় একরকম যানই না। কারণ বর্তমানে বাঙালি হিন্দু গ্রামে বা সমাজে টাকা পয়সা কিছুই তেমন পাওয়া যায়না। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে-শিল্পীর মর্যাদা বা সম্মান মেলে না। পটুয়াদের ভিক্ষাজীবীর সমগোত্রীয় বলে গণ্য করা হয়। আজকের দিনে অধিকাংশ গ্রামের শিল্পীদের লক্ষ্য যেখানে কোন রকমে দু-মুঠো ভাতের জোগাড় করা, সেখানে বর্তমানের পশ্চিমী ভাবধারার সমাজে শিল্পীকে কি মর্যাদা দেবে ? ধর্ম ও নীতিজ্ঞানশূন্য আধুনিক সমাজ, অবহেলা ও উন্নাসিকতা দিয়ে প্রায় সবরকম লোকশিল্পকেই ক্রমাগত অবক্ষয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সে তুলনায় আদিবাসী গ্রামের গরীব ও সরল লোকেরাই এনাদের কাছে লক্ষ্মী। এখানকার আদিবাসী লোকেদের জন্যই ভরতপুর গ্রামের আদিবাসী পট এবং জাদুপট বা চক্ষুদান পটশিল্প এখনও বেঁচে আছে। চাল, ডাল, তরিতরকারি ইত্যাদির সঙ্গে যথাসাধ্য টাকা পয়সাও ওঁরা দেন। ওনাদের সবচেয়ে ভালো লাগে, আদিবাসীদের কাছে পান শিল্পের মর্যাদা, শিল্পীর সম্মান, যা বাঙালিদের মধ্যে প্রায় হারিয়ে গেছে। আদিবাসীরা বাদ দিলে, পট চিত্রের বাজার এখনও আছে দুর্গাপুর, রানীগঞ্জ, আসানসোলের মতন বড় শহরগুলোতে, শিল্পবোদ্ধাদের ড্রইং রুমে। তাই মাঝে মধ্যেই পটের সামগ্রী নিয়ে ওনারা এই তিনটে বড় শহরে আসেন। এভাবেই চলেছে এঁদের জীবন সংগ্রামের সঙ্গে শিল্প গড়ার সাধনা। এখানকার বিশিষ্ট শিল্পী শম্ভুনাথ চিত্রকর আমাদের ফোন নম্বরও দিলেন ও আবার আসার অনুরোধ করলেন। সবাইকে অনুরোধ, বাঁকুড়া বেড়াতে গেলে একবার এই শিল্পীদের গ্রামে পা রাখার জন্যে। বুড়ো থেকে বাচ্চা সবার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হতে হবে। একটু অন্যমনস্ক হয়ে গাড়িতে উঠলাম আর শম্ভুনাথবাবু ওনার আঁকা ছবিটা আমাদের গাড়িতে দিয়ে গেলেন। নমস্কার জানিয়ে বিদায় নিলাম। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
bharatpurenglish : "Potochitra of Bharatpur:-Bharatpur is an industrial village deprived from the light of publicity. Bharatpur is a village of canvas drawing in Bankura district. It is a neglected, poor canvas painting village, of which very few people are aware. Bharatpur is a village like the Patua community which is still trying to keep the original style of painting. Even in this age, they make a living only by painting, talking or listening to Pot songs.Like the Patuas of Nayagram in West Midnapore, they do not know or think of spreading the idea of pot on the hem of a sari, on clothes, even on a fan or umbrella. That is why the crowd of domestic and foreign tourists and buyers stays in Nayagram. But the painters of Bharatpur village are also unique in their field. They have one hundred percent herbal colours and original, genuine, everlasting paintings and painted with their own handmade brushes and Pot songs. The idea of contemporary paint-brush is outcast to them. Sahadeva, Mahadev Chitrakar and many others have won state and district awards for painting this ancient traditional pot. Patchitra usually means a picture painted on a Pot or a piece of cloth. The history of painting in India is very ancient. This industry has survived for about two and a half thousand years. These Pot paintings and Pot singing have played a significant role in imparting social ethics, spreading religious and mythological stories and social exchanges in rural Indian public life. In Bangladesh in the seventh century, the Patuas composed social anecdotal music based on various myths, and propagated them through canvas drawing. Such as Chandimangal, Dharmamangal, Manasamangal etc. Still mythical pots painted on such subject matter are very popular. Poet Mukundaram Chakraborty, the author of the poesies Chandimangal in the early sixteenth century, mentions the Patuas in his book of poetry. The Pots of West Midnapore, Murshidabad, Burdwan and Birbhum did not get the light of propaganda in the same way as the pots of Purulia and Bankura of western Bengal. One of the reasons for this is that the artists here are very poor and almost deprived of the light of education. So there is no touch of modernity in the paintings here. But there is a primitive and perfect depiction of Jampat, Santal or Adivasi Pot, Jadupat or Chakshudan pot, which have been used for ages. You will see the traditional pot of the primitive age in the pot of Bharatpur instead of the Ganesh Janani pot adorned with art. Apart from Bharatpur, there is Patua Para in Chandar village of Bankura and also in Bishnupur. In ancient times, Buddhist and Jain monks, mainly for the purpose of propagating the religion, painted on a piece of cloth, showed the image and sang songs or recite rhymes. The famous book of Jainism is Kalpasutra. It is mainly a compilation of Mahavira's words or advice. Being the companion or medium of his ideal propaganda, the presence of the painter community was also noticed in that era. They were also partners in spreading the story of Jatak. They mainly drew the biography of Buddha and the story of Jataka. It is said that the impossibly clever Chanakya, the famous Prime Minister of history in the reign of the emperor Chandragupta-1, used to employ painters to collect secret news. In the sixteenth century, Pot was also used to spread the message of Sri Chaitanyadev. It is a sad but cruel fact that in the once Brahmanical Hindu society banned the practice of painting, dance, drama and was considered a crime. These practices of girls were considered equal to prostitution. Male artists were also looked down upon and forced to live in the lowest strata of society. Through a bizarre phenomenon, the Brahmanical Hindu society, the painters who practiced art in those days, or the people of Patuas or the Dokra community who practiced the Dokra metal art, were marginalized and oppressed. The reason behind the expulsion of the Patuas is that one of them drew a picture of Mahadev without informing him. When the painting was finished, Patua saw that Mahadev himself was standing in front. Frightened, the artist hid the side of the drawing brush in his mouth. In this, Mahadev got angry and cursed - Patuara would not have become a Hindu or a Muslim, he would have eaten according to the customs of a Muslim and the deeds of a Hindu. Forgetting everything, Baba Hiranyakashipu, Ravana bestows all such demons. And not just to draw his picture, and to try to hide the drawing brush in his mouth out of fear, he cursed the whole artist community to become half Muslim by killing the caste. Truth be told, Lord Shiva was originally a deity worshiped by non Aryans. The Brahmanical Hindu society later elevated him to the level of a Vedic deity. And that Lord Shiva is cursing some poor artist you will be a half Muslim, is it believable at all? And even the fundamentalist Muslims do not like to draw pictures and sing about Hindu Gods and Goddesses. So where will these artist people go? The fact is that the Brahmanical society was afraid of the paintings of these caste artists. The poor people would draw pictures of the mess of the society and take them down to the streets; for this fear that they would create public opinion against them through various gossips. In other words, outcast all the artist class. Today, scientists in India are exploring Mars beyond the moon. But the curse of Lord Shiva on these poor people is still in force. What a strange matter. According to the Puranas, under the curse of the Brahmins, the dancer Apsara Ghritachi of the heaven were bound to born in the mortal world as the daughter of a cowherd named Manmatho. His name was Prabhati. Craftsman God Bishwakarma married Prabhati. Their eighth child is Chitrakar. The names of the nine artist communities are Malakar, Karmakar, Shankhari or Shankhakar, Tantukar, Kumbhakar, Kangshakar, Sutradhar, Chitrakar and Swarnakar. So Bishwakarma Pujo is the biggest event for the painters, just like every other person associated with different works of art in these nine classes. Bishwakarma is the name of one of the largest Dalit communities in India. Every person in this community has the name Bishwakarma as their last name and they think that Bishwakarma is a shining star of the backward Dalits, the origin of dalit man, who by his works and extraordinary genius intellect made the temple of heaven, the abode of Kubera, the golden Lanka of Ravana, the Dwarka of Krishna, Hastinapur etc. Bishwakarma is actually a representative of the Dalit community. Apart from Bishwakarma Pujo, the painters of Bharatpur also attended all the Puja festivals of the local Bengalis. The Patuas here are probably Santal in caste but live according to Hindu customs. There are 16 painter families living in Bharatpur village. Aboriginal Santals are the majority here. The ancestors of the painters built a settlement here on a piece of land donated by the tribals as a reward for drawing indigenous and eye-catching Pots. Only they know how long they have been here.At the entrance of the village, a paved temple falls on the left hand side. There is a Sasan Kali Mata idol in the temple. The paved road has gone through it. The road is recently introduced. Looking at the house, it is understood that they are financially indigent. The lack of education is quite evident along with poverty, so the place of faith and devotion is also not well known. On either side are separate earthen walls, separate houses with empty partition walls. There is a thatched roof over the head. Apart from the temple, there are a few concrete houses. I heard it was built in favor of the Panchayat. Literally twelve houses one yard. Let's take a look at some of the specialties of Bharatpur Patuas. Paint brushes are made by them with completely natural or herbal things like leaves, roots, rock powder, soil etc. There is no trend of buying paint in the market. Ocher soil is made for ocher colour, chalk soil is made for white colour, and when a kind of soil is burnt, white colour is obtained, green colour from bean and green leaves of tree, brown colour from catechu mixed with lime, husk and coconut shells are burnt for black colour etc. Glues from Wood apple tree, Shirish, are mixed with the colour. Sometimes thick tamarind silt obtained by boiling tamarind seed is added. And the brush is made with goat hair. Although they are Hindus, they do not go to the main Hindu village of Bengal to show paintings and sing. Because, there is not much money in Bengali Hindu villages or society. And the most important thing is that the dignity or respect of the artist does not match. The Patuas are considered to be the same as the beggars. Where the goal of most village artists today is to somehow procure a handful of rice, what will be the status of the artist in today's Western-minded society? Modern society without religion and ethics, with neglect and arrogance, is pushing almost all kinds of folk art in the face of continuous decline. In comparison, the poor and simple people of the tribal villages are lucky to them. The aboriginal Patuas with their Jadupot and Chakkudan Pot of Bharatpur village is still alive for the indigenous people here. They also give as much money as possible with rice, pulses, vegetables etc. What they like best is the respect of the art, the respect of the artist, which is almost lost among the Bengalis. Excluding the tribals, the pot painting market still exists in big cities like Durgapur, Raniganj, Asansol, in the drawing rooms of art connoisseurs. So from time to time they come to these three big cities with the contents of the Pot. This is how their life struggle continues with the pursuit of making art. Prominent artist Shambhunath Chitrakar also gave us his phone number and requested to come again. We request everyone to set foot in the village of these artists once they visit Bankura. Everyone from old to young should be fascinated by the hospitality. I got in the car a little distracted and Shambhunathbabu passed the picture drawn by him to our car. I said goodbye to them. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
bharatpurhindi : "भरतपुर के पटचित्र-भरतपुर प्रचार के प्रकाश से वंचित एक औद्योगिक गाँव है। भरतपुर, बांकुड़ा जिले का एक कैनवास चित्रकला का गाँव है। यह एक उपेक्षित, गरीब कैनवास चित्रकला गाँव है, जिसके बारे में बहुत कम लोग जानते हैं। भरतपुर, पटुआ समुदाय की तरह एक गाँव है जो आज भी चित्रकला की मूल शैली को बनाए रखने का प्रयास कर रहा है। इस युग में भी, वे केवल चित्रकारी, बातचीत या पॉट गीत सुनकर ही अपना जीवन यापन करते हैं।पश्चिम मिदनापुर के नयाग्राम के पटुआ लोगों की तरह, वे साड़ी के किनारे, कपड़ों पर, यहाँ तक कि पंखे या छतरी पर भी पॉट के विचार को फैलाने के बारे में न तो जानते हैं और न ही सोचते हैं। यही कारण है कि देशी-विदेशी पर्यटकों और खरीदारों की भीड़ नयाग्राम में रहती है। लेकिन भरतपुर गाँव के चित्रकार भी अपने क्षेत्र में अद्वितीय हैं। उनके पास शत-प्रतिशत हर्बल रंग और मूल, वास्तविक, चिरस्थायी चित्र हैं और वे अपने हस्तनिर्मित ब्रश और पॉट गीतों से चित्रित करते हैं। समकालीन पेंट-ब्रश का विचार उनके लिए बहिष्कृत है। सहदेव, महादेव चित्रकार और कई अन्य लोगों ने इस प्राचीन पारंपरिक बर्तन को चित्रित करने के लिए राज्य और जिला पुरस्कार जीते हैं। पटचित्र का अर्थ आमतौर पर बर्तन या कपड़े के टुकड़े पर चित्रित चित्र होता है। भारत में चित्रकला का इतिहास बहुत प्राचीन है। यह उद्योग लगभग ढाई हजार वर्षों से जीवित है। इन बर्तन चित्रों और बर्तन गायन ने सामाजिक नैतिकता प्रदान करने, ग्रामीण भारतीय सार्वजनिक जीवन में धार्मिक और पौराणिक कहानियों और सामाजिक आदान-प्रदान को फैलाने में महत्वपूर्ण भूमिका निभाई है। सातवीं शताब्दी में बांग्लादेश में, पटुआ लोगों ने विभिन्न मिथकों पर आधारित सामाजिक उपाख्यानात्मक संगीत की रचना की और कैनवास चित्रांकन के माध्यम से उनका प्रचार किया। जैसे चंडीमंगल, धर्ममंगल, मनसमंगल आदि। अभी भी ऐसे विषय पर चित्रित पौराणिक बर्तन बहुत लोकप्रिय हैं। सोलहवीं शताब्दी के प्रारंभ में चंडीमंगल काव्य के लेखक कवि मुकुंदराम चक्रवर्ती ने अपनी काव्य पुस्तक में पटुआ लोगों का उल्लेख किया है। इसका एक कारण यह है कि यहाँ के कलाकार अत्यंत गरीब हैं और शिक्षा के प्रकाश से लगभग वंचित हैं। अतः यहाँ के चित्रों में आधुनिकता का स्पर्श नहीं है। परन्तु युगों-युगों से प्रयुक्त होते रहे जम्पत, संताल या आदिवासी मटके, जदुपत या चक्षुदान मटके का आदिम एवं उत्तम चित्रण अवश्य मिलता है। भरतपुर के मटके में आपको कला से सजे गणेश जननी मटके की जगह आदिम युग के पारंपरिक मटके दिखाई देंगे। भरतपुर के अलावा बांकुड़ा के चांदर गाँव में और बिष्णुपुर में भी पटुआ पाड़ा है। प्राचीन काल में बौद्ध और जैन भिक्षु मुख्यतः धर्म के प्रचार के उद्देश्य से कपड़े के एक टुकड़े पर चित्र बनाते, चित्र दिखाते और गीत गाते या तुकबंदी करते थे। जैन धर्म का प्रसिद्ध ग्रन्थ कल्पसूत्र है। यह मुख्यतः महावीर के वचनों या उपदेशों का संकलन है। उनके आदर्श प्रचार का साथी या माध्यम होने के कारण उस युग में चित्रकार समुदाय की उपस्थिति भी देखी गई। वे जातक कथा के प्रचार में भी सहयोगी रहे। उन्होंने मुख्यतः बुद्ध की जीवनी और जातक कथा का चित्रण किया। ऐसा कहा जाता है कि सम्राट चंद्रगुप्त-1 के शासनकाल में इतिहास के प्रसिद्ध प्रधानमंत्री, असंभव रूप से चतुर चाणक्य, गुप्त समाचार एकत्र करने के लिए चित्रकारों को नियुक्त करते थे। सोलहवीं शताब्दी में, श्री चैतन्यदेव के संदेश को फैलाने के लिए पॉट का भी उपयोग किया गया था। यह एक दुखद लेकिन क्रूर तथ्य है कि एक बार ब्राह्मणवादी हिंदू समाज में चित्रकला, नृत्य, नाटक की प्रथा पर प्रतिबंध लगा दिया गया था और इसे अपराध माना जाता था। लड़कियों के इन प्रथाओं को वेश्यावृत्ति के बराबर माना जाता था। पुरुष कलाकारों को भी नीची नज़र से देखा जाता था और उन्हें समाज के सबसे निचले तबके में रहने के लिए मजबूर किया जाता था। एक विचित्र घटना के माध्यम से, ब्राह्मणवादी हिंदू समाज, उन दिनों कला का अभ्यास करने वाले चित्रकार, या पटुआ या डोकरा समुदाय के लोग जो डोकरा धातु कला का अभ्यास करते थे, हाशिए पर थे और उन पर अत्याचार किया जाता था। पटुआ के निष्कासन के पीछे का कारण यह है कि उनमें से एक ने उन्हें बताए बिना महादेव का चित्र बनाया इसमें महादेव क्रोधित हो गए और श्राप दिया- पटुआरा न हिंदू बनता, न मुसलमान, वह मुसलमान के रीति-रिवाज और हिंदू के कर्मों से खाता। सबकुछ भूलकर बाबा हिरण्यकश्यप, रावण ऐसे सभी राक्षसों को जन्म देता है। और सिर्फ अपना चित्र बनाने के लिए ही नहीं, और डर के मारे चित्रकारी की तूलिका मुंह में छिपाने की कोशिश करने के लिए, उसने जाति का संहार कर पूरे कलाकार समुदाय को आधा मुसलमान हो जाने का श्राप दे दिया। सच कहा जाए तो भगवान शिव मूल रूप से अनार्यों द्वारा पूजे जाने वाले देवता थे। बाद में ब्राह्मणवादी हिंदू समाज ने उन्हें वैदिक देवता के स्तर तक ऊंचा उठा दिया। और यह कि भगवान शिव किसी बेचारे कलाकार को श्राप दे रहे हैं कि तुम आधे मुसलमान हो जाओगे, क्या यह बिल्कुल भी विश्वास करने योग्य है? और यहां तक कि कट्टरपंथी मुसलमानों को भी हिंदू देवी-देवताओं के चित्र बनाना और उनके गीत गाना पसंद नहीं है। तो ये कलाकार लोग कहां जाएंगे? तथ्य ऐसा इसलिए है क्योंकि ब्राह्मणवादी समाज इन जाति के कलाकारों के चित्रों से डरता था। बेचारे लोग समाज की गंदगी के चित्र बनाते और उन्हें सड़कों पर ले जाते; इस डर से कि वे तरह-तरह की गपशप के माध्यम से उनके खिलाफ जनमत तैयार करेंगे। दूसरे शब्दों में, सभी कलाकार वर्ग को बहिष्कृत कर दिया। आज भारत में वैज्ञानिक चंद्रमा से आगे मंगल ग्रह की खोज कर रहे हैं। लेकिन इन बेचारे लोगों पर भगवान शिव का श्राप अभी भी लागू है। कैसी विचित्र बात है। पुराणों के अनुसार, ब्राह्मणों के श्राप के तहत, स्वर्ग की नर्तकी अप्सरा घृताची को मन्मथो नामक एक ग्वाले की पुत्री के रूप में मृत्युलोक में जन्म लेना पड़ा। उसका नाम प्रभाती था। शिल्पकार भगवान विश्वकर्मा ने प्रभाती से विवाह किया। उनकी आठवीं संतान चित्रकार है। नौ कलाकार समुदायों के नाम मालाकार, कर्मकार, शंखकार या शंखकार, तंतुकार, कुंभकार, कंगशकर, सूत्रधार, चित्रकार और स्वर्णकार हैं। इसलिए, इन नौ वर्गों में विभिन्न कलाकृतियों से जुड़े हर व्यक्ति की तरह, विश्वकर्मा पूजा चित्रकारों के लिए भी सबसे बड़ा आयोजन है। विश्वकर्मा भारत के सबसे बड़े दलित समुदायों में से एक का नाम है। इस समुदाय के प्रत्येक व्यक्ति का उपनाम विश्वकर्मा है और वे विश्वकर्मा को पिछड़े दलितों का एक चमकता सितारा, दलित पुरुष का मूल मानते हैं, जिन्होंने अपने कर्मों और असाधारण प्रतिभा से स्वर्ग का मन्दिर, कुबेर का निवास, रावण की सोने की लंका, कृष्ण की द्वारका, हस्तिनापुर आदि का निर्माण किया। विश्वकर्मा वास्तव में दलित समुदाय के प्रतिनिधि हैं। विश्वकर्मा पूजा के अलावा, भरतपुर के चित्रकार स्थानीय बंगालियों के सभी पूजा उत्सवों में भी शामिल होते थे। यहाँ के पटुआ संभवतः संताल जाति के हैं, लेकिन हिंदू रीति-रिवाजों के अनुसार रहते हैं। भरतपुर गाँव में 16 चित्रकार परिवार रहते हैं। यहाँ आदिवासी संताल बहुसंख्यक हैं। चित्रकारों के पूर्वजों ने यहाँ आदिवासियों द्वारा स्वदेशी और आकर्षक बर्तन बनाने के लिए पुरस्कार स्वरूप दान की गई ज़मीन के एक टुकड़े पर एक बस्ती बसाई थी। वे यहाँ कब से हैं, यह तो वे ही जानते हैं।गाँव के प्रवेश द्वार पर बायीं ओर एक पक्का मन्दिर पड़ता है। मन्दिर में सासन काली माता की मूर्ति है। इसके बीच से पक्की सड़क गई है। सड़क हाल ही में बनी है। घर को देखकर पता चलता है कि वे आर्थिक रूप से दरिद्र हैं। गरीबी के साथ-साथ शिक्षा का अभाव भी साफ़ दिखाई देता है, इसलिए आस्था और भक्ति का यह स्थान भी ज़्यादा जाना-पहचाना नहीं है। दोनों तरफ़ अलग-अलग मिट्टी की दीवारें हैं, खाली विभाजन दीवारों वाले अलग-अलग घर हैं। सिर पर फूस की छत है। मन्दिर के अलावा कुछ पक्के घर हैं। सुना है यह पंचायत के पक्ष में बनाया गया था। सचमुच एक आँगन में बारह घर। आइए भरतपुर पटुआओं की कुछ विशेषताओं पर एक नज़र डालें। पेंट ब्रश वे पूरी तरह से प्राकृतिक या हर्बल चीज़ों जैसे पत्ते, जड़, पत्थर का चूर्ण, मिट्टी आदि से बनाते हैं। बाज़ार से पेंट ख़रीदने का चलन नहीं है। गेरुए रंग के लिए गेरू मिट्टी, सफेद रंग के लिए चाक मिट्टी और एक प्रकार की मिट्टी को जलाने पर सफेद रंग प्राप्त होता है, सेम और पेड़ के हरे पत्तों से हरा रंग, चूने में मिलाए गए कत्थे से भूरा रंग, काला रंग बनाने के लिए भूसी और नारियल के खोल को जलाया जाता है आदि। रंग में शिरीष, बेल के पेड़ से गोंद मिलाया जाता है। कभी-कभी इमली के बीज को उबालकर प्राप्त की गई गाद भी मिलाई जाती है। और बकरे के बालों से ब्रश बनाया जाता है। यद्यपि वे हिंदू हैं, वे बंगाल के प्रमुख हिंदू गांव में पेंटिंग दिखाने और गाने के लिए नहीं जाते हैं। क्योंकि, बंगाली हिंदू गांवों या समाज में ज्यादा पैसा नहीं है। और सबसे महत्वपूर्ण बात यह है कि कलाकार की गरिमा या सम्मान मेल नहीं खाता। पटुआ को भिखारियों के समान ही माना जाता है। जहाँ आज अधिकांश ग्रामीण कलाकारों का लक्ष्य किसी तरह मुट्ठी भर चावल जुटाना है, आज के पश्चिमी सोच वाले समाज में कलाकार की स्थिति क्या होगी? धर्म और नैतिकता से रहित आधुनिक समाज उपेक्षा और अहंकार के साथ लगभग सभी प्रकार की लोक कलाओं को निरंतर पतन के मुख में धकेल रहा है। इसकी तुलना में आदिवासी गांवों के गरीब और सीधे-सादे लोग उनके लिए भाग्यशाली हैं। भरतपुर गांव के आदिवासी पटुआ अपने जादूपोट और चक्कुदान पॉट के साथ आज भी यहां के मूल निवासियों के लिए जीवित हैं। वे चावल, दाल, सब्जी आदि के साथ यथासंभव धन भी देते हैं। उन्हें सबसे ज्यादा पसंद है कला का सम्मान, कलाकार का सम्मान, जो बंगालियों के बीच लगभग लुप्त हो गया है। आदिवासियों को छोड़कर, दुर्गापुर, रानीगंज, आसनसोल जैसे बड़े शहरों में कला पारखी लोगों के ड्राइंग रूम में पॉट पेंटिंग का बाजार आज भी मौजूद है। इसलिए समय-समय पर वे पॉट की सामग्री के साथ इन तीन बड़े शहरों में आते हैं। इस तरह कला सृजन की चाहत के साथ उनका जीवन संघर्ष जारी रहता है। प्रमुख कलाकार शंभूनाथ चित्रकार ने भी हमें अपना फोन नंबर दिया और फिर से आने का अनुरोध किया। हम सभी से अनुरोध करते हैं कि बांकुड़ा आने पर इन कलाकारों के गांव में भी कदम रखें। बूढ़े से लेकर जवान तक, हर कोई इस आतिथ्य से मंत्रमुग्ध हो जाना चाहिए। मैं कार में बैठकर जल गया। मेरा ध्यान भटक गया और शंभूनाथ बाबू ने अपनी बनाई हुई तस्वीर हमारी गाड़ी की तरफ़ बढ़ा दी। मैंने उन्हें अलविदा कहा। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photobharatpur :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
panchmurabengali : "পাঁচমুড়ার টেরাকোটা শিল্পঃ-পাঁচমুড়ার টেরাকোটা শিল্প এবং মৃৎশিল্পীদের বারোমাস্যা এক বর্ণময় অধ্যায়। পুরাণ থেকে ইংরেজ রাজত্ব, নৌবিহার থেকে শিকার, যুদ্ধ বিগ্রহ থেকে দৈনন্দিন জীবন সংগ্রাম, সবকিছুই দেখা যায় এইসব টেরাকোটা প্যানেলের মধ্যে। বলা যায় সেযুগের সমাজ জীবনের জীবন্ত দলিল এই সব পোড়ামাটির কাজ। পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া এবং অজয় নদের গা ঘেঁষা বর্ধমান জেলার মাটির রং লাল। লাল রঙের ল্যাটেরাইট গোত্রের মাটি পুড়িয়েই, এই বিশাল অঞ্চলে একদা তৈরি হতো টেরাকোটার বহু মূর্তি, প্লেট এবং বহু দেবস্থান। এইসব অঞ্চলে প্রচুর টেরাকোটার কাজ সমৃদ্ধ সুন্দর সুন্দর মন্দির আছে, যা বাঙালি জাতির সহজাত অজ্ঞতা এবং উন্নাসিকতায় হারিয়ে যাচ্ছে। সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতকে এই সব পোড়ামাটির মন্দির, তৎকালীন কুম্ভকাররা কি অসম্ভব দক্ষতায় তৈরি করেছিলেন, তা প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত বহু মন্দিরের ইটের এবং পোড়ামাটির টালির কাজ দেখলে বোঝা যায়। কি নেই এসব মন্দির ভাস্কর্যে ? অবশ্য ভারতবর্ষে পোড়ামাটির ইট, খেলনা, বিভিন্ন পুতুল, গহনাগাঁটি, সিলমোহর, বাসনপত্র ইত্যাদির ব্যবহার সুদূর মহেঞ্জদরো, হরপ্পা সভ্যতার মধ্যেও পাওয়া গেছে। মানব সভ্যতার বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল টেরাকোটা সামগ্রীর। সুমের, ব্যাবিলন, আজটেক সভ্যতার প্রত্নসামগ্রীর মধ্যেও পোড়ামাটির শিল্প সামগ্রী পাওয়া গেছে। পরবর্তী কালে এঁটেল ও ল্যাটেরাইট মাটির সহজলভ্যতার কারণে, পোড়ামাটির কাজ ও মন্দির অলংকার, প্রায় বাংলার একচেটিয়া, নিজস্ব শিল্পকর্মে পরিণত হয়। পাল-সেন যুগের সোমপুর, মহাস্থানগড় বিহার ইত্যাদির উদাহরণ তো চোখের সামনেই রয়েছে। এর অনেক পরে ১৫৩৩ সালে চৈতন্য মহাপ্রভু দেহ রাখলেন, তাঁর প্রচলিত প্রেমের বাণী এবং বৈষ্ণব ধর্মের প্লাবনে সারা বাংলা বিশেষ করে মল্লভূম প্লাবিত হয়ে গেলে, পরবর্তীকালে কত যে টেরাকোটার মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল, তা গুনে শেষ করা যাবে না। টেরাকোটার ইতিহাস অনেক বড়, তাই বর্তমান আলোচনার বন্ধনী, শুধুমাত্র পাঁচমুড়ার টেরাকোটার ওপরেই সীমাবদ্ধ রইল। বাঁকুড়া জেলার তালড্যাংড়া থানার পাঁচমুড়া গ্রাম, এক আশ্চর্য শিল্পগ্রাম। গ্রামের ৭০-৮০টা ঘরে বর্তমানে প্রায় ৩০০ জন মৃৎশিল্পীর বাস। পুরো গ্রামটাই বলা চলে, ওপেন এয়ার মৃৎশিল্পের মিউজিয়াম। প্রত্যেক বাড়ির সামনে এক চিলতে উঠোনে, থরে থরে সাজিয়ে রাখা থাকে বিভিন্ন টেরাকোটা বা পোড়ামাটির শিল্পসামগ্রী। পাঁচমুড়া আর বাঁকুড়ার ঘোড়া প্রায় সমার্থক হয়ে গেছে। কিন্তু পাঁচমুড়ার বর্তমান প্রজন্মের তরুণ শিল্পীরা, হাতি, ঘোড়া, মনসাচালির যুগ পেরিয়ে বহুদূরে চলে গেছেন। এঁদের ঘরে ঘরে তাই জাতীয় ও রাজ্য পুরস্কার পাওয়া শিল্পীদের ছড়াছড়ি। প্রতিবছর পাঁচমুড়ার মৃৎশিল্পী সমবায় সমিতি এবং বাংলা নাটক ডট কমের সহযোগিতায় সাধারণত নভেম্বর মাসে মেলা বসে পাঁচমুড়ায়। সহায়তায় থাকেন পশ্চিমবঙ্গ খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্ষদ এবং ইউনেস্কো। টেরাকোটার কাজের জন্যে সর্বাগ্রে দরকার ভালো এঁটেল মাটি, কাঠ, ঝাঁটি-লকরি, গাছের ঝরে পড়া শুকনো পাতা ইত্যাদি। ভালো কোয়ালিটির এঁটেল মাটি কিনতে গেলে এমন দাম লাগে যে পড়তায় পোষায় না। তাই শিল্পীরাই ভালো জাতের এঁটেল মাটির খোঁজে, নদীর ধারে মাটির খাদানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নেমে মাটি কাটতে বাধ্য হন। মাটি কাটতে গিয়ে অনেক শিল্পী মারা গেছেন, আবার কেউ কেউ কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। নদীর ধারে বা তীরবর্তী অঞ্চলে, যেখানে ভালো এঁটেল মাটি পাওয়া যায়, সেখানে মাটি কেটে, গর্ত খুঁড়ে, বিশেষ স্তরের মধ্যে থেকে, সংগৃহীত হয় এঁটেল মাটি। আর পোড়ামাটির রং আনতে ভীষণ রকম প্রয়োজন রংমাটি। এঁটেল মাটিকে একটা ছায়াঘেরা ঠাণ্ডা জায়গায় ঢিপির মতন করে জমা করে রাখা হয়। আর রংমাটিকে কোন মাটির পাত্রে জল দিয়ে গুলে বেশ কিছুদিন রাখা হয়। এরপরে সেই মাটির ঘন গাদের মতো অংশকে ছেঁকে বা চেলে নিয়ে, বালি ও কাঁকর বাদ দিয়ে, শুধুমাত্র গাদ অংশটা রংমাটির কাজে ব্যবহার করা হয়। রংমাটি তৈরির কাজ সাধারণত বাড়ির মহিলারাই করেন। গাদাবন্দি এঁটেল মাটিকে সাধারণত সরু তার বা পাতলা লোহার পাত দিয়ে সরু, সরু ফালি কেটে নিয়ে, কাঁকর বাদ দিয়ে, জল ছিটিয়ে নরম করা হয়। এরপর এই এঁটেল মাটির সঙ্গে পরিমাণমত বালি মিশিয়ে, পায়ের গোড়ালি দিয়ে চেপে চেপে একটা বালিমাটির মিশ্রণ তৈরি করা হয়। আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে মাটির আঠালো এবং চিটচিটে ভাব কিছুটা কমানো। এইভাবে তৈরি মাটি কুমোরের চাকে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত হয়। এখন প্রযুক্তির কল্যাণে ইলেকট্রিক মোটরযুক্ত চাক, আধুনিক নবীন প্রজন্মের শিল্পীরা ব্যবহার করছেন। তবে আসল কারিগরি প্রতিভা হচ্ছে, চাকা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে দু-হাতে তালু ও কব্জির চাপে ঘুরন্ত চাকতির উপরের মাটির গাদাকে গোল ও সরু করে উপরের দিকে ওঠানো। একই সঙ্গে সমানভাবে চলবে হাতের আঙ্গুলের চাপে বিভিন্ন রকম ফাঁপা জিনিষের আকৃতির নির্মাণ। এর পরবর্তী ধাপ হচ্ছে সরু সুতো বা সুচ দিয়ে শিল্পকর্মটাকে কেটে চাক থেকে নামানো। এই টুকরো অংশগুলোকে রোদে প্রয়োজন মতন শুকিয়ে নিয়ে, কাটা জায়গাটা সামান্য জলে ভিজিয়ে দিয়ে, অতিরিক্ত মাটি জুড়ে, কাঠের হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে প্রাথমিক আকৃতি প্রদান করা। পরের দিন বাঁশের চাঁচাড়ি দিয়ে, লেগে থাকা অতিরিক্ত মাটি পরিষ্কার করা হয়। তারপর সরু সরু মাটির লেত্তি থেকে পিস পিস করে ছোট ছোট অংশ কেটে প্রয়োজনীয় অলংকরণ তৈরি করে ও ঘষে পালিশ করে ছায়াতে শুকোতে দেওয়া হয়। এর পরে শিল্পদ্রব্যগুলোর ওপরে সাধারণত হলুদ রঙের রংমাটির প্রলেপ দুবার দেওয়া হয়। কাজগুলো শুকিয়ে গেলে, অপেক্ষা করা হয়, যতক্ষণ না অব্দি এক ভাটিতে পোড়াবার মতন যথেষ্ট সামগ্রী তৈরি হচ্ছে। ছায়াতে শুকনো কাজগুলো রংমাটিতে ভিজিয়ে, পাতলা কাপড় জড়িয়ে রোদে শুকিয়ে নেওয়া হয়। এতে টেরাকোটার নিজস্ব রংয়ের খোলতাই হয়। এরপরে আসে ভাটিতে পোড়াবার পালা। ভাটির দুটো অংশ, জালির ওপরে আর নিচের। জালির ওপরে পর পর শিল্পদ্রব্যগুলো সাজিয়ে রেখে, তার ওপরে ভাঙ্গা হাঁড়ি কলসির টুকরো ঢাকা দিয়ে পাতন করা হয়। এরপরে পাতনের ওপরে খড় বিছিয়ে দিয়ে তার ওপরে নরম কাদামাটির একটা প্রলেপ দেওয়া হয়। এই প্রলেপের ওপরে কিছু ছিদ্র রাখা হয়। এই ছিদ্রের মধ্যে দিয়ে বোঝা যায়, পোড়ানো কেমন হচ্ছে এবং মাটির পাত্রের গায়ে কেমন টেরাকোটার রং ধরছে। এরপর আগুন দেবার পালা। জালির নিচে প্রথমে শুকনো পাতা দিয়ে আগুন ধরানো হয় অর্থাৎ ভাটির জিনিষপত্র কম তাপমাত্রায় পোড়ানো হয়। এর পরে কাঠ জ্বালিয়ে তাপমাত্রা বাড়ান হয়। আস্তে আস্তে তাপমাত্রা না বাড়ালে শিল্পসামগ্ৰী ফেটে যায়। ভাটির তাপমাত্রা যখন প্রায় ৭০০-৮০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে পৌঁছায়, তখন মাটির জিনিসগুলো পুড়ে টেরাকোটার রক্তবর্ন ধারণ করে।শিল্পীর মানস সঞ্জাত এবং লোক কল্পনায় উদ্ভূত বাঁশ পাতার মতন দীর্ঘ কান এবং প্রশ্ন চিহ্নের মতন লেজ বিশিষ্ট পাঁচমুড়ার ঘোড়া হচ্ছে ভারতীয় লোক শিল্পের উজ্জ্বলতম প্রতিনিধি, সেন্ট্রাল কটেজ ইন্ডাস্ট্রিস এমপোরিয়ামের লোগো। অল ইন্ডিয়া হান্ডিক্রাফটস বোর্ডের তৎকালীন চেয়ারম্যান শ্রীমতী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়, পাঁচমুড়ার টেরাকোটার কাজের ওপরে, ক্ষেত্র সমীক্ষক অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটা প্রবন্ধ পড়ে, দিল্লী থেকে এসে হাজির হ’ন পাঁচমুড়া গ্রামে। সঙ্গে ছিলেন অমিয়বাবু। চেয়ারম্যান মহোদয়ার নির্দেশে সেই মুহূর্তেই ভারতবর্ষের বিভিন্ন এমপোরিয়ামের জন্যে পাঁচ হাজার বাঁকুড়ার ঘোড়া ক্রয় করেন এবং দিল্লিতে ফিরে গিয়ে ওনার নির্দেশেই কেন্দ্রীয় কুটিরশিল্প বিপণন সংস্থার লোগো হিসাবে স্থান পায় বাঁকুড়ার ঘোড়া। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
panchmuraenglish : "Terracotta Art of Panchmura:-Panchmura Terracotta Art and the life of potters is a colorful chapter. From mythology to the English kingdom, from navigation to hunting, from wars to daily life struggles, everything can be seen in these terracotta panels. It can be said that all these terracotta works are living documents of the social life of that era. The soil color of Burdwan district bordering Bankura, Birbhum, Purulia and Ajay rivers of West Bengal is red. Many terracotta statues, plates, and shrines were once made in this vast area by burning the soil of the red laterite. There are many beautiful temples in these areas rich in terracotta work, which are being lost in the innate ignorance and superciliousness of the Bengali community. All these terracotta temples in the seventeenth and eighteenth centuries, built by the potters of that time with incredible skill, can be understood by looking at the brick and terracotta tile work of many of the almost destroyed temples. What is not in the sculpture of these temples? However, in India, the use of terracotta bricks, toys, various dolls, ornaments, seals, utensils, etc. has been found in the distant Mohenjo-daro and Harappan civilizations. Terracotta materials played an important role in the development of human civilization. Artifacts from Sumer, Babylon, and Aztec civilizations have also been found. Later, due to the easy availability of clay and laterite soils, terracotta work and temple ornaments, almost exclusive to Bengal, became their own works of art. Examples of Somapura, Mahasthangarh Vihara etc. of the Pal-Sen era are before our eyes. Much later, in 1533, when Chaitanya Mahaprabhu laid down his body, his conventional message of love and Vaishnavism, the whole of Bengal flooded with Vaisanavism, especially the Mallabhum and countless terracotta temples were built. The history of terracotta is very long, so the brackets of the present discussion are limited to the terracotta of Panchmura only. Panchmura village of Taldangra police station in Bankura district is a wonderful industrial village. At present about 300 potters live in 60-70 houses in the village. The whole village is a museum of open air pottery. In front of each house, in a courtyard, various terracotta works or terracotta artifacts are arranged in layers. Panchmura and Bankura horses have become almost synonymous. But the present generation of young artists of Panchmura has gone far beyond the era of elephants, horses and mythological items. That's why there are a lot of national and state award winning artists in their homes. Every year a fair is held in Panchmura in November in collaboration with Panchmura Pottery Cooperative Society and Bangla Natak.com, assisted by the West Bengal Khadi and Rural Industries Board and UNESCO.For terracotta work, first of all you need good clay soil, wood, broom and stick, dry leaves of trees etc. When you buy good quality clay soil, it costs a lot that you can't afford it. So the artists were forced to cut down the soil cost at the risk of their lives. In search of good quality clay soil, they move in the soil pits along the river. Many artists have died while cutting the soil, while others have lost their performance. In riverside or riparian areas, where good clayey soil is found, clayey soil is collected by cutting the soil, digging holes, from and within special layers. And to bring the color of terracotta, the color soil is very much needed. The clay soil is stored as a mound in a shady cool place. And the color is kept in a clay pot with water for some time. Then the silt-like part of the soil is sifted, excluding sand and gravel, only the silt part is used for painting. Colour is usually made by housewives. Stacked clay soils are usually softened with fine wire or thin iron sheets, cut into thin strips, with the exception of gravel, sprinkled with water. A clay mixture is then made by mixing a small amount of sand with this clay soil, pressing it with the ankles. The main purpose is to reduce the stickiness of the soil. The clay made in this way is suitable for use in potter's wheel. Now with the advent of technology, electric motorized wheels are being used by the modern generation of artists. But the real technical genius is to turn the wheel and turn the pile of earth on the top of the spinning wheel with the pressure of the palms and wrists with both hands and lift it upwards. At the same time, the construction of different shapes of hollow things will be done equally with the pressure of the fingers of the hand. The next step is to cut the work with a fine thread or needle. Dry the pieces as needed in the sun, soak the cut in a little water, cover the excess soil, and beat it with a wooden hammer to give it an initial shape. The next day with a bamboo shovel, the sticky excess soil is cleaned. Then it is cut into small pieces from the fine clay and made into the necessary ornaments and rubbed and polished to dry in the shade. After that, the art is usually coated twice with yellow paint. Once the works are dry, they have to wait wait until enough material is ready to be burned in one oven. Dry works in the shade are soaked in paint, wrapped in thin cloth and dried in the sun. The terracotta has its own color covering. Then comes the turn of burning. There are two parts of the burner. Upper and lower part of lattice. The artifacts are arranged one after the other on the lattice, and covered with the broken parts of the jug and pitcher. Straw is then spread over the distillery and a layer of soft clay is applied over it. Some holes are placed on top of this coating. Through this hole, one can understand what kind of burning is going on and what kind of terracotta color is on the surface of the clay pot. Then it was time to start a fire. The bottom of the net is first set on fire with dried leaves, meaning that the lower furnace is burned at a lower temperature. After that the temperature is increased by burning wood. If the temperature does not rise slowly, the materials may explode. When the downstream temperature reaches about 600-700 degrees Celsius, the earthenware burns that contains terracotta coloured red.Inspired by the artist's mind and folk imagination, the logo of the Central Cottage Industries Emporium, the brightest representative of Indian folk art, is a horse with a long ear like a bamboo leaf and a tail like a question mark, Mrs. Kamaladevi Chattopadhyay, the then Chairman of the All India Handicrafts Board, read an essay written by Amiyakumar Bandyopadhyay, a field surveyor on the terracotta work in Panchmura, and came to Panchmura village from Delhi. Amiyababu was with him. At the behest of the Chairman, he immediately bought 5,000 Bankura horses for various emporiums in India, and on his return to Delhi, the Bankura horse became the logo of the Central Cottage Industries Marketing Company. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
panchmurahindi : "पंचमुरा की टेराकोटा कला-पंचमुरा टेराकोटा कला और कुम्हारों का जीवन एक रंगीन अध्याय है। पौराणिक कथाओं से लेकर अंग्रेजी राज्य तक, नौवहन से लेकर शिकार तक, युद्धों से लेकर दैनिक जीवन के संघर्षों तक, सब कुछ इन टेराकोटा पैनलों में देखा जा सकता है। यह कहा जा सकता है कि ये सभी टेराकोटा कृतियाँ उस युग के सामाजिक जीवन के जीवंत दस्तावेज़ हैं। पश्चिम बंगाल के बांकुड़ा, बीरभूम, पुरुलिया और अजय नदियों की सीमा से लगे बर्दवान जिले की मिट्टी का रंग लाल है। इस विशाल क्षेत्र में कभी लाल लैटेराइट की मिट्टी को जलाकर अनेक टेराकोटा मूर्तियाँ, पट्टिकाएँ और मन्दिर बनाए गए थे। टेराकोटा कला से समृद्ध इन क्षेत्रों में अनेक सुंदर मन्दिर हैं, जो बंगाली समुदाय की जन्मजात अज्ञानता और अहंकार में लुप्त होते जा रहे हैं। सत्रहवीं और अठारहवीं शताब्दी में उस समय के कुम्हारों द्वारा अविश्वसनीय कौशल के साथ निर्मित इन सभी टेराकोटा मन्दिरों को लगभग नष्ट हो चुके कई मन्दिरों की ईंटों और टेराकोटा टाइल के काम को देखकर समझा जा सकता है। इन मन्दिरों की मूर्तिकला में क्या नहीं है? हालाँकि, भारत में, सुदूर मोहनजोदड़ो और हड़प्पा सभ्यताओं में टेराकोटा ईंटों, खिलौनों, विभिन्न गुड़ियों, आभूषणों, मुहरों, बर्तनों आदि का उपयोग पाया गया है। मानव सभ्यता के विकास में टेराकोटा सामग्रियों की महत्वपूर्ण भूमिका रही है। सुमेर, बेबीलोन और एज़्टेक सभ्यताओं की कलाकृतियाँ भी मिली हैं। बाद में, चिकनी मिट्टी और लैटेराइट मिट्टी की सहज उपलब्धता के कारण, टेराकोटा कार्य और मन्दिर अलंकरण, जो लगभग बंगाल तक ही सीमित थे, अपनी कला कृतियाँ बन गए। पाल-सेन युग के सोमपुरा, महास्थानगढ़ विहार आदि के उदाहरण हमारी आँखों के सामने हैं। बहुत बाद में, 1533 में, जब चैतन्य महाप्रभु ने अपना शरीर त्यागा, उनके प्रेम और वैष्णववाद के पारंपरिक संदेश के साथ, पूरा बंगाल, विशेषकर मल्लभूम, वैष्णववाद से भर गया और अनगिनत टेराकोटा मन्दिर बनाए गए। टेराकोटा का इतिहास बहुत लंबा है, इसलिए वर्तमान चर्चा के कोष्ठक केवल पंचमुरा के टेराकोटा तक ही सीमित हैं। बांकुड़ा जिले के तालडांगरा थाने का पंचमुरा गाँव एक अद्भुत औद्योगिक गाँव है। वर्तमान में गाँव में 60-70 घरों में लगभग 300 कुम्हार रहते हैं। पूरा गाँव खुले आसमान के नीचे मिट्टी के बर्तनों का एक संग्रहालय है। प्रत्येक घर के सामने, एक आँगन में, विभिन्न टेराकोटा कृतियाँ या टेराकोटा कलाकृतियाँ परतों में व्यवस्थित हैं। पंचमुरा और बांकुड़ा घोड़े लगभग पर्याय बन गए हैं। लेकिन पंचमुरा के युवा कलाकारों की वर्तमान पीढ़ी हाथी, घोड़े और पौराणिक वस्तुओं के युग से बहुत आगे निकल गई है। यही कारण है कि उनके घरों में राष्ट्रीय और राज्य पुरस्कार विजेता कलाकारों की भरमार है। हर साल नवंबर में पंचमुरा में पश्चिम बंगाल खादी और ग्रामीण उद्योग बोर्ड और यूनेस्को की सहायता से पंचमुरा पॉटरी कोऑपरेटिव सोसाइटी और बांग्ला नाटक डॉट कॉम के सहयोग से एक मेला लगता है।टेराकोटा के काम के लिए सबसे पहले आपको अच्छी चिकनी मिट्टी, लकड़ी, झाड़ू और छड़ी, पेड़ों के सूखे पत्ते आदि चाहिए होते हैं। जब आप अच्छी गुणवत्ता वाली चिकनी मिट्टी खरीदते हैं, तो उसकी कीमत इतनी अधिक होती है कि आप उसे वहन नहीं कर सकते। इसलिए कलाकारों को अपनी जान जोखिम में डालकर मिट्टी की लागत कम करने के लिए मजबूर होना पड़ा। अच्छी गुणवत्ता वाली चिकनी मिट्टी की तलाश में, वे नदी के किनारे मिट्टी के गड्ढों में घूमते हैं। कई कलाकार मिट्टी काटते समय मर गए हैं, जबकि अन्य ने अपना प्रदर्शन खो दिया है। नदी के किनारे या तटवर्ती क्षेत्रों में, जहाँ अच्छी चिकनी मिट्टी पाई जाती है, वहाँ मिट्टी को काटकर, गड्ढे खोदकर, विशेष परतों से और उनके भीतर चिकनी मिट्टी एकत्र की जाती है। और टेराकोटा का रंग लाने के लिए रंगीन मिट्टी की बहुत आवश्यकता होती है। चिकनी मिट्टी को छायादार ठंडी जगह पर टीले के रूप में संग्रहित किया जाता है। और रंग को कुछ समय के लिए पानी के साथ मिट्टी के बर्तन में रखा जाता है। फिर मिट्टी के गाद जैसे हिस्से को छान लिया जाता है, रेत और बजरी को छोड़कर, केवल गाद वाले हिस्से का उपयोग पेंटिंग के लिए किया जाता है। रंग आमतौर पर गृहिणियों द्वारा बनाया जाता है। ढेर की गई चिकनी मिट्टी को आमतौर पर महीन तार या पतली लोहे की चादरों से नरम किया जाता है मुख्य उद्देश्य मिट्टी की चिपचिपाहट को कम करना है। इस तरह से बनी मिट्टी कुम्हार के चाक में इस्तेमाल के लिए उपयुक्त होती है। अब तकनीक के आगमन के साथ, आधुनिक पीढ़ी के कलाकार बिजली से चलने वाले मोटर चालित चाक का उपयोग कर रहे हैं। लेकिन असली तकनीकी कौशल चाक को घुमाकर चरखे के ऊपर रखी मिट्टी के ढेर को दोनों हाथों से हथेलियों और कलाइयों के दबाव से घुमाकर ऊपर की ओर उठाना है। साथ ही, हाथ की उंगलियों के दबाव से अलग-अलग आकार की खोखली चीज़ों का निर्माण समान रूप से किया जाएगा। अगला चरण है बारीक धागे या सुई से काम को काटना। आवश्यकतानुसार टुकड़ों को धूप में सुखाएँ, कटे हुए हिस्से को थोड़े से पानी में भिगोएँ, अतिरिक्त मिट्टी को ढक दें, और लकड़ी के हथौड़े से पीटकर उसे प्रारंभिक आकार दें। अगले दिन बाँस के फावड़े से चिपचिपी अतिरिक्त मिट्टी को साफ किया जाता है। फिर बारीक मिट्टी के छोटे-छोटे टुकड़े करके उनसे आवश्यक आभूषण बनाए जाते हैं और उन्हें छाया में सुखाने के लिए रगड़कर पॉलिश किया जाता है। उसके बाद कला को आमतौर पर पीले रंग से दो बार लेपित किया जाता है। एक बार जब काम सूख जाता है, तो उन्हें तब तक इंतजार करना पड़ता है जब तक कि एक भट्ठी में जलाने के लिए पर्याप्त सामग्री तैयार न हो जाए। छाया में सूखे कार्यों को पेंट में भिगोया जाता है, पतले कपड़े में लपेटा जाता है और धूप में सुखाया जाता है। टेराकोटा का अपना रंग आवरण होता है। फिर जलने की बारी आती है। बर्नर के दो हिस्से होते हैं। जाली का ऊपरी और निचला हिस्सा। कलाकृतियों को जाली पर एक के बाद एक व्यवस्थित किया जाता है, और जग और घड़े के टूटे हुए हिस्सों से ढक दिया जाता है। फिर आसवनी पर पुआल बिछाया जाता है और उस पर नरम मिट्टी की एक परत चढ़ाई जाती है। इस लेप के ऊपर कुछ छेद किए जाते हैं। इस छेद के माध्यम से, कोई यह समझ सकता है कि किस तरह का जलना चल रहा है और मिट्टी के बर्तन की सतह पर किस तरह का टेराकोटा रंग है। जब नीचे की ओर का तापमान लगभग 600-700 डिग्री सेल्सियस तक पहुँच जाता है, तो मिट्टी के बर्तन जल जाते हैं जिनमें लाल रंग का टेराकोटा होता है।कलाकार के मन और लोक कल्पना से प्रेरित होकर, भारतीय लोक कला के सबसे उज्ज्वल प्रतिनिधि, सेंट्रल कॉटेज इंडस्ट्रीज एम्पोरियम का लोगो, एक घोड़े का है, जिसका एक लंबा कान बांस के पत्ते की तरह और पूंछ एक प्रश्न चिह्न की तरह है, अखिल भारतीय हस्तशिल्प बोर्ड की तत्कालीन अध्यक्ष श्रीमती कमलादेवी चट्टोपाध्याय ने पंचमुरा में टेराकोटा के काम पर एक क्षेत्र सर्वेक्षक अमियकुमार बंद्योपाध्याय द्वारा लिखित एक निबंध पढ़ा, और दिल्ली से पंचमुरा गाँव आईं। अमियबाबू उनके साथ थे। अध्यक्ष के कहने पर, उन्होंने तुरंत भारत के विभिन्न एम्पोरियम के लिए 5,000 बांकुरा घोड़े खरीदे, और दिल्ली लौटने पर, बांकुरा घोड़ा सेंट्रल कॉटेज इंडस्ट्रीज मार्केटिंग कंपनी का लोगो बन गया। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photopanchmura :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
sonamukhibengali : "সোনামুখীঃ-সোনামুখীর নাম স্থানীয় দেবতা স্বর্ণমুখী দেবীর নামে, যার প্রতিমা এখানে এখনও পুজো করা হয়। তবে স্থানীয় মত এই যে, মারাঠা বর্গিরা যখন বাংলা আক্রমণ করে, তখন মারাঠা নেতা ভাস্কর পণ্ডিত এই প্রতিমার পূজা করেছিলেন। ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির শাসনকালে জায়গাটা ছিল সিল্ক, সুতির জামাকাপড় এবং নীল ব্যবসায়ের কেন্দ্র। সোনামুখীকে একসময় তাঁতিদের গ্রাম বলা হতো। ১৮১৩ সালের পরে, যখন বাংলা থেকে কাঁচা রেশমের রফতানিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটে, সোনামুখী তখন একটা মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল। ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির জন-চীপের অধীনে এখানে একটা কারখানা ছিল, যার বার্ষিক রেশমের সরবরাহ ছিল ছ-শো পাউণ্ডেরও বেশি। এখানে বেশ কয়েকটা মন্দির আছে তবে সবথেকে বিখ্যাত পঞ্চদশ চূড়াযুক্ত শ্রীধর মন্দির যার দেওয়ালে কিছু সুন্দর টেরাকোটার কাজ আছে। বাংলায় কেবল পাঁচটা পঞ্চদশ চূড়াবিশিষ্ট মন্দির রয়েছে এবং স্টাইল অনুসারে প্রত্যেকটা অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। গাছ দিয়ে আচ্ছাদিত, এই মন্দিরটা, রাজ্য প্রত্নতত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত হওয়ার কথা, কিন্তু তা হয়নি। ১৮৪৫ সালে কানাই রুদ্র নামে এক তাঁতি মন্দিরটা তৈরি করেছিলেন। তবে এই মন্দির খুঁজে পাওয়া মুস্কিল। একদম চৌরাস্তার ধারে গণপতি হাডওয়্যারের দোকানের পাশের গলি দিয়ে গেলেই পড়বে মন্দির। স্থানীয় লোকজন ঐ নামে জানেই না। তাই শ্রীধর মন্দির বললে কেউ দেখাতে পারবে না। আর ঐ নামে আরও চারটে মন্দির আছে। খুবই ঘিঞ্জি এলাকার মধ্যে মন্দিরটা রয়েছে। অন্য বাড়ির সীমানা আর মন্দিরের মধ্যে স্পষ্টতই কোনও ফাঁক নেই। মন্দিরের পিছনের দেয়াল দেখতে পাওয়া যায় না। তবে সামনের দেয়ালে রয়েছে শীর্ষ মানের পর্যাপ্ত পরিমাণ পোড়ামাটির ফলক। মিনিটের মধ্যে এই টেরাকোটার কাজ সবাইকে অবশ্যই মুগ্ধ করবে। ভগবান শিবের বিবাহ, শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় সন্তানে বিনিময় এবং শ্রী বিষ্ণুর নৌ থেকে উদ্ভূত বিশ্বের স্রষ্টা এই মন্দিরের দেয়ালে দেখা যায়। গেট দিয়ে ঢুকে একটা উঠোনে এলেই মন্দিরের সামনেটা দেখা যায়। কাছেই রয়েছে একটা পাতকুয়ো। মন্দিরের ভেতরে তিনটে তোরণ রয়েছে। আর গর্ভগৃহের দরজার কাঠের কাজটাও দেখার মতো। এটা ঠিক যে এই মন্দিরটা পঁচিশ-চূড়ার, কিন্তু কাঠামোটা অন্যান্য পঁচিশ-চূড়া মন্দিরের মতো বড় নয়। এটাই এই মন্দিরের নিজস্ব স্টাইল ও অনন্য। বেশ কিছু আগাছা মন্দিরের চূড়াকে ঘিরে রেখেছে। মন্দিরটার বেস প্যানেল, পিলার, খিলান এবং ফ্যাকাডে টেরাকোটার কাজ রয়েছে। মন্দিরের দেবতা শালগ্রাম শিলা। একটা কালো পাথর যা ভগবান বিষ্ণুর অবতার, নারায়ণ হিসাবে পুজো করা হয়। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
sonamukhienglish : "Sonamukhi:-Sonamukhi is named after the local deity Swarnamukhi Devi, whose idol is still worshiped here. However, the local view is that when the Maratha Bargis invaded Bengal, the Maratha leader Bhaskar Pandit worshiped this idol. During the rule of the East India Company, the place was the center of silk, cotton clothes and indigo trade. Sonamukhi was once called the village of weavers. After 1813, when there was a significant increase in the export of raw silk from Bengal, Sonamukhi played a major role. There was a factory here under the John Chip of the East India Company, with an annual supply of more than six hundred pounds of silk. There are several temples here but the most famous is the fifteen pinnacle Sridhar temple with some beautiful terracotta works on the walls. There are only five, fifteen pinnacle, temples in Bengal and each is completely different in style with others. Covered with trees, this temple was supposed to be preserved by state archeology, but it did not. The temple was built in 1845 by a weaver named Kanai Rudra. However, it is difficult to find this temple. The temple will fall as soon as you go through the alley next to the Ganpati hardware shop at the crossroads. The locals don't even know that name. So no one will be able to show Sridhar temple. And there are four more temples with that name. The temple is in a very crowded area. There is clearly no gap between the boundaries of the other house and the temple. The back walls of the temple are not visible. However, the front wall has a sufficient amount of top quality terracotta slabs. And surely this terracotta work will impress everyone in minutes. The marriage of Lord Shiva, the exchange of children at the birth of Lord Krishna and the creation of the world arising from the boat of Lord Vishnu are seen on the walls of this temple. The front of the temple can be seen as soon as you enter the courtyard through the gate. There is a well nearby. There are three arches inside the temple. And the woodwork on the door of the sanctum sanctorum is also worth seeing. It is true that this temple has twenty five pinnacles, but the structure is not as big as other twenty five pinnacled temples. This is the unique style of this temple. Several weeds surround the top of the temple. The temple has terracotta work on the base panel, pillars, arches and facade. The god of the temple is Shalgram Shila. Here a black stone that is worshiped as the incarnation of Lord Vishnu, the Narayana. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
sonamukhihindi : "सोनामुखी-सोनामुखी का नाम स्थानीय देवी स्वर्णमुखी देवी के नाम पर पड़ा है, जिनकी मूर्ति आज भी यहाँ पूजी जाती है। हालाँकि, स्थानीय मान्यता है कि जब मराठा बर्गियों ने बंगाल पर आक्रमण किया था, तब मराठा नेता भास्कर पंडित ने इस मूर्ति की पूजा की थी। ईस्ट इंडिया कंपनी के शासन काल में यह स्थान रेशम, सूती वस्त्र और नील व्यापार का केंद्र था। सोनामुखी को कभी बुनकरों का गाँव कहा जाता था। 1813 के बाद, जब बंगाल से कच्चे रेशम के निर्यात में उल्लेखनीय वृद्धि हुई, तो सोनामुखी ने इसमें प्रमुख भूमिका निभाई। ईस्ट इंडिया कंपनी के जॉन चिप के अधीन यहाँ एक कारखाना था, जहाँ से प्रतिवर्ष छह सौ पाउंड से अधिक रेशम की आपूर्ति होती थी। यहाँ कई मन्दिर हैं, लेकिन सबसे प्रसिद्ध पंद्रह शिखर वाला श्रीधर मन्दिर है, जिसकी दीवारों पर सुंदर टेराकोटा कलाकृतियाँ हैं। बंगाल में केवल पाँच, पंद्रह शिखर वाले मन्दिर हैं और प्रत्येक मन्दिर की शैली एक-दूसरे से बिल्कुल भिन्न है। वृक्षों से आच्छादित इस मन्दिर को राज्य पुरातत्व विभाग द्वारा संरक्षित किया जाना था, लेकिन ऐसा नहीं हुआ। मन्दिर का निर्माण 1845 में कनाई रुद्र नामक एक बुनकर ने करवाया था। हालाँकि, इस मन्दिर को खोजना मुश्किल है। चौराहे पर गणपति हार्डवेयर की दुकान के बगल वाली गली से गुजरते ही मन्दिर पड़ेगा। स्थानीय लोग उस नाम को भी नहीं जानते। इसलिए कोई भी श्रीधर मन्दिर नहीं दिखा पाएगा। और उस नाम के चार और मन्दिर हैं। मन्दिर बहुत भीड़-भाड़ वाले इलाके में है। दूसरे घर और मन्दिर की सीमाओं के बीच स्पष्ट रूप से कोई अंतर नहीं है। मन्दिर की पिछली दीवारें दिखाई नहीं देती हैं। हालाँकि, सामने की दीवार में पर्याप्त मात्रा में उच्च गुणवत्ता वाले टेराकोटा स्लैब हैं। और निश्चित रूप से यह टेराकोटा का काम मिनटों में सभी को प्रभावित करेगा। भगवान शिव का विवाह, भगवान कृष्ण के जन्म पर बच्चों का आदान-प्रदान और भगवान विष्णु की नाव से उत्पन्न दुनिया की रचना इस मन्दिर की दीवारों पर दिखाई देती है। और गर्भगृह के द्वार पर लकड़ी का काम भी देखने लायक है। यह सच है कि इस मन्दिर में पच्चीस शिखर हैं, लेकिन इसकी संरचना अन्य पच्चीस शिखर वाले मन्दिरों जितनी विशाल नहीं है। यह इस मन्दिर की अनूठी शैली है। मन्दिर के शिखर के चारों ओर कई झाड़ियाँ हैं। मन्दिर के आधार फलक, स्तंभों, मेहराबों और अग्रभाग पर टेराकोटा का काम है। मन्दिर के देवता शालग्राम शिला हैं। यहाँ एक काले पत्थर को भगवान विष्णु के अवतार, नारायण के रूप में पूजा जाता है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photosonamukhi :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
chototarafbengali : "মণ্ডলপরিবারের ছোট তরফের বাড়িঘর সংলগ্নঃ-বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়র ব্লকের অন্তর্গত এক গ্রামের নাম হদল-নারায়ণপুর। আসলে গ্রামটা নারায়ণপুর। অন্য নারায়ণপুরের সঙ্গে পার্থক্য করার জন্যে, নারায়ণপুরের পাশের গ্রাম হদলের সঙ্গে যোগ করে হদল-নারায়ণপুর নামে অভিহিত করা হয়। মণ্ডল উপাধিধারী ভূতপূর্ব জমিদার পরিবারের তিন তরফের প্রতিষ্ঠিত কয়েকটা টেরাকোটা মন্দির ও রাসমঞ্চ এখানকার প্রধান পুরাকীর্তি। মল্লরাজ গোপাল সিংহের আমলে, এই পরিবারের মুচিরাম ঘোষ, বর্ধমানের নীলপুর থেকে উঠে এসে এখানে বসতি স্থাপন করেন। গোপাল সিংহের সভাসদ ও রামপুরের অধিবাসী শুভঙ্কর দাস, তাঁকে মল্ল রাজদরবারে পরিচয় করিয়ে দেন। কিন্তু নিজ কৃতিত্বে অল্পদিনের মধ্যেই তিনি এ অঞ্চলের প্রশাসক নিযুক্ত হন এবং মণ্ডল উপাধি লাভ করেন। পরে তিনি বিস্তীর্ণ জমিদারির অধিকারী হন। নীলের কারবারেও এই পরিবার প্রভূত অর্থ আয় করেন। সেই ঐশ্বর্যের ফলশ্রুতিই হ’ল এখানকার প্রধান পুরাকীর্তিগুলো। গ্রামে ঢুকেই ব্রহ্মাণী দেবীর মন্দিরকে বাঁ দিকে রেখে একটু উত্তরে এগোলে, ডান দিকে পড়বে মণ্ডলদের ছোট তরফের ভদ্রাসন। ছোটো তরফের বাড়ির ভেতরেই রয়েছে ঠাকুর দালান। বাড়ির বাইরের অংশের মাথায় ত্রিভুজাকার আকৃতির ফলক রয়েছে যার ওপরে দুটো সিংহ মূর্তি রয়েছে। মন্দিরের অবস্থান, ঠাকুরদালান পেরিয়ে বাড়ির পিছনের উঠোনের ভেতরে। বাড়ির প্রাঙ্গণের মন্দিরটা উঁচু ভিত্তিবেদির ওপর স্থাপিত, দক্ষিণমুখী ও নবরত্ন শৈলীর। এই মন্দিরের চেহারায় যে গির্জার আদল দেখা যায় তা অভিনব। সামনে তিন খিলান প্রবেশপথযুক্ত অলিন্দ। সামনে, পূর্ব ও পশ্চিম দিকে টেরাকোটার অলংকরণ রয়েছে। বিষয় হল কৃষ্ণলীলা, পৌরাণিক-সামাজিক দৃশ্য ও ফুলকারি সজ্জা। প্যানেলটা খুবই সুন্দর ও অভিনব। পর পর ঘোড়া, সওয়ার, হাতি, সিংহ প্রভৃতি দেওয়ালের কোণে বা গায়ে খাড়া করে লাগানোই প্রচলিত রীতি। কিন্তু এখানে সেগুলো প্রতি কোণের দু পাশে সমতলভাবে নিবদ্ধ। মন্দিরে চার সারি বিভিন্ন মুখের ফলক আছে যা অন্য মন্দিরে দেখা যায় না। আর আছে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজনরত বাজিয়ে। মন্দিরে কোন প্রতিষ্ঠাফলক নেই। তবে পারিবারিক সুত্রানুসারে, বাবুরাম মণ্ডল তাঁর নাবালক পুত্র গঙ্গাপ্রসাদের নামে এ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাকাল ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিক। উঠোনে একটা সমতল ছাদযুক্ত দালান মন্দির সহ আরও দুটো মন্দিরের কাঠামো রয়েছে। সম্প্রতি তাদের সংস্কার হয়েছে কিন্তু সিমেন্ট দিয়ে। দুর্গাপূজাও এখানে যথেষ্ট উৎসাহের সাথে উদযাপিত হয়। আমরা ঢুকেই দেখি বাঁশের মেরাক বাঁধা হয়েছে। একজন বললেন যে এই বাড়ির ছোট মেয়ের বিয়ে হবে। ছোট মেয়ে ইঞ্জিনিয়ার ও বোম্বাইয়ে কোন এক সফ্টওয়ার কোম্পানিতে চাকরি করেন। ছোট তরফের বসতবাড়ির ফটক থেকে রাস্তা ধরে উত্তর দিকে সামান্য এগোলে, ডান দিকে পড়বে দামোদর মন্দির। সামান্য উঁচু ভিত্তিবেদির ওপর স্থাপিত। দক্ষিণমুখী মন্দিরটা পঞ্চরত্ন শৈলীর। সামনে তিন খিলান প্রবেশপথবিশিষ্ট অলিন্দ। টেরাকোটা অলংকরণ কেবল সামনের দেওয়ালের খিলানগুলোর উপর নিবদ্ধ। বাঁ দিকের খিলানের উপর অনন্তশায়ী বিষ্ণু ও মাঝের খিলানের ওপর লঙ্কাযুদ্ধের টেরাকোটা ভাস্কর্য রয়েছে। ডান দিকের খিলানের উপর ভীষ্মের শরশয্যা। তবে এই টেরাকোটার কাজ এখন অনেকটাই ভেঙে গেছে। গর্ভগৃহে কোন বিগ্রহ নেই। মন্দিরটা এখন ভগ্ন ও পরিত্যক্ত। স্থানীয় মানুষজন বলেন যে এইসব ভগ্ন মন্দিরের নীচে অনেক ধনরত্ন আছে ও তা যক্ষে পাহারা দেয়। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
chototarafenglish : "Choto Taraf:-Hadal-Narayanpur is a village in the Patrasair block of Bankura district. In fact, the village is Narayanpur. To distinguish it from other Narayanpur, the adjoining village of Narayanpur is called Hadal-Narayanpur. A few terracotta temples and Rasmanchas established on three sides of the former landlord family with the title of Mandal are the main antiquities here. During the reign of Mallaraj Gopal Singh, Muchiram Ghosh of this family came from Nilpur in Burdwan and settled here. Shubhankar Das, a courtier of Gopal Singh and a resident of Rampur, introduced him to the Malla royal court. But in a short time he was appointed administrator of the region and received the title of Mandal. He later became the owner of a vast estate. The family also made a lot of money from indigo business. As a result of richness, the main antiquities here were made. As soon as you enter the village, leave the temple of the Brahmani Goddess on the left and go a little to the north, and on the right you will find the house of Choto Taraf of the Mandals. There is a hall called Thakurdalan inside the house. On the outside of the house is a triangular plaque with two lion statues on top. The location of the temple is inside the backyard of the house across the Thakurdalan. The temple in the courtyard of the house is built on a high foundation, facing south and in nine pinnacle style. The look of the church looking temple is extraspecial. There is porch with three arched entrances in front. There are terracotta ornaments on the front, east and west. The subjects are Krishnalila, mythological, social scenes and floral. The panel is very nice and fanciful. Horses, riders, elephants, lions, etc. are placed on the corners of the walls or on the body one after the other. But here they are flattened on both sides of each corner. The temple has four rows of different faces which are not seen in other temples. And there are different musical instruments playing. There is no foundation stone in the temple. However, according to family sources, Baburam Mandal established this temple in the name of his minor son Ganga Prasad and founded in the early nineteenth century. There are two more temple structures in the courtyard, including a flat-roofed building. Recently they have been renovated but with cement. Durga Pujo festival is also celebrated here with great enthusiasm. As soon as we entered, we saw that the bamboo structure was tied. One said that the youngest daughter of this house would get married. The younger daughter works as an engineer at a software company in Bombay. A little further north along the road from the gate of the Choto Taraf, the Damodar temple will fall on the right. Placed on a slightly elevated foundation. The south-facing temple is of five pinnacle style. There is a porch with three arched entrances in front. The terracotta decoration is centered only on the arches of the front wall. On the left arch is the laying Vishnu and on the middle arch are terracotta sculptures of the Lankan war. Bhishma's bed on the arch on the right. However, this terracotta work is now much broken. There is no idol in the sanctum sanctorum. The temple is now ruined and abandoned. The locals say that there are many treasures under these ruined temples and guarded by mammon. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
chototarafhindi : "मंडल परिवार के छोटो तरफ का घर:-हादल-नारायणपुर बांकुड़ा जिले के पत्रासैर ब्लॉक में एक गांव है। वास्तव में, गांव नारायणपुर है। इसे अन्य नारायणपुर से अलग करने के लिए, नारायणपुर के निकटवर्ती गांव को हादल-नारायणपुर कहा जाता है। मंडल की उपाधि वाले पूर्व जमींदार परिवार द्वारा तीन तरफ स्थापित कुछ टेराकोटा मन्दिर और रासमंच यहां की प्रमुख पुरावशेष हैं। मल्लराज गोपाल सिंह के शासनकाल के दौरान, इस परिवार के मुचिराम घोष बर्दवान के नीलपुर से आए और यहां बस गए। गोपाल सिंह के एक दरबारी और रामपुर निवासी शुभंकर दास ने उन्हें मल्ल शाही दरबार में पेश किया। लेकिन कुछ ही समय में, उन्हें क्षेत्र का प्रशासक नियुक्त किया गया और उन्हें मंडल की उपाधि मिली। बाद में वे एक विशाल संपत्ति के मालिक बन गए। परिवार ने नील के व्यापार से भी बहुत पैसा कमाया गाँव में प्रवेश करते ही बाईं ओर स्थित ब्रह्माणी देवी के मन्दिर को छोड़कर थोड़ा उत्तर की ओर चलें, तो दाईं ओर आपको मंडलों के छोटो तरफ का घर मिलेगा। घर के अंदर ठाकुरदलन नामक एक हॉल है। घर के बाहर एक त्रिकोणीय पट्टिका है जिसके शीर्ष पर दो सिंह मूर्तियाँ हैं। मन्दिर का स्थान ठाकुरदलन के पार घर के पिछवाड़े में है। घर के आँगन में स्थित मन्दिर ऊँची नींव पर, दक्षिणमुखी और नौ शिखर शैली में बना है। चर्च जैसा दिखने वाला मन्दिर असाधारण है। सामने तीन मेहराबदार प्रवेश द्वारों वाला बरामदा है। सामने, पूर्व और पश्चिम में टेराकोटा के अलंकरण हैं। विषय कृष्णलीला, पौराणिक, सामाजिक दृश्य और पुष्प हैं। पैनल बहुत सुंदर और काल्पनिक है। घोड़े, सवार, हाथी, सिंह आदि दीवारों के कोनों पर या शरीर पर एक के बाद एक रखे गए हैं। लेकिन यहाँ वे प्रत्येक कोने के दोनों ओर चपटे हैं। मन्दिर में अलग-अलग मुखों की चार पंक्तियाँ हैं जो अन्य मन्दिरों में नहीं दिखतीं। और अलग-अलग संगीत वाद्ययंत्र बज रहे हैं। मन्दिर में कोई आधारशिला नहीं है। हालाँकि, पारिवारिक सूत्रों के अनुसार, बाबूराम मंडल ने अपने नाबालिग बेटे गंगा प्रसाद के नाम पर इस मन्दिर की स्थापना की और उन्नीसवीं शताब्दी की शुरुआत में इसकी स्थापना की। आंगन में दो और मन्दिर संरचनाएँ हैं, जिनमें एक सपाट छत वाली इमारत भी शामिल है। हाल ही में उनका जीर्णोद्धार किया गया है लेकिन सीमेंट से। दुर्गा पूजा उत्सव भी यहाँ बड़े उत्साह के साथ मनाया जाता है। जैसे ही हम अंदर दाखिल हुए, हमने देखा कि बांस की संरचना बंधी हुई थी। एक ने कहा कि इस घर की सबसे छोटी बेटी की शादी होने वाली है। छोटी बेटी बॉम्बे में एक सॉफ्टवेयर कंपनी में इंजीनियर के रूप में काम करती है। छोटो तरफ के गेट से सड़क के साथ थोड़ा आगे उत्तर में, दामोदर मन्दिर दाईं ओर पड़ेगा। थोड़ी ऊँची नींव पर स्थित। दक्षिणमुखी मन्दिर पाँच शिखर शैली का है बाईं ओर के मेहराब पर लेटे हुए भगवान विष्णु और बीच वाले मेहराब पर लंका युद्ध की टेराकोटा मूर्तियाँ हैं। दाईं ओर के मेहराब पर भीष्म की शय्या है। हालाँकि, यह टेराकोटा कलाकृति अब काफी क्षतिग्रस्त हो चुकी है। गर्भगृह में कोई मूर्ति नहीं है। मन्दिर अब खंडहर और वीरान हो चुका है। स्थानीय लोगों का कहना है कि इन खंडहर मन्दिरों के नीचे बहुत सारा खजाना है और धन-संपत्ति द्वारा संरक्षित है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photochototaraf :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
mejhotarafbengali : "মণ্ডলপরিবারের মেজতরফের বাড়িঘর সংলগ্নঃ-গ্রামের প্রধান পথ ধরে, ছোট তরফের বাড়ি ছাড়িয়ে আরও উত্তরে এগোলে, বড়তরফের বাড়ির বাঁ দিকের বাড়িঘরের পিছনে রয়েছে মেজতরফের দামোদর মন্দির। মন্দিরটা অল্প উঁচু ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত, পূর্বমুখী ও নবরত্ন শৈলীর। পূর্ব ও উত্তর দিকে তিন খিলান প্রবেশপথযুক্ত অলিন্দ। মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশের একটাই দরজা। উত্তর দিকের দরজা ভরাট করা। পূর্ব ও উত্তর দিকে তিনটে করে খিলানের ওপরে, বাঁকানো কার্নিশের নিচে এক সারি করে কুলুঙ্গির মধ্যে, ও দু-প্রান্তের এক সারি করে কুলুঙ্গির মধ্যে টেরাকোটার ফলক আছে। টেরাকোটা'র বিষয় রামায়ণ-মহাভারতের কাহিনী, দশাবতার, কৃষ্ণলীলা, দেবদেবী ইত্যাদি। এদের মধ্যে পূর্ব দিকের খিলানশীর্ষে কৃষ্ণের চূড়াবাঁধা, অনন্তশায়ী বিষ্ণু, রামরাবণের যুদ্ধ ও ষড়ভুজ গৌরাঙ্গের ভাস্কর্যগুলো প্রথম শ্রেণীর। গর্ভগৃহে শ্রীশ্রী দামোদর বা নারায়ণ শিলার রোজ পুজো হয়। "+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
mejhotarafenglish : "Mejho Taraf:-Along the main road of the village, beyond the Choto Taraf, further north, behind the house on the left side of the Baro Tarad, there is the Damodar temple of the Mejho Taraf. The temple is built on a slightly higher foundation, facing east and in Nine pinnacle style. The porch with three arched entrances to the east and north. There is only one door to enter the sanctum sanctorum of the temple. The north door is filled up. There are terracotta plaques in the niche, one on the east and three on the north, one in a row below the curved cornice, and one in a row on either side. The subjects of terracotta are the stories of Ramayana-Mahabharata, Dashabatar, Krishnalila, God Goddess etc. Among these, the sculptures of Krishna's Churabandha, laying Vishnu, Ram-Ravan's Battle and six handed Gauranga on the eastern arch are best. Sri Sri Damodar or Narayan Shila is worshiped daily in the sanctum sanctorum."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
mejhotarafhindi : "मंडल परिवार के मेजो तरफ का घर-गाँव के मुख्य मार्ग के किनारे, छोटो तरफ से आगे, उत्तर की ओर, बारो तराड़ के बाईं ओर मकान के पीछे, मेजो तरफ का दामोदर मन्दिर है। मन्दिर पूर्वाभिमुख तथा नौ शिखर शैली में थोड़ी ऊँची नींव पर बना है। पूर्व और उत्तर की ओर तीन मेहराबदार प्रवेशद्वारों वाला बरामदा। मन्दिर के गर्भगृह में प्रवेश के लिए एक ही द्वार है। उत्तरी द्वार भरा हुआ है। आले में टेराकोटा की पट्टिकाएँ हैं, एक पूर्व में और तीन उत्तर में, घुमावदार कंगनी के नीचे एक पंक्ति में, और एक-एक दोनों ओर पंक्ति में। टेराकोटा के विषय रामायण-महाभारत की कथाएँ, दशहरा, कृष्णलीला, देवी-देवता आदि हैं। इनमें कृष्ण का चूड़ाबंध, लेटे हुए विष्णु, राम-रावण युद्ध और पूर्वी मेहराब पर छह भुजाओं वाले गौरांग की मूर्तियाँ सर्वश्रेष्ठ हैं। गर्भगृह में प्रतिदिन श्री श्री दामोदर या नारायण शिला की पूजा की जाती है। "+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photomejhotaraf :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
barotarafbengali : "মণ্ডলপরিবারের বড় তরফের বাড়িঘর সংলগ্নঃ-রাজবাড়ির মুখে ঢুকতেই এক ভদ্রলোক গাইড হয়ে আমাদের নিয়ে চললেন। গ্রামের উত্তর প্রান্তে মণ্ডল পরিবারের বড় তরফের বাড়ি। গেট দিয়ে ঢুকলে প্রথমেই বাঁ দিকে পড়বে রাসমঞ্চ। সতের-চুড়াবিশিষ্ট, আটকোণা, দ্বিতল রাসমঞ্চটা, জেলার এ জাতীয় ইমারতের মধ্যে শীর্ষস্থানীয়। প্রতি তলের প্রতি কোণায় একটা করে এবং কেন্দ্রীয়ভাবে আর একটা খাঁজকাটা চুড়ার সমন্বয়ে গঠিত এই দেবসৌধের উচ্চতা প্রায় চল্লিশ ফুট। এক তলায় আটটা খিলানশীর্ষে অনন্তশায়ী বিষ্ণু, গজলক্ষ্মী, কৃষ্ণরাধিকা, রামসীতা, সপরিবারে মহিষমর্দিনী দুর্গা, শিবের বিবাহ, গোষ্ঠলীলা ও শিব-নন্দী-ভিরিঙ্গীর টেরাকোটা ভাস্কর্যগুলো সুন্দর। কিন্তু কালের প্রবাহে এগুলো এখন কিছুটা ম্লান। রাসের সময় এখানে বিগ্রহ এনে রাস উৎসব পালন করা হয়। বর্তমানে রং করা হয়েছে। চললাম বড় তরফের বাসভবনের দিকে। হলুদ অর্ধবৃত্তাকার আকারের প্রবেশদ্বার দিয়ে মূল বাড়িতে প্রবেশ করতে হয়। এই প্রবেশদ্বারের জানলাগুলো দরজার আকারের মতো যার ওপরে পুরানো স্টাইলের সবুজ খরখরি রয়েছে। প্রত্যেকটা জানলার ওপরে একটা করে মুখযুক্ত কারুকার্য রয়েছে ও প্রত্যেকটা দেখতে আলাদা আলাদা। এখানে ইউরোপীয় প্রভাব খুব স্পষ্ট। এর মধ্যে একটা মূর্তি চীনা সিংহের মতন দেখতে। আমাদের গাইড জানালেন যে, দুর্গাপূজার সময় এই প্রাসাদে মণ্ডল পরিবারের সমস্ত বংশধর, যারা বাইরে থাকেন, তাঁরা উপস্থিত হন এবং দুর্গাপুজোয় অংশগ্রহণ করেন। রাজবাড়ির ভেতরে একটা বড় ঠাকুর দালান ও দুর্গামন্দির রয়েছে। দুর্গা পুজোর সময় এই কমপ্লেক্সে সবাই জড়ো হন। ঠাকুর দালান পেরিয়ে একটা দরজা দিয়ে বাড়ির ভেতরে তাদের বংশানুক্রমিক পুজোর স্থানে প্রবেশ করলাম। এখানে উঠোনের মধ্যে রয়েছে ১৮০৬ সালে নির্মিত পঞ্চচূড়া বিশিষ্ট রাধা দামোদর মন্দির, দুটো ছোট শিব মন্দির আর একটা হনুমানের মন্দির। হনুমান মন্দির অবশ্য মন্দির নয় তুলসীমঞ্চের মতো দেখতে। গাইড বললেন যে, হনুমান মন্দিরের পুজো নাকি কোন মেয়ে দেখতে পারবে না। যদি দেখে তাহলে সে সংসার করতে পারবে না। মন্দিরের গায়ে কয়েকটা সুন্দর পোড়ামাটির ভাস্কর্য রয়েছে। মন্দিরের কাঠামো খুব ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। বাড়ির বাইরে, মাঠের ওপর, বাইরের কমপ্লেক্সে, একটা তালাবন্ধ ঘরের ভেতর রয়েছে বেল মেটালের রথ। সেখানে রয়েছে বেল ধাতুতে তৈরি করা শিব, কালী এমনকি নরসিংহ অবতারও। তবে রথের একটা খুব আশ্চর্যের বিষয় যে রথের দু-দিকেই, একই ধাতু দিয়ে তৈরি কিছু মানুষের আকার, যা দেখে মনে হয় মাথাটা উল্টো করে নীচের দিকে পড়েছে। তাদের মধ্যে কিছু মূর্তির ইউরোপীয় পোশাকও আছে। এই রথকে রথযাত্রার সময় প্রতিমা দিয়ে ভক্তরা টানেন। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
barotarafenglish : "Baro Taraf:- As soon as we entered the entrance of the palace, a gentleman took us as a guide. At the northern end of the village is the large house of the Mandal family. If you enter through the gate, a stage will fall on the left side first. Seventeen-spiral, octagonal, two-storeyed Rasmanchata, tops among such buildings in the district. The architecture is about forty feet high, with one pinnacle at each corner of the and another notched peak at the center. The eight terracotta sculptures of Vishnu, Ghazalakshmi, Krishnaradhika, Ramsita, Mahishmardini Durga, Shiva's marriage, Gosthalila and Shiva-Nandi-Viringi are beautiful on eight floors on one floor. But in the course of time these have now faded a bit. During Ras festival, idols are brought here and the festival is celebrated. The Rasmancha is Currently painted. I walked towards the big house. The main house is to be entered through a yellow semicircular shaped entrance. The windows of this entrance are like the size of a door with old style green rugs on top. Each window has a faceted work of art and each one looks different. The European influence here is very clear. One of the statues looks like a Chinese lion. Our guide told us that during Durga Puja festival, all the descendants of the Mandal family, who live outside, attend this palace and participate in Durga Puja festival. Inside the palace there is a large space called Thakur Dalan and a fortified temple. Everyone gathers at this complex during Durga Puja festival. I crossed the Thakur Dalan and entered the house through a door to their hereditary place of worship. Among temples in the courtyards here are the five pinnacle Radha Damodar temple built in 1808, two small Shiva temples and a Hanuman temple. The Hanuman Temple, of course, looks like a Tulsi Mancha, not a temple. The guide said that no girl could see the Puja of Hanuman temple. If she sees, she will not be able to make a family. There are some beautiful terracotta sculptures on the temple. The structure of the temple is very well maintained. Outside the house, on the field, in the outdoor complex, inside a locked room is a chariot of bell metal. There is Shiva, Kali and even Narsingh incarnations made of bell metal. However, one of the most surprising things about the chariot is that, on both sides of the chariot, the size of some people made of the same metal, which looks like the head is turned upside down. In the idol some of them have European costumes. This chariot is pulled by the devotees with idols during the procession. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
barotarafhindi : "मंडल परिवार के बारो तरफ का घर-महल के प्रवेश द्वार में प्रवेश करते ही एक सज्जन हमें मार्गदर्शक के रूप में ले गए। गाँव के उत्तरी छोर पर मंडल परिवार का बड़ा घर है। यदि आप द्वार से प्रवेश करते हैं, तो पहले बाईं ओर एक मंच पड़ेगा। सत्रह-सर्पिल, अष्टकोणीय, दो मंजिला रासमंचा, जिले की ऐसी इमारतों में सबसे ऊपर है। वास्तुकला लगभग चालीस फीट ऊंची है, जिसके प्रत्येक कोने पर एक शिखर और केंद्र में एक और नोकदार शिखर है। एक मंजिल पर आठ मंजिलों पर विष्णु, गजलक्ष्मी, कृष्णराधिका, रामसीता, महिषमर्दिनी दुर्गा, शिव विवाह, गोस्थलीला और शिव-नंदी-विरिंगी की आठ टेराकोटा मूर्तियां सुंदर हैं। लेकिन समय के साथ अब ये कुछ फीकी पड़ गई हैं। रास उत्सव के दौरान, मूर्तियों को यहां लाया जाता है और उत्सव मनाया जाता है। रासमंचा वर्तमान में रंगा हुआ है। मैं बड़े घर की ओर चला। मुख्य घर में एक पीले अर्धवृत्ताकार आकार के प्रवेश द्वार से प्रवेश किया जाना है। इस प्रवेश द्वार की खिड़कियाँ एक दरवाज़े के आकार की हैं जिन पर पुराने ज़माने के हरे रंग के कालीन बिछे हैं। हर खिड़की पर कलाकृतियाँ बनी हैं और हर एक अलग दिखती है। यहाँ यूरोपीय प्रभाव साफ़ दिखाई देता है। एक मूर्ति चीनी शेर जैसी दिखती है। हमारे गाइड ने हमें बताया कि दुर्गा पूजा उत्सव के दौरान, मंडल परिवार के सभी वंशज, जो बाहर रहते हैं, इस महल में आते हैं और दुर्गा पूजा उत्सव में हिस्सा लेते हैं। महल के अंदर ठाकुर दालान नामक एक बड़ा स्थान और एक मज़बूत मन्दिर है। दुर्गा पूजा उत्सव के दौरान सभी लोग इसी परिसर में इकट्ठा होते हैं। मैंने ठाकुर दालान पार किया और उनके पुश्तैनी पूजा स्थल के एक दरवाज़े से घर में प्रवेश किया। यहाँ के प्रांगणों में मन्दिरों में 1808 में निर्मित पाँच शिखरों वाला राधा दामोदर मन्दिर, दो छोटे शिव मन्दिर और एक हनुमान मन्दिर हैं। हनुमान मन्दिर, ज़ाहिर है, एक तुलसी मंच जैसा दिखता है, मन्दिर नहीं। गाइड ने बताया कि कोई भी लड़की हनुमान मन्दिर की पूजा नहीं देख सकती। अगर देख भी ले, तो वह परिवार नहीं बना पाएगी। मन्दिर पर कुछ सुंदर टेराकोटा मूर्तियाँ हैं। मन्दिर की संरचना बहुत अच्छी तरह से रखी गई है। घर के बाहर, मैदान में, बाहरी परिसर में, एक बंद कमरे के अंदर बेल-धातु का एक रथ है। इसमें शिव, काली और यहाँ तक कि नरसिंह अवतार भी बेल-धातु से बने हैं। हालाँकि, रथ की सबसे आश्चर्यजनक बात यह है कि रथ के दोनों ओर एक ही धातु से बने कुछ लोगों की आकृतियाँ हैं, जो देखने में ऐसे लगते हैं जैसे उनका सिर उल्टा हो। मूर्तियों में से कुछ ने यूरोपीय वेशभूषा धारण की है। इस रथ को शोभायात्रा के दौरान मूर्तियों सहित भक्त खींचते हैं। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photobarotaraf :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
kotolpurbengali : "কোতলপুরঃ-সে প্রায় চারশো বছরের আগের কথা। চারপাশে ধু ধু প্রান্তর, আর জঙ্গল। একপাশে বয়ে চলেছে দ্বারকেশ্বর নদ আর আমোদর নদী। পাঠান-মোঘল সেনাদের রক্তে সেই সময় রাঙা হয়ে উঠেছিল কোতলপুর। তারপর দ্বারকেশ্বর-আমোদরের উপর দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। কিন্তু ওই ভয়াবহ যুদ্ধের সাক্ষী হিসেবে এখনও রয়ে গেছে কোতলপুরের নাম। আসলে কোতলপুর নামকরণের পিছনে ওই যুদ্ধের সূত্র রয়ে গেছে। ১৫৯০ সালে উত্তর ওড়িশার অধিপতি আফগান শাসক কতলু খান লোহানীর সঙ্গে, এই অঞ্চলে যুদ্ধ হয়েছিল মুঘল সেনাপতি মানসিংহের পুত্র জগত সিংহের। পাঠান সেনানায়ক বাহাদুর কুরুর চক্রান্তে জখম হয়েছিলেন জগত সিংহ। তাঁকে উদ্ধার করে বিষ্ণুপুরে নিয়ে গেছিলেন মল্লরাজা বীর হাম্বীর। কিন্তু রটে গেছিল যে, ওই যুদ্ধে জগত সিংহ মারা গেছেন। সে সংবাদ শুনে কতলু খানের বিরুদ্ধে নিজে অস্ত্র ধরেন মানসিংহ। যুদ্ধ জয়ের দশ দিনের মাথায় প্রাণ যায় কতলু খানের। জনশ্রুতি রয়েছে, তাঁর দেহ এখানেই কবর দেহ দেওয়া হয়। তাঁকে এখানে কোতল করা হয়েছিল বলে, এই জনপদের নাম কোতলপুর। তবে কোতলপুরের নাম ইতিহাসের পাতার উঠে এসেছে তারও ঢের আগে। সে অষ্টম শতকের কথা। অষ্টম শতকে মল্লরাজ্যের সূচনা হয়েছিল কোতলপুরের লাউগ্রামে। সেই সময় কোতলপুর ও তার লাগোয়া গ্রামগুলো একে একে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। পরবর্তীকালে মল্লরাজারা বিষ্ণুপুরে রাজধানী স্থানান্তর করেন। কিন্তু ইতিহাস উপেক্ষা করতে পারেনি কোতলপুরকে। পাঠান-মুঘল সেনাদের লড়াইকে ঘিরে ফের উঠে আসে এই জনপদের কথা। ওই যুদ্ধের পরেই দিল্লির অধিপতি আকবরের সঙ্গে মল্লরাজাদের হৃদ্যতা গড়ে ওঠে। মল্লরাজ্য এগিয়ে যায় জাহানাবাদ অব্দি যা বর্তমান আরামবাগ পর্যন্ত।সে সময়ে আরামবাগে নানা সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সম্পন্ন কিছু ব্যবসায়ীরও বাস ছিল। তাঁদের অনেকে মশলাপাতির ব্যবসা করতেন। কোতলপুর প্রথমে বর্ধমান ও পরে হুগলি জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৮৮১ সালে বাঁকুড়া জেলা গঠিত হওয়ার পরে কোতলপুর তার সঙ্গে যুক্ত হয়। হুগলি জেলা লাগোয়া বাঁকুড়ার এই ব্লক সদর এখন অনেক বদলে গেছে। চাষবাসে বেশ সমৃদ্ধ। ব্যবসা-বাণিজ্যেও অন্য কয়েকটা ব্লক সদরের থেকে কোতলপুর এগিয়ে রয়েছে। দিন দিন বসতিও বাড়ছে। তবে ইতিহাস মুছে যায়নি। একটা অসাধারণ পঞ্চরত্ন মন্দির রয়েছে ভদ্র পাড়ায়। নাম শ্রীধর ঠাকুরের মন্দির। উচ্চতা প্রায় ২৫ ফুট। প্রতিষ্ঠাকাল ১৮৩৩ সাল। ওই মন্দিরের সামনের দেওয়ালে রয়েছে টেরাকোটার পৌরাণিক কাহিনীর নিখুঁত অলঙ্করণ। মন্দিরের পাশেই রয়েছে গিরিগোবর্ধনের মন্দির। উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। অনন্য স্থাপত্যের এই নিদর্শন চুন-বালির মিশ্রণে তৈরি। মন্দির গাত্রে রয়েছে দ্বারপাল, কৃষ্ণ, কালী ইত্যাদি মূর্তিগুলো। তবে মন্দিরের গায়ে কোনও প্রতিষ্ঠা ফলক নেই। স্থানীয়দের মতে এই মন্দিরও, পাশের শ্রীধর মন্দিরের সমসাময়িক। মন্দির দুটোর প্রতিষ্ঠাতা ভদ্র পরিবার। সম্ভবত সপ্তদশ শতকে তাঁদের পূর্ব পুরুষরা বর্ধমানের মরাল গ্রাম থেকে এখানে উঠে এসে, নুন, তামাক, সুতো ও সর্ষের ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসায় লাভের মুখ দেখার পর তাঁরা ওই মন্দিরগুলো গড়ে তোলেন। ওই মন্দির সংলগ্ন দুর্গাদালানে ১৮৭৫ সালে দুর্গোৎসব শুরু হয়। তার কয়েক বছর পরে ১৮৮০ সালে পরম পুরুষ শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেব, এখানকার পুজোয় আরতি দর্শন করেন। তার একটা ফলকও দুর্গাদালানে লাগানো আছে। ভদ্র পরিবারের ১৭ চূড়া যুক্ত রাসমঞ্চও দৃষ্টিনন্দন। তবে এখন সাদা রঙের প্রলেপ পড়ার ফলে রাসমঞ্চের সূক্ষ্মতা কিছুটা ঢাকা পড়েছে। এ ছাড়া বেনে পাড়ায় অবস্থিত অষ্টাদশ শতকে তৈরি নবরত্ন দামোদর মন্দির, ষোড়শ শতকে তৈরি উত্তরপাড়ার রাধারমণ জিউ মন্দির ও ১৭৬৯ সালে হালদার পাড়ায় তৈরি বিষ্ণুমন্দির সমানভাবেই দর্শনীয়। এইসব পুরাকীর্তি বা স্থাপত্যের পাশাপাশি এলাকার পূজা-পার্বণ, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি খুবই সমৃদ্ধ। দুর্গাপুজো ছাড়াও রাস, গাজন মেলা, শীতলা, মনসা পুজো ও টুসু-ভাদু গানেরও চল রয়েছে। এখানকার তাঁত বস্ত্র, শোলা, বেলমালা, শাঁখ ও মাটির কাজ, তারিফ করার মতো। তবে এই মন্দিরশৈলী বা শিল্প-সংস্কৃতিকে তুলে ধরার সরকারি প্রয়াস চোখে পড়েনি বলে, ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন। সরকারি ভাবে প্রচার নেই বলেই এমন অনবদ্য শৈলীর মন্দির দেখতে এখানে পর্যটকেরা ভিড় করেন না। নিজেদের সৃষ্টিকে মেলে ধরার সুযোগ পান না হস্তশিল্পীরাও। মন্দিরগুলো সংস্কারের অভাবে নষ্ট হচ্ছে, এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে বারবার দরবার করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
kotolpurenglish : "Kotalpur:-That was about four hundred years ago. There was only lonely place and jungle. Dwarkeswar River and Amodar River flow on one side. The bloody war with Pathan and Mughal made Kotalpur a hell. Then a lot of time passed. But the name of Kotalpur still remains as a witness of that terrible war. In fact, the naming of Kotalpur is the source of that war. In 1590, Jagat Singh, son of the Mughal general Man Singh, fought in the region with Katlu Khan Lohani, the Afghan ruler who ruled over northern Orissa. Jagat Singh was injured in the conspiracy of Pathan commander Bahadur Kuru. Mallaraja Bir Hambir rescued him and took him to Bishnupur. But it was rumored that Jagat Singh had died in that war. On hearing the news, Man Singh took up arms against Katlu Khan. Katlu Khan died ten days after the victory of the war. There are rumors that his body was buried here. The name of this town is Kotalpur because he was made beheaded here. However, the name of Kotalpur has appeared in the pages of history long before that. It was from the eighth century. The Malla kingdom was started in the 8th century at Laugram in Kotalpur. At that time Kotalpur and its adjoining villages became prosperous one by one. Later the Malla kings shifted their capital to Bishnupur. But history could not ignore Kotalpur. The story of this town came up again around the battle of Pathan-Mughal army. After that battle, a friendship developed with Malla kings and Akbar, the ruler of Delhi. Malla Rajya extended his territory to Jahanabad which is present Arambagh.At that time Arambagh was also home to some well-to-do traders living with people from different communities. Many of them traded in spices. Kotalpur was first included in Burdwan and later in Hooghly district. After the formation of Bankura district in 1881, Kotalpur was annexed to it. This block headquarters of Bankura adjoining Hooghly district has changed a lot now. It is quite rich in farming. Kotalpur is also ahead of few blocks in trade and commerce. The settlement is also increasing day by day. However, history has not been erased. There is an extraordinary five pinnacle temple in Bhadra Para. The name is the temple of Sridhar Thakur. Height is about 25 feet and Founded in 1833. The front wall of the temple is a perfectly decorated with of terracotta ornamentation of mythology. Next to the temple is the temple of Girigovardhana. Its height about 30 feet. These unique architectural patterns are made of lime-sand mixture. There are terracotta idols of guard, Krishna, Kali etc. in the temple. However, there is no plaque on the temple. According to the locals, this temple is also contemporary with the nearby Sridhar temple. The founders of the two temples are Bhadra family. Probably in the seventeenth century their forefathers came here from the village of Maral in Burdwan and started trading in salt, tobacco, yarn and mustard. They built those temples after seeing the getting huge profit. The Durgapuja started in 1875 in the Durgadalan adjacent to the temple. A few years later, in 1880, the Godman, Sri Sri Ramakrishnadev visited the puja here. There is also a plaque in the Durga temple. The Rasmancha with 16 pinnacle of the Bhadra family is also a sight to behold. But now, as a result of the white coating, the intricacy of Rasmancha is somewhat obscured. Apart from this, the 18th century Navaratna Damodar temple at Benepara, the 16th century Radharman Jiu temple at Uttarpara and the Vishnu temple at Haldar Para in 1769 are equally spectacular. In addition to these antiquities or architecture, the Puja festival, art, literature and culture of this area is very rich. Apart from Durga Puja festival, Ras, Gajan Mela, Shitala, Manasa Puja and Tusu-Vadu songs are also performed. The weaving cloth, Shola, Belmala, Shell and pottery work here is admirable. However, the local people are fuming that the government has not made any effort to promote this temples or local art and culture. Tourists do not flock here to see the impeccable style of temple as there is no official publicity. Handicraftsmen also do not get a chance to give an exposure to their creations. The temples are being destroyed due to lack of repairs. Despite repeated pleas to the administration, nothing has been done till now. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
kotolpurhindi : "कोतलपुर:-यह लगभग चार सौ साल पहले की बात है। यहाँ केवल एकांत जगह और जंगल था। एक तरफ द्वारकेश्वर नदी और अमोदर नदी बहती थी। पठान और मुगलों के साथ हुए खूनी युद्ध ने कोतलपुर को नर्क बना दिया था। फिर बहुत समय बीत गया। लेकिन कोतलपुर का नाम आज भी उस भयानक युद्ध का गवाह बना हुआ है। वास्तव में, कोतलपुर का नामकरण उस युद्ध का स्रोत है। 1590 में, मुगल सेनापति मान सिंह के पुत्र जगत सिंह ने इस क्षेत्र में उत्तरी उड़ीसा पर शासन करने वाले अफगान शासक कतलू खान लोहानी के साथ युद्ध किया। पठान सेनापति बहादुर कुरु के षड्यंत्र में जगत सिंह घायल हो गए। मल्लराजा बीर हम्बीर ने उन्हें बचाया और बिष्णुपुर ले गए। लेकिन यह अफवाह फैल गई कि जगत सिंह उस युद्ध में मारे गए थे। खबर सुनते ही मान सिंह ने कतलू खान के खिलाफ हथियार उठा लिए हालाँकि, कोतलपुर का नाम इतिहास के पन्नों में उससे बहुत पहले से दर्ज है। यह आठवीं शताब्दी की बात है। मल्ल राज्य की शुरुआत आठवीं शताब्दी में कोतलपुर के लौग्राम में हुई थी। उस समय कोतलपुर और उसके आसपास के गाँव एक-एक करके समृद्ध होते गए। बाद में मल्ल राजाओं ने अपनी राजधानी बिष्णुपुर स्थानांतरित कर दी। लेकिन इतिहास कोतलपुर को नज़रअंदाज़ नहीं कर सका। इस कस्बे की कहानी पठान-मुगल सेना के युद्ध के इर्द-गिर्द फिर से उभरी। उस युद्ध के बाद, मल्ल राजाओं और दिल्ली के शासक अकबर के साथ मित्रता विकसित हुई। मल्ल राजा ने अपना क्षेत्र जहानाबाद तक बढ़ाया जो वर्तमान आरामबाग है।उस समय आरामबाग में विभिन्न समुदायों के लोगों के साथ रहने वाले कुछ संपन्न व्यापारी भी रहते थे। उनमें से कई मसालों का व्यापार करते थे। कोतलपुर पहले बर्दवान और बाद में हुगली जिले में शामिल था। 1881 में बांकुड़ा जिले के गठन के बाद, कोतलपुर को उसमें मिला लिया गया। हुगली जिले से सटे बांकुड़ा का यह प्रखंड मुख्यालय अब काफी बदल गया है। यह खेती के मामले में काफी समृद्ध है। कोतलपुर व्यापार और वाणिज्य में भी कुछ ब्लॉकों से आगे है। दिन-प्रतिदिन बस्ती भी बढ़ रही है। हालांकि, इतिहास मिटा नहीं है। भद्र पारा में एक असाधारण पांच शिखर वाला मन्दिर है। इसका नाम श्रीधर ठाकुर का मन्दिर है। ऊंचाई लगभग 25 फीट है और इसकी स्थापना 1833 में हुई थी। मन्दिर की सामने की दीवार पौराणिक कथाओं के टेराकोटा अलंकरण से पूरी तरह सुसज्जित है। मन्दिर के बगल में गिरिगोवर्धन का मन्दिर है। इसकी ऊंचाई लगभग 30 फीट है। ये अद्वितीय स्थापत्य पैटर्न चूने-रेत के मिश्रण से बने हैं। मन्दिर में रक्षक, कृष्ण, काली आदि की टेराकोटा मूर्तियाँ हैं। हालाँकि, मन्दिर पर कोई पट्टिका नहीं है। स्थानीय लोगों के अनुसार, यह मन्दिर पास के श्रीधर मन्दिर के समकालीन भी है। दोनों मन्दिरों के संस्थापक भद्र परिवार हैं। संभवतः सत्रहवीं शताब्दी में उनके पूर्वज बर्दवान के मराल गाँव से यहाँ आए मन्दिर से सटे दुर्गादलन में 1875 में दुर्गापूजा की शुरुआत हुई थी। कुछ साल बाद, 1880 में, भगवान श्री श्री रामकृष्णदेव ने यहां पूजा का आयोजन किया। दुर्गा मन्दिर में एक पट्टिका भी है। भद्र परिवार के 16 शिखरों वाला रासमंचा भी दर्शनीय है। लेकिन अब, सफेद लेप के कारण, रासमंचा की जटिलता कुछ धुंधली पड़ गई है। इसके अलावा, बेनेपारा में 18वीं शताब्दी का नवरत्न दामोदर मन्दिर, उत्तरपारा में 16वीं शताब्दी का राधारमण जीउ मन्दिर और 1769 में हलधर पाड़ा में विष्णु मन्दिर भी समान रूप से शानदार हैं। इन पुरावशेषों या वास्तुकला के अलावा, इस क्षेत्र का पूजा उत्सव, कला, साहित्य और संस्कृति बहुत समृद्ध है। दुर्गा पूजा उत्सव के अलावा, रास, गजन मेला, शीतला, मनसा पूजा और टुसु-वडु गीत भी प्रस्तुत किए जाते हैं हालाँकि, स्थानीय लोग इस बात से नाराज़ हैं कि सरकार ने इन मन्दिरों या स्थानीय कला-संस्कृति को बढ़ावा देने के लिए कोई प्रयास नहीं किया है। आधिकारिक प्रचार-प्रसार न होने के कारण, पर्यटक मन्दिर की बेदाग़ शैली को देखने के लिए यहाँ नहीं आते। हस्तशिल्पियों को भी अपनी कलाकृतियों को प्रदर्शित करने का अवसर नहीं मिल पाता। मरम्मत के अभाव में मन्दिर नष्ट हो रहे हैं। प्रशासन से बार-बार गुहार लगाने के बावजूद, अब तक कोई कार्रवाई नहीं हुई है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photokotolpur :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
gokulnagarbengali : "গোকুলনগরঃ-গ্রামবাংলার পথে প্রান্তরে এমন কিছু মন্দির ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে যে শুধু একটা মন্দির দেখার জন্যই সেখানে যাওয়া যেতে পারে। তেমনই একটি মন্দির রয়েছে গোকুলনগরে। বেশ বড় এলাকা নিয়ে এই মন্দিরের অবস্থান। প্রচার বা আলোর বৃত্তের বাইরে পড়ে থাকা এই মন্দিরে গেলে মন ভরে যাবে। গোকুল শব্দটা শুনলেই বহু প্রচলিত প্রবাদবাক্যের কথা মনে পড়ে যায়, তোমারে বধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে। আর তার সঙ্গে সঙ্গে মানসপটে ভেসে ওঠে এক চিত্রকল্প-প্রচণ্ড ঝড়জলের রাত, কংসের কারাগার থেকে সদ্যোজাত কৃষ্ণকে মাথায় করে বসুদেব যমুনা পার হয়ে রেখে আসছেন গোকুলে নন্দের গৃহে, মা যশোদার কোলে। সে ইতিহাস তো বৃন্দাবনের। আর পশ্চিমবঙ্গে গোকুলনগরের অবস্থান কোথায় আর এ গোকুলনগরের সঙ্গে কৃষ্ণের সম্পর্কই বা কি? একটু ধৈর্য ধরে ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, বাঁকুড়া জেলার জয়পুর থানার গোকুলনগরে ছিল একসময় মল্লভূমের মল্ল রাজাদের রাজধানী। এই রাজধানী প্রদ্যুম্নপুর গড়ের দক্ষিণপূর্ব দিকে বৃন্দাবনের আদলে তৈরি করা হয়েছিল। সমুদ্র বাঁধ থেকে আগত যমুনার জলধারা গোকুলনগর গ্রামের দক্ষিণ দিক বরাবর, ও পূর্ব দিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বে পাশের গ্রাম কুচিয়াকোল থেকে আসা আর একটা জলধারার সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং সেই জলধারা আমোদর নাম নিয়ে বয়ে গেছে পুণ্যতীর্থ জয়রামবাটির পাশ দিয়ে। বৃন্দাবনের প্রায় ২০ কি.মি. পূর্বে যমুনা নদীর তীরে যেহেতু গোকুল, তাই বিষ্ণুপুরের প্রায় ২০ কি.মি. পূর্বে যমুনা বাঁধের তীরে, কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা মল্লরাজ তৈরি করেন, গোকুলের চাঁদ শ্রীকৃষ্ণের মন্দির এবং গোকুলনগর গ্রাম নিয়ে গুপ্তবৃন্দাবন। মন্দিরের দুপাশে রয়েছে দুটো বাঁধ। একদিকে যেমন দৃষ্টিনন্দন অন্য দিকে গোকুল চাঁদের প্রহরীরও কাজ করে।বাঁকুড়া জেলার উল্লেখযোগ্য প্রথম সারির পুরাকীর্তির অন্যতম হল গোকুলচাঁদ মন্দির। এটা জেলার বৃহত্তম মন্দির তো বটেই, এমনকি পশ্চিমবঙ্গেরও বৃহত্তম হতে পারে। মন্দিরকে ঘিরে আছে আয়তকার দুর্গের মতো পাথরের একটা প্রাচীর। পূর্ব দিকের প্রাচীরের মাঝখানে রয়েছে প্রধান প্রবেশদ্বার। তোরণদ্বার দিয়ে প্রবেশ করলে মাকড়া পাথরে তৈরি পূর্বমুখী মন্দিরটা নজরে আসবে। মন্দিরটা পঞ্চচূড়াবিশিষ্ট। এর মধ্যে মাঝের চূড়াটা বড় ও অষ্টকোণী। কোণের দিকের শিখরগুলি চারকোনা, পাতলা ও আশ্চর্য লাবণ্যময়। চারদিকে তিন খিলানযুক্ত বারান্দা ছাড়াও গর্ভগৃহের চারদিকে প্রদক্ষিণপথটা অত্যন্ত আকর্ষণীয়। মন্দিরের দক্ষিণ দিকের দেওয়ালে রয়েছে দশাবতার ও পৌরাণিক মূর্তির খোদাই কারুকার্য। মন্দিরটা মল্লরাজ প্রথম রঘুনাথ সিংহের রাজত্বকালে তৈরি। প্রাঙ্গণের দক্ষিণ দিক বরাবর সুবিশাল এক বেদির ওপর রয়েছে নাটমণ্ডপ। ভাঙাচোরা হলেও এখানে যে স্থাপত্যের পরিচয় রয়ে গেছে তা সত্যিই সুন্দর। এই মঞ্চটা ব্যবহৃত হতো কীর্তনমঞ্চ, সাধুনিবাস সংগ্রহশালা ও ভাগবত পাঠের মঞ্চ হিসাবে। এরকম একটা জমকালো মন্দির বিগ্রহহীন, পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে দেখলে অনুতাপ হয়, অথচ এই মন্দিরেই একসময় প্রতিদিন ১৮ কে.জি. সেদ্ধ চালের ভোগ রান্না হতো। কাঁচা শালপাতায় পোড়ানো পোস্ত ও কাঁচা কলাইয়ের ডাল ছিল ভোগের আবশ্যিক উপকরণ। এই খরচ আসতো দেবোত্তর সম্পত্তি থেকে। মন্দিরের পশ্চিম দিকে ছিল পাথরে বাঁধানো একটা কুয়ো। ওই কুয়োর জলেই পুজোর কাজ ও ভোগ রান্না হত। এই মন্দিরের কিছুটা উত্তরে একটি বাঁধানো পুকুরের পাড়ে প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংস্তুপের ওপর অপূর্ব এক বরাহ অবতারের মূর্তি, কিছুটা মাটিতে পোতা অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষেত্রপালজ্ঞানে পুজো করে থাকেন। গোকুলচাঁদ মন্দিরের আধ কিলোমিটার উত্তরে রয়েছে গন্ধেশ্বর শিবের পাথরের সাধারণ দেউল মন্দির। পূর্বমুখী মন্দিরের ভেতরে রয়েছে বৃহদাকার শিবলিঙ্গ। এরকম শিবলিঙ্গ সারা ভারতের মধ্যে অন্যতম এবং সম্ভবত পশ্চিমবঙ্গে বৃহত্তম। গর্ভগৃহের মধ্যে এক অপূর্ব মহিষমর্দিনী মূর্তি রয়েছে, যেটা আজও পূজিত হয় এবং ঐতিহাসিকদের ধারণা এটা পালযুগের তৈরি। মন্দিরের চারপাশে পুরনো মন্দিরের ভিত্তিবেদিসহ বহু ল্যাটেরাইট পাথরের চাঙড় ও শিলা ছড়ানো রয়েছে। ভিত্তিবেদি এবং চূড়ার শিলাগুলো যেরকমভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তাতে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অতীতে মন্দিরটা ছিল সাতটা রথের আকারের এবং উচ্চতা কমপক্ষে ৮০ ফুট। কোন সময়ে এই মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। গোকুলনগর কেবলমাত্র মল্লসংস্কৃতি বা মল্ল রাজাদের ইতিহাস নয়, গোকুলনগর ও তৎসংলগ্ন সলদা গ্রামের দক্ষিণ-পূর্বাংশ জুড়ে গড়ে উঠেছিল এক প্রাচীন সংস্কৃতি। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এই জায়গা পরিদর্শন করে বলেছিলেন, সলদা-গোকুলনগরের মাটির নীচে লুকিয়ে রয়েছে এক সম্ভাবনাময় প্রাচীন ঐতিহ্য, যা ঠিকমতো আবিষ্কৃত হলে সিন্ধু সভ্যতার ঐতিহ্যকে ম্লান করে দিত। সলদাতে বর্তমানে গাছতলায় জড়ো করা রয়েছে বহু জৈন ও হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি ও ভাঙা মন্দিরের ধংসস্তুপ। দেখতে বেশি সময় লাগল না বটে কিন্তু আরও খানিকক্ষণ থাকতে পারলে ভালো হতো। চোখ বুজে মুছে যাওয়া দিনগুলোর স্মৃতি কোন এক অদৃশ্য টাইমলাইনের মাধ্যমে অনুভব করা যেত। পুজো হচ্ছে, গান হচ্ছে, ভোগ রান্না হচ্ছে, মানুষজন দেখছে, এ তো অন্তর্দৃষ্টিতে দেখতেও ভাল লাগে। কিছু করার নেই। সময় কম। সূর্য ঢলে পড়ছে। চললাম জয়পুরের কিছু মন্দির দেখতে। মাঝে গোকুলনগর-জয়পুর স্টেশনের একটা দুটো ছবি তুলে চললাম জয়পুরের দিকে। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
gokulnagarenglish : "Gokulnagar:-On the way to rural Bengal, there are some temples scattered in the wilderness that can be visited just to see a temple only. There is such a temple in Gokulnagar. The area of this temple is quite large. If you go to this temple which is outside the circle of advertisement or importance, your mind will be filled up with expressive joy. When you hear the word Gokul, you remember the very common and widely used proverb of Hindu mythology ‘the one is growing in Gokul, who will kill you’. And with that, an imaginary night of a fierce storm floated in my mind, Basudev was crossing the Jamuna with the newborn Krishna on his head from the Kangsa’s prison to the house of Nanda at Gokul, in the lap of mother Yashoda. That is the history of Vrindavan. And where is the location of Gokulnagar in West Bengal and what is the relationship of Krishna with this Gokulnagar? If we review the history with a little patience, we will see that Gokulnagar of Jaipur police station in Bankura district was once the capital of the Malla kings of Mallabhum. The capital was modeled on Vrindavan, southeast of Pradyumnapur Garh. The Jamuna flows from the Samudra Dam along the south side of Gokulnagar village, and about a kilometer to the east and it joins another stream from the neighboring village of Kuchiakol and flows by the name of Amodar through the holy shrine Jayarambati. Gokul is about 20 km from Vrindavan. Since Gokul is on the east bank of the river Jamuna, it is about 20 km from Bishnupur. Formerly on the banks of the Jamuna Dam, rollicking with the love for Krishna, Mallaraj built Guptavrindavan with the temple of the Lord of Gokul, Sri Krishna and the village Gokulnagar. There are two dams on either side of the temple. On the one hand, Gokulnagar also acts as the watchman of the the temple and on the other side the implausible landscape.Gokulchand Temple is one of the notable first class antiquities of Bankura district. It is the largest temple in the district and may be the largest in West Bengal. The temple is surrounded by a stone wall like a rectangular fort. The main entrance is in the middle of the east wall. If you enter through the archway, you will see the east facing temple made of laterite stone. The temple has five pinnacle. The middle pinnacle is large and octagonal. The pinnacle at the corners are square, thin and surprisingly graceful. In addition to the three arched verandahs around, the orbit around the sanctum is very interesting. On the south wall of the temple there are carvings of ten incarnation of God and mythological idols. The temple was built during the reign of Mallaraj Raghunath-I. There is a stage on a huge altar along the south side of the courtyard. Though broken, the architectural identity that remains here is really beautiful. This stage was used as extolment stage, saint’s place to stay, museum and sadhunibas museum and holy lesson practicing. It is really a pity to see such a magnificent temple lying in an idol-free, abandoned condition. At times 18 kg boiled rice was cooked for Gods complacence. Roasted poppy seeds and raw pulses were the essential ingredients. This cost came from trust’s property. To the west of the temple was a stone well. Worshipping work and cooking was done with the water of that well. A little to the north of this temple, on the bank of a paved pond, on the ruins of an ancient temple, there is a beautiful statue of a pig incarnation, lying on the ground. The locals worship in the field. Half a kilometer north of Gokulchand temple is the common stone Deul temple of Gandheshwar Shiva. Inside the east-facing temple is a large Shivling. Such a Shivling is one of the largest in India and probably the largest in West Bengal. Inside the sanctum is a magnificent Durga idol, which is worshiped till today, and historians believe it was made during the Pal period. There are many laterite stones and rocks scattered around the temple, including the foundation of the old temple. Experts are of the opinion that the way the foundations and the rocks on the top are scattered, in the past the temple was the size of seven chariots and was at least 60 feet high. Research is still underway on when this temple was established. Gokulnagar is not only the history of Malla culture or Malla kings, but also an ancient culture developed in the south-eastern part of Gokulnagar and the adjoining village of Salda. Renowned historian Rakhaldas Bandyopadhyay visited the place and said that there is a potential ancient heritage hidden under the soil of Salda-Gokulnagar, which, if properly discovered, would have tarnished the heritage of the Indus Valley Civilization. At present there are many Jain and Hindu idols and ruins of broken temples gathered under the trees in Salda. It didn't take long to see, but it would have been nice to stay a little longer. The feeling of the invisible history of Gokulnagar could be relished in a timeline of past. There was worship, there was singing, there was cooking, people were watching, it is good to see it with insight. But we could not do anything for the shortage of time. The sun is setting. We went to see some temples in Jaipur. On the way I took a couple of pictures of Gokulnagar-Jaipur station and started towards Joypur. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
gokulnagarhindi : "गोकुलनगर:-ग्रामीण बंगाल के रास्ते में, जंगलों में बिखरे कुछ मन्दिर ऐसे हैं जिन्हें सिर्फ़ देखने के लिए ही जाया जा सकता है। गोकुलनगर में एक ऐसा ही मन्दिर है। इस मन्दिर का क्षेत्रफल काफी बड़ा है। विज्ञापन या महत्व के दायरे से बाहर इस मन्दिर में जाने पर आपका मन भावपूर्ण आनंद से भर जाएगा। गोकुल शब्द सुनते ही आपको हिंदू पौराणिक कथाओं की एक बहुत ही आम और व्यापक रूप से प्रयुक्त कहावत याद आती है, 'गोकुल में वही उग रहा है, जो तुम्हें मारेगा'। और इसके साथ ही, मेरे मन में एक भयंकर तूफ़ान की काल्पनिक रात तैरने लगी, जब बासुदेव नवजात कृष्ण को अपने सिर पर लेकर कंस की जेल से माता यशोदा की गोद में गोकुल में नंद के घर यमुना पार कर रहे थे। यही वृंदावन का इतिहास है। और पश्चिम बंगाल में गोकुलनगर कहाँ स्थित है और इस गोकुलनगर से कृष्ण का क्या संबंध है? यदि हम थोड़े धैर्य के साथ इतिहास का पुनरावलोकन करें तो पाएंगे कि बांकुड़ा जिले के जयपुर थाने का गोकुलनगर कभी मल्लभूम के मल्ल राजाओं की राजधानी थी। यह राजधानी प्रद्युम्नपुर गढ़ के दक्षिण-पूर्व में वृंदावन के अनुरूप बसाई गई थी। यमुना समुद्र बांध से गोकुलनगर गाँव के दक्षिण की ओर बहती हुई लगभग एक किलोमीटर पूर्व की ओर बहती है और पड़ोसी गाँव कुचियाकोल से एक अन्य धारा में मिल जाती है तथा पवित्र तीर्थस्थल जयरामबती से होकर अमोदर के नाम से प्रवाहित होती है। गोकुल वृंदावन से लगभग 20 किमी दूर है। चूँकि गोकुल यमुना नदी के पूर्वी तट पर है, इसलिए यह बिष्णुपुर से लगभग 20 किमी दूर है। पूर्व में यमुना बांध के तट पर, कृष्ण प्रेम में लिप्त मल्लराज ने गोकुल के स्वामी श्रीकृष्ण के मन्दिर और गोकुलनगर गाँव के साथ गुप्तवृंदावन का निर्माण किया था। एक ओर गोकुलनगर मन्दिर के प्रहरी का कार्य करता है तो दूसरी ओर अकल्पनीय परिदृश्य।गोकुलचंद मन्दिर बांकुड़ा जिले के उल्लेखनीय प्रथम श्रेणी के पुरावशेषों में से एक है। यह जिले का सबसे बड़ा मन्दिर है और संभवतः पश्चिम बंगाल का सबसे बड़ा मन्दिर होगा। मन्दिर एक आयताकार किले जैसी पत्थर की दीवार से घिरा हुआ है। मुख्य द्वार पूर्वी दीवार के मध्य में है। यदि आप मेहराबदार मार्ग से प्रवेश करते हैं, तो आपको लेटराइट पत्थर से बना पूर्वमुखी मन्दिर दिखाई देगा। मन्दिर में पाँच शिखर हैं। मध्य शिखर विशाल और अष्टकोणीय है। कोनों पर स्थित शिखर वर्गाकार, पतले और आश्चर्यजनक रूप से सुंदर हैं। चारों ओर तीन मेहराबदार बरामदों के अलावा, गर्भगृह के चारों ओर की परिक्रमा अत्यंत रोचक है। मन्दिर की दक्षिणी दीवार पर भगवान के दस अवतारों और पौराणिक मूर्तियों की नक्काशी है। मन्दिर का निर्माण मल्लराज रघुनाथ प्रथम के शासनकाल में हुआ था। प्रांगण के दक्षिण की ओर एक विशाल वेदी पर एक मंच है। यद्यपि यह खंडित है, फिर भी यहाँ जो स्थापत्य पहचान बनी हुई है वह वास्तव में सुंदर है। इस मंच का उपयोग प्रशंसा मंच, संतों के रहने के स्थान, संग्रहालय और साधुनिवास संग्रहालय और पवित्र पाठ अभ्यास के रूप में किया जाता था। ऐसे भव्य मन्दिर को मूर्तिविहीन, परित्यक्त स्थिति में पड़ा देखना वास्तव में दुख की बात है। कभी-कभी देवताओं की प्रसन्नता के लिए 18 किलो उबले हुए चावल पकाए जाते थे। भुने हुए खस और कच्ची दालें आवश्यक सामग्री थीं। यह लागत ट्रस्ट की संपत्ति से आती थी। मन्दिर के पश्चिम में एक पत्थर का कुआं था। उस कुएं के पानी से पूजा-अर्चना और खाना पकाने का काम किया जाता था। इस मन्दिर के थोड़ा उत्तर में, एक पक्के तालाब के किनारे, एक प्राचीन मन्दिर के खंडहर पर, एक सुअर अवतार की सुंदर मूर्ति जमीन पर लेटी हुई है। स्थानीय लोग मैदान में पूजा करते हैं। गोकुलचंद मन्दिर से आधा किलोमीटर उत्तर में गंधेश्वर शिव का सामान्य पत्थर का देउल मन्दिर है गर्भगृह के अंदर एक भव्य दुर्गा प्रतिमा है, जिसकी आज भी पूजा होती है और इतिहासकारों का मानना है कि इसका निर्माण पाल काल में हुआ था। मन्दिर के चारों ओर कई लैटेराइट पत्थर और चट्टानें बिखरी पड़ी हैं, जिनमें पुराने मन्दिर की नींव भी शामिल है। विशेषज्ञों का मानना है कि जिस तरह नींव और ऊपर की चट्टानें बिखरी पड़ी हैं, उससे पता चलता है कि पूर्व में मन्दिर सात रथों के आकार का और कम से कम 60 फीट ऊँचा था। इस मन्दिर की स्थापना कब हुई, इस पर अभी भी शोध चल रहा है। गोकुलनगर न केवल मल्ल संस्कृति या मल्ल राजाओं का इतिहास है, बल्कि गोकुलनगर के दक्षिण-पूर्वी भाग और निकटवर्ती साल्दा गाँव में विकसित एक प्राचीन संस्कृति का भी इतिहास है। प्रसिद्ध इतिहासकार राखालदास बंद्योपाध्याय ने इस स्थान का दौरा किया और कहा कि साल्दा-गोकुलनगर की मिट्टी के नीचे एक संभावित प्राचीन धरोहर छिपी है, जिसकी यदि ठीक से खोज की जाती, तो सिंधु घाटी सभ्यता की विरासत धूमिल हो जाती। वर्तमान में साल्दा में पेड़ों के नीचे कई जैन और हिंदू मूर्तियाँ और टूटे हुए मन्दिरों के खंडहर एकत्रित हैं। देखने में ज़्यादा समय नहीं लगा, लेकिन थोड़ा और रुकना अच्छा होता। गोकुलनगर के अदृश्य इतिहास का एहसास अतीत की किसी कालरेखा में ताज़ा हो सकता था। वहाँ पूजा-अर्चना थी, गीत-संगीत था, खाना पक रहा था, लोग देख रहे थे, इसे ध्यान से देखना अच्छा लगता है। लेकिन समय की कमी के कारण हम कुछ नहीं कर पाए। सूरज ढल रहा था। हम जयपुर के कुछ मन्दिर देखने गए। रास्ते में मैंने गोकुलनगर-जयपुर स्टेशन की कुछ तस्वीरें लीं और जयपुर की ओर चल पड़ा। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photogokulnagar :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
joypurbengali : "জয়পুরঃ-বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী অঞ্চল জয়পুরে, এক দিকে রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অন্য দিকে ইতিহাসের পদধ্বনি। তবে প্রচারের অভাবের খুব কম লোকই এখানে আসেন। জয়পুর গ্রাম, বিষ্ণুপুর থেকে মাত্র আঠারো কিলোমিটার দূরে। জয়পুরে দে-পাড়া ও দত্তপাড়ায় দুটো পোড়ামাটির নবরত্ন মন্দির রয়েছে। দত্ত ও দে-রা স্থানীয় জমিদার পরিবার, ও অতীতে বিশিষ্ট কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন। গ্রামের সরু গলি দিয়ে মন্দির দুটোতে যাওয়ার পথ। প্রথমে আমরা একটা ছোট সংস্কারকৃত রেখ দেউল দেখে এবং আমাদের বাঁদিক দিকে ট্রিপল প্রবেশদ্বার সহ একটা আটচালা মন্দির দেখি। দেউলের প্রবেশপথের ঠিক ওপরে, একটা ঘোড়ার উপর দু-জন ব্যক্তিকে চিত্রিত একক টেরাকোটার মূর্তি আছে। এখানে নিয়মিত পুজো হয়। পথে আরও কয়েকটা জরাজীর্ণ আটচালা মন্দিরের কাঠামো, আর একটা সুন্দর স্টাকৌ কাজ সহ সমতল ছাদযুক্ত কাঠামো দেখতে পাওয়া যায়। পুরো কাঠামোটাতে ফাটল ধরেছে আর কালের প্রবাহে তা অস্পষ্ট হয়ে আসছে। দত্ত পরিবারের বিশাল, কিন্তু ধ্বংসপ্রাপ্ত পৈতৃক বাসভবন রয়েছে জয়পুরে। অতীতে এই পরিবার বিখ্যাত কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন। তাদের ব্যবসা পাঞ্জাবের কিছু জায়গা, জলন্ধর এবং অমৃতসর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। দত্তদের কেটি হ্যান্ডলুম কাপড় তৈরির এক বিশাল ব্যবসা ছিল। তবে গত তিন প্রজন্ম ধরে এই ব্যবসা ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু এবং বর্তমানে সম্ভবত নেই। কিছুদূর হেঁটে, জয়পুরের বিখ্যাত রাধাদামোদর নবরত্ন মন্দির এবং দত্ত পাড়ায় দেবী চণ্ডী মন্দিরে পৌঁছলাম। একটা বর্গক্ষেত্রের উপর দাঁড়িয়ে, দক্ষিণ মুখী দ্বিতল নবরত্ন মন্দির প্রায় চল্লিশ ফুট লম্বা। মন্দিরে কোনও ভিত্তির তারিখ লেখা নেই। জমিদার এবং ধনী বণিকদের দ্বারা নির্মিত এই মন্দির, ঊনবিংশ শতাব্দীর বলে স্থানীয় মানুষজন মনে করেন। মন্দিরের পূর্ব এবং দক্ষিণ দিক থেকে দুটো ত্রিখিলান বিশিষ্ট প্রবেশ পথ রয়েছে। নিচতলায়, কেবল বেস প্যানেলগুলো ছাড়া বাকি অংশে পোড়ামাটির কাজ রয়েছে। ওপরের তলার দক্ষিণ পাশে একটি ট্রিপল খিলানযুক্ত গেটওয়ে রয়েছে যার বাঁকানো প্যানেলে পোড়ামাটির কাজ রয়েছে। এই তলটার অন্য তিনদিকে ত্রিখিলান আকৃতির কাঠামো রয়েছে তবে গেটওয়ে নেই। দত্তপাড়া মন্দির দেখার পরে আমরা আরও কিছুদূর হেঁটে দে-পাড়া পৌঁছে গেলাম। দত্তদের মতো, দে পরিবারও অতীতে বিখ্যাত কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁরা কুটনি পোশাক তৈরি করেছিলেন, যা প্রাকৃতিকভাবে রঙ করা রেশম এবং সুতির সুতোর তৈরি। দে-পাড়ায় আরও একটা নবরত্ন মন্দির রয়েছে যার উচ্চতাও প্রায় চল্লিশ ফুট। তবে বেসটা দত্ত পাড়া মন্দিরের তুলনায় অনেক বেশি এবং সিঁড়ির উপরে ওঠার দুটো পৃথক ফ্লাইট রয়েছে। মন্দিরটা রয়েছে পারিবারিক জায়গার ভেতরে। মন্দিরের সামনে একটা গভীর কুয়ো আছে। দত্তদের মতো এই মন্দিরটাও পরিবারের মালিকরা রক্ষণাবেক্ষণ করেন। আগের মন্দিরগুলোর মতো এই মন্দিরটারও অনুরূপ কাঠামো ও একই রকম স্থাপনার ন-টা চূড়া রয়েছে। প্রবেশপথ দক্ষিণ ও পূর্ব দিক থেকে এবং অভ্যন্তরীণ অংশে আন্তঃসংযুক্ত করিডোর রয়েছে। মন্দিরটা দ্বিতল। বর্তমানে এটা কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে। তবে এই মন্দিরের দরজায় কোনও কাঠের কাজ নেই। একটা প্যানেলে রাম, অশ্বমেধের ঘোড়া পুনরুদ্ধার করতে অবিচ্ছিন্নভাবে তাঁর পুত্রদের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন ও ঋষি বাল্মীকি তাতে হস্তক্ষেপ করছেন। এখানে হনুমানকে রাম ও লব-কুশের থেকে দূরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। রামের সৈন্য ও ভ্রাতৃগণকে অশ্বমেধের ঘোড়ার সাথে বেঁধে রাখতে দেখা যায়। মন্দিরের প্রবেশদ্বারের ঠিক ওপরে অবস্থিত সর্বশেষ প্যানেলে ফুলের পটভূমিতে দুটো সিংহ একে অপরের মুখোমুখি রয়েছে। বাঁদিকের খিলান প্যানেলটা মূলত রামরাবণের যুদ্ধের বিবরণ দেয়। নিবিষ্টভাবে তাকালে নীচে একটি খুব ছোট প্যানেলে দেখা যায়, রাম সোনার হরিণের দিকে তীর চালাচ্ছেন। দে-পাড়া মন্দির থেকে কয়েক মিনিটের হাঁটা পথে পড়বে একটা অষ্টভুজাকার রাসমঞ্চ। তবে এটাতে কোনও পোড়ামাটির কাজ নেই। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
joypurenglish : "Jaipur:-Joypur, near Bishnupur, has natural beauty on one side and the footsteps of history on the other. However, very few people come here due to lack of publicity. Joypur village is only eighteen kilometers away from Bishnupur. There are two terracotta nine pinnacle temples at Depara and Dattapara in Joypur. Dutt and Dey were local zamindar families, and prominent cloth merchants in the past. The way to the two temples is through the narrow alley of the village. First we saw a small renovated Rekh Deul style temple and to our left we saw an Bengal Atchala style temple with a triple entrance. Just above the entrance to the temple, there is a single terracotta statue depicting two people on a horse. There is regular worship performed here. Along the way one can see a few more dilapidated Bengal Atchala style temple structures, and a flat roofed structure with a beautiful stucco work. The whole structure is cracked and it is getting blurred in the course of time. The Dutta family has a large, but dilapidated ancestral home in Joypur. In the past this family was famous cloth merchants. Their business extended to some places in Punjab, Jalandhar and Amritsar. Dutta had a huge business making Koti handloom fabrics. However, over the last three generations, the business has been declining and probably does not exist now. After walking some distance, we reached the famous Radhadamodar nine pinnacle temple in Joypur and Devi Chandi temple in Dattapara. Standing on a square platform, the south-facing two-story nine pinnacle temple is about forty feet long. There is no foundation date written in the temple. Built by landlords and wealthy merchants, the temple dates back to the 19th century. There are two tri gated entrances to the east and south of the temple. Downstairs, except for the base panels, there is terracotta work. On the south side of the upper floor is a triple arched gateway with curved panels with terracotta work. The other three sides of this floor have triangular shaped structures but no gateway. After visiting the Dattapara temples, we walked a little further and reached De-para. Like the Duttas, the Dey family was a famous cloth merchant in the past. They made Kutni garments, which were made of naturally dyed silk and cotton yarn. There is another nine pinnacle temple in Depara which is about forty feet high. However, the base is much higher than the Dattapara temple and there are two separate flights to climb the stairs. The temple is inside the family space. There is a deep well in front of the temple. Like the Duttas, this temple is also maintained by the family owners. Like the previous temples, this temple has a similar structure and nine pinnacles of similar installation. The entrance is on the south and east sides and there are interconnected corridors in the interior. The temple has two floors. At present it has been somewhat renewed. However, there is no wood work on the door of this temple. In a panel, Rama is fighting relentlessly against his sons Lov and Kush to recover Ashwamedha's horse and Sage Balmiki is intervening. Here Hanuman is seen standing away from Rama and Lob-Kush. Rama's soldiers and brothers are seen tied to Ashwamedha's horse. On the last panel just above the entrance to the temple, two lions are facing each other in the background of flowers. The arch panel on the left basically gives the details of the battle of Ram and Ravana. A closer look at a very small panel below shows Ram shooting an arrow at a golden deer. An octagonal Rasmancha will be found with few minutes walk from Depara temple. However, there is no terracotta work in it. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
joypurhindi : "जयपुर:-बिष्णुपुर के निकट स्थित जयपुर में एक ओर प्राकृतिक सौंदर्य है तो दूसरी ओर इतिहास की झलक। हालाँकि, प्रचार-प्रसार के अभाव में यहाँ बहुत कम लोग आते हैं। जयपुर गाँव बिष्णुपुर से केवल अठारह किलोमीटर दूर है। जयपुर के देपारा और दत्तापारा में दो टेराकोटा नौ शिखर मन्दिर हैं। दत्त और डे स्थानीय ज़मींदार परिवार थे और अतीत में प्रमुख कपड़ा व्यापारी थे। दोनों मन्दिरों का रास्ता गाँव की संकरी गली से होकर जाता है। सबसे पहले हमने एक छोटा सा पुनर्निर्मित रेख देउल शैली का मन्दिर देखा और हमारे बाईं ओर हमें एक बंगाल अचला शैली का मन्दिर दिखाई दिया जिसमें तीन प्रवेश द्वार हैं। मन्दिर के प्रवेश द्वार के ठीक ऊपर, एक टेराकोटा की मूर्ति है जिसमें घोड़े पर दो लोगों को दर्शाया गया है। यहाँ नियमित पूजा होती है। रास्ते में कुछ और जीर्ण-शीर्ण बंगाल अचला शैली के मन्दिर संरचनाएँ और एक सपाट छत वाली संरचना दिखाई देती है जिस पर सुंदर प्लास्टर का काम किया गया है। पूरी संरचना में दरारें हैं और समय के साथ यह धुंधली होती जा रही है। जोयपुर में दत्ता परिवार का एक बड़ा, लेकिन जीर्ण-शीर्ण पैतृक घर है। अतीत में यह परिवार प्रसिद्ध कपड़ा व्यापारी था। उनका व्यवसाय पंजाब, जालंधर और अमृतसर के कुछ स्थानों तक फैला हुआ था। दत्ता का कोटि हथकरघा वस्त्र बनाने का बहुत बड़ा व्यवसाय था। हालाँकि, पिछली तीन पीढ़ियों से, व्यवसाय में गिरावट आई है और शायद अब इसका अस्तित्व ही नहीं है। कुछ दूर चलने के बाद, हम जोयपुर के प्रसिद्ध राधादामोदर नौ शिखर मन्दिर और दत्तापारा के देवी चंडी मन्दिर पहुँचे। एक चौकोर चबूतरे पर खड़ा, दक्षिणमुखी दो मंजिला नौ शिखर मन्दिर लगभग चालीस फीट लंबा है। मन्दिर में कोई नींव तिथि नहीं लिखी है। जमींदारों और धनी व्यापारियों द्वारा निर्मित, यह मन्दिर 19वीं शताब्दी का है। मन्दिर के पूर्व और दक्षिण में दो त्रिकोणीय प्रवेश द्वार हैं इस मंजिल के अन्य तीन किनारों पर त्रिकोणीय संरचनाएँ हैं, लेकिन कोई प्रवेश द्वार नहीं है। दत्तापारा मन्दिरों के दर्शन करने के बाद, हम थोड़ा आगे चलकर दे-पारा पहुँचे। दत्ता परिवार की तरह, डे परिवार भी अतीत में एक प्रसिद्ध कपड़ा व्यापारी था। वे कुटनी वस्त्र बनाते थे, जो प्राकृतिक रूप से रंगे रेशम और सूती धागे से बनते थे। देपारा में एक और नौ शिखरों वाला मन्दिर है जो लगभग चालीस फीट ऊँचा है। हालाँकि, इसका आधार दत्तापारा मन्दिर से काफ़ी ऊँचा है और ऊपर चढ़ने के लिए दो अलग-अलग सीढ़ियाँ हैं। मन्दिर परिवार के घर के अंदर है। मन्दिर के सामने एक गहरा कुआँ है। दत्ता परिवार की तरह, इस मन्दिर की देखभाल भी परिवार के मालिक करते हैं। पिछले मन्दिरों की तरह, इस मन्दिर की भी संरचना और नौ शिखरों पर समान स्थापना है। प्रवेश द्वार दक्षिण और पूर्व दिशा में है और भीतरी भाग में आपस में जुड़े गलियारे हैं। मन्दिर दो मंजिलों का है। वर्तमान में इसका कुछ नवीनीकरण किया गया है। हालाँकि, इस मन्दिर के द्वार पर लकड़ी का कोई काम नहीं है। एक पैनल में, राम अश्वमेध के घोड़े को वापस पाने के लिए अपने पुत्रों लव और कुश से लगातार लड़ रहे हैं और ऋषि बाल्मीकि बीच-बचाव कर रहे हैं। यहाँ हनुमान राम और लोभ-कुश से दूर खड़े दिखाई दे रहे हैं। राम के सैनिक और भाई अश्वमेध के घोड़े से बंधे हुए दिखाई दे रहे हैं। मन्दिर के प्रवेश द्वार के ठीक ऊपर आखिरी पैनल पर, फूलों की पृष्ठभूमि में दो शेर एक-दूसरे के आमने-सामने हैं। बाईं ओर का मेहराबदार पैनल मूल रूप से राम और रावण के युद्ध का विवरण देता है। नीचे एक बहुत छोटे पैनल को करीब से देखने पर राम एक सुनहरे हिरण पर बाण चलाते हुए दिखाई देते हैं। देपरा मन्दिर से कुछ मिनट की पैदल दूरी पर एक अष्टकोणीय रासमंचा मिलेगा। हालाँकि, इसमें कोई टेराकोटा कार्य नहीं है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photojoypur :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
chinnamastabengali : "ছিন্নমস্তা মন্দিরঃ-ছিন্নমস্তা হলেন এক হিন্দু দেবী। তিনি ছিন্নমস্তিকা বা প্রচণ্ডচণ্ডিকা নামেও পরিচিত। মহাবিদ্যা নামে পরিচিত যে দশ দেবীর পুজো গুহ্য তান্ত্রিক সাধনার অঙ্গ, ছিন্নমস্তা হলেন তাদেরই অন্যতম। তিনি হিন্দুধর্মে মহাশক্তি নামে পরিচিত ও মাতৃকারূপী ঈশ্বরের একটা ভয়ংকরী মূর্তিবিশেষ। ছিন্নমস্তা নগ্ন অবস্থায় মৈথুনরত দিব্য যুগলের ওপর দণ্ডায়মান বা উপবিষ্ট অবস্থায় থাকেন। তার এক হাতে থাকে বাঁকা তরবারি। নিজেই সেই তরবারি দ্বারা নিজের মস্তক ছিন্ন করেন এবং অপর হাতে সেই ছিন্ন মস্তক ধৃত অবস্থায় থাকে। তাঁর কণ্ঠনালি থেকে সবেগে বেরিয়ে আসে রক্তের তিন ধারা পান করেন তার ছিন্ন মস্তক এবং দুই সহচরী। ছিন্নমস্তার মূর্তিকল্পে পরস্পরবিরোধী ধারণার পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি একাধারে জীবনদাত্রী ও জীবনহন্ত্রী দেবী। ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে তাকে ইন্দ্রিয়-সংযম অথবা যৌনশক্তির প্রতীক মনে করা হয়। তিনি একদিকে যেমন মৃত্যু, পার্থিব বিষয় ও ধ্বংসের প্রতীক, তেমনই অন্যদিকে জীবন, অনৈতিকতা ও পুনঃসৃজনেরও প্রতীক। ছিন্নমস্তা আধ্যাত্মিক আত্মোপলব্ধি ও কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরণের দেবী। ছিন্নমস্তা সংক্রান্ত কিংবদন্তিগুলোতে তাঁর আত্মবলিদান এবং কখনও তার সঙ্গে একটা মাতৃসুলভ দৃষ্টিভঙ্গি, ইন্দ্রিয়-সংযম ও আত্মবিধ্বংসী ক্রোধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়ে থাকে। হিন্দুধর্মের শক্তিপূজা-কেন্দ্রিক শাক্ত সম্প্রদায়ের মধ্যে দেবী ছিন্নমস্তার পুজো প্রচলিত। অন্যতম মহাবিদ্যা হিসেবে হিন্দু দেবমণ্ডলে বিশেষ স্থানের অধিকারিণী হলেও ছিন্নমস্তার মন্দিরের সংখ্যা খুবই কম, এবং সর্বজনীনভাবেও তাঁর পুজো বিশেষ করা হয় না। ছিন্নমস্তার অধিকাংশ মন্দির নেপাল ও পূর্ব ভারতেই অবস্থিত। তবে তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সুপরিচিত তান্ত্রিক দেবী। গুহ্য তন্ত্রসাধকেরা তার পুজো করে থাকেন। তিব্বতি বৌদ্ধ দেবী বজ্রযোগিনীর ছিন্নমস্তক রূপের সঙ্গে, দেবী ছিন্নমস্তার একটি বিশেষ যোগ রয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার এক ব্যবসায়ী কৃষ্ণ মোহন গুঁই, ৯৩ বছর বয়সে স্বপ্নাদেশ পেয়ে, বিষ্ণুপুর শহরের দলমাদল রোডে ছিন্নমস্তা মন্দির তৈরি করেছিলেন। তার আগে, শহরের তুড়কি আশ্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে, তিনি প্রায়শই এখানে আসতেন। মন্দিরে রাজস্থান থেকে আনা মা ছিন্নমস্তার মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নিত্য পুজোর পাশাপাশি, প্রতি অমাবস্যায় মায়ের বিশেষ পুজো ও ভোগ নিবেদন করা হয়। জানা গেছে, এছাড়াও ফি বছর শ্রাবণ মাসে মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন, ভক্তদের জন্যে বিশেষ পুজোপাঠ ও অন্নভোগের আয়োজন করা হয়। ওই দিন হাজার হাজার ভক্ত মন্দিরে উপস্থিত হয়ে প্রসাদ গ্রহণ করেন। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
chinnamastaenglish : "Chhinnamasta Temple:-Chhinnamasta is a Hindu goddess. She is also known as Chhinnamastika or Prachandachandika. Chhinnamasta is one of the ten goddesses worshiped in the occultist practice known as Mahavidya. She is a terrifying idol of God, known as Mahashakti in Hinduism. Chhinnamasta is standing nacked on the divine couple who are having in association. She has a curved sword in one hand. She cuts off her own head with the sword and holds the severed head in her other hand. Three streams of blood rushed out of his throat and she drank one with her severed head along with her and two companions. Conflicting ideas are identified in the Chhinnamasta sculpture. She is both a life-giver and a life-taker goddess. Based on the interpretation, she is considered to be a symbol of sensual restraint or sexual power. She is a symbol of death, destruction of worldliest, as well as of life, immorality, and revival. Chhinnamasta is the goddess of spiritual self-realization and awakening of self-energy. Legends of Chhinnamasta emphasize her self-sacrifice and sometimes a motherly attitude, self-control and self-destructive anger. The worship of Goddess Chhinnamasta is prevalent in the Shakto community centered on Shakti Puja in Hinduism. Although one of the Mahavidyas holds a special place in the God’s community, yet the number of Chhinnamasta temples is very fewer, and her worship is not made public. Most of the temples in Chhinnamasta are located in Nepal and eastern India. But she is an important and well-known Tantric goddess. The occultists worship her. Goddess Chinnamasta has much similarity with the Tibetan Buddhist goddess Vajrayogini.Krishna Mohan Gui, a businessman from West Midnapore district, got a dream order at the age of 93 and built the Chhinnamasta temple on Dalmadal Road in Bishnupur town. Before that, he used to come here often because of his association with the ‘Turki Ashram’ in the city. The idol of mother Chhinnamasta brought from Rajasthan and has been installed in the temple. In addition to the regular worship, special worship and oblation of the mother is offered every new moon. It is learned that on the day of establishment of the temple in the Bengali month of Shravana, a special worship and banquet festival is organized for the devotees. On that day thousands of devotees came to the temple and received offerings by the Mother. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
chinnamastahindi : "छिन्नमस्ता मन्दिर:-छिन्नमस्ता एक हिंदू देवी हैं। इन्हें छिन्नमस्तिका या प्रचंडचंडिका के नाम से भी जाना जाता है। छिन्नमस्ता महाविद्या नामक तंत्र-मंत्र में पूजी जाने वाली दस देवियों में से एक हैं। ये भगवान की एक भयानक मूर्ति हैं, जिन्हें हिंदू धर्म में महाशक्ति के रूप में जाना जाता है। छिन्नमस्ता दैवीय दंपत्ति के ऊपर झुकी हुई खड़ी हैं जो क्रीड़ा कर रहे हैं। इनके एक हाथ में घुमावदार तलवार है। तलवार से ये अपना ही सिर काट लेती हैं और दूसरे हाथ में कटा हुआ सिर थामे रहती हैं। इनके गले से रक्त की तीन धाराएँ निकलीं और इन्होंने अपने कटे हुए सिर के साथ एक धारा को अपने और दो सखियों के साथ पी लिया। छिन्नमस्ता मूर्ति में परस्पर विरोधी विचारों की पहचान की गई है। ये जीवनदायिनी और जीवन लेने वाली दोनों देवी हैं। व्याख्या के आधार पर इन्हें कामुक संयम या यौन शक्ति का प्रतीक माना जाता है। ये मृत्यु, सांसारिक विनाश के साथ-साथ जीवन, अनैतिकता और पुनरुत्थान की प्रतीक हैं। छिन्नमस्ता आध्यात्मिक आत्म-साक्षात्कार और आत्म-ऊर्जा के जागरण की देवी हैं। छिन्नमस्ता की किंवदंतियाँ उनके आत्म-बलिदान और कभी-कभी मातृत्व भाव, आत्म-संयम और आत्म-विनाशकारी क्रोध पर ज़ोर देती हैं। देवी छिन्नमस्ता की पूजा हिंदू धर्म में शक्ति पूजा पर केंद्रित शाक्त समुदाय में प्रचलित है। यद्यपि महाविद्याओं में से एक छिन्नमस्ता का देवताओं के समुदाय में विशेष स्थान है, फिर भी छिन्नमस्ता मन्दिरों की संख्या बहुत कम है, और उनकी पूजा सार्वजनिक रूप से नहीं की जाती है। छिन्नमस्ता के अधिकांश मन्दिर नेपाल और पूर्वी भारत में स्थित हैं। लेकिन वह एक महत्वपूर्ण और प्रसिद्ध तांत्रिक देवी हैं। तांत्रिक लोग उनकी पूजा करते हैं। देवी छिन्नमस्ता में तिब्बती बौद्ध देवी वज्रयोगिनी के साथ कई समानताएँ हैं।पश्चिम मिदनापुर जिले के एक व्यापारी कृष्ण मोहन गुई को 93 वर्ष की आयु में स्वप्न में आदेश मिला और उन्होंने बिष्णुपुर शहर के दलमादल रोड पर छिन्नमस्ता मन्दिर का निर्माण कराया। इससे पहले, शहर के 'तुर्की आश्रम' से जुड़े होने के कारण, वह अक्सर यहाँ आते थे। राजस्थान से माँ छिन्नमस्ता की मूर्ति लाकर मन्दिर में स्थापित की गई है। नियमित पूजा के अलावा, हर अमावस्या को माँ की विशेष पूजा और भोग लगाया जाता है। ज्ञातव्य है कि बंगाली श्रावण मास में मन्दिर स्थापना के दिन भक्तों के लिए विशेष पूजा और भोज उत्सव का आयोजन किया जाता है। उस दिन हज़ारों भक्त मन्दिर में आकर माँ का प्रसाद ग्रहण करते हैं। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photochinnamasta :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
dalmadalkamanbengali : "দলমাদল কামানঃ-বিষ্ণুপুরে অসাধারণ সব মন্দির এবং টেরাকোটার আইকনিক ঘোড়ার পাশাপাশি নজর কাড়ে একটা কামান, যার নাম দলমাদল। স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী, এই কামান নাকি চালিয়েছিলেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের আর এক রূপ মদনমোহন। মহাভারতের যুদ্ধে শ্রীকৃষ্ণ অস্ত্র হাতে না নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। একবার রথের চাকা তুলে নিলেও, সঙ্গে সঙ্গেই নিরস্ত্র হয়েছিলেন। কিন্তু এই রাজ্যে বর্গী হামলা আটকাতে, তিনিই নাকি কামান চালিয়েছিলেন। নিজের মন্দির থেকে বেরিয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন মদনমোহন। এই সব ঘটনা যে সময়ের, তখন বিষ্ণুপুর ছিল বীর মল্লরাজাদের রাজভূমি। অষ্টাদশ শতকে বাংলায় তখন চলছে ঘোর যুদ্ধবিগ্রহ। আজ বর্গী আসে তো কাল অন্য হানাদার। কথিত আছে, এমনই এক বর্গী হামলার সময়, মল্লরাজাদের সেনাবাহিনী হামলাকারীদের আক্রমণের সামনে তখন পিছু হটছে। মল্লরাজ গোপাল সিংহ দেবের পরাজয় যখন নিশ্চিত, রাজা তখন ঈশ্বরের উপরে ভরসা রেখে মন্দিরে উপাসনা করছেন। সেই সময় তিনি জানতে পারেন যে, মদনমোহনের মন্দির থেকে স্বয়ং ভগবান বেরিয়ে এসে বর্গীদের লক্ষ্য করে কামান চালাচ্ছেন। ঈশ্বর তাঁদের হয়ে যুদ্ধ করছেন, এই কথা শুনে মল্লরাজার সৈন্যদের মনোবল বেড়ে যায়। তাঁরা ফিরে এসে বীরবিক্রমে এমন যুদ্ধ করেন যে ভাস্কর রাওয়ের নেতৃত্বে বর্গীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। সেই থেকে বাংলার বুকে বীরত্বের প্রতীক হয়ে আছে দলমাদল কামান। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
dalmadalkamanenglish : "Dalmadal Cannon:-There are All the remarkable temples and the iconic terracotta horse in Bishnupur, side by side and old canon named Dalmada is also a tourist attraction. According to local folklore, this cannon was fired by God Madan Mohan himself, who is another form of Lord Krishna. In the battle of Mahabharata, Lord Krishna promised not to take up arms. Once he lifted the wheel of the chariot, but he was immediately disarmed himelf. But God Madan Mohan was the one who fired the cannon to stop the Bargi attack in this state. God Madan Mohan came out of his temple and took up arms. At the time when all these events took place, Bishnupur was the kingdom of the heroic Malla kings. In the eighteenth century a great war was going on in Bengal. Today Bargis are coming, tomorrow another aggressor. It is said that during such a Bargi attack, the army of the Mallarajas was retreating. When the defeat of Mallaraja Gopal Singh Dev is certain, the king was worshiping in the temple relying on God. At that time, he came to know that God Himself had come out of Madan Mohan's temple and was firing cannons at the Bargis. Hearing the news that God is fighting for them, the morale of Mallaraja's soldiers increased. They returned, they fought so valiantly that the Bargis, led by Bhaskar Rao, were forced to retreat. Since then, Dalmadal cannon has become a symbol of heroism in Bengal. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
dalmadalkamanhindi : "दलमादल तोप:-बिष्णुपुर में सभी उल्लेखनीय मन्दिर और प्रतिष्ठित टेराकोटा घोड़ा हैं, साथ ही दलमादा नाम की पुरानी तोप भी पर्यटकों के आकर्षण का केंद्र है। स्थानीय लोककथाओं के अनुसार, इस तोप को स्वयं भगवान मदन मोहन ने चलाया था, जो भगवान कृष्ण के ही एक रूप हैं। महाभारत के युद्ध में भगवान कृष्ण ने हथियार न उठाने की प्रतिज्ञा की थी। एक बार उन्होंने रथ का पहिया उठाया, लेकिन वे तुरंत ही निहत्थे हो गए। लेकिन भगवान मदन मोहन ही थे जिन्होंने इस राज्य में बरगी हमले को रोकने के लिए तोप चलाई थी। भगवान मदन मोहन अपने मन्दिर से बाहर आए और हथियार उठा लिए। जिस समय ये सारी घटनाएँ घटीं, बिष्णुपुर वीर मल्ल राजाओं का राज्य था। अठारहवीं शताब्दी में बंगाल में भीषण युद्ध चल रहा था। आज बरगी आ रहे हैं, कल दूसरा आक्रमणकारी। कहा जाता है कि ऐसे ही एक बरगी हमले के दौरान मल्लराजाओं की सेना पीछे हट रही थी। जब मल्लराजा गोपाल सिंह देव की हार निश्चित हो गई, तो राजा भगवान पर भरोसा करके मन्दिर में पूजा कर रहे थे। तभी उन्हें पता चला कि मदन मोहन के मन्दिर से स्वयं भगवान निकलकर बर्गियों पर तोपें बरसा रहे हैं। यह समाचार सुनकर कि भगवान उनके लिए लड़ रहे हैं, मल्लराज के सैनिकों का मनोबल बढ़ गया। वे वापस लौटे, उन्होंने इतनी वीरता से युद्ध किया कि भास्कर राव के नेतृत्व में बर्गियों को पीछे हटने पर मजबूर होना पड़ा। तब से दलमादल तोप बंगाल में वीरता का प्रतीक बन गई। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photodalmadal :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
lalbandhbengali : "লালবাঁধঃ-লালবাঁধের একটা লোককথা আছে। রঘুনাথ সিংহের রাজত্বকাল থেকেই বিষ্ণুপুর রাজ্যে স্বর্ণযুগের সূচনা ঘটে। তার আমলে বিষ্ণুপুরে নয়নাভিরাম প্রাসাদ ও মন্দির নির্মিত হয়। রঘুনাথের আমলেই বিষ্ণুপুরের সংগীত চারদিকে বিখ্যাত হয়ে পড়ে। এই রঘুনাথকে ঘিরে বাংলা সাহিত্যের অনেক প্রাচীন প্রেমকাহিনী আছে। জানা যায়, বরোদার পাঠান রহিম খাঁকে খুন করে, সেখানকার সব লুট করা ধনরত্নের সঙ্গে, রহিম খাঁর অসাধারণ রূপসী বেগম, নর্তকী লালবাঈকে, রঘুনাথ নিয়ে আসেন এই বিষ্ণুপুরে। নর্তকী লালবাঈয়ের রূপ-সৌন্দর্যে ভুলে, রাজকাজও ভুলতে থাকেন রঘুনাথ। শুধু তাই নয়, লালবাঈয়ের মোহে, ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাঁর প্রজাদেরও ইসলাম ধর্মে, ধর্মান্তর করাতে শুরু করেন। রঘুনাথের এই আচরণে ক্ষুব্ধ হন তাঁর প্রথম স্ত্রী। একদিন তিনি রঘুনাথকে হত্যা করেন, এবং সেইসঙ্গে বিষ্ণুপুরের আটটা বাঁধের অন্যতম বাঁধ, লালবাঁধের দীঘির জলে লালবাঈকে ডুবিয়ে মেরে ফেলে, স্বামীর সাথে জ্বলন্ত চিতায় সতী হন। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
lalbandhenglish : "Lalbandh:-There is a folktale about Lalbandh. The golden age of Bishnupur began in the reign of Raghunath Singh. During his reign, beautiful palaces and temples were built in Bishnupur. During the reign of Raghunath, the music of Bishnupur became famous all around. There are many ancient love stories in Bengali literature around this Raghunath. It is known that Raghunath killed the Pathan of Baroda, Rahim Khan, and looted treasures there along with Rahim Khan's extraordinary beautiful wife, dancer Lalbai and brought her to Bishnupur. Forgetting everything with the beauty of dancer Lalbai, Raghunath also forgets kingdom. Not only that, in the desirability of Lalbai, he was attracted to Islam and started converting his subjects to Islam. Raghunath's first wife was angry with this behavior. One day she killed Raghunath, and at the same time drowned Lalbai in the water of one of the eight dams in Bishnupur, the lake of Lalbandh, and became virtuous with her husband in a burning funeral. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"  🎞️"+
"Go To Page Menu ⇧",
lalbandhhindi : "लालबांध:-लालबांध के बारे में एक लोककथा है। बिष्णुपुर का स्वर्ण युग रघुनाथ सिंह के शासनकाल में शुरू हुआ। उनके शासनकाल में बिष्णुपुर में सुंदर महल और मन्दिर बनाए गए। रघुनाथ के शासनकाल में बिष्णुपुर का संगीत चारों ओर प्रसिद्ध हो गया। इस रघुनाथ के बारे में बंगाली साहित्य में कई प्राचीन प्रेम कथाएँ हैं। यह ज्ञात है कि रघुनाथ ने बड़ौदा के पठान रहीम खान को मार डाला और रहीम खान की असाधारण सुंदर पत्नी, नर्तकी लालबाई के साथ वहाँ के खजाने लूट लिए और उसे बिष्णुपुर ले आए। नर्तकी लालबाई की सुंदरता के साथ रघुनाथ सब कुछ भूल गए, और राजपाट भी भूल गए। इतना ही नहीं, लालबाई की लालसा में, वह इस्लाम की ओर आकर्षित हो गया और अपनी प्रजा को इस्लाम में परिवर्तित करना शुरू कर दिया। रघुनाथ की पहली पत्नी इस व्यवहार से नाराज थी। एक दिन उसने रघुनाथ की हत्या कर दी और उसी समय लालबाई को बिष्णुपुर के आठ बांधों में से एक लालबांध झील के पानी में डुबो दिया और अपने पति के साथ जलती हुई अंत्येष्टि में पुण्यात्मा हो गई। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photolalbandh :
""+
" "+
" "+
"",
kalachandtemplebengali : "কালাচাঁদ মন্দিরঃ-মল্লরাজা রঘুনাথ সিংহ মাকড়া পাথরের এই একচালা মন্দিরটা প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দিরের সামনের দিকে পঙ্খের অলঙ্করণে কৃষ্ণলীলা ও পুরাণের কাহিনী দেখা যায়।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
kalachandtempleenglish : "Kalachand Temple:-Mallaraja Raghunath Singh established this single towered Bengal Chala type temple made of laterite stone. The story of Krishnalila and mythology can be seen in the front decoration of the temple."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
kalachandtemplehindi : "कालाचंद मन्दिर:-मल्लराजा रघुनाथ सिंह ने लैटेराइट पत्थर से निर्मित इस एकल मीनार वाले बंगाल चाला प्रकार के मन्दिर की स्थापना की थी। मन्दिर के अग्रभाग की सजावट में कृष्णलीला और पौराणिक कथाओं की झलक मिलती है।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photokalachand :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
radhamadhabtemplebengali : "রাধামাধব মন্দিরঃ-মল্লরাজা গোপাল সিংহের পুত্রবধূ চূড়ামণিদেবী, মাকড়া পাথরের এই একচালা মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। "+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
radhamadhabtempleenglish: "Radhamadhava Temple:-Churamani Devi, daughter-in-law of Mallaraja Gopal Singh, established this one-storied temple of laterite stone."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
radhamadhabtemplehindi : "राधामाधव मन्दिर:-मल्लराजा गोपाल सिंह की पुत्रवधू चूड़ामणि देवी ने लैटेराइट पत्थर से बने इस एक मंजिला मन्दिर की स्थापना की थी।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photoradhamadhab :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
jormandirbengali : "জোড় মন্দিরঃ-এখানে তিনটে মন্দিরের একটা গ্রুপ আছে। তাই এর নাম জোড় মন্দির গ্রুপ। ১৭২৬ সালে মল্লরাজ গোপাল সিংহের সময়ে এই মন্দির তিনটে তৈরি হয়। বাংলার ঢালু চালযুক্ত ও উত্তর ভারতের শিখর বিশিষ্ট মন্দিরের গায়ে রামায়ণ ও কৃষ্ণলীলার বিভিন্ন ভাস্কর্য রয়েছে। মন্দিরে পঙ্খের কাজ এখনো বিদ্যমান।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
jormandirenglish : "Jor Mandir:-There is a group of three temples here, hence the name of the Jormandir temple group. Three of these temples were built in 1826 during the reign of Mallaraj Gopal Singh. There are various sculptures of Ramayana and Krishna life on the sloping roof temple of Bengal and the one pinnacle peaked temple of northern India. The nice work in the temple still exists."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
jormandirhindi : "जोड़ मन्दिर:-यहाँ तीन मन्दिरों का एक समूह है, इसलिए इसे जोड़मन्दिर मन्दिर समूह कहा जाता है। इनमें से तीन मन्दिरों का निर्माण 1826 में मल्लराज गोपाल सिंह के शासनकाल में हुआ था। बंगाल के ढलानदार छत वाले मन्दिर और उत्तर भारत के एक शिखर वाले मन्दिर में रामायण और कृष्ण जीवन की विभिन्न मूर्तियाँ हैं। मन्दिर की सुंदर कलाकृतियाँ आज भी विद्यमान हैं।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photojormandir :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
laljewtemplebengali : "লালজিউ মন্দিরঃ-রাজা বীরসিংহ কর্তৃক ১৬৫৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত লালজিউ মন্দির, বাঁকুড়া জেলার চার চালা এক চূড়া মন্দিরগুলোর মধ্যে বৃহত্তম। চুয়ান্ন বর্গফুটের ভিত্তিবেদির উপর প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণমুখী মন্দিরের, পূর্ব-পশ্চিম ও দক্ষিণ দিকে তিনটে করে তোরণযুক্ত প্রবেশপথ ও সংলগ্ন দালান আছে। চূড়ার নীচের খাড়া অংশের চার দিকে, চার খিলানযুক্ত অলিন্দ ও সাতটা করে পঙ্খ আছে আর ওপরের অংশে কার্নিশের প্রয়োগ রয়েছে। দেউলদীর্ঘ আকৃতি এবং অলংকরণ মন্দিরকে বিশেষ মর্যাদা দান করেছে।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
laljewtempleenglish : "Laljiu Temple:-The Laljiu Temple, established by King Bir Singh in 1658 AD, is the largest of the Charchala style temples in Bankura district. The south-facing temple, built on a foundation of forty-four square feet, has three arched entrances and adjoining buildings on the east-west and south sides. The lower part of the pinnacle has four arched porches and seven wings, and the upper part has cornices. Deul's long shape and decoration have given special status to the temple."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
laljewtemplehindi : "लालजीउ मन्दिर:-राजा बीर सिंह द्वारा 1658 ई. में स्थापित लालजीउ मन्दिर, बांकुड़ा जिले के चरचाला शैली के मन्दिरों में सबसे बड़ा है। चौवालीस वर्ग फुट की नींव पर निर्मित दक्षिणमुखी मन्दिर में पूर्व-पश्चिम और दक्षिण की ओर तीन मेहराबदार प्रवेश द्वार और संलग्न इमारतें हैं। शिखर के निचले भाग में चार मेहराबदार बरामदे और सात खण्ड हैं, और ऊपरी भाग में कंगनियाँ हैं। देउल के लंबे आकार और अलंकरण ने मन्दिर को विशेष दर्जा दिया है।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photolaljew :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
stonegatebengali : "বড় ও ছোট পাথরের দরজাঃ-বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মন্দিরনগরী হিসেবেই পরিচিত। এখানকার দুটো মূল প্রবেশপথ, বড় পাথর দরজা ও ছোট পাথর দরজা। এগুলো রয়েছে বিষ্ণুপুর রাজ দরবারের খুব কাছেই। মল্ল রাজাদের আমলের এই স্থাপত্যগুলোর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক। দুটো দরজাই মাকড়া পাথরের তৈরি। বড় পাথর দরজা ছিল বিষ্ণুপুরের প্রাচীনতম ও দুর্গের উত্তর দিকের প্রবেশ পথ। প্রবেশ পথের দু-দিকে সৈন্য সমাহারের জন্যে দোতলা দালান ছিল। তীরন্দাজ ও বন্দুকধারী সৈন্যদের অস্ত্র চালাবার জন্যে এই দালানগুলোতে ছোট ছোট গর্তও ছিল। মনে করা হয়, বড় পাথর দরজা, সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে মল্লরাজ বীরসিংহের আমলে তৈরি করা হয়েছিল। মাকড়া পাথরের তৈরি ছোট পাথর দরজাও মল্লরাজ বীরসিংহ সপ্তদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে নির্মাণ করেছিলেন বলে অনুমান করা হয়। এগুলো গড় দরজা নামেও পরিচিত। বড় পাথর দরজা রয়েছে মৃন্ময়ী মন্দিরের ঠিক উত্তর দিকে। তার উত্তর পশ্চিম কোণে রয়েছে ছোট পাথর দরজা। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
stonegateenglish : "Stone Gates:-Bishnupur is known as the temple city of Bankura. There are two main entrances, a large stone door and a small stone door. These are very close to the Bishnupur royal court. These architectures have a lot of historical significance during the reign of the Malla kings. The two doors are made of laterite stone. The large stone gate was the oldest entrance to Bishnupur and the northern entrance to the fort. On either side of the entrance was a two-story building to house troops. There were also small holes in these buildings for archers and gunmen to perform weapon firing. The large stone gates are believed to have been built during the reign of Mallaraj Birsingh in the mid-seventeenth century. It is believed that Mallaraj Birsingh also built a small stone door made of laterite stone in the second half of the seventeenth century. These are also known as Garh or fort doors. The large stone door is just north of the Mrinmayi temple. In its northwest corner is small stone door. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
stonegatehindi : "बड़े और छोटे पत्थर के दरवाजे:-बिष्णुपुर को बांकुड़ा के मन्दिरों के शहर के रूप में जाना जाता है। दो मुख्य प्रवेश द्वार हैं, एक बड़ा पत्थर का दरवाजा और एक छोटा पत्थर का दरवाजा। ये बिष्णुपुर शाही दरबार के बहुत करीब हैं। मल्ल राजाओं के शासनकाल के दौरान इन वास्तुकलाओं का बहुत ऐतिहासिक महत्व है। दोनों दरवाजे लेटराइट पत्थर से बने हैं। बड़ा पत्थर का द्वार बिष्णुपुर का सबसे पुराना प्रवेश द्वार और किले का उत्तरी प्रवेश द्वार था। प्रवेश द्वार के दोनों ओर सैनिकों के रहने के लिए दो मंजिला इमारत थी। इन इमारतों में तीरंदाजों और बंदूकधारियों के लिए हथियार चलाने के लिए छोटे छेद भी थे। माना जाता है कि बड़े पत्थर के द्वार सत्रहवीं शताब्दी के मध्य में मल्लराज बीरसिंह के शासनकाल के दौरान बनाए गए थे। ऐसा माना जाता है कि मल्लराज बीरसिंह ने सत्रहवीं शताब्दी के उत्तरार्ध में लेटराइट पत्थर से बना एक छोटा पत्थर का दरवाजा भी बनवाया था। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photostonegate :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
radheyshayamtemplebengali : "রাধেশ্যাম মন্দিরঃ-মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ, মাকড়া পাথরের এই মন্দির, ১৭৫৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দিরের শিখর গম্বুজাকৃতি ও বিষ্ণুপুরের অন্য একরত্ন মন্দিরের তুলনায় একটু ভিন্ন। এখানে রাধা-শ্যাম, নিতাই-গৌর ও জগন্নাথ দেবের বিগ্রহ আছে। ভগবানের দর্শনকৃপা পেয়ে রাজার মহা আনন্দ লাভ হল। তখন মল্লরাজা চৈতন্য সিংহ মাকড়া পাথরের এই মন্দিরটা প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দিরের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ চল্লিশ ফুট ও উচ্চতা চব্বিশ ফুট। মন্দিরের দেয়ালে টেরাকোটার কাজের মাধ্যমে মহাভারত ও রামায়ণের কাহিনী বর্ণিত আছে। মন্দিররে প্রবেশদ্বারে একটা নহবতখানা রয়েছে। মন্দিরটা উড়িষ্যার স্থাপত্যরীতিতে তৈরি ও সেই কারণে একটা তুলসীমঞ্চ ও নাটমঞ্চ আছে।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
radheyshayamtempleenglish : "Radheshyam Temple:-Mallaraj Chaitanya Singh established this temple of laterite stone in 1758. The pinnacle of the temple is dome-shaped and a little different from other one pinnacle temples in Bishnupur. There are idols of Radha-Shyam, Nitai-Gaur and Jagannath. The king was overjoyed to see the grace of God. Then Mallaraja Chaitanya Singh established this temple of laterite stone. The length and width of the temple is forty feet and the height is twenty-four feet. The story of Mahabharata and Ramayana is narrated through terracotta work on the walls of the temple. There is a Nahabatkhana at the entrance of the temple. The temple is built in the architectural style of Orissa and that is why there is a Tulsimancha and Natmancha."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
radheyshayamtemplehindi : "राधेश्याम मन्दिर:-मल्लराज चैतन्य सिंह ने 1758 में लेटराइट पत्थर से बने इस मन्दिर की स्थापना की थी। मन्दिर का शिखर गुंबद के आकार का है और बिष्णुपुर के अन्य शिखर मन्दिरों से थोड़ा अलग है। यहाँ राधा-श्याम, निताई-गौर और जगन्नाथ की मूर्तियाँ हैं। भगवान की कृपा देखकर राजा बहुत प्रसन्न हुए। तब मल्लराज चैतन्य सिंह ने लेटराइट पत्थर से इस मन्दिर की स्थापना की। मन्दिर की लंबाई-चौड़ाई चालीस फीट और ऊँचाई चौबीस फीट है। मन्दिर की दीवारों पर टेराकोटा की कलाकृतियों के माध्यम से महाभारत और रामायण की कथाएँ वर्णित हैं। मन्दिर के प्रवेश द्वार पर एक नहबतखाना है। मन्दिर उड़ीसा की स्थापत्य शैली में बना है और इसीलिए यहाँ तुलसी मंच और नटमंच भी है।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photoradheyshayamtemple :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
hawamahalbengali : "হাওয়া মহলঃ-বিস্তৃত পাঁচিল ঘেরা দুর্গের মধ্যে আবার পাঁচিল ঘেরা প্রাসাদ, তার মধ্যে বসবাসের অংশটা উত্তর-দক্ষিণে ও পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় আড়াই হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে। এই বাড়ির চার দিকে তিরিশ ফুট উঁচু পাঁচিল ছিল, তার মধ্যে শুধু দক্ষিণের পাঁচিল আজও অটুট। দক্ষিণেই আছে খুব সংকীর্ণ এক প্রবেশপথ, অন্য কোনও দিকে পাঁচিল না থাকায় আসল প্রবেশপথ আর বোঝা যায় না। এই আয়তাকার প্রাসাদের চার কোণে চারটে বর্গাকার মিনার আজও টিকে আছে। উত্তরের মিনার দুটো তিন তলা, দক্ষিণ-পশ্চিমে চার তলা এবং দক্ষিণ-পূর্বে পাঁচ তলা। মাঝখানে সম্ভবত ছিল খোলা চত্বর ও চার পাশে দোতলা দালান। মিনারের দেওয়ালে আর দক্ষিণের পাঁচিলে দোতলা পর্যন্ত সারি সারি বরগার চিহ্ন রয়েছে, তা থেকেই বোঝা যায় বসবাসের ঘর অন্তত দোতলা ছিল। সর্বত্র বরগা খুলে নেওয়ার ফলে ছাদ ভেঙে পড়েছে, লুঠ হয়ে গেছে ইট। মিনার চারটে আর এক দিকের পাঁচিল কোনোক্রমে দাঁড়িয়ে আছে, তবে বট-অশ্বত্থের আক্রমণে তাদের দশাও শোচনীয়। দক্ষিণ-পূর্বের মিনারের পাঁচতলার ঘরটাকে স্থানীয় মানুষ হাওয়া মহল বলে। মিনারের গড়নে নানা রীতির মিশেল আছে, একটার ভিতরের দেওয়ালে মুঘল শৈলীর অলংকরণ রূপায়িত হয়েছে পঙ্খের কাজের মাধ্যমে। প্রাসাদের পূর্ব দিকে দিঘিতে যাওয়ার পথও পাঁচিল দিয়ে ঘেরা ছিল। ঘাটে নামার সংকীর্ণ ও ঢাকা পথ দেখলেই বোঝা যায়, তা একেবারেই রাজ-অন্তঃপুরের ব্যবহারের জন্য। সব মিলিয়ে দুর্গের মধ্যে প্রাসাদ-দিঘি-কুলদেবীর মন্দির যে একটি সুরক্ষিত অঞ্চল হিসেবে শুরুর দিকেই পরিকল্পিত হয়েছিল তা স্পষ্ট। প্রাসাদটা বর্তমানে খারাপ অবস্থায় থাকলেও, এটুকু নিশ্চিত যে এমন প্রাসাদের অস্তিত্ব বাংলায় আর দ্বিতীয় নেই। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
hawamahalenglish : "Hawa Mahal:-In the vast walled fort, there is also a walled palace, the living quarters of which cover an area of about two and a half thousand square meters in the north-south and east-west. The house had a wall thirty feet high on all four sides, of which only the south wall is still intact. There is a very narrow entrance in the south; the real entrance is no longer understood as there is no wall on the other side. The four square minarets at the four corners of this rectangular palace still survive today. The north minaret has two three storied, the southwest four storied and the southeast five storied. In the middle were probably an open courtyard and a two-story building on all four sides. On the wall of the minaret and on the south wall, there are rows of rafter marks, indicating that the living room was at least two storied high. The roof has collapsed and the bricks have been looted. The walls on the four sides of the minaret are somehow standing, but their condition is also deplorable due to the attack of the banyan tree. The five storied house in the south-east minaret is called Hawa Mahal by the locals. The structure of the minaret has a variety of architectural style, one of which has a Mughal-style decoration on the inner wall through the work of a Pankha. To the east of the palace, the path to pond was also surrounded by a wall. The narrow and covered path to the Ghat shows that it is for the use of residents of the palace. All in all, it is clear that the Palace, pond and evilest temple within the fort was initially planned as a protected area. Although the palace is in a bad condition at present, it is certain that there is no other such palace in Bengal. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
hawamahalhindi : "हवा महल:-विशाल प्राचीर वाले किले में एक प्राचीर वाला महल भी है, जिसके रहने के कमरे उत्तर-दक्षिण और पूर्व-पश्चिम में लगभग ढाई हज़ार वर्ग मीटर क्षेत्र में फैले हुए हैं। घर के चारों ओर तीस फुट ऊँची दीवार थी, जिसमें से केवल दक्षिणी दीवार ही अभी भी सुरक्षित है। दक्षिण में एक बहुत ही संकरा प्रवेश द्वार है; दूसरी ओर कोई दीवार न होने के कारण असली प्रवेश द्वार अब समझ में नहीं आता। इस आयताकार महल के चारों कोनों पर चार वर्गाकार मीनारें आज भी मौजूद हैं। उत्तरी मीनार दो तीन मंजिला, दक्षिण-पश्चिम चार मंजिला और दक्षिण-पूर्व पाँच मंजिला हैं। बीच में संभवतः एक खुला आँगन और चारों ओर एक दो मंजिला इमारत थी। मीनार की दीवार और दक्षिणी दीवार पर शहतीरों के निशान हैं, जो दर्शाते हैं कि रहने का कमरा कम से कम दो मंजिला ऊँचा था। छत ढह गई है और ईंटें लूट ली गई हैं। मीनार के चारों ओर की दीवारें किसी तरह खड़ी हैं, लेकिन बरगद के पेड़ के प्रहार से उनकी हालत भी दयनीय है। दक्षिण-पूर्व मीनार में पाँच मंजिला घर को स्थानीय लोग हवा महल कहते हैं। मीनार की संरचना में विविध स्थापत्य शैली है, जिनमें से एक में पंखा के काम के माध्यम से भीतरी दीवार पर मुगल शैली की सजावट है। महल के पूर्व में तालाब का रास्ता भी एक दीवार से घिरा हुआ था। घाट तक का संकरा और ढका हुआ रास्ता दर्शाता है कि यह महल के निवासियों के उपयोग के लिए है। कुल मिलाकर, यह स्पष्ट है कि किले के भीतर महल, तालाब और सबसे बुरे मन्दिर को शुरू में एक संरक्षित क्षेत्र के रूप में योजनाबद्ध किया गया था। हालाँकि वर्तमान में महल खराब स्थिति में है, यह निश्चित है कि बंगाल में ऐसा कोई दूसरा महल नहीं है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photohawamahal :
""+
" "+
" "+
" "+
"",
mrinmoyeetemplebengali : "মৃন্ময়ী মন্দিরঃ-মল্লরাজা জগৎমল্ল তার রাজধানী প্রদ্যুম্নপুর থেকে বিষ্ণুপুরে স্থানান্তর করার পর রাজমহলের অদূরে ৯৯৭ সালে মৃন্ময়ী মন্দির স্থাপন করেন। মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী মৃন্ময়ী দেবীর মূর্তি গঙ্গামাটি দিয়ে তৈরি। স্থানীয় ইতিহাস অনুসারে, মা মৃন্ময়ী স্বপ্নে রাজাকে মন্দির তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন। দেবী দুর্গা এখানে মা মৃন্ময়ী হিসাবে পূজিত হন। বাংলার প্রাচীনতম দুর্গাপুজোয় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ তার শ্রদ্ধাসমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে, ধর্মীয় উষ্ণতার এক ভিন্ন স্বাদে অনুভব করে, কিন্তু তাতে ধর্মীয় গোঁড়ামি বা সংকীর্ণ বিভাজন নেই। এই পুজোর আচার, প্রচলিত দুর্গাপুজোর আচার অনুষ্ঠান থেকে কিছুটা ভিন্ন। এই পুজোয় মূর্তি বিসর্জন হয় না। প্রতি বছর ঘট স্থাপন করে, পটে আকা দুর্গার পুজো করা হয়। জীতাষ্টমী তিথির পরেরদিন ঘট স্থাপন করে, রাজমহল থেকে রূপোর পাত দিয়ে তৈরি মহিষমর্দিনী মূর্তিকে বা স্থানীয় বিশ্বাসে বড়ঠাকুরানিকে এনে, নবপত্রিকাসহ কৃষ্ণবাঁধে স্নান করিয়ে বোধনের মাধ্যমে পুজো শুরু হয়। মানচতুর্থীর পরের দিন, লাল রঙের কাপড়ে বা স্থানীয় বিশ্বাসে মেজঠাকুরানিকে, দেবীঘটে গোপালসায়ত থেকে জল ভরে আনা হয়। মহাষষ্ঠীর দিনে রাজ অভিষেকস্থলে, বিষ্ণুপুরের রাজা ও রাণীকে দেবীপট বা স্থানীয় বিশ্বাসে ছোটঠাকুরানিকে দর্শন করানো হয়। সেইদিন শ্যামকুণ্ডের জলে দেবীপটকে স্নান করিয়ে বিল্ব-বরণ করে বোধন করা হয়। জিতাষ্টমী থেকে মহাষষ্ঠী পর্যন্ত খিচুড়ি-ভোগ এবং মহাষষ্ঠী থেকে মহানবমী পর্যন্ত বাদশা-ভোগ ভাত ও নিরামিষ পদ ভোগ হিসেবে তৈরি করা হয়। মল্লরাজাদের শাসনকালে, স্থানীয় মহাদণ্ড বা মহাহোড় সম্প্রদায়, পাথরের দরজার কাছে কামান দাগার পর সন্ধিপুজো ও পশুবলির সূচনা হতো। আগে নরবলির প্রথা চালু থাকলেও, মল্লরাজা বীরহাম্বীর বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পর, নরবলি প্রথা তুলে দেওয়া হয়। সন্ধিপুজো চব্বিশ মিনিট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। মহানবমীর শেষ রাতে, মহামারীর পূজা নামে এক বিশেষ পূজা হয়ে থাকে। কথিত আছে, এককালে কলেরার মড়কে মল্লভূম রাজ্যের ও রাজপরিবারের বহু লোকের মৃত্যু হলে, এই পূজার প্রচলন হয়। দুজন পুরোহিত একমাত্র রাজপরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে, দেবীঘটের দিকে পেছন ফিরে খচ্চর বাহিনীর পূজা করেন। পাঁচ পোয়া করে বাদশা-ভোগ চাল, মুগ ডাল, ঘি, কাঁচকলা ও সন্ধক লবণ দিয়ে রান্না করা এই পূজার বিশেষ ভোগ, সূর্যোদয়ের আগেই রাজপরিবারের সদস্যদের খেয়ে নিতে হতো। মহাদশমীর দিন পান্তা ভাত দিয়ে দেবীর ভোগ তৈরি করা হয়। প্রাচীন ঐতিহ্য অনুযায়ী স্থানীয় রাউতখন্ডের ন্যুলে সম্প্রদায়ের লোকেরা নীলকণ্ঠ পাখি নিয়ে আসেন। দেবীমূর্তিকে বিসর্জন না দিয়ে, দেবীঘটকে স্থানীয় রামসায়রে নবপত্রিকাসহ বিসর্জন দেওয়া হয়। মা মৃন্ময়ী মন্দিরের সামনেই যে পুষ্করিণী রয়েছে সেখান দিকে দেখা যায় হাওয়ামহল। রাজপরিবারের কুলদেবী মৃন্ময়ীর মন্দিরের পশ্চিমে আছে সুগভীর এক দিঘি, তারও পশ্চিমে বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে, এখনও ছড়িয়ে আছে প্রাচীন প্রাসাদের অবশেষ, যার অনেকটাই গাছপালায় ঢাকা। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
mrinmoyeetempleenglish : "Mrinmayee Temple:-Mallaraja Jagat Mall moved his capital from Pradyumnapur to Bishnupur and established Mrinmayee Temple near Rajmahal in the year 996. The idol of Mrinmayi Devi, the presiding deity of the temple, is made of Ganges clay. According to local history, Mother Mrinmayee instructed the king to build a temple in a dream. Goddess Durga is worshiped here as Mother Mrinmayi. It is the oldest Durga Puja festival in Bengal continuing for more than thousand years where people have felt its revered tradition, in a different taste of religious warmth, but without religious orthodoxy or narrow divisions. This Puja ritual is a bit different from the traditional Durga Puja ritual. Idols are not sacrificed in this Puja. Every year by placing Pots drawn with Goddess Durga is worshiped. The puja begins with the installation of Pots on the day after the Jitashtami Tithi, the bringing of the Mahishmardini idol made of silver from the Rajmahal or the Barthakurani in the local belief, and the bathing in the Krishnabandha with the Navapatrika. On the day after Manchaturthi, Mejthakurani, in a red cloth in local belief, is brought to Devighat to be filled with water from Gopalsayat. On the day of Mahasasthi, at the inauguration of the king, the king and queen of Bishnupur are visited by Devipat or Chhotathakurani in the local belief. On that day, Devipat was bathed in the waters of Shyamkund and ritual of Bilwabaron is performed. Khichuri-bhog from Jitashtami to Mahasasthi and Badsha-bhog from Mahasasthi to Mahanabami are made as rice and vegetarian food. During the reign of the Malla kings, the local Mahadanda or Mahahor community, after firing cannons at the stone gates, started the Sandhipujo and animal sacrifices. Although the practice of human sacrifice was introduced earlier, after the conversion of Mallaraja Birhambi to Vaishnavism, the practice of human sacrifice was abolished. Sandhipujo is completed in a period of twenty-four minutes. On the last night of Mahanavami, there is a special puja called Mahamari puja. It is said that at one time when cholera plague killed many members of the Mallabhum kingdom and the royal family, this Puja was introduced. In the presence of the only members of the royal family, the two priests turned their backs on Devighat and worshiped the mules. The members of the royal family had to eat the special delicacies of this Puja, cooked with five cups of Badsha-bhog rice, mug dal, ghee, green chilly and natural salt, before sunrise. On the day of Mahadashami, the goddess's offering is made with water rice. According to the ancient tradition, the people of the Nule community of the local Rautkhand bring blue-throated birds. Without giving up the idol, the goddess is given away with Nabapatrika in the local Ramsayar. Hawa Mahal can be seen from the pond in front of Maa Mrinmayi temple. To the west of the temple of Mrinmayee, the goddess of the royal family, is a deep pond, to the west of which is a vast expanse of land, still scattered the remains of ancient palaces, much of which is covered with vegetation. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
mrinmoyeetemplehindi : "মमृण्मयी मन्दिर:-मल्लराजा जगत मल्ल ने अपनी राजधानी प्रद्युम्नपुर से बिष्णुपुर स्थानांतरित की और वर्ष 996 में राजमहल के निकट मृण्मयी मन्दिर की स्थापना की। मन्दिर की अधिष्ठात्री देवी मृण्मयी देवी की मूर्ति गंगा मिट्टी से बनी है। स्थानीय इतिहास के अनुसार, माता मृण्मयी ने राजा को स्वप्न में मन्दिर बनवाने का निर्देश दिया था। यहाँ देवी दुर्गा की पूजा माता मृण्मयी के रूप में की जाती है। यह बंगाल का सबसे प्राचीन दुर्गा पूजा उत्सव है जो एक हजार वर्षों से भी अधिक समय से जारी है, जहाँ लोग धार्मिक गर्मजोशी के एक अलग स्वाद के साथ, लेकिन धार्मिक रूढ़िवादिता या संकीर्ण विभाजनों से मुक्त होकर इसकी पूजनीय परंपरा का अनुभव करते हैं। यह पूजा अनुष्ठान पारंपरिक दुर्गा पूजा अनुष्ठान से थोड़ा अलग है। इस पूजा में मूर्तियों की बलि नहीं दी जाती पूजा की शुरुआत जीतष्टमी तिथि के अगले दिन कलश स्थापना, राजमहल या स्थानीय मान्यता के अनुसार बड़ठाकुरनी से चांदी से बनी महिषमर्दिनी की मूर्ति लाने और नवपत्रिका के साथ कृष्णबंध में स्नान से होती है। मनचतुर्थी के अगले दिन, स्थानीय मान्यता के अनुसार लाल कपड़े में मेजठाकुरनी को गोपालसायत से जल भरने के लिए देवीघाट लाया जाता है। महाषष्ठी के दिन, राजा के उद्घाटन के समय, बिष्णुपुर के राजा और रानी को देवीपाट या स्थानीय मान्यता के अनुसार छोटाठाकुरनी द्वारा दर्शन दिए जाते हैं। उस दिन देवीपाट को श्यामकुंड के जल में स्नान कराया जाता है और बिल्वपत्रों का अनुष्ठान किया जाता है। जीतष्टमी से महाषष्ठी तक खिचड़ी-भोग और महाषष्ठी से महानवमी तक बादशा-भोग चावल और शाकाहारी भोजन के रूप में बनाया जाता है। मल्ल राजाओं के शासनकाल के दौरान, स्थानीय महादंडा या महाहोर समुदाय ने पत्थर के द्वारों पर तोपों की बौछार के बाद संधिपूजा और पशु बलि की शुरुआत की। यद्यपि मानव बलि की प्रथा पहले से ही प्रचलित थी, मल्लराजा बिरहम्बी के वैष्णव धर्म अपनाने के बाद, मानव बलि की प्रथा को समाप्त कर दिया गया। संधिपूजा चौबीस मिनट की अवधि में पूरी होती है। महानवमी की अंतिम रात्रि को महामारी पूजा नामक एक विशेष पूजा होती है। ऐसा कहा जाता है कि एक समय जब हैजा महामारी ने मल्लभूम साम्राज्य और राजपरिवार के कई सदस्यों को मार डाला था, तब यह पूजा शुरू की गई थी। राजपरिवार के एकमात्र सदस्यों की उपस्थिति में, दो पुजारी देवीघाट की ओर पीठ करके खच्चरों की पूजा करते थे। राजपरिवार के सदस्यों को सूर्योदय से पहले पांच प्याले बादशा-भोग चावल, मूंग दाल, घी, हरी मिर्च और प्राकृतिक नमक से पकाए गए इस पूजा के विशेष व्यंजनों को खाना होता था। प्राचीन परंपरा के अनुसार, स्थानीय राउतखंड के नुले समुदाय के लोग नीलकंठ पक्षी लाते हैं। मूर्ति को त्यागे बिना, देवी को स्थानीय रामसयार में नवपत्रिका के साथ विदा कर दिया जाता है। माँ मृण्मयी मन्दिर के सामने स्थित तालाब से हवा महल का नजारा दिखता है। राजपरिवार की देवी मृण्मयी के मन्दिर के पश्चिम में एक गहरा तालाब है, जिसके पश्चिम में विशाल भूभाग है, जहाँ आज भी प्राचीन महलों के अवशेष बिखरे पड़े हैं, जिनमें से अधिकांश वनस्पतियों से आच्छादित हैं। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photomamrinmoyee :
""+
" "+
"",
jorbanglatemplebengali : "জোড় বাংলা মন্দিরঃ-এই এলাকাটায় অনেকগুলো সুন্দর মন্দির আছে। জোড়-বাংলা রীতির মন্দির স্থাপত্য, এপার বাংলা ও ওপার বাংলায় বেশ কিছু থাকলেও, বিষ্ণুপুরের জোড়বাংলা আপন স্থাপত্য রীতির বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। জোড়বাংলা মন্দিরের আদল বাংলার ঘরের চাল-এর যা সারা বাংলায় প্রচলিত। জোড়বাংলা মন্দিরে প্রাপ্ত লিপি অনুযায়ী, মন্দিরটা ১৬৫৫ সালে মল্লরাজ রঘুনাথ সিংহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দু-খানা দু-চালা বাংলার কুটিরঘর পাশাপাশি জুড়ে দিলে যা হয় তাই জোড়বাংলা। বাংলার মন্দির নির্মাণের অপূর্ব নিদর্শন এই জোড়বাংলা। মাটিও ও ইট দিয়ে এর দেওয়াল তৈরি হয়েছে। ভেতরের ও বাইরের মাটির দেওয়াল টেরাকোটার ভাস্কর্য দিয়ে সুসজ্জিত। জোড়বাংলা মন্দিরের গঠন শৈলী বর্ণনা করে, ভারতের সর্বেক্ষণ সংস্থা রায় দিয়েছেন যে এই মন্দির কেষ্টরাই মন্দির নামেও পরিচিত। দক্ষিণ মুখী মন্দিরটা বর্গাকার ভিতের উপর গড়ে উঠেছে। দুটো দো-চালা যুক্ত হয়ে চারচালা শিখরের রূপ নিয়েছে। জোড়-বাংলা মন্দিরের বাইরে ও ভেতরের দেওয়ালে সূক্ষ্ম ও সুন্দর টেরাকোটার কাজ লক্ষ করা যায়। এই মন্দিরের দৈর্ঘ্য চল্লিশ ফুট, প্রস্থ চল্লিশ ফুট, আর উচ্চতা পঁইত্রিশ ফুট। মন্দিরের সামনে দরজার চারপাশের তিন দেওয়াল চমৎকার টেরাকোটার কাজ দ্বারা সুসজ্জিত। ছ-হাত শ্রী চৈতন্যের প্লাস্টার করা চিত্র এই মন্দিরের ভিতরেই পাওয়া যায়, যদিও তিনি পূজ্য নন। বিষ্ণুপুরের জোড়-বাংলা মন্দিরের পশ্চিম দেওয়ালে ভীষ্মের শরশয্যা ও বাণক্ষেপনরত অর্জুনের অতি উৎকৃষ্ট এক ভাস্কর্য নিবন্ধ আছে। অর্জুনের লক্ষ্যভেদের মতো চির পরিচিত মোটিফ গুলো এখানে প্রচুর ব্যবহার হয়েছে। জোড়-বাংলা মন্দিরে যুদ্ধক্ষেত্রের যে অগণিত ভাস্কর্য সন্নিবিষ্ট হয়েছে, সেগুলো সম্ভবত মল্লরাজাদের শৌর্যের পরিচায়ক নয়। কারণ প্রায় সর্বত্রই চতুরঙ্গ বাহিনীর যে খণ্ডচিত্রগুলো দেখানো হয়েছে, তার আকার প্রকার দেখে মনে হয় সেগুলো কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের খণ্ড বিচ্ছিন্ন চিত্রকল্প। মল্লরাজাগন নৌবলে বলীয়ান ছিলেন এমন কোন প্রমাণ নেই। এগুলো সম্ভবত অতীত কালের বাঙালির নৌযুদ্ধে নিপুণতার পরিচায়ক। মল্লরাজা যে নিপুণ যোদ্ধা ছিলেন এবং এ ব্যাপারে নিয়মিত মনোযোগ দিতেন, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। জোড়-বাংলা মন্দিরে সে জন্য যথেষ্ট সংখ্যায় শিকারের চিত্রও সন্নিবিষ্ট হয়েছে। কৃষ্ণলীলা এখানে মন্দির টেরাকোটার মূল বিষয়বস্তু। জোড়-বাংলা মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের গোষ্ঠলীলা, অসুর বধ থেকে মথুরা যাত্রা ও কংস বধ চিত্রিত হয়েছে। মন্দিরের দক্ষিণ দিকে কৃষ্ণলীলা আর তারই সমান্তরালে পশ্চিমের দেওয়ালে রামকথা। রাম জন্ম থেকে আরম্ভ করে তারকা বধ এবং রামের বিবাহ। এই মন্দিরে বাৎসল্য-রসের অভিব্যক্তিও লক্ষ্য করা যায়। একই ভাবে রামকথা আর কৃষ্ণকথা ব্যক্ত হয়েছে। বাৎসল্য রসের অভিব্যক্তি পরিস্ফুট করার জন্যে, মাতৃক্রোড়ে রাম, লক্ষণ, ভরত ও শত্রুঘ্নকে যেমন পশ্চিম দেওয়ালে চিত্রিত করা হয়েছে, তেমনই দক্ষিণের প্রবেশ পথের ডানদিকে মাতৃক্রোড়ে কৃষ্ণ বলরামও উৎকীর্ণ হয়েছে। এমনকি পশ্চিমের দেওয়ালে ভয়ঙ্কর দেবী-যুদ্ধের নিচে গণেশ জননী, স্কন্দমাতার, বাৎসল্য-রসাত্মক চিত্রগুলোও সন্নিবেশিত হয়েছে। এখানে সমসাময়িক ঘটনা রূপে পর্তুগীজ যুদ্ধ যেমন চিত্রিত হয়েছে, তেমনই মোঘল সামন্তদের আভিজাত্য ও বিলাস ব্যসনও চিত্রিত হয়েছে। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
jorbanglatempleenglish : "Jor Bangla Mandir:-There are many beautiful temples in this area. The temple architecture of the Jor-Bangla style, is existing in West Bengal and East Bengal (now Bangladesh) although but Jorbangla of Bishnupur is brilliant in its architectural style. The Jorbangla temple is similar to the roof of the house of Bengal which is common all over Bengal. According to the inscription found in the Jorbangla temple, the temple was established in 1755 by Mallaraj Raghunath Singh. If two house of rural Bengal added side by side that looks like Jorbangla temple. This Jodbangla is a wonderful example of the construction of temples in Bengal. Its walls are made of mud and bricks. The inner and outer earthen walls are decorated with terracotta sculptures. Describing the construction style of the Jorbangla temple, the Archeological Survey of India has ruled that this temple is also known as Kestorai Temple. The south facing temple is built on a square foundation. The two Dochala roof building have been added to form the charchala peak. Exquisite and beautiful terracotta work can be noticed on the outside and inside walls of the Jorbangla temple. This temple is forty feet long, forty feet wide, and thirty five feet high. The three walls around the front door of the temple are decorated with exquisite terracotta work. The plastered image of the six arm length Sri Chaitanya is found inside this temple, though he is not worshipped. On the western wall of the Jorbangla temple at Bishnupur, there is a very fine sculptural inscription of Arjuna, who is shooting arrows and reclining Vishwa on the bed of arrows. Ever familiar motifs like Arjun's target have been used here a lot. The innumerable battlefield sculptures in the Jorbangla temple are probably not indicative of the bravery of the Malla kings. Looking at the size and type of the fragmentary images of the four forces that have been shown almost everywhere, it seems that they are fragmented imagery of the Kurukshetra war. There is no evidence that Malla kings was strong in the navy. These are probably indicative of the Bengali naval prowess of the past. There is no doubt that Mallaraja was a skilled warrior and paid regular attention to this. For that capacity of the Malla kinggs the Jorbangla temple also contains a large number of hunting images. Krishnalila is the main theme of the terracotta in this temple. The Jorbangla temple depicts Lord Krishna's extolment, the killing of demon to Mathura yatra and the Kangsa killing everything is illustrated. Dalliances of Krishna on the south side of the temple and history of Lord Rama on the parallel wall to the west. Starting from the birth of Rama, killing of demon Taraka and marriage of Rama are depicted here. The expression of affection is shown as Rama, Lakshmana, Bharat and Shatrughna in mother’s lap on the western wall, the same way it can also be noticed that Krishna Balarama is engraved on mother’s lap on the eastern wall of the temple. In this way same way history of Rama and the history of and Krishna have been expressed. Even on the west wall, under the horrible war of Devi Durga with Ganesha Jagadhatri affectionate images have been inserted. Just as the Portuguese war is depicted here as a contemporary event, so is the aristocracy and luxury of the Mughal feudal lords also depicted. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
jorbanglatemplehindi : "जोर बांग्ला मन्दिर:-इस क्षेत्र में कई खूबसूरत मन्दिर हैं। जोर-बांग्ला शैली की मन्दिर वास्तुकला पश्चिम बंगाल और पूर्वी बंगाल (अब बांग्लादेश) में मौजूद है, हालांकि बिष्णुपुर का जोर बांग्ला अपनी स्थापत्य शैली में शानदार है। जोर बांग्ला मन्दिर बंगाल के घर की छत के समान है जो पूरे बंगाल में आम है। जोर बांग्ला मन्दिर में मिले शिलालेख के अनुसार, मन्दिर की स्थापना 1755 में मल्लाराज रघुनाथ सिंह ने की थी। यदि ग्रामीण बंगाल के दो घरों को साथ-साथ जोड़ दिया जाए तो वह जोर बांग्ला मन्दिर जैसा दिखता है। यह जोड़ बांग्ला बंगाल में मन्दिरों के निर्माण का एक अद्भुत उदाहरण है। इसकी दीवारें मिट्टी और ईंटों से बनी हैं। भीतरी और बाहरी मिट्टी की दीवारों को टेराकोटा की मूर्तियों से सजाया गया है। जोर बांग्ला मन्दिर की निर्माण शैली का वर्णन करते हुए, भारतीय पुरातत्व सर्वेक्षण ने फैसला सुनाया है कि इस मन्दिर को केस्तोराय मन्दिर के नाम से भी जाना जाता है। जोरबांग्ला मन्दिर की बाहरी और भीतरी दीवारों पर उत्कृष्ट और मनमोहक टेराकोटा का काम देखा जा सकता है। यह मन्दिर चालीस फुट लंबा, चालीस फुट चौड़ा और पैंतीस फुट ऊँचा है। मन्दिर के मुख्य द्वार के चारों ओर की तीनों दीवारें उत्कृष्ट टेराकोटा के काम से सुसज्जित हैं। इस मन्दिर के अंदर छह भुजाओं वाले श्री चैतन्य की प्लास्टर की हुई मूर्ति स्थापित है, हालाँकि उनकी पूजा नहीं की जाती। बिष्णुपुर स्थित जोरबांग्ला मन्दिर की पश्चिमी दीवार पर अर्जुन का एक अत्यंत सुंदर शिल्पलेख है, जिसमें वे बाण चलाते हुए और बाणों की शय्या पर लेटे हुए विश्वा को दर्शाते हैं। यहाँ अर्जुन के निशाने जैसे चिर-परिचित रूपांकनों का भरपूर प्रयोग किया गया है। जोरबांग्ला मन्दिर में असंख्य युद्धभूमि की मूर्तियाँ संभवतः मल्ल राजाओं की वीरता की सूचक नहीं हैं। लगभग हर जगह प्रदर्शित चारों सेनाओं की खंडित मूर्तियों के आकार और प्रकार को देखकर ऐसा प्रतीत होता है कि वे कुरुक्षेत्र युद्ध की खंडित छवियाँ हैं। इस बात का कोई प्रमाण नहीं है कि मल्ल राजा नौसेना में शक्तिशाली थे। ये संभवतः अतीत की बंगाली नौसेना की शक्ति के सूचक हैं। इसमें कोई संदेह नहीं कि मल्लराज एक कुशल योद्धा थे और इस पर नियमित ध्यान देते थे। मल्ल राजाओं की इसी क्षमता को दर्शाने के लिए जोरबांग्ला मन्दिर में बड़ी संख्या में शिकार की मूर्तियाँ भी हैं। इस मन्दिर में कृष्णलीला मुख्य विषयवस्तु है। जोरबांग्ला मन्दिर में भगवान कृष्ण के जयघोष, राक्षस वध से लेकर मथुरा यात्रा और कंगालों द्वारा सभी प्राणियों का वध करने की कथाएँ चित्रित हैं। मन्दिर के दक्षिण की ओर कृष्ण की लीलाएँ और पश्चिम की ओर समानांतर दीवार पर भगवान राम का इतिहास अंकित है। यहाँ राम के जन्म से लेकर ताड़का राक्षस के वध और राम के विवाह तक के प्रसंगों को दर्शाया गया है। पश्चिमी दीवार पर माता की गोद में राम, लक्ष्मण, भरत और शत्रुघ्न के रूप में स्नेह की अभिव्यक्ति दर्शाई गई है, ठीक उसी प्रकार मन्दिर की पूर्वी दीवार पर माता की गोद में कृष्ण-बलराम की प्रतिमा भी उत्कीर्ण है। इसी प्रकार राम और कृष्ण के इतिहास को भी अभिव्यक्त किया गया है। पश्चिमी दीवार पर भी, देवी दुर्गा और गणेश जगधात्री के भीषण युद्ध के नीचे स्नेहिल चित्र अंकित किए गए हैं। जिस प्रकार यहाँ पुर्तगाली युद्ध को समकालीन घटना के रूप में दर्शाया गया है, उसी प्रकार मुगल सामंतों के अभिजात्य और विलासिता को भी दर्शाया गया है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photojorbangla :
""+
" "+
" "+
" "+
"",
gumgharbengali : "গুমঘরঃ-জানলা দরজা বিহীন প্রায় চার তলা সমান উঁচু ইটের চৌকোণা এক ঘর। এ ব্যাপারে অনেক লোকের অনেক মত। কেউ বলে অপরাধীদের এখানে ফেলে দেওয়া হতো, কেউ বলে এখানে শস্য রাখা হতো, আর বেশিরভাগের মতে, এমনকি সংখ্যাগরিষ্ঠ পণ্ডিতদের মতে, এটা ছিল রাজবাড়ির জলের ট্যাঙ্ক। কাছাকাছি কিছু পোড়ামাটির তৈরি জলের পাইপ পাওয়া গেছে বলে এই ধারণা আরও দৃঢ় হয়েছে।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
gumgharenglish : "Gumghar:-Ghumghar is a square house of the height of about four-storied building made of brick without having any doors and windows. Different people have different opinion about this building. Some say criminals were thrown here, some say grains were kept here, and most people say, even the majority of scholars, it was the royal water tank. This idea is further strengthened by the fact that some terracotta water pipes have been found nearby."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
gumgharhindi : "गुमघर:-गुमघर ईंटों से बनी लगभग चार मंजिला ऊँची एक चौकोर इमारत होती है जिसमें कोई दरवाज़ा या खिड़की नहीं होती। इस इमारत के बारे में अलग-अलग लोगों की अलग-अलग राय है। कुछ लोग कहते हैं कि यहाँ अपराधियों को फेंका जाता था, कुछ कहते हैं कि यहाँ अनाज रखा जाता था, और ज़्यादातर लोग, यहाँ तक कि ज़्यादातर विद्वान भी, कहते हैं कि यह शाही जलाशय था। इस धारणा को इस बात से और बल मिलता है कि पास में कुछ टेराकोटा के पानी के पाइप मिले हैं।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
shyamraitemplebengali : "শ্যামরাই মন্দিরঃ-প্রথম দর্শনেই প্রেম। কি অপূর্ব তার কাজ সে কথায় প্রকাশ করা যায় না। মল্লরাজা রঘুনাথ সিংহ ১৬৪৩ সালে এই মন্দির নির্মাণ করেন। বিশেষজ্ঞরা মন্দিরের দক্ষিণদিকের দেওয়ালে নিবদ্ধ, প্রাচীন উৎসর্গ লিপি থেকে এই তথ্য জানতে পারেন যে, রাধা ও কৃষ্ণের আনন্দের জন্যে রাজা বীর হাম্বীরের পুত্র রাজা রঘুনাথ সিংহ, ১৬৪৩ সালে এই নবরত্ন মন্দির দান করেন। শ্যামরাই মন্দির বিষ্ণুপুরের প্রসিদ্ধ টেরাকোটা শৈলীতে নির্মিত এক অসাধারণ শিল্প নৈপুণ্যের প্রকাশ। মন্দিরটা চারকোনা, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে আটত্রিশ ফুট। মন্দিরের চারদিকের খিলানগুলো সুন্দর কারুকার্যময় স্তম্ভের ওপর নির্মিত হয়ে, ফাঁকা দালানের মতো অংশের সৃষ্টি করেছে। এই দালানের ভেতরে মন্দিরের গর্ভগৃহ অবস্থিত। গর্ভগৃহের দরজা টেরাকোটা শৈলীতে ফুল ও বিভিন্ন প্রকার নকশা দ্বারা সাজানো। মন্দিরের ছাদ চৌকো ও উত্তলাকার। ছাদের চার প্রান্তে চারটে শিখর বর্তমান। উড়িষ্যার স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত এই শিখরগুলো প্রত্যেকটা একরকম। ছাদের ঠিক মাঝে একটি অষ্টভূজাকৃতি শিখর বা গম্বুজ আছে। সব মিলিয়ে পাঁচটা চূড়া বিশিষ্ট এই শ্যামরাই মন্দির, পাঁচচূড়া মন্দির নামে পরিচিত। মাঝের চূড়া অষ্টভুজ ও বাকি চারটে চূড়া চতুর্ভুজ। মন্দিরের বাইরের ও ভেতরের দেওয়ালে কৃষ্ণলীলা, রাধাকৃষ্ণের প্রেম, রামায়ণ ও মহাভারতের কাহিনী এবং তখনকার দিনের সমাজ ও রাজনৈতিক কার্যকলাপের বিভিন্ন দৃশ্য আছে। এর মধ্যে ঐরাবতের উপর বসে ইন্দ্রের যুদ্ধ, দৈত্যাকার রাশচক্রে গোপিনীদের সঙ্গে রাধাকৃষ্ণর প্রেম লীলার বিভিন্ন রূপ সর্বোত্তম। বর্তমানে এই মন্দিরটা ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ সংস্থা রক্ষণাবেক্ষণ করে। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
shyamraitempleenglish : "Shyamrai temple:-Love at first sight. What a wonderful artwork cannot be expressed in words. Mallaraja Raghunath Singh built this temple in 1643. Experts know from the ancient inscription inscribed on the south wall of the temple that Raja Raghunath Singh, son of Raja Bir Hambir, donated the Nine pinnacle temple in 1643 for the pleasure of Radha and Krishna. The Shyamrai Temple is a masterpiece in the famous terracotta style of Bishnupur. The temple is square, thirty-eight feet in length and width. The arches around the temple are built on beautiful carved pillars, creating an empty lobby. Inside this building is the sanctum sanctorum of the temple. The doors of the sanctum sanctorum are decorated with floral designs and various designs in terracotta style. The roof of the temple is square and convex. Four peaks are present at the four ends of the roof. Each of these peaks built in the style of Orissa is unique. There is an octagonal peak or dome right in the middle of the roof. All in all, this Shyamrai temple with five peaks is known as Panchchura temple. The middle pinnacle is octagonal and the other four piiacle is quadrilateral. On the outer and inner walls of the temple are stories of Krishnalila, love of Radhakrishna, stories of Ramayana and Mahabharata and various scenes of social and political activities of that time. Of these, Indra's battle on elephant, the various forms of Radhakrishna’s love with the women in the giant zodiac is the best. The temple is currently maintained by the Archaeological Survey of India. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
shyamraitemplehindi : "श्यामराय मन्दिर:-पहली नजर में ही प्यार। क्या अद्भुत कलाकृति शब्दों में व्यक्त नहीं की जा सकती। मल्लराजा रघुनाथ सिंह ने 1643 में इस मन्दिर का निर्माण कराया था। विशेषज्ञ मन्दिर की दक्षिण दीवार पर अंकित प्राचीन शिलालेख से जानते हैं कि राजा बीर हम्बीर के पुत्र राजा रघुनाथ सिंह ने 1643 में राधा और कृष्ण की प्रसन्नता के लिए नौ शिखर वाला मन्दिर दान किया था। श्यामराय मन्दिर बिष्णुपुर की प्रसिद्ध टेराकोटा शैली में एक उत्कृष्ट कृति है। मन्दिर चौकोर है, जिसकी लंबाई और चौड़ाई अड़तीस फीट है। मन्दिर के चारों ओर के मेहराब सुंदर नक्काशीदार स्तंभों पर बने हैं, जो एक खाली लॉबी बनाते हैं। इस इमारत के अंदर मन्दिर का गर्भगृह है। गर्भगृह के दरवाजे टेराकोटा शैली में पुष्प डिजाइन और विभिन्न डिजाइनों से सजाए गए हैं। मन्दिर की छत चौकोर और उत्तल है कुल मिलाकर, पाँच शिखरों वाला यह श्यामराय मन्दिर पंचचूड़ा मन्दिर के नाम से जाना जाता है। बीच का शिखर अष्टकोणीय है और बाकी चार शिखर चतुर्भुज हैं। मन्दिर की बाहरी और भीतरी दीवारों पर कृष्णलीला, राधाकृष्ण प्रेम, रामायण और महाभारत की कहानियाँ और उस समय की सामाजिक और राजनीतिक गतिविधियों के विभिन्न दृश्य अंकित हैं। इनमें इंद्र का हाथी पर युद्ध, राधाकृष्ण का विशाल राशिचक्र की स्त्रियों के साथ प्रेम के विभिन्न रूप सर्वश्रेष्ठ हैं। वर्तमान में इस मन्दिर का रखरखाव भारतीय पुरातत्व सर्वेक्षण द्वारा किया जाता है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photoshyamrai :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
rasmanchabengali : "রাসমঞ্চঃ-এখানেই টিকিট কাটতে হয়। আর সব টিকিট অনলাইনে। ফলে অনেকেই দালালদের কাছ থেকে টিকিট কাটছে। আমি চেষ্টা করলাম নিজে করার জন্যে। দেখি হয়েও গেল। মিনিট দশেক সময় লাগল এই যা। ঢুকে পড়লাম রাসমঞ্চে। খুব কড়াকড়ি। হবে নাই বা কেন। এরকম একটা স্থাপত্যের দেখভাল করা তো চাট্টিখানি কথা নয়, তা ও আবার আমাদের মতো দুর্নীতিগ্রস্থ দেশে। চেকিং হওয়ার পরে চললাম ভেতরে। মল্লরাজ বীরহাম্বীর ১৬০০ সালে বিষ্ণুপুরে এই রাসমঞ্চটা নির্মাণ করেন, ও সেটা এক অভূতপূর্ব স্থাপত্যকলার নিদর্শন। এমন স্থাপত্য শুধু বাংলাতেই নয়, সারা ভারতেও বিরল। এই মঞ্চতে বাংলার সনাতন মন্দির-স্থাপত্যের সঙ্গে, মিশে যায় মিশরীয় পিরামিড ও ইসলামী স্থাপত্যশৈলী। রাজা বীরহাম্বীর ছিলেন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমসাময়িক, এবং মুঘল-পাঠান সংঘর্ষে, মুঘল বাহিনীর অন্যতম সহায়ক। এই দুর্ধর্ষ মল্লযোদ্ধাই শ্রীনিবাস আচার্যের কাছে বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হন। ১৬০০ সালে বীরহাম্বীর গড়ে তোলেন রাসমঞ্চ। রাসমঞ্চটা একটা প্রশস্ত ভিত্তিবেদীর ওপর প্রতিষ্ঠিত। বেদীটা তৈরি হয়েছে ঝামাপাথর বা ল্যাটেরাইট পাথরে, স্থানীয় উপভাষায় যার নাম মাকড়া পাথর। বেদীর চারপাশে ঘিরে আছে তিন প্রস্থ খিলানযুক্ত দেওয়াল। বেদীটা বর্গাকার। এর উচ্চতা সাড়ে পাঁচ ফুট, প্রস্থ একাশি ফুট আর উচ্চতা পঁয়ত্রিশ ফুট। মাথায় রয়েছে একটা স্বল্পপরিসর ছাদের আকারবিশিষ্ট জায়গা। চূড়াটা মিশরের পিরামিডের মতো। চূড়ার পাদদেশে চারটে করে দোচালা ও প্রত্যেক কোণে একটা করে চারচালা নির্মিত হয়েছে। গর্ভগৃহ সাধারণত দেওয়াল দিয়ে আচ্ছাদন করে রাখার রীতি, আমাদের বাংলায় প্রচলিত। কিন্তু এখানে সেই রীতি অনুসরণ করা হয়নি। এখানে দেওয়াল কতকগুলো খিলানের সমষ্টি। বাইরের সারিতে খিলানের সংখ্যা চল্লিশ। খিলানগুলো ইসলামী স্থাপত্যের অনুসরণে নির্মিত। বাইরের খিলানের গায়ে পোড়ামাটির পদ্ম ও পূর্ব দিকের দেয়ালে গায়ক-বাদকদের ছবি দেওয়া পোড়ামাটির প্যানেল রয়েছে। প্রতি দেয়ালে খিলানের সংখ্যা সমান নয়। এই স্থাপত্য বিষ্ণুপুরের আঞ্চলিক স্থাপত্যরীতিও অনুসরণ করেনি। ১৬০০ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত রাসমঞ্চে মহাসমারোহে রাস উৎসব হয়ে এসেছে। উৎসবের সময় বিভিন্ন মন্দির ও রাজবাড়ি থেকে মল্ল রাজবংশের পূজিত ১০৮-টা রাধাকৃষ্ণ মূর্তি এখানে আনা হতো। কিন্তু বর্তমানে এটা শুধুমাত্র প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী হিসাবে দণ্ডায়মান। দিবালোকের উপস্থিতিতে, গ্যালারীগুলির মধ্যে দিয়ে হাঁটলে যেন ছায়ার ভাষায় ইতিহাস ফিসফিস করে কথা বলে। অন্ধকারে, স্মৃতিস্তম্ভ থেকে বেরিয়ে আসা উজ্জ্বল আলো একটা রোমাঞ্চকর পরিবেশ তৈরি করে। রাসমঞ্চের ভেতরে একটু   🎞️ করলাম। কিন্তু প্রহরীর চোখ এড়িয়ে পছন্দমতো কিছু করা গেল না। বাইরে ফিরে এসে প্রহরীদের অনুমতি নিয়ে দুটো ফ্রন্ট ফেসের ছবি তুললাম। ছবি তোলার মাগ্যি-গণ্ডার বাজারে তাই বা কম কি। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
rasmanchaenglish : "Rasmancha:-Here one have to buy a ticket. And all tickets are online. As a result, many are buying tickets from brokers. I tried to do it myself. I saw it is done. This took ten minutes. I entered the Rasmancha. Very strict rules and regulations. Why not strict. Taking care of such architecture is not a trivial matter, even in a corrupt country like ours. After checking, I went inside. Mallaraj Birhambi built this Rasmancha in Bishnupur in 1600, and it is an unprecedented piece of architecture. Such architecture is rare not only in Bengal but also in India. On this Rasmancha, Egyptian pyramids and Islamic architectural style blend with the traditional temple-architecture of Bengal. King Birhambir was a contemporary of the Mughal emperor Jahangir, and one of the allies of the Mughal forces in the Mughal-Pathan conflict. It was this mighty wrestler who was initiated into Vaishnavism by Srinivas Acharya. The Rasmancha is built on a wide foundation. The altar is made of laterite stone, which is called Makra pathar in the local dialect. The altar is surrounded by three wide arched walls. The altar is square. It is five and a half feet high, eighty-one feet wide and thirty-five feet high. The head has a small roof-shaped space. The top is like a pyramid in Egypt. There are four Dochalas at the base of the peak and one Charchala at each corner. The custom of covering the sanctum sanctorum with a wall is common in Bengal. But that tradition was not followed here. Here the walls are the sum of some arches. The number of arches in the outer row is forty. The arches are built following Islamic architecture. On the outer arch there is a terracotta lotus and on the east wall there is a terracotta panel with pictures of singers and musicians. The number of arches on each wall is not equal. This architecture did not follow the regional architecture of Bishnupur. From 1800 to 1932, Ras festival was held in a grand procession on Rasmancha. During the festival, 108 Radhakrishna idols worshiped by the Malla dynasty were brought here from various temples and palaces. But at present it only stands as a witness to ancient history. In the presence of daylight, walking through the galleries is like talking the history of Rasmancha in the language of shadows. In the dark, the bright light coming out of the monument creates a thrilling atmosphere. I made a little video inside the stage. But nothing wishful could be done in front of the watchman's eyes. When I came back outside, I took pictures of two front faces with the permission of the guards. So what or less in the crisis market of photography. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
rasmanchahindi : "रासमंच:-यहाँ टिकट खरीदना पड़ता है। और सभी टिकट ऑनलाइन हैं। नतीजतन, कई लोग दलालों से टिकट खरीद रहे हैं। मैंने इसे स्वयं करने की कोशिश की। मैंने इसे होते हुए देखा। इसमें दस मिनट लगे। मैं रासमंच में दाखिल हुआ। बहुत सख्त नियम और कानून। सख्त क्यों न हों? ऐसी वास्तुकला का ध्यान रखना कोई मामूली बात नहीं है, हमारे जैसे भ्रष्ट देश में भी। जाँच-पड़ताल करने के बाद, मैं अंदर गया। मल्लराज बिरहम्बी ने 1600 में बिष्णुपुर में इस रासमंच का निर्माण कराया था, और यह वास्तुकला का एक अभूतपूर्व नमूना है। ऐसी वास्तुकला न केवल बंगाल में, बल्कि भारत में भी दुर्लभ है। इस रासमंच पर, मिस्र के पिरामिड और इस्लामी स्थापत्य शैली बंगाल की पारंपरिक मन्दिर-वास्तुकला के साथ मिश्रित हैं। राजा बिरहम्बीर मुगल सम्राट जहाँगीर के समकालीन थे, और मुगल-पठान संघर्ष में मुगल सेना के सहयोगियों में से एक थे। यह वह पराक्रमी पहलवान था जिसे श्रीनिवास आचार्य ने वैष्णव धर्म में दीक्षित किया था। रासमंच एक विस्तृत नींव पर बना है। वेदी लैटेराइट पत्थर से बनी है, जिसे स्थानीय बोली में मकर पत्थर कहा जाता है। वेदी तीन चौड़ी मेहराबदार दीवारों से घिरी हुई है। वेदी वर्गाकार है। यह साढ़े पाँच फीट ऊँची, इक्यासी फीट चौड़ी और पैंतीस फीट ऊँची है। शीर्ष पर एक छोटी छत के आकार की जगह है। शीर्ष मिस्र के पिरामिड जैसा है। शिखर के आधार पर चार दोचाल और प्रत्येक कोने पर एक चरचाल है। गर्भगृह को दीवार से ढकने की प्रथा बंगाल में आम है। लेकिन यहाँ उस परंपरा का पालन नहीं किया गया। यहाँ दीवारें कुछ मेहराबों का योग हैं। बाहरी पंक्ति में मेहराबों की संख्या चालीस है। मेहराबों का निर्माण इस्लामी वास्तुकला के अनुरूप किया गया है। बाहरी मेहराब पर एक टेराकोटा कमल है और पूर्वी दीवार पर गायकों और संगीतकारों के चित्रों वाला एक टेराकोटा पैनल है। प्रत्येक दीवार पर मेहराबों की संख्या समान नहीं है। इस वास्तुकला ने बिष्णुपुर की क्षेत्रीय वास्तुकला का अनुसरण नहीं किया। 1800 से 1932 तक, रासमंचा पर एक भव्य जुलूस में रास उत्सव आयोजित किया गया था। उत्सव के दौरान, मल्ल राजवंश द्वारा पूजित 108 राधाकृष्ण मूर्तियों को विभिन्न मन्दिरों और महलों से यहां लाया गया था। लेकिन वर्तमान में यह केवल प्राचीन इतिहास के साक्षी के रूप में खड़ा है। दिन के उजाले की उपस्थिति में, दीर्घाओं के माध्यम से चलना छाया की भाषा में रासमंचा के इतिहास की बात करने जैसा है। अंधेरे में, स्मारक से निकलने वाली तेज रोशनी एक रोमांचकारी माहौल बनाती है। मैंने मंच के अंदर एक छोटा सा वीडियो बनाया। लेकिन चौकीदार की आंखों के सामने कुछ भी इच्छाधारी नहीं हो सका। जब मैं वापस बाहर आया, तो मैंने गार्ड की अनुमति से दो सामने के चेहरों की तस्वीरें लीं। तो फोटोग्राफी के संकट बाजार में क्या या कम। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photorasmancha :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
stonecharriotbengali : "পাথরের রথঃ-বিষ্ণুপুরের পাথরের রথ এক অবহেলিত স্থাপত্য। রথের প্রথম সূচনা স্থাপত্য সম্ভবত ত্রয়োদশ শতাব্দীতে উড়িষ্যার কোণারক মন্দির। কোণারক মন্দির একটা অপূর্ব রথের স্থাপত্যে নির্মিত। বিষ্ণুপুরে পাথরের রথ আনুমানিক সপ্তদশ শতকে নির্মিত। আগাগোড়া ঝামা পাথর বা মাকড়া পাথরের এই দোতলা রথটার নীচের দিক বিষ্ণুপুরের রাসমঞ্চের মতন, আর ওপরের দিক বিষ্ণুপুরের অন্যান্য মন্দিরের মতো। এক বৈচিত্র্যপূর্ণ অবয়ব। বিষ্ণুপুরে খুব ঘটা করে উল্টা রথ পালন হয়, কিন্তু প্রাচীন এই মনোমুগ্ধকর স্থাপত্য অবহেলিত হয়েই রয়েছে।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
stonecharriotenglish : "Stone chariot:-Stone chariot in Bishnupur is a neglected architecture. The first architecture of the chariot was probably the Konark temple in Orissa in the thirteenth century. The Konark temple is built in the architecture of a magnificent chariot. The stone chariot at Bishnupur was built around the seventeenth century. The lower side of this two-storied chariot of laterite stone is like the Rasmancha of Bishnupur, and the upper side is like other temples of Bishnupur. A varied form of architecture. In Bishnupur, inverted chariots are observed, but this fascinating ancient architecture has been neglected."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
stonecharriothindi : "पाषाण रथ:-बिष्णुपुर में पाषाण रथ एक उपेक्षित स्थापत्य है। रथ की पहली स्थापत्य कला संभवतः तेरहवीं शताब्दी में उड़ीसा के कोणार्क मन्दिर में दिखाई दी थी। कोणार्क मन्दिर एक भव्य रथ की स्थापत्य कला में निर्मित है। बिष्णुपुर स्थित पाषाण रथ का निर्माण सत्रहवीं शताब्दी के आसपास हुआ था। लैटेराइट पत्थर से बने इस दो मंजिला रथ का निचला भाग बिष्णुपुर के रासमंच जैसा और ऊपरी भाग बिष्णुपुर के अन्य मन्दिरों जैसा है। स्थापत्य कला का एक विविध रूप। बिष्णुपुर में उल्टे रथ तो देखे जाते हैं, लेकिन इस आकर्षक प्राचीन स्थापत्य कला की उपेक्षा की गई है।"+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
""+
""+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photostonecharriot :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
madanmohantemplebengali : "মদনমোহন মন্দিরঃ-এই মন্দিরটা একটু অন্যদিকে তাই টোটোওয়ালা এটা প্রথম দেখাতে নিয়ে যাচ্ছে। কিছুটা অলিগলি দিয়ে চলার পর এসে পৌঁছলাম নীল বোর্ডের কাছে, যেখানে মন্দিরের নাম লেখা আছে। উৎকৃষ্ট পোড়ামাটি অলংকরণের প্রাচুর্যে বিষ্ণুপুরের নগরদেবতা মদনমোহন মন্দির বিখ্যাত। পাঁচ ফুট উঁচু মাকড়া-পাথরের ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত, দক্ষিণমুখী ও একরত্ন শৈলীর মন্দিরের পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ দিক ত্রিখিলান বিশিষ্ট ও দালানযুক্ত। সামনের দেওয়ালের খিলানের দু-পাশের দেওয়ালে, ও কার্নিশের নিচে চার সারি করে টেরাকোটার কাজ রয়েছে ও খোপের মধ্যে প্রতিটা মূর্তিকে ঘিরে আছে সুন্দর ফুলকারি বেষ্টনী। নিচের দিকের প্যানেলগুলোতে আছে পশু-পাখির ভাস্কর্য, কৃষ্ণ লীলা, দশাবতার ও অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনী। ওপরের দিকে স্থান পেয়েছে প্রধানত যুদ্ধদৃশ্য। থামের গায়ে আছে কীর্তন, গায়ক-গায়িকা ও বাজিয়ের দল। খিলানশীর্ষে রয়েছে কুরুক্ষেত্রযুদ্ধ ও মহাভারতের কাহিনী। দালানের ভেতরের দেওয়ালেও টেরাকোটার কাজ রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম দিকের দেওয়ালে অল্প টেরাকোটার কাজ আছে। মদনমোহন মন্দিরের অন্যতম আকর্ষণ হল, হংসলতা বা হংসমালা প্যানেলগুলো। মন্দিরের প্রতিষ্ঠালিপিতেও হংসচিত্র রয়েছে। মন্দিরের হংসলতা প্যানেলগুলো যেন হংসের সজীব ও ধারাবাহিক জীবনচিত্র। হংসজীবনের এমন নিখুঁত পরিবেশন করা টেরাকোটা মন্দিরে বিরল। মন্দির দৈর্ঘ্যপ্রস্থে চল্লিশ ফুট ও উচ্চতায় প্রায় পঁয়ত্রিশ ফুট। মল্লরাজ দুর্জন সিংহ ১৬৯৪ সালে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। মূল মন্দিরের সামনে একটা চারচালা নাটমন্দির আছে। নাটমন্দিরের গায়েও টেরাকোটার সুন্দর কাজ রয়েছে। মন্দিরের প্রবেশদ্বার দোচালা ও পুরো মন্দির পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। দেবালয়ের প্রবেশদ্বার, নাটমন্দির ও পাঁচিলের কিছু অংশ কালের করাল গ্রাসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। তবে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ, ভেঙে পড়া অংশ সময়মত পুনর্নির্মাণ করে দেবালয়কে শ্রীমণ্ডিত করেন। মন্দিরের গর্ভগৃহে শ্রীশ্রীমদনমোহন-রাধিকা মূর্তি রোজ পুজো করা হয়। বীর হাম্বির যে মদনমোহন বিগ্রহকে জোর করে বিষ্ণুপুরে নিয়ে আসেন এবং দুর্জন সিংহ তাঁকে মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করেন, সেই মদনমোহন মূর্তি কিন্তু এটা নয়। বিষ্ণুপুরের ছাপ্পান্ন তম রাজা, ব্রিটিশের চক্রান্তে, বিশাল রাজস্ব দেনায় পড়ে, রাজা অষ্টধাতুর মদনমোহন বিগ্রহ কলকাতায় বাগবাজারের গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিতে বাধ্য হন। এভাবে মদনমোহন বিগ্রহ হাতছাড়া হয়। বর্তমানে কলকাতায় বাগবাজারের মদনমোহন মন্দিরে এই মূর্তি অধিষ্ঠিত আছে। পরে মদনমোহনের অন্য এক মূর্তি এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই মূর্তি চুরি হওয়ার পরে আর এক প্রস্থ রাধাকৃষ্ণের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মদনমোহনের প্রাপ্তি নিয়ে একটা লোককাহিনী প্রচলিত আছে। বিষ্ণুপুরের মল্ল-রাজবংশের পরাক্রান্ত রাজা বীর হাম্বীর গেছিলেন মৃগয়ায়। রাতে বিশ্রাম নেবার জন্যে, আশ্রয় নিলেন এক তান্ত্রিকের কুটিরে। নজরে পড়লো এক অপূর্ব রাধামাধব মূর্তি। চোখ ফেরাতে পারলেন না। মনে মনে ঠিক করে ফেললেন তিনি এই বিগ্রহ হস্তগত করবেনই। ভোররাতে তান্ত্রিক যখন নিদ্রামগ্ন, বীর হাম্বীর বিগ্রহ নিয়ে চলে এলেন বিষ্ণুপুরে। প্রতিষ্ঠা করলেন মদনমোহনের। বিষণ্ণ তান্ত্রিক হাজির হলেন রাজদরবারে। ফেরত চাইলেন বিগ্রহ। কোনওমতেই রাজী হলেন না রাজা। বললেন ধনসম্পত্তি যা চাও নিয়ে যাও, মদনমোহনকে দেব না। প্রিয় দেবতাকে হারিয়ে হতাশ সাধক দিলেন অভিশাপ। যার জন্য তুমি আজ আমার চোখের জল ফেলালে, আমার ঘর খালি করে দিলে, ঠিক এমনই একটা দিন আসবে তোমার পরিবারে। জানিনা অভিশাপ কাজ করল কিনা। মন্দিরের কর্মচারীরা তোতাপাখির মতো বলে গেল। স্টিল ছবি তোলা যেতে পারে তবে ভিডিও নিষেধ। ছবি অনেক তোলা হল। ভিডিও️ নিষিদ্ধ তবে কেন তা আমি জানি না। আজকাল সমস্ত ক্যামেরায় স্টিল ও ভিডিও সবই তোলা যায় তবু প্রাগৈতিহাসিক নিষেধাজ্ঞা আজও বহাল। সবার মতো আমিও খানিকটা ভিডিও করে নিলাম। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
madanmohantempleenglish : "Madanmohan Temple:-This temple is a little different direction, so Totowala is taking it for the first show. After walking through some alleys, I came to the blue board, where the name of the temple is written. The city god Madan Mohan temple in Bishnupur is famous for its abundance of fine terracotta ornaments. Situated on a five-foot-high laterite foundation, the temple faces the east, west and south sides of the south-facing and have tri entrance corridore style. There are four rows of terracotta work on the two sides of the arch of the front wall, and under the cornice, and in the niche each statue is surrounded by a beautiful floral enclosure. The lower panels have sculptures of animals and birds, Krishna Leela, Dashabatar and other myths. The battle scene is mainly at the top. There are extollers and musicians on the pillars. At the top of the arch are the stories of Kurukshetra war and Mahabharata. There is also terracotta work on the inner wall of the building. There is little terracotta work on the east and west walls. One of the attractions of the Madan Mohan temple is the Hansalata or Hansamala panels. The founding inscription of the temple also contains Hangsa paintings. The Hangsa panels of the temple are like a lively and continuous biography of a Hangsa. Such a perfect serving of Hangsa life is rare in terracotta temples. The temple is forty feet long and about thirty-five feet high. Mallaraj Durjan Singh established this temple in 1694. There is a Charchala Natmandir in front of the main temple. There are also beautiful terracotta works on the Natmandir. The entrance of the temple is Dochala and the whole temple is surrounded by a wall. The entrance of the temple, the Natmandir and some parts of the wall were reduced to rubble. However, the Archaeological Survey of India, in time, rebuilt the ruined part and beautified the temple. The idol of Sri Sri Madan Mohan-Radhika is worshiped daily in the sanctum sanctorum of the temple. The Madan Mohan idol of Bir Hambir which was forcibly brought to Bishnupur and installed by Durjan Singh in the temple it is not this one. The fifty-sixth king of Bishnupur, in a British conspiracy, fell into huge revenue debt, and the king was forced to mortgage eight metals Madan Mohan idol to Gokul Mitra of Bagbazar in Calcutta. Thus the idol of Madan Mohan is lost. At present this idol is kept in the Madan Mohan temple at Bagbazar in Calcutta. Later another statue of Madan Mohan was erected here. After the theft of that idol, another set of idol of Radhakrishna was erected. There is a folklore about Madan Mohan's acknowledgment. Bir Hambir, the mighty king of the Malla dynasty of Bishnupur, went hunting. To rest at night, he took refuge in a Tantric hut. A wonderful idol of Radhamadhava came into view. He could not take his eyes off. He decided in his mind that he would seize this idol. When Tantric fell asleep at dawn, he came to Bishnupur with the idol of Madan Mohan. The sad Tantric appeared in the royal court. He wanted to get back the idol. The king did not agree at all. He said take whatever wealth you want, I will not give it to Madan Mohan idol. The desperate devotee cursed the king for lost deity. For which you shed my tears today, emptied my house, such a day will come to your family also. I don't know if the curse worked. The temple staff said like parrots told, still pictures can be taken but video is not allowed. Lots of pictures were taken. Video is banned but I don't know why. Steel and video can now be taken on all cameras, but prehistoric restrictions still apply. Like everyone else, I made some videos. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
madanmohantemplehindi : "मदनमोहन मन्दिर:-यह मन्दिर थोड़ा अलग दिशा में है, इसलिए तोतोवाला इसे पहले शो के लिए ले जा रहा है। कुछ गलियों से गुजरने के बाद, मैं नीले रंग के बोर्ड पर आया, जहाँ मन्दिर का नाम लिखा था। बिष्णुपुर में नगर देवता मदन मोहन मन्दिर अपने उत्कृष्ट टेराकोटा अलंकरणों की प्रचुरता के लिए प्रसिद्ध है। पाँच फुट ऊँची लैटेराइट नींव पर स्थित, मन्दिर दक्षिणाभिमुख के पूर्व, पश्चिम और दक्षिण दिशाओं का सामना करता है और त्रिकोणीय प्रवेश गलियारे शैली का है। सामने की दीवार के मेहराब के दोनों ओर और कंगनी के नीचे टेराकोटा के काम की चार पंक्तियाँ हैं, और आले में प्रत्येक मूर्ति एक सुंदर पुष्प घेरे से घिरी हुई है। निचले पैनलों में पशु-पक्षियों, कृष्ण लीला, दशहरा और अन्य मिथकों की मूर्तियाँ हैं। युद्ध के दृश्य मुख्य रूप से शीर्ष पर हैं। स्तंभों पर स्तुतिगान और संगीतकार हैं। मेहराब के शीर्ष पर कुरुक्षेत्र युद्ध और महाभारत की कहानियाँ हैं। भवन की भीतरी दीवार पर भी टेराकोटा का काम है। पूर्व और पश्चिम की दीवारों पर टेराकोटा का छोटा-सा काम है। मदन मोहन मन्दिर के आकर्षणों में से एक हंसलता या हंसमाला पैनल हैं। मन्दिर के स्थापना शिलालेख में भी हंगसा चित्रकारी है। मन्दिर के हंगसा पैनल किसी हंगसा की जीवंत और सतत जीवनी जैसे हैं। हंगसा जीवन का ऐसा उत्तम चित्रण टेराकोटा मन्दिरों में दुर्लभ है। मन्दिर चालीस फीट लंबा और लगभग पैंतीस फीट ऊँचा है। मल्लराज दुर्जन सिंह ने 1694 में इस मन्दिर की स्थापना की थी। मुख्य मन्दिर के सामने एक चर्चला नटमन्दिर है। नटमन्दिर पर भी सुंदर टेराकोटा कलाकृतियाँ हैं। मन्दिर का प्रवेश द्वार दोचला है और पूरा मन्दिर एक दीवार से घिरा हुआ है। मन्दिर का प्रवेश द्वार, नटमन्दिर और दीवार के कुछ हिस्से मलबे में तब्दील हो गए थे। हालाँकि, भारतीय पुरातत्व सर्वेक्षण ने समय के साथ, खंडहर हिस्से का पुनर्निर्माण किया और मन्दिर का सौंदर्यीकरण किया। मन्दिर के गर्भगृह में श्री श्री मदन मोहन-राधिका की मूर्ति की प्रतिदिन पूजा की जाती है। बीर हंबीर की मदन मोहन मूर्ति जिसे दुर्जन सिंह ने जबरन बिष्णुपुर लाकर मन्दिर में स्थापित किया था, वह यह नहीं है। बिष्णुपुर के छप्पनवें राजा, एक ब्रिटिश षड्यंत्र में, भारी राजस्व ऋण में फंस गए, और राजा को आठ धातुओं की मदन मोहन मूर्ति को कलकत्ता के बागबाजार के गोकुल मित्रा के पास गिरवी रखने के लिए मजबूर होना पड़ा। इस प्रकार मदन मोहन की मूर्ति खो गई। वर्तमान में यह मूर्ति कलकत्ता के बागबाजार में मदन मोहन मन्दिर में रखी गई है। बाद में मदन मोहन की एक और मूर्ति यहाँ स्थापित की गई। उस मूर्ति की चोरी के बाद, राधाकृष्ण की मूर्ति का एक और सेट स्थापित किया गया था। मदन मोहन की पावती के बारे में एक लोककथा है। बिष्णुपुर के मल्ल वंश के पराक्रमी राजा बीर हंबीर शिकार करने गए थे। रात में आराम करने के लिए, उन्होंने एक तांत्रिक झोपड़ी में शरण ली दुखी तांत्रिक राजदरबार में उपस्थित हुआ। वह मूर्ति वापस लेना चाहता था। राजा बिल्कुल भी सहमत नहीं हुए। उन्होंने कहा कि जो भी धन चाहिए ले लो, मैं मदन मोहन की मूर्ति को नहीं दूंगा। हताश भक्त ने राजा को खोये हुए देवता के लिए श्राप दिया। जिसके लिए आज तुमने आंसू बहाए, मेरा घर खाली किया, ऐसा दिन तुम्हारे परिवार पर भी आएगा। मुझे नहीं पता कि श्राप ने काम किया या नहीं। मन्दिर के कर्मचारियों ने तोते की तरह कहा, स्थिर चित्र लिए जा सकते हैं लेकिन वीडियो की अनुमति नहीं है। बहुत सारी तस्वीरें ली गईं। वीडियो पर प्रतिबंध है, लेकिन मुझे नहीं पता कि क्यों। स्टील और वीडियो अब सभी कैमरों पर लिए जा सकते हैं, लेकिन प्रागैतिहासिक प्रतिबंध अभी भी लागू हैं। बाकी सभी की तरह, मैंने भी कुछ वीडियो बनाए। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photomadanmohan :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
bordipaharbengali : "বরদি পাহাড়ঃ-ঘড়ির কাঁটা সবে রাত এগারোটার ঘর স্পর্শ করল, বাইরে নিঝুম রাত। ঝিঝি পোকাদের সম্মিলিত কলতান সেই নিস্তব্ধতাকে আরো মোহময় করে তুলছে। বারন্দার এল-ই-ডি আলোর পরিধি ছাড়ালেই নিকষ কালো অন্ধকার। শনশনে ভিজে ভিজে হাওয়ার মৃদু আস্ফালনের অস্ফুট শব্দ ভেসে আসছে চতুর্দিকের জঙ্গল থেকে। সব মিলিয়ে ঘন রহস্যের অবগুণ্ঠনাবৃত আজকের রাত্রি। প্রকৃতি উদার হস্তে তার বৈচিত্র্য দান করেছে ছোট-নাগপুর মালভূমির অন্তর্গত বাঁকুড়া জেলাকে। বাঁকুড়ার ছত্রে ছত্রে ছড়িয়ে বৈচিত্র্যময় প্রকৃতি। শুশুনিয়া, বিহারিনাথ, কোড়ো, বরোঘুটু ইত্যাদি পাহাড় সমৃদ্ধ জেলা বাঁকুড়া। সমতলভূমি, মালভূমি এবং উচ্চভূমির মেলবন্ধনের এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ আমাদের বাঁকুড়া জেলা। ছোট্ট, ফুটফুটে একটা পাহাড়। সবুজের চাদরে মোড়া পরিবেশে একাকী দাঁড়িয়ে। পাশ দিয়ে বয়ে চলা কংসাবতী নদী মাঝে মধ্যেই তার গালে দিচ্ছে সস্নেহ চুম্বন। পাখির ডাক ছাড়া আবহ সঙ্গীতে অন্য কোনও শব্দ নেই। বড়দি পাহাড়ের আনাচে কানাচে রয়েছে অপরূপ সব সৌন্দর্য। রয়েছে জল, জঙ্গল আর প্রাকৃতিক ঝর্ণা। অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষজনদের জন্যেও রয়েছে নানা উপাদান। আমরা ঘুরতে এসেছি বরদি পাহাড়ে। অ্যাডভেঞ্চার নেশাটা চাগার দিলেও বয়স বাধ সাধছে। সঙ্গে রয়েছেন আমার স্কুলের শিক্ষক বিলুদা ও তাঁর স্ত্রী। বয়স যথাক্রমে ৮৭ ও ৮০ বছর। তবু তাঁদের বেড়ানোয় কোনও ক্লান্তি নেই। এখন অবশ্য বাঁকুড়ার সারেঙ্গা ব্লকের বরদির সামান্য নাম ডাক হয়েছে। তাই কিছু মানুষ আসেন। কিন্তু বরদি আজ নয়, যখন বরদি নিতান্তই অনাঘ্রাত, অনাস্বাদিত ছিল তখনও তার সৌন্দর্যের প্রশংসা শুনে এসেছি। বরদির প্রথম দর্শনেই মুগ্ধ, প্রমে পড়ে গেলাম। সুবিশাল নয়, কিন্তু তার ক্ষুদ্রতার মধ্যেই আছে এক অন্য বৃহৎ সুন্দরের হদিশ। বরদির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে গা ঘেঁসে বয়ে চলা কংসাবতী। এখানে পাওয়া যায় সমতলভূমির বৃক্ষ, মালভূমির গাছপালা, মরুভূমির ক্যাকটাস জাতীয় উদ্ভিদ, খেজুর, শাল, কুল, কাঁটা প্রভৃতি। সম্প্রতি বরদির কোলে গড়ে উঠেছে থাকার আস্তানা। এটা ভ্রমণপ্রিয় মানুষের জন্য নিশ্চয় সুখবর। কিন্তু বরদির স্বাভাবিক নির্জনতা, সৌন্দর্য এতে খানিকটা কমেছে বলেই আমার ধারণা। তবে যারা যাবেন তারা যদি বরদির নির্জনতা এবং নিরিবিলি সৌন্দর্যের প্রতি যত্নবান হন তবেই বরদির সম্মান থাকবে। বরদিকে আসলে পাহাড় বলাটা ঠিক হবে না। বাঁকুড়া জেলার অন্য পাহাড়গুলোর তুলনায় আয়তন এবং উচ্চতায় বরদি নিতান্তই শিশু। শ দুয়েক ফুট উঁচু বরদির চুড়ায় উঠতে পরিশ্রম নেই বললেই চলে। কিন্তু চুড়ায় উঠে নদীর দিকে গেলেই চোখ জুড়িয়ে যায়। সবুজের গালচে পাতা, তারই মাঝে একে বেঁকে বয়ে চলেছে কংসাবতী। পরিষ্কার নীল জলে বরদির ছায়া। পাথরের উপরে বসে এই দৃশ্য দেখতে দেখতেই কেটে যায় অনেকটা সময়। বরদির পিছন দিকে শাল মহুয়ার জঙ্গল। নুড়ি পাথরে মোড়া জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হাঁটতেও কিন্তু ভাল লাগে। এখানেও পিছু ছাড়েনি নির্জনতা। এই নিরিবিলি নির্জনতাই বরদি পাহাড়ের আসল সৌন্দর্য। সেই সৌন্দর্যে অলঙ্কার পাখ পাখালির কুজন। হয় তো তেমন কিছু নেই। কিন্তু আবার আছে অনেক কিছু। চাই শুধু অনুভব। চাইলে আয়নার মত স্বচ্ছ জলে নেমে স্নানও করে নিতে পারা যায় তবে নামার রাস্তাটা তেমন সুবিধের নয়। বরদির একটা স্বতন্ত্র ইতিহাস আছে। চুয়ার বিদ্রোহের সাথে বরদির নাম রক্ত দিয়ে লেখা আছে। নরপশু ব্রিটিশ জল্লাদদের বিরুদ্ধে আমৃত্যু লড়াইয়ে, বরদির নাম স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম হিসাবে উল্লিখিত। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
bordipaharenglish : "Bordi Hills:-The hands of the clock barely touched at eleven o'clock at night. The still night outside. The combined call of the swarming grigs is making that silence even more enchanting. When the LED light on the balcony leaves its perimeter, there was pitch black darkness. The faint sound of the bragging of soaked wet air is coming from the surrounding jungle. All in all, tonight is shrouded in mystery.Nature has generously donated its diversity to the Bankura district in the Chhota-Nagpur Plateau. The varied nature of Bankura is scattered all over the place. Bankura is a hill-rich district like Sushuniya, Biharinath, Koro, Baroghutu etc. Our Bankura district is a perfect example of the combination of plains, plateaus and highlands. A small dinky hill. Standing alone in an environment wrapped in a green sheet. The Kangsavati River flowing by the side is occasionally kissing her on the cheek. There is no sound in the background music except the call of birds. There are all sorts of wonderful beauties in the hills. There are water, jungle and natural springs. There are also various ingredients for the adventurous people. We came to visit Bardi hill. Even if the adventurous intoxication is aroused in my mind, age is a barrier. My school teacher Biluda and his wife are with me. Age 87 and 80 years respectively. Yet there is no fatigue in their wandering. Now, of course, the name of Bardi in the Sarenga block of Bankura has been called by the people. So some people came. But Bardi is not that form today, which I have heard about the praise for her beauty when she was unexplored. I was fascinated at the first sight of Bardi and fall in love. Not vast, but in its smallness, there is another great beauty. The beauty of Bardi is further enhanced by the flowing of Kangsavati. Trees of plains, trees of plateau, cactus plants of desert, dates, Shals, jujube, thorns, etc. are found here. Recently, a Tourist hut has been built in Bordi's lap. This is definitely good news for people who love to travel. But I think the natural solitude and beauty of Bardi has diminished a bit. However, if those who go to visit should take care of the solitude and solitary beauty of Bordi, then Bordi will get respect. It would not be right to call Bordi a mountain. Compared to other hills in Bankura district, Bardi is very small in size and height. It goes without saying that there is no sweat to climb to the top of Bordi, which is just a couple of hundred feet high. But as soon as one reached the top and went towards the river, his eyes were enchanted with the beauties of surrounding. Within the green environment Kangsavati River is flowing through it. Bordi's shade in clear blue water is a fascinating scene.Sitting on a rock and watching this scene will take a lot of time. Behind Bordi is the forest of Shal Mahua. But it is also good to walk through the jungle wrapped in pebbles. The solitude did not leave behind here either. This secluded solitude is the real beauty of Bordi hill. In that beauty, the ornaments are the songs of the birds. Maybe there is nothing, but again there is a lot. Just one have to feel. If you want, you can take a soak in the clear mirror-like water, but the way down is not so convenient. Bordi has a distinct history. With the Chouha rebellion, Bardi's name is written in blood. In the battle of fight till death against the brutal British executioners, Bordi's name is mentioned as one of the most important names in the freedom movement.Now we set off towards the Sabuj Dwip. The water of Kangsavati is low, so it is easy to cross and walk for ten minutes to to Sabuj Dwip. If not, you have to go around the Sabuj Dwip a lot by taxi. This name, Sabuj Dwip, of course, did not came long before. She had been a green virgin for so long. For last five years, the local administration has beautified the island and created a picnic spot called Sabuj Dwip. This is what happened. Losing its natural beauty, the green island is now beautified with artificial beauty or make-up. It didn't appeal to me at all. There is also a place to stay. The price of food and stay, I heard there is quite painful. All in all, we went to Sabuj Dwip as it was just beside Bordi Pahar. But leaving Bordi Pahar to see Sabuj Dwip, both the feeling and viewing stumbled. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
bordipaharhindi : "बोरदी पाहार:-घड़ी की सुइयाँ रात के ग्यारह बजे ही रही थीं। बाहर सन्नाटा छाया हुआ था। झुंड में उड़ते पक्षियों की संयुक्त पुकार उस सन्नाटे को और भी मनमोहक बना रही थी। बालकनी की एलईडी लाइट जब अपनी परिधि से बाहर जाती, तो चारों ओर घना अंधेरा छा जाता। आसपास के जंगल से भीगी हुई हवा के बहने की धीमी ध्वनि आ रही थी। कुल मिलाकर, आज की रात रहस्य में डूबी हुई है।ষয়বী।छोटा-नागपुर पठार पर स्थित बांकुड़ा जिले को प्रकृति ने उदारतापूर्वक अपनी विविधता प्रदान की है। बांकुड़ा की विविधता सर्वत्र बिखरी हुई है। बांकुड़ा सुशुनिया, बिहारीनाथ, कोरो, बारोघुटू आदि पहाड़ियों से समृद्ध जिला है। हमारा बांकुड़ा जिला मैदानों, पठारों और ऊंचे इलाकों के मेल का एक आदर्श उदाहरण है। एक छोटी सी पहाड़ी। हरी चादर ओढ़े वातावरण में अकेली खड़ी। बगल में बहती कांगसावती नदी बीच-बीच में उसके गालों को चूम रही है। पृष्ठभूमि संगीत में पक्षियों की आवाज के अलावा कोई आवाज नहीं है। पहाड़ियों में हर तरह की अद्भुत सुंदरता है। पानी, जंगल और प्राकृतिक झरने हैं। साहसिक लोगों के लिए भी कई सामग्रियां हैं। हम बार्डी पहाड़ी घूमने आए थे। भले ही मेरे मन में साहसिक नशा जगा हो, लेकिन उम्र एक बाधा है। मेरे स्कूल के शिक्षक बिलुडा और उनकी पत्नी मेरे साथ हैं। उम्र क्रमशः 87 और 80 वर्ष। फिर भी उनके घूमने में कोई थकान नहीं है। अब, ज़ाहिर है, बांकुड़ा के सारेंगा ब्लॉक में बार्डी का नाम लोगों ने पुकारा है। इसलिए कुछ लोग आए। लेकिन बार्डी आज वह रूप नहीं है, जिसकी सुंदरता के बारे में मैंने उसके अज्ञात रहने पर प्रशंसा सुनी थी। मैं बार्डी को देखते ही मोहित हो गया और उससे प्यार हो गया। विशाल नहीं, बल्कि इसके छोटेपन में, एक और महान सौंदर्य है। बार्डी की सुंदरता कंगावती के बहने से और बढ़ जाती है हाल ही में, बोर्दी की गोद में एक टूरिस्ट हट का निर्माण हुआ है। घूमने-फिरने के शौकीन लोगों के लिए यह निश्चित रूप से अच्छी खबर है। लेकिन मुझे लगता है कि बोर्दी का प्राकृतिक एकांत और सौंदर्य थोड़ा कम हो गया है। फिर भी, अगर घूमने जाने वाले लोग बोर्दी के एकांत और एकांत सौंदर्य का ध्यान रखें, तो बोर्दी को सम्मान मिलेगा। बोर्दी को पहाड़ कहना उचित नहीं होगा। बांकुड़ा जिले की अन्य पहाड़ियों की तुलना में, बोर्दी आकार और ऊँचाई में बहुत छोटा है। कहने की ज़रूरत नहीं कि सिर्फ़ दो सौ फ़ीट ऊँचे बोर्दी के शिखर पर चढ़ने में कोई पसीना नहीं बहाना पड़ता। लेकिन जैसे ही कोई शिखर पर पहुँचता है और नदी की ओर जाता है, उसकी आँखें आसपास की सुंदरता से मंत्रमुग्ध हो जाती हैं। हरे-भरे वातावरण में कंगसावती नदी बह रही है। साफ़ नीले पानी में बोर्दी की छटा एक मनमोहक दृश्य है।ষয়বী।किसी चट्टान पर बैठकर इस दृश्य को देखने में काफ़ी समय लगेगा। बोर्दी के पीछे शाल महुआ का जंगल है। लेकिन कंकड़-पत्थरों से लिपटे जंगल में टहलना भी अच्छा लगता है। एकांत यहाँ भी पीछा नहीं छोड़ता। यह एकांत एकांत ही बोर्दी पहाड़ी की असली खूबसूरती है। उस खूबसूरती में, पक्षियों के गीत ही अलंकार हैं। हो सकता है कुछ न हो, पर फिर भी बहुत कुछ है। बस महसूस करना होता है। चाहें तो शीशे जैसे साफ़ पानी में डुबकी लगा सकते हैं, लेकिन नीचे उतरने का रास्ता इतना सुविधाजनक नहीं है। बोर्दी का एक अलग इतिहास है। चौहा विद्रोह के साथ, बोर्दी का नाम खून से लिखा गया है। क्रूर अंग्रेज़ जल्लादों के ख़िलाफ़ मरते दम तक लड़ने की लड़ाई में, बोर्दी का नाम आज़ादी के आंदोलन के सबसे अहम नामों में से एक के रूप में दर्ज है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photobordipahar :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
sutanbengali : "সুতানঃ-সুতান আসলে একটা উপত্যকা। চারিদিকে ঘন জঙ্গলে ঢাকা উঁচু টিলা দিয়ে ঘেরা একটা জলাধার। বাঁকুড়ার রানিবাঁধ থেকে ঝিলিমিলি যাওয়ার পথে প্রায় পুরোটাই ঘন জঙ্গলে ঢাকা। বারো মাইল জঙ্গলের গাছের চাঁদোয়া ঢাকা মসৃণ পিচ ঢালা রাস্তা ধরে পাহাড়ের পাকদণ্ডি বেয়ে বেশ কিছুটা এগোলেই পড়ে সুতান। একটা রাস্তার বাঁক নিয়ে আমরা উপস্থিত অসম্ভব সুন্দর জঙ্গলের দেশে। নাম তার সুতানের জঙ্গল, দক্ষিণবঙ্গের গভীরতম জঙ্গল। খাদের গা বেয়ে জঙ্গলের গতিপথ ধরে পৌঁছই একটা পরিত্যক্ত সিআরপিএফ ক্যাম্প এর কাছে। এই জঙ্গলে রয়েছে পিকনিক স্পট, একটা ফরেস্ট হাউস এবং উঁচু ওয়াচ টাওয়ার। এই সমস্ত দৃশ্য অ্যাডভেঞ্চারে রোমাঞ্চ আনার জন্যে যথেষ্ট। কোনও এক অজানা টাইমলাইনের আধিপত্যে সময় যেন এখানে থমকে দাঁড়িয়ে আছে। সে অর্থে পর্যটকদের ভিড় নেই এখানে। নেই কোলাহল, নেই ধোঁয়া ধুলোর দূষণ। হাজারো ব্যস্ততা আর ছুটে চলা নাগরিক সভ্যতা থেকে সহস্র যোজন দূরে একাকী পড়ে থাকা সুতান প্রকৃত অর্থেই প্রকৃতির এক অমূল্য সৃষ্টি। জলাধারের একপাশ দিয়ে বেরিয়ে গেছে ছোট্ট পাহাড়ি ঝোরা। কিছু দূর গিয়ে সেই ঝোরা হারিয়ে গেছে ঘন জঙ্গলে। পাথরের বুক চিরে আঁকাবাঁকা পথে বয়ে চলা সেই ঝোরার মৃদু কুলকুল শব্দই সুতানে তৈরি করেছে এক আলাদা আবহ। সুতানের নিস্তব্ধতা এতটাই যে দিনের বেলাতেও সেখানে স্পষ্ট শোনা যায় ঝিঝি পোকার ডাক, পাতা পড়ার শব্দ। দিনভর পাখিদের গাছে গাছে উড়ে বেড়ানো আর জলাধারের জলে নীল আকাশে সাদা মেঘের আনাগোনা দেখতে দেখতে এখানে কখন যে সময় কেটে যায় তা টের পাওয়া যায় না। ঝিলিমিলি রেঞ্জের মধ্যে সুতান হ্রদটা ৭ কিলোমিটার লম্বা। এখানকার জঙ্গল বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, স্বতন্ত্র ফুল এবং ঋতুকালীন পাখি সমৃদ্ধ। এই কুমারী বনাঞ্চল দুয়ারসিনি হয়ে দলমা বন পরিসরের সাথে সংযুক্ত এবং অপ্রত্যাশিত বিলাসবহুল সবুজের জন্যে এটাকে দক্ষিণ ডুয়ার্সের মতো লাগে। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
sutanenglish : "Sutan:-Sutan is actually a valley. It is a reservoir surrounded by high hills covered with dense forest. On the way to Jhilimili from Ranibandh of Bankura, almost the whole place is covered with dense forest. On the Twelve miles jungle covered with trees and smooth metallic roads, Sutan falls a short distance along the steep hillside. With a bend in the road we arrive in an impossibly beautiful jungle surrounded place. The name is Sutan Jungle, the deepest jungle in South Bengal. We Reached at an abandoned CRPF camp along the jungle trail. The forest has a picnic spot, a forest house and a tall watch tower. All these scenes are enough to bring thrill to the adventure. Time seems to stand still here, dominated by an unknown timeline. In that sense there is no crowd of tourists here. No noise, no smoke dust pollution nothing. Sutan, lying alone thousands of miles away from busy and fast-moving civilizations, is truly an invaluable creation of nature. A small mountain stream flows out on one side of the reservoir. After some distance, the stream is lost in the dense forest. The soft gurgling sound of the stream flowing through the winding path through the stone has created a different atmosphere in Sutan. The silence of Sutan is so great that even during the day one can clearly hear the call of grigs, the sound of falling leaves. Birds fly through the trees all day long and you can see the images of white clouds in the blue sky in the water of the reservoir. Lake Sutan is 7 km long in the Jhilimili range. The jungle is rich in different species of animals, unique flowers and seasonal birds. This virgin forest is connected to the Dalma forest range through Duarsini and it feels like South Duars for its unexpected luxurious greenery. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
sutanhindi : "सुतान:-सुतान वास्तव में एक घाटी है। यह घने जंगल से ढकी ऊंची पहाड़ियों से घिरा एक जलाशय है। बांकुड़ा के रानीबांध से झिलिमिली जाने वाले रास्ते में लगभग पूरा स्थान घने जंगल से ढका है। पेड़ों और चिकनी धातु की सड़कों से ढके बारह मील के जंगल में, सुतान थोड़ी दूर खड़ी पहाड़ी के साथ पड़ता है। सड़क के एक मोड़ के साथ हम एक असंभव रूप से खूबसूरत जंगल से घिरे स्थान पर पहुँचते हैं। नाम है सुतान जंगल, दक्षिण बंगाल का सबसे गहरा जंगल। हम जंगल के रास्ते एक परित्यक्त सीआरपीएफ कैंप में पहुँचे। जंगल में एक पिकनिक स्पॉट, एक फॉरेस्ट हाउस और एक ऊँचा वॉच टावर है। ये सभी दृश्य रोमांच लाने के लिए पर्याप्त हैं। समय यहाँ स्थिर लगता है, एक अज्ञात समयरेखा द्वारा हावी है। उस अर्थ में यहाँ पर्यटकों की कोई भीड़ नहीं है। न शोर, न धुआं धूल प्रदूषण कुछ भी नहीं। पत्थरों के बीच से घुमावदार रास्ते से बहती धारा की मधुर कलकल ध्वनि ने सुतान में एक अलग ही माहौल बना दिया है। सुतान का सन्नाटा इतना गहरा है कि दिन में भी ग्रिग्स की आवाज़, गिरते पत्तों की आवाज़ साफ़ सुनाई देती है। पक्षी दिन भर पेड़ों पर उड़ते रहते हैं और आप जलाशय के पानी में नीले आकाश में सफ़ेद बादलों की छवियाँ देख सकते हैं। सुतान झील झिलिमिली पर्वतमाला में 7 किलोमीटर लंबी है। यह जंगल विभिन्न प्रजातियों के जानवरों, अनोखे फूलों और मौसमी पक्षियों से समृद्ध है। यह अछूता जंगल डुआर्सिनी के माध्यम से दलमा वन श्रृंखला से जुड़ा हुआ है और अपनी अप्रत्याशित शानदार हरियाली के कारण यह दक्षिण डुआर्स जैसा लगता है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photosutan :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
talberiabengali : "তালবেড়িয়া ড্যামঃ-ঝিলিমিলি থেকে রাস্তা সোজা চলে গেছে আট কিমি দূরে তালবেড়িয়া ড্যামের দিকে। সবুজ জঙ্গলময় টিলা দিয়ে ঘেরা নীল জলের ছোট্ট ছবির মত জলাধার তালবেড়িয়া। এটা একটা প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র। সমস্ত রাস্তা গভীর বন এবং উপজাতি গ্রাম দ্বারা আচ্ছাদিত। তালবেড়িয়া একটা মনোমুগ্ধকর জায়গা। তালবেড়িয়া বা তালবেড়া ড্যাম যেমন নির্জন তেমনি সুন্দর। ড্যামের জল যেমন স্বচ্ছ তেমনই টলটলে। আকাশের নীল রঙ আর ড্যামের জল যেন মিলেমিশে একাকার। লেকের চতুর্দিক জঙ্গল দিয়ে ঘেরা। ড্যামের মাঝে মাঝে দু একটা চর জেগেছে তবে বৃষ্টি হওয়ার জন্যে তা ঠাওর করা মুশকিল। লেকের জলে দু-একজন স্থানীয় মানুষ ছিপ ফেলে মাছ ধরছে। কারো মাথায় ছাতা, কারো বা টোকার মত বড় টুপি। চতুর্দিক পরিষ্কার আবর্জনাহীন। পাশের জঙ্গলে একটা সরু পায়ে চলা পথ ঢুকেছে, সেই পথ ধরে অনেকটা ভিতরে ঢুকে জঙ্গল দেখা যায়। বিকেল বেলা স্থানীয় কাঠুরিয়া মহিলারা ঐ জঙ্গলের পথ ধরে তাদের বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। মাথায় কাঠের বোঝা। আমরাও একটু জঙ্গলের দিকে পা বাড়ালাম। পথ ক্রমশঃ সরু হয়ে জঙ্গলে হারিয়ে গেছে। বিকেল হয়ে গেছে বলে বেশিদূর যাওয়ার সাহস পেলাম না। বিস্তৃত জলরাশির ওপর তৈরি তালবেড়িয়া ড্যাম। ড্যামের উপর দিয়ে রয়েছে পিচের রাস্তা আর মাঝখানে লক গেট। ড্যাম থেকে সূর্যোদয়ের দৃশ্য অসাধারণ। বিকালবেলাতে ড্যামের আশপাশ ঘুরে বেড়াতে দারুণ লাগে। তালবেড়িয়া বাঁধ পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। এই পাঁচিলের মাঝামাঝি থেকে একটি সিমেন্টের তৈরি মঞ্চ লেকের খানিকটা ভিতর অব্দি চলে গেছে। এখান থেকে প্রকৃতির ভিউ অনবদ্য। এই জায়গা আরও সুন্দর হয়ে ওঠে সূর্যাস্তের সময়। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
talberiaenglish : "Talberia Dam:-The road has gone straight from Jhilimili to Talberia Dam which is 8 km away. Talberia is like a small picture of blue water surrounded by green forested hills. It is a natural tourist destination. All roads are covered by deep forests and tribal villages. Talberia is a fascinating place. Talberia or Talbera Dam is beautiful as well as lonely. The water of the dam is cryastal clear. The blue color of the sky and the water of the dam seem to blend together. It is surrounded by jungles around the lake. Occasionally a couple of small shoals wake up in the dam, but it is difficult to predict as the rain submerged them. A couple of local people are fishing in the water of the lake. There is an umbrella on someone's head, or a big hat like a basket. All around is clean and garbage free. There is a narrow path in the forest nearby dam, and one can see a lot through that path. In the afternoon, the local woodcutter women are returning to their homes through the jungle. The burden of wood is on the head. We also set foot in the forest. The path gradually became narrower and lost in the deep forest. We did not dare to go far as it was afternoon. Talberia Dam built on a wide body of water. There is a metallic road over the dam and a lock gate in the middle. The view of the sunrise from the dam is amazing. It feels great to walk around the dam in the afternoon. Talberia dam is surrounded by a wall. From the middle of this wall, a cement platform has moved a little further into the lake. The view of nature from here is impeccable. This place becomes more beautiful during sunset. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
talberiahindi : "तालबेरिया बाँध:-झिलिमिली से सड़क सीधी होकर तालबेरिया बाँध तक जाती है जो 8 किमी दूर है। तालबेरिया, हरे-भरे जंगलों से घिरा, नीले पानी का एक छोटा सा चित्र सा है। यह एक प्राकृतिक पर्यटन स्थल है। सभी रास्ते घने जंगलों और आदिवासी गाँवों से आच्छादित हैं। तालबेरिया एक मनमोहक जगह है। तालबेरिया या तालबेरा बाँध सुंदर होने के साथ-साथ एकांत भी है। बाँध का पानी बिल्कुल साफ़ है। आकाश का नीला रंग और बाँध का पानी एक-दूसरे में घुल-मिल गए हैं। यह झील के चारों ओर जंगलों से घिरा हुआ है। कभी-कभी बाँध में एक-दो छोटे-छोटे झुंड उभर आते हैं, लेकिन बारिश में डूब जाने के कारण उनका अनुमान लगाना मुश्किल है। कुछ स्थानीय लोग झील के पानी में मछली पकड़ रहे हैं। किसी के सिर पर छाता है, तो किसी के सिर पर टोकरी जैसी बड़ी टोपी। चारों ओर साफ़-सफ़ाई और कचरा मुक्त है। बाँध के पास जंगल में एक संकरा रास्ता है, और उस रास्ते से बहुत कुछ देखा जा सकता है। दोपहर में, स्थानीय लकड़हारे महिलाएँ जंगल के रास्ते अपने घरों को लौट रही होती हैं। लकड़ियों का बोझ सिर पर है। हम भी जंगल में कदम रख चुके थे। रास्ता धीरे-धीरे संकरा होता गया और घने जंगल में खो गया। दोपहर होने के कारण हम ज़्यादा दूर जाने की हिम्मत नहीं जुटा पाए। तालबेरिया बाँध पानी की एक चौड़ी जगह पर बना है। बाँध के ऊपर एक पक्की सड़क है और बीच में एक ताला लगा हुआ है। बाँध से सूर्योदय का नज़ारा अद्भुत है। दोपहर में बाँध के आसपास घूमना बहुत अच्छा लगता है। तालबेरिया बाँध एक दीवार से घिरा है। इस दीवार के बीच से एक सीमेंट का चबूतरा झील में थोड़ा और आगे बढ़ा है। यहाँ से प्रकृति का नज़ारा अद्भुत है। सूर्यास्त के समय यह जगह और भी खूबसूरत हो जाती है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
phototalberia :
""+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
" "+
"",
shimlipalbengali : "সিমলাপালঃ-বাঁকুড়া জেলার একটা সাধারণ জনপদ কিন্তু তা বিখ্যাত হয়ে আছে তার চারশো বছরের রাজবাড়ির জন্যে। বাঁকুড়া বেড়াতে যারা বরদি পাহাড়, ঝিলিমিলি, সুতান যান তাঁরা অবশ্যই সিমলাপাল যান ও রাজবাড়ির পুরনো স্বাদ গ্রহণ করেন। আমরাও সেই মতো চললাম সিমলাপাল। প্রথমেই পড়লো একটা পুরনো বাজার। সপ্তাহান্তে হাট বসে পাশের মাঠে। কাছেই রয়েছে দুর্গামণ্ডপ, মাঠে রয়েছে রাসমঞ্চ আর কিছুটা দূরে একটা পুকুরের কাছে রয়েছে পুরনো রাজবাড়ি। তবে রাজবাড়ির লোকজন অন্য একটা বাড়িতে থাকেন, আর রাজবাড়িটা একটা স্মৃতিচারণা করার জন্যে রাখা আছে সেই পুরনো ঐতিহ্য বজায় রেখে। পাশেই রয়েছে পুরনো মন্দির। তার একটা শিবের আর একটা রাধাকৃষ্ণের। আমরা ভালো করে রাজবাড়িটা ঘুরে দেখলাম। কাছেই কাছারিবাড়ি আর রাজবংশের বংশধরদের মধ্যে যারা অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি করতে পারেননি তাঁদের বাড়ি। তবে দুর্গাপুজোয় সবার অধিকরা সমান। আমরা গেছিলাম পঞ্চমীর দিন। তাই সাজো সাজো রব। কথায় কথায় চলে এলো রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর পুরনো ইতিহাস। এবারের দুর্গাপুজোয় চারশো বছরের পুরনো বলিপ্রথা তুলে দিয়ে তাঁরা প্রতীকী বলি শুরু করেছেন ছাঁচি কুমড়ো, আখ, কলা, চালকুমড়ো ইত্যাদি দিয়ে। দিন বদলের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতির নিয়মেই বদলে গিয়েছে পুরনো প্রথা। পূর্বপুরুষরা দেবীমূর্তির সামনে শতাধিক ছাগশিশু বলি দিতেন। সেই বলি আজ বন্ধ করে দিয়ে এই পরিবার নজির তৈরির পাশাপাশি অন্যদের কাছেও একই আবেদন জানাচ্ছেন। রাজবাড়ির বংশধররা বললেন, শাস্ত্রে যে বলির কথা বলা হয়েছে তার মর্মার্থ হল নিজের রিপুকে বলি দেওয়া। পশুবলি তো প্রতীকী। সুতরাং নিজের ষড়রিপু অর্থাৎ কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্যকে বলি দিন। দক্ষিণ বাঁকুড়ার চারশো বছরের প্রাচীন দুর্গাপুজোর অন্যতম সিমলাপাল রাজবাড়ির পুজো। পারিবারিক রীতিনীতি ও পঞ্জিকার নিয়ম মেনে এখন পুজোর যাবতীয় আচার অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এই পুজো তাই আক্ষরিক অর্থে শান্তির পুজো, অহিংসার পুজো। সিমলাপাল রাজ পরিবারের এই পুজোর সূচনার ইতিবৃত্ত বর্তমান বংশধরদের কাছে অজ্ঞাত। তবে পারিবারিক নথিপত্র থেকে জানা যায় আনুমানিক, এই পুজো সাড়ে তিনশো থেকে চারশো বছরের পুরনো। কথিত আছে, বাঁকুড়ার সিমলাপাল থেকে পুরুলিয়ার কুইলাপাল পর্যন্ত বিস্তীর্ণ মৌজা ছিল এই রাজ পরিবারের অধীনে। সিমলাপাল রাজ পরিবারের শেষ রাজা ছিলেন শ্যামসুন্দর সিংহ চৌধুরি। তাঁর তিন ছেলে। বড় ছেলে কল্যাণীপ্রসাদ সিংহ চৌধুরি ১৯৮৪ সালে পথ দুর্ঘটনায় মারা যান। মেজো ছেলে অমিয়প্রসাদ সিংহ বিদেশে থাকতেন। আর ছোট ছেলে দেবপ্রসাদ সিংহ বড়ঠাকুর এখন সিমলাপালেই থাকেন। কেমন ছিল সেদিনের পুজো? সপ্তমীর দিন তিনটে ছাগল, তিনটে কুমড়ো, অষ্টমীর সন্ধিপুজোয় এগারটা ছাগল, ছাঁচি কুমড়ো ও আখ এবং নবমীর দিন পাঁচটা করে ছাগল, ছাঁচি কুমড়ো ও আখ বলি দেওয়া হত। এছাড়াও এলাকার বহু মানুষের মানত করা শতাধিক ছাগল বলি দেওয়া হত। অষ্টমীর সন্ধিপুজোয় বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের তোপধ্বনির পরে এখানেও তোপ দাগার রেওয়াজ ছিল। তবে সেসব আজ আর হয় না। তবে রাজবাড়ির দুর্গাপুজো শিমলাপালে একটা সবার পুজোয় পরিণত হয়েছে। জঙ্গলঘেরা বাঁকুড়ার পর্যটন সম্পদের কথা সবার জানা। বাঁকুড়া বলতেই প্রথমে মনে আসে বিষ্ণুপুর, জয়পুর, মুকুটমণিপুর, সুতান অথবা রাইপুরের সবুজ দ্বীপ। সেই সঙ্গে মা সারদা, মল্লরাজা, মদনমোহন, মদনগোপাল আবার অন্য দিকে পৃথিবী বিখ্যাত ভাস্কর, চিত্রশিল্পী রামকিঙ্কর বেজ, যামিনী রায় আবার মনোহর দাস, চণ্ডীদাস, বাসুলীদেবী। এই বাঁকুড়ারই নবতম সংযোজন রসগোল্লা। বাংলার সাধারণ রসগোল্লা নয়। এটা তালের রসগোল্লা। জেলার সিমলাপালে তৈরি তালের রসগোল্লা ইতিমধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছে। তাই যাঁরা যাবেন তাঁরা যেন এর স্বাদ অবশ্যই গ্রহণ করেন। আমরা পারিনি কারণ আমাদের দুজন সদস্যকে সাংঘাতিকভাবে বোলতায় কামড়ে দেয় ও ডাক্তার বদ্যি করতে করতে রসগোল্লা আর খাওয়া হয়নি। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
shimlipalenglish : "Simlapal:-Simlapal is a very common town in Bankura district but it is famous for its four hundred year old palace. Those who visit Bankura, Bardi Pahar, Jhilimili, Sutan must visit Simlapal and enjoy the old taste of Rajbari. We also went to Simlapal like that. We first came to an old market. On the weekends there is local market in the nearby field. There is a Durga Mandap nearby, a Rasmancha in the field and an old palace near a pond a little further away. However, the people of the palace live in another house, and the palace is kept as a memorial, maintaining that old tradition. Next to it is the old temple. One belongs to Shiva and the other to Radhakrishna. We took a look around the palace. Nearby are the house of Kacharibari and the descendants of the dynasty who could not improve financially. However, in Durgapujo, everyone is equal. We went on the fifth day of Durgapuja. So everywhere everybody is busy. While talking with the descendands of Rajbari, the old history of Durgapuja came as a topic. Durgapuja of this year, they have started the symbolic sacrifice by removing the four hundred year old sacrificial system with sugarcane, banana, rice and pumpkin. With the change of days, the old customs have changed according to the laws of nature. The ancestors used to sacrifice more than a hundred kids of goat in front of the idol. By stopping that sacrifice today, this family is making a precedent as well as making the same appeal to others. The descendants of the royal family said that the meaning of the sacrifice mentioned in the scriptures was to sacrifice one's own choler. Animal sacrifice is symbolic. So sacrifice your six choler i.e. lust, anger, greed, delusion, wine and envy. Pujo of Simlapal Rajbari is one of the old Durgapuja of four hundred year old in South Bankura. All the rituals of Pujo are now performed in accordance with the family customs and calendar rules. At present this puja is literally a puja of peace, a puja of non-violence. The history of the beginning of this puja of the Simlapal royal family is unknown to the present descendants. However, according to family documents, it is estimated that this puja is three and a half to four hundred years old. It is said that the vast mouzas from Simlapal in Bankura to Kuilapal in Purulia were under this royal family. Shyamsunder Singh Chowdhury was the last king of the Simlapal royal family. He has three sons. The eldest son Kalyani Prasad Singh Chowdhury died in a road accident in 1984. Second son Amiya Prasad Singh lived abroad. And the younger son Devprasad Singh Barthakur now lives in Shimla. How was the worship that day? On the seventh day three goats, three pumpkins, on the eighth day at Sandhipujo, eleven goats, one pumpkin and sugarcane and on the ninth day five goats, one pumpkin and sugarcane were sacrificed. Hundreds of goats were also sacrificed to the vows of many people in the area. After the cannonade of the Malla kings of Bishnupur in the Sandhipujo of Ashtami, it was customary to fire cannons here as well. But that doesn't happen today. However, Durgapujo of Rajbari has become a pujo of all in Shimlapal. Everyone knows about the tourist resources of forested Bankura. The first thing that comes to mind when you say Bankura is Bishnupur, Jaipur, Mukutmanipur, Sutan or the Sabuj Deep of Raipur. At the same time Mother Sarada, Mallaraja, Madan Mohan, Madangopal on the other hand world famous sculptor, painter Ramkinkar Bez, Jamini Roy again Manohar Das, Chandidas, Basulidevi. Rasgolla is the latest addition to this Bankura. Not the common Rasgolla of Bengal. It's a palm Rasgolla. Palm rasgolla made in Simlapal has already become popular in the district. So those who go must taste it. We couldn’t because two of our members were fatally bitten by hornets and we were running after doctor. So we could not eat the Rasgolla anymore. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
shimlipalhindi : "सिमलापाल:-सिमलापाल बांकुड़ा जिले का एक बहुत ही आम शहर है, लेकिन यह अपने चार सौ साल पुराने महल के लिए प्रसिद्ध है। बांकुड़ा, बरदी पहाड़, झिलिमिली, सुतन जाने वालों को सिमलापाल ज़रूर जाना चाहिए और राजबाड़ी के पुराने स्वाद का आनंद लेना चाहिए। हम भी ऐसे ही सिमलापाल गए। हम सबसे पहले एक पुराने बाज़ार में पहुँचे। सप्ताहांत में पास के खेत में स्थानीय बाज़ार लगता है। पास में एक दुर्गा मंडप है, खेत में एक रसमंचा और थोड़ी दूर एक तालाब के पास एक पुराना महल है। हालाँकि, महल के लोग दूसरे घर में रहते हैं, और महल को उस पुरानी परंपरा को निभाते हुए एक स्मारक के रूप में रखा गया है। इसके बगल में पुराना मन्दिर है। एक शिव का और दूसरा राधाकृष्ण का। हमने महल का जायजा लिया। पास ही कचहरीबाड़ी के घर और उस राजवंश के वंशज हैं जो आर्थिक रूप से बेहतर नहीं हो सके। हालाँकि, दुर्गापूजा में सभी समान हैं। हम दुर्गापूजा के पांचवें दिन गए थे। इसलिए हर जगह हर कोई व्यस्त था। राजबाड़ी के वंशजों से बात करते हुए दुर्गापूजा का पुराना इतिहास चर्चा का विषय बना। इस वर्ष की दुर्गापूजा में उन्होंने चार सौ साल पुरानी बलि प्रथा को हटाकर गन्ना, केला, चावल और कद्दू से प्रतीकात्मक बलि की शुरुआत की है। दिनों के बदलाव के साथ प्रकृति के नियमों के अनुसार पुराने रीति-रिवाज भी बदल गए हैं। पूर्वज मूर्ति के सामने सौ से अधिक बकरी के बच्चों की बलि देते थे। आज उस बलि को रोककर यह परिवार न केवल एक मिसाल कायम कर रहा है, बल्कि दूसरों से भी यही अपील कर रहा है। राजपरिवार के वंशजों ने कहा कि शास्त्रों में वर्णित बलि का अर्थ अपने स्वयं के पित्त का त्याग करना है। पशु बलि प्रतीकात्मक है। इसलिए अपने छह पित्त अर्थात काम, क्रोध, लोभ, मोह, मद और ईर्ष्या का त्याग करें। सिमलापाल राजबाड़ी की पूजा दक्षिण बांकुड़ा की चार सौ साल पुरानी दुर्गापूजा में से एक है वर्तमान में यह पूजा वस्तुतः शांति की पूजा है, अहिंसा की पूजा है। सिमलापाल राजपरिवार की इस पूजा की शुरुआत का इतिहास वर्तमान वंशजों के लिए अज्ञात है। हालांकि, पारिवारिक दस्तावेजों के अनुसार, यह अनुमान लगाया जाता है कि यह पूजा साढ़े तीन से चार सौ साल पुरानी है। ऐसा कहा जाता है कि बांकुड़ा के सिमलापाल से लेकर पुरुलिया के कुइलापाल तक के विशाल मौजे इस राजपरिवार के अधीन थे। श्यामसुंदर सिंह चौधरी सिमलापाल राजपरिवार के अंतिम राजा थे। उनके तीन बेटे हैं। सबसे बड़े बेटे कल्याणी प्रसाद सिंह चौधरी की 1984 में एक सड़क दुर्घटना में मृत्यु हो गई। दूसरे बेटे अमिय प्रसाद सिंह विदेश में रहते थे। और छोटे बेटे देवप्रसाद सिंह बड़ठाकुर अब शिमला में रहते हैं। उस दिन पूजा कैसी थी? सातवें दिन तीन बकरे, तीन कद्दू, आठवें दिन संधिपूजो में ग्यारह बकरे, एक कद्दू और गन्ना और नौवें दिन पांच बकरे, एक कद्दू और गन्ना की बलि दी गई। क्षेत्र के कई लोगों की मन्नतों के लिए सैकड़ों बकरों की बलि भी दी जाती थी। अष्टमी की संधिपूजा में बिष्णुपुर के मल्ल राजाओं द्वारा तोप चलाने के बाद, यहाँ भी तोप चलाने की प्रथा थी। लेकिन आजकल ऐसा नहीं होता। हालाँकि, राजबाड़ी की दुर्गापूजा शिमलापाल में सभी की पूजा बन गई है।वनों से घिरे बांकुड़ा के पर्यटन संसाधनों के बारे में सभी जानते हैं। बांकुड़ा कहते ही सबसे पहले बिष्णुपुर, जयपुर, मुकुटमणिपुर, सुतन या रायपुर का सबुज दीप याद आता है। साथ ही माँ शारदा, मल्लराजा, मदन मोहन, मदनगोपाल, दूसरी ओर विश्व प्रसिद्ध मूर्तिकार, चित्रकार रामकिंकर बेज, जामिनी रॉय, मनोहर दास, चंडीदास, बसुलीदेवी। रसगुल्ला इस बांकुड़ा का नवीनतम जोड़ है। बंगाल का सामान्य रसगुल्ला नहीं। यह ताड़ का रसगुल्ला है तो जो लोग जाते हैं उन्हें इसे ज़रूर चखना चाहिए। हम नहीं जा सके क्योंकि हमारे दो सदस्यों को ततैया ने काट लिया था और हम डॉक्टर के पीछे भाग रहे थे। इसलिए, हम अब रसगुल्ला नहीं खा सकते थे। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"