var Alipurduaritems =
{
menusystembengali :
" "+
"এই পাতার জায়গাসমূহঃ-"+
"মেনু দেখতে ক্লিক করুন"+
" •টোটোপাড়া"+
" •সংকোশ "+
" •সান্তলাবাড়ি",
menusystemenglish :
" "+
"Places in This Page:-"+
"Click To See Menu"+
" •Totopara"+
" •Sankosh "+
" •Santlabari",
menusystemhindi :
" "+
"इस पृष्ठ के स्थान:-"+
"उस पेज मेनू पर क्लिक करें"+
" •टोटोपारा"+
" •संकोश "+
" •संतलाबाड़ी",
totoparabengali : "টোটোপাড়াঃ-টোটো ভারতের এক অতি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী। পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার উত্তর প্রান্তে ভুটান সীমান্তে তোর্ষা নদীর ধারে টোটোপাড়া গ্রামে এদের বাস। টোটোরা তাদের এই গ্রামের বাইরে অন্য কোথাও বাস করে না। গত শতাব্দীর মাঝামাঝি একটা সমীক্ষায় দেখা যায় টোটো উপজাতি প্রায় লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। ১৯৫১ সালের জনগণনায় এদের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৩২১-এ। পরবর্তী দশকগুলোতে টোটোদের রক্ষা করার জন্যে সরকার কিছু কর্মসূচী গ্রহণ করে। ২০০১ সালের জনগণনায় এদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮৪ ও বর্তমানে পাঁচ হাজার। টোটোরা বৃহত্তর ইন্দো-মঙ্গলীয় জনগোষ্ঠীর একটা বিচ্ছিন্ন শাখা। টোটো ভাষার নিজস্ব কোনও লিপি নেই, তবে অনেকে বাংলা লিপি ব্যবহার করে। বর্তমান টোটো প্রজন্মের মানুষেরা বাইরের মানুষের সাথে বাংলা এবং নেপালি দুই ভাষাতেই কথাবার্তা বলে। টোটোপাড়া এবং পার্শ্ববর্তী স্কুলগুলোতে বাংলা এবং নেপালি ভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদান করা হয়।পাহাড়ের ওপরে টোটোদের গ্রাম। মাত্র ২০০০ একর পরিসীমার টোটোপাড়া গ্রামটা টোটোদের একমাত্র বাসভূমি। জলদাপাড়া অভয়ারণ্যের সন্নিকটে অবস্থিত এই গ্রামের প্রাকৃতিক দৃশ্য অতি মনোরম। ভুটান সীমান্ত বরাবর দাঁড়িয়ে আছে তাদিং পাহাড়। এই পাহাড়ের ঢালেই টোটোদের গ্রাম। পাহাড় ঘেরা এই গ্রামটা টোটো সংস্কৃতি এবং ধর্মের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। টোটোপাড়াকে ঘিরে রেখেছে বারোটা নদী ও ঝোরা। পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা ঝরণাগুলোই নিচে নেমে আসার পর ঝোরায় পরিণত হয়। নদীগুলোর স্থানীয় নাম হাউড়ি-কাংদুংতি, দীপ্তি, চুয়াতি, নিতিংতি, জৈপ্তি, গোয়াতি, নামসিতি, কিতিংতি, মুটি, উদিংতি, মেরেমতি। আর টোটোপাড়াকে আড়াল করে রেখেছে যথাক্রমে পদুয়া, হিস্পা, দাম্পি ও দপ্রুংলাকা এই চারটে পাহাড়। এখান থেকে মাদারিহাটের দূরত্ব মাত্র তেইশ কি.মি.। এখানকার নদীগুলোর ওপর সেতু নির্মাণ করা বেশ কঠিন। কারণ সেগুলো সংখ্যায় অনেক, আর আকারে বিশাল। তবে সেগুলোতে সাধারণভাবে জল থাকে না। তবে বৃষ্টি এলে সেগুলো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তখন টোটোপাড়া একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিন্তু জল স্থায়ীভাবে থাকে না। বৃষ্টি থামার কিছু পরেই জল নেমে যায়। তখন গাড়ি যাতায়াত করতে পারে।ভুটান সীমান্ত জয়গাঁ বা ওপারে ফুন্টশিলিং-এর দূরত্ব মাত্র মাইল ছয়েক হলেও পথ খুব দুর্গম বলে টোটোপাড়ার মানুষেরা মাদারিহাট দিয়ে যাতায়াত করাই বেশি সুবিধাজনক বলে মনে করে। মাদারিহাট থেকে বর্তমানে দুটো জিপ চলাচল করে। আগে আলিপুরদুয়ার-টোটোপাড়া সরকারি বাস চালু করা হয়েছিল। তবে সরকারি বাস এখন বন্ধ। সারাদিনে একটা বেসরকারি বাস একবার মাদারিহাট-টোটোপাড়া যাতায়াত করে। ১৯৭৮ সাল থেকে টোটোপাড়ায় হাট বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর আগে তেইশ কিলোমিটার দুর্গম রাস্তা পেরিয়ে হাট বাজার করতে হতো। এখন প্রতি মঙ্গলবারে হাট বসে। মাদারিহাট, হাসিমারা, আলিপুরদুয়ার থেকে মানুষজন জিনিসপত্র বিক্রি করতে আসেন। স্থায়ী দোকানপাটও হয়েছে বেশ কয়েকটা। তাই প্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছু এখন এখানেই মেলে। দোকানে এখন অনেক সৌখিন জিনিসও পাওয়া যায়। আর্থিক অবস্থা আগের চাইতে ভালো হওয়ার জন্য এখন টোটোপাড়ার সবাই জুতো অথবা চটি পায়ে দেন। খাওয়ার হোটেলও হয়েছে। থাকার জন্য একটা সরকারি বাংলো আছে। তা ছাড়াও সাম্প্রতিক তৈরি হওয়া কিছু হোমস্টে রয়েছে।টোটোপাড়া গ্রামটা ছটা পাড়ায় বিভক্ত। এগুলোর নাম পঞ্চাযতগাঁও, মণ্ডলগাঁও, সুব্বাগাঁও, মিত্রঙগাঁও, পুজাগাঁও এবং ধুমচিগাঁও। টোটোপাড়ায় একটা নেপালি বসতিও আছে। ১৯৯০ সালে টোটোপাড়ায় একটা প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। পরে ১৯৯৫ সালে হোস্টেল সহ একটা উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে টোটো পাড়ায় একটা স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।টোটোরা বাসগৃহ কে বলে নাকো-শা। টোটোদের বাড়িগুলো মাটি থেকে ৫-৬ ফুট উঁচু মাচা র ওপর তৈরি করা হয়। কাঠ বাঁশ ও ওডলা গাছের বাকলের দড়ি দিয়ে তৈরি হয় এই বাডি। ঘরে ঠাণ্ডা আটকানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। হাড় হিম করা শীতে উঠোনের আগুনই একমাত্র ভরসা। ঘরের সঙ্গেই লাগানো থাকে একটা বাঁশের মাঁচা। মাটি থেকে ঘরে ওঠার জন্য একটা গাছের গুড়িতে খাঁজখাঁজ করে কেটে বানানো হয় সিঁড়ি। তার নাম দুই। তবে ওই ধরনের পুরানো বাড়ি দু-একটাই আছে। এই বাড়িগুলোর নিচে টোটোরা গৃহপালিত পশু যেমন গরু, শুয়োর ইত্যাদি পালন করে। টোটোদের মধ্যে কৃষিজীবীই বেশি। এরা পশুপাখিও পালন করে। এক সময় টোটোরা উচ্চমানের কমলালেবু উৎপাদন করতো। চাষ-আবাদের ক্ষেত্রে টোটোরা খুব একটা দক্ষ নয়। তার ওপর জমির অভাব ও জমির অনুর্বরতার কারণে টোটোরা সারা বছরের খাদ্যশস্য তেমন ভাবে উৎপাদন করতে পারে না। অনেক পরিশ্রম করে তাঁরা ধান, মাড়ুয়া ছাড়াও আদা, হলুদ, সুপুরি ইত্যাদি চাষ করে। টোটোরা চাল, ভুট্টা, মারউয়া, কাউন ইত্যাদি খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে। খাদ্য সংগ্রহের ব্যাপারে টোটোরা এখনও অরণ্যের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। বাঁশ থেকেও এদের ভালো আয় হয়। আবার অনেকে পিঠে করে ভুটানে কাঠ বয়ে নিয়ে গিয়েও জীবিকা নির্বাহ করে। অত্যন্ত দারিদ্র্য আর অনটনের মধ্যে রয়েছে প্রতিটি পরিবার।টোটোরা প্রকৃতিবাদী। প্রকৃতির সব কিছুই তাদের উপাস্য। টোটোদের একটি নিজস্ব ধর্ম রয়েছে। অবশ্য অনেকে নিজেদের হিন্দু বলেও পরিচয় দেয়। এদের প্রধান দেবতা ঈশপা বা মহাকালী। মন্দিরের নামও ঈশপা। এঁরা মহাকাল ও মহাকালীর পুজো করে। একখণ্ড পাথর কে মহাকাল রূপে এবং দুটো ঢোলককে মহাকালী রূপে পুজো করা হয়। মন্দিরেও দুটো ঢোলক দেখা যায়। পুজোতে ইউ নামক এক প্রকার পানীয় দেবতাকে উৎসর্গ করা হয়। টোটোদের প্রতি গোত্রের একটা করে উপাস্য গোত্রদেবতা রয়েছে, আবার প্রতি পরিবারের জন্যে রয়েছে একটা করে পারিবারিক দেবতা। টোটোদের প্রচলিত গ্রাম শাসন সংগঠনে গোত্রের আলাদা কোনও স্থান নেই। প্রতিটা পরিবারের প্রধানের সেখানে সমান অধিকার। গ্রাম শাসনের জন্য যে সাধারণ সভা রয়েছে তার নাম লাচি-জাংওয়া। টোটোদের ধর্মীয় সভার সর্ব্বোচ্চ কর্তা কাজি আর সাধারণ সভার সর্ব্বোচ্চ কর্তা গাপু।টোটোদের সমাজ পিতৃ তান্ত্রিক। এদের সামাজিক কাঠামো বেশ মজবুত। এরা তেরটা গোষ্ঠী বা গোত্রে বিভক্ত। সমোগোত্রীয় বিবাহ টোটো সমাজে নিষিদ্ধ। তবে এক পুরুষের একাধিক স্ত্রী থাকতে পারে। টোটোরা অন্য বর্ণে বিবাহ করে না। কেউ তা করলে তাকে সমাজ থেকে বহিষ্কার করা হয়। টোটো সমাজে বিয়ের দুটো পর্ব আছে। প্রথমে ছেলের বাবা, মেয়ের বাবার বাড়িতে দু-হাঁড়ি ইউ ও একটা লাল মুরগি নিয়ে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। একে বলে বাগদান পর্ব। তার প্রায় এক বছর পর হয় বিয়ের মূল অনুষ্ঠান। বাগদান অনুষ্ঠানের পর মেয়ে শশুরবাড়ি চলে আসে ও স্বামী-স্ত্রীর মতো বসবাস করে। মেয়ে গর্ভবতী হলে তবেই বিয়ের পর্ব সারা হয়। নিজেদের পছন্দমতো বিয়ের ব্যাপারটা টোটো সমাজে অনেক আগে থেকেই প্রচলিত আছে। এই ধরনের বিয়েকে বলা হয় নিয়াংকোষা প্রথা। টোটোদের মধ্যে পণপ্রথা নেই। বিবাহ বিচ্ছেদ বা বিধবা বিবাহ বরাবরই স্বীকৃত। তবে এইসব বিষয়ে সমাজ কতগুলি নিয়ম বেঁধে দিয়েছে। কোনো অবস্থাতেই টোটো সমাজ ব্যাভিচারিতা সহ্য করে না। এক্ষেত্রে সমাজপতিদের শাসন বড় কড়া। তবে শিক্ষার উন্নতি হওয়ার ফলে আগের অনেক নিয়মই এখন শিথিল হয়েছে। কিছু প্রথা মেনে টোটোরা মৃতদেহ কবর দেন। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
totoparaenglish : "Totopara:-The Totos are a very small group in India. They live in the village of Totopara on the banks of the river Torsha on the Bhutanese border at the northern end of Alipurduar district of West Bengal. The Totora do not live anywhere else outside their village. A survey in the middle of the last century found that the Toto tribe was on the verge of extinction. In the 1951 census, their number dropped to 321. In the following decades, the government took some measures to protect the Totos. According to the 2001 census, their number has increased to 1174 and now it is five thousand. Toto is an isolated branch of the larger Indo-Mongolian population. Toto has no script of its own, but many use the Bengali script. The people of the present Toto generation speak to outsiders in both Bengali and Nepali. Bengali and Nepali languages are taught in Totopara and surrounding schools. Toto's village on the hill. The village of Totopara, which covers an area of only 2000 acres, is the only habitat of the Totos. Situated very close to the Jaldapara Sanctuary, the scenery of this village is splendif. The Tading Mountains stand along the Bhutan border. Toto's village is on the slope of this hill. Surrounded by hills, this village is an integral part of Toto culture and religion. Twelve rivers and streams surround Totopara. The waterfalls that come down the hill turn into streams after coming down. The local names of the rivers are Hauri-Kangdunti, Dipti, Chuati, Nitingti, Jaipti, Goati, Namsiti, Kitingti, Muti, Udingti, Meremati. The four hills that cover Totopara are Padua, Hispa, Dampi and Daprunglaka. The distance from here to Madarihat is only 23 km. It is very difficult to build bridges over the rivers here, because they are many in number, and huge in size. However, they do not usually contain water. But when it rains, they become terrible. Then Totopara became completely isolated. But water does not last permanently. Shortly after the rain stopped, the water receded. Then the car can travel. Although the distance from here to Jaigaon on the Bhutanese border or Funtshiling is only six miles, the people of Totopara think it is more convenient to travel through Madarihat as the former road is very inaccessible. There are currently two jeeps plying from Madarihat. Earlier, Alipurduar-Totopara government bus was launched. However, government buses are now closed. A private bus travels Madarihat-Totopara once a day. Arrangements have been made to set up a weekly market in Totopara since 1986. Earlier, one had to cross twenty-three kilometers of inaccessible roads to reach the market. Now every Tuesday the market opens. People came from Madarihat, Hasimara, Alipurduar to sell things. There have been several permanent shops. So almost everything needed is now available here. Many fancy things are also available in the store now. Now everyone in Totopara wears shoes or slippers as their financial situation is better than before. There has also been a hotel to eat. There is a government bungalow to stay. In addition to that, there are some recently created home-stays. The village of Totopara is divided into six parts. These are Panchayatgaon, Mandalgaon, Subbagaon, Mitrangaon, Pujagaon and Dhumchigaon. There is also a Nepali settlement in Totopara. A primary school was established in Totopara in 1990. Later in 1995 a high school with hostel was established. At present a health centre has been set up at Toto Para. Toto's home is called Nako-sha. Toto's houses are built on a platform 5-6 feet above the ground. The body is made of wood, bamboo and bark of Odla tree. There is no way to prevent cold in the house. The only hope is a yard fire in the freezing winter. A bamboo platform is attached to the house. A staircase is made by cutting a groove in a tree stump to go up from the ground to the house. His name is TOO. However, there are only one or two such old houses. Beneath these houses the Totos keep domestic animals such as cows, pigs, etc. Most of the Totos are farmers. They also keep animals. At one time the Totos produced high quality oranges. Totos are not very good in farming. Due to the lack of land and the infertility of the land, Totos cannot produce enough food grains all year round. Apart from paddy and marua, they cultivate ginger, turmeric, betel nut etc. with a lot of hard work. Totos consumes rice, maize, marwa, kaun etc. as food. The Totos still rely heavily on forests for food. They also get good income from bamboo. Many also make a living by carrying wood to Bhutan on their backs. Every family is in extreme poverty and deprivation. Totos are a naturalist. Everything in nature is their god. The Totos have their own religion. Of course, many also identify themselves as Hindus. Their main deity is Ishpa or Mahakali. The name of the temple is also Ishpa. They worship Mahakala and Mahakali. One piece of stone is worshiped as Mahakal and two drums are worshiped as Mahakali. Two drums can also be seen in the temple also. In Puja festival, a type of drink is offered to the God named U. The Totos have one deity for each tribe, and one family-deity for each family. The tribe has no place in the traditional village governance organization of the Totos. Every family head has equal rights there. The general meeting for village governance is called Lachi-Jangwa. Kazi is the supreme leader of the Toto religious assembly and Gapu is the supreme leader of the general assembly. Toto's society is patriarchal. Their social structure is quite strong. They are divided into thirteen groups or clans. Same-sex marriage is forbidden in Toto society. However, a man can have more than one wife. Totos does not marry in another caste. Anyone who does so is expelled from society. There are two stages of marriage in Toto society. At first, the boy's father took two pots of U and a red chicken to the house of the girl's father and proposed marriage. This is called engagement episode. About a year later, the main wedding ceremony happens. After the engagement ceremony, the daughter moved to her father-in-law's house and lived like husband and wife. The marriage take place only when the girl is pregnant. The matter of marriage is one's choice and has been prevalent in Toto society for a long time. This type of marriage is called Nyankosha practice. There is no dowry prctice in Toto society. Divorce or widow marriage is always recognized. However, the society has set some rules in these matters. Under no circumstances does Toto society tolerate adultery. In this case, the social rule is very strict. However, with the improvement of education, many of the previous rules have now been relaxed. Following some custom, Totos buried the body. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
totoparahindi : "टोटोपारा:-टोटो भारत में एक बहुत छोटा समूह है। वे पश्चिम बंगाल के अलीपुरद्वार जिले के उत्तरी छोर पर भूटानी सीमा पर तोर्षा नदी के तट पर टोटोपारा गाँव में रहते हैं। टोटोरा अपने गाँव के बाहर कहीं और नहीं रहते। पिछली सदी के मध्य में हुए एक सर्वेक्षण में पाया गया कि टोटो जनजाति विलुप्ति के कगार पर थी। 1951 की जनगणना में उनकी संख्या घटकर 321 रह गई। बाद के दशकों में, सरकार ने टोटो की सुरक्षा के लिए कुछ उपाय किए। 2001 की जनगणना के अनुसार, उनकी संख्या बढ़कर 1174 हो गई और अब यह पाँच हज़ार है। टोटो, विशाल इंडो-मंगोलियाई आबादी की एक अलग शाखा है। टोटो की अपनी कोई लिपि नहीं है, लेकिन कई लोग बंगाली लिपि का उपयोग करते हैं। वर्तमान टोटो पीढ़ी के लोग बाहरी लोगों से बंगाली और नेपाली दोनों में बात करते हैं। टोटोपारा और आसपास के स्कूलों में बंगाली और नेपाली भाषाएँ पढ़ाई जाती हैं।पहाड़ी पर टोटो का गाँव। टोटोपारा गाँव, जो केवल 2000 एकड़ के क्षेत्र में फैला है, टोटो का एकमात्र निवास स्थान है। जलदापारा अभयारण्य के बहुत करीब स्थित, इस गाँव का दृश्य शानदार है। ताडिंग पर्वत भूटान की सीमा पर स्थित हैं। टोटो का गाँव इसी पहाड़ी की ढलान पर है। पहाड़ियों से घिरा यह गाँव टोटो संस्कृति और धर्म का अभिन्न अंग है। टोटोपारा को घेरे हुए बारह नदियाँ और नाले हैं। पहाड़ी से नीचे आने वाले झरने नीचे आने के बाद धाराओं में बदल जाते हैं। नदियों के स्थानीय नाम हैं हौरी-कांगदुंती, दीप्ति, चुआटी, निटिंग्टी, जैप्ती, गोआटी, नामसीटी, किटिंग्टी, मुटी, उदिंग्टी, मेरेमाटी। टोटोपारा को घेरने वाली चार पहाड़ियाँ पडुआ, हिस्पा, डम्पी और दप्रुंगलाका हैं हालाँकि, उनमें आमतौर पर पानी नहीं होता है। लेकिन जब बारिश होती है, तो वे भयानक हो जाते हैं। तब टोटोपारा पूरी तरह से अलग-थलग पड़ गया। लेकिन पानी स्थायी रूप से नहीं रहता। बारिश रुकने के कुछ देर बाद, पानी कम हो गया। तब कार यात्रा कर सकती है।यद्यपि यहाँ से भूटानी सीमा पर जयगाँव या फुंटशीलिंग की दूरी केवल छह मील है, टोटोपारा के लोग मदारीहाट के माध्यम से यात्रा करना अधिक सुविधाजनक मानते हैं क्योंकि पूर्व सड़क बहुत दुर्गम है। वर्तमान में मदारीहाट से दो जीपें चलती हैं। पहले, अलीपुरद्वार-टोटोपारा सरकारी बस शुरू की गई थी। हालाँकि, अब सरकारी बसें बंद हैं। एक निजी बस दिन में एक बार मदारीहाट-टोटोपारा जाती है। 1986 से टोटोपारा में एक साप्ताहिक बाजार लगाने की व्यवस्था की गई है। पहले, बाजार तक पहुँचने के लिए तेईस किलोमीटर दुर्गम सड़कों को पार करना पड़ता था दुकान में अब कई फैंसी चीज़ें भी उपलब्ध हैं। अब टोटोपारा में हर कोई जूते-चप्पल पहनता है क्योंकि उनकी आर्थिक स्थिति पहले से बेहतर हो गई है। खाने के लिए एक होटल भी है। रहने के लिए एक सरकारी बंगला है। इसके अलावा, हाल ही में कुछ होम-स्टे भी बनाए गए हैं।टोटोपारा गाँव छह भागों में बँटा है। ये हैं पंचायतगाँव, मंडलगाँव, सुब्बागाँव, मित्रांगगाँव, पूजागाँव और धूमचिगाँव। टोटोपारा में एक नेपाली बस्ती भी है। 1990 में टोटोपारा में एक प्राथमिक विद्यालय की स्थापना की गई। बाद में 1995 में छात्रावास सहित एक उच्च विद्यालय की स्थापना की गई। वर्तमान में टोटो पारा में एक स्वास्थ्य केंद्र स्थापित किया गया है।टोटो के घर को नाको-शा कहा जाता है। टोटो के घर ज़मीन से 5-6 फ़ीट ऊँचे चबूतरे पर बने हैं। इनका ढाँचा लकड़ी, बाँस और ओडला पेड़ की छाल से बना है। घर में ठंड से बचाव का कोई उपाय नहीं है। कड़ाके की ठंड में आँगन में आग जलाना ही एकमात्र सहारा है। घर से एक बाँस का चबूतरा जुड़ा हुआ है। ज़मीन से घर तक जाने के लिए पेड़ के तने में एक खांचा काटकर सीढ़ी बनाई जाती है। उसका नाम TOO है। हालाँकि, ऐसे एक या दो ही पुराने घर हैं। इन घरों के नीचे टोटो लोग गाय, सूअर आदि पालतू जानवर रखते हैं। ज़्यादातर टोटो किसान हैं। वे जानवर भी रखते हैं। किसी समय टोटो उच्च गुणवत्ता वाले संतरे पैदा करते थे। टोटो खेती में बहुत अच्छे नहीं हैं। ज़मीन की कमी और ज़मीन की बंजरता के कारण, टोटो साल भर पर्याप्त खाद्यान्न नहीं उगा पाते। धान और मरुआ के अलावा, वे कड़ी मेहनत से अदरक, हल्दी, सुपारी आदि की खेती करते हैं। टोटो भोजन के रूप में चावल, मक्का, मरवा, कौन आदि खाते हैं। टोटो आज भी भोजन के लिए जंगलों पर बहुत अधिक निर्भर हैं। उन्हें बाँस से भी अच्छी आय होती है। कई लोग अपनी पीठ पर लकड़ियाँ ढोकर भूटान भी जीविका चलाते हैं। हर परिवार अत्यधिक गरीबी और अभाव में है।टोटो प्रकृतिवादी हैं। प्रकृति की हर चीज़ उनके लिए भगवान है। टोटो का अपना धर्म है। बेशक, कई लोग खुद को हिंदू भी मानते हैं। उनकी मुख्य देवी ईश्पा या महाकाली हैं। मंदिर का नाम भी ईश्पा है। वे महाकाल और महाकाली की पूजा करते हैं। पत्थर के एक टुकड़े को महाकाल और दो ढोलों को महाकाली के रूप में पूजा जाता है। मंदिर में दो ढोल भी देखे जा सकते हैं। पूजा उत्सव में, उ नामक देवता को एक प्रकार का पेय चढ़ाया जाता है। टोटो लोगों के प्रत्येक कबीले का एक देवता और प्रत्येक परिवार का एक कुल-देवता होता है। टोटो लोगों की पारंपरिक ग्राम शासन व्यवस्था में इस कबीले का कोई स्थान नहीं है। वहाँ प्रत्येक परिवार के मुखिया के समान अधिकार होते हैं। ग्राम शासन के लिए आम सभा को लाची-जंगवा कहा जाता है। काजी टोटो धार्मिक सभा का सर्वोच्च नेता होता है और गपु महासभा का सर्वोच्च नेता होता है।टोटो समाज पितृसत्तात्मक है। उनकी सामाजिक संरचना काफी मजबूत है। वे तेरह समूहों या कुलों में विभाजित हैं। टोटो समाज में समलैंगिक विवाह निषिद्ध है। हालाँकि, एक पुरुष की एक से अधिक पत्नियाँ हो सकती हैं। टोटो दूसरी जाति में विवाह नहीं करते। ऐसा करने वाले को समाज से बहिष्कृत कर दिया जाता है। टोटो समाज में विवाह के दो चरण होते हैं। सबसे पहले, लड़के का पिता दो बर्तन में उ और एक लाल मुर्गी लेकर लड़की के पिता के घर जाता है और विवाह का प्रस्ताव रखता है। इसे सगाई का प्रसंग कहते हैं। लगभग एक वर्ष बाद, मुख्य विवाह समारोह होता है। सगाई की रस्म के बाद, बेटी अपने ससुर के घर चली गई और पति-पत्नी की तरह रहने लगी। शादी तभी होती है जब लड़की गर्भवती हो। शादी का मामला व्यक्ति की पसंद का होता है और यह टोटो समाज में लंबे समय से प्रचलित है। इस प्रकार के विवाह को न्यांकोशा प्रथा कहा जाता है। टोटो समाज में दहेज प्रथा नहीं है। तलाक या विधवा विवाह को हमेशा मान्यता दी जाती है। हालाँकि, समाज ने इन मामलों में कुछ नियम निर्धारित किए हैं। किसी भी परिस्थिति में टोटो समाज व्यभिचार को बर्दाश्त नहीं करता है। इस मामले में, सामाजिक नियम बहुत सख्त हैं। हालाँकि, शिक्षा में सुधार के साथ, पहले के कई नियमों में अब ढील दी गई है। कुछ रीति-रिवाजों का पालन करते हुए, टोटो लोग शव को दफनाते हैं। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photototopara : ""+
""+
""+
""+
""+
""+
""+
""+
""+
"",
sankoshbengali : "সংকোশঃ-সংকোশ নদীর প্রবাহিত পথের অঞ্চল অনুসারে তাকে বিভিন্ন নামে চিহ্নিত করা হয়। ভারতে এটা সংকোশ নদী, ভুটানে নদীটাকে পুনাতসাং ছু বা ওয়াং চু বলা হয়। নদীর আরও কিছু প্রতিশব্দ হল স্বর্ণকোষ এবং গদাধর। ভারতে নদীটার একটি বড় তাৎপর্য রয়েছে কারণ এটা আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে প্রবাহিত। চমৎকার নীল-সবুজ রঙের জল এবং তার তীর বরাবর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এই নদী পরিচিত। নদীটা যে সমস্ত উপত্যকা, সমভূমি এবং এর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে সেই সমস্ত স্থানগুলো সবুজ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ। আমরা গেছিলাম পূর্ব ডুয়ার্সের সংকোশ বলে একটা জায়গায় যেখানে চা বাগান, নদী, কাশফুল আর নুড়ি পাথরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত সংকোশ নদীর জলধারা দেখা যায়। চা বাগানের মধ্যে দিয়ে আমাদের গাড়ি চলে এলো একদম সংকোশ নদীর তীরে। আকাশে সাদা সাদা ছেড়া শরতের মেঘ, প্রহরীর মতো দূরে দাঁড়িয়ে আছে উঁচু পাহাড়, নীল জলের প্রবহমান নদী, পাশেই কাশফুলের বন তৈরি করেছে এক নৈসর্গিক মাদকতা, যা ছেড়ে আসতে কারুর মন চায় না। আমরা অনেকক্ষণ ঘুরে ঘুরে আস্বাদন করলাম প্রকৃতির রং, রূপ আর তার অসম্ভব আকর্ষণী ক্ষমতা। পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামের তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সংকোশ একটা জনপ্রিয় পিকনিক স্পট। সৈকত সাদা বালি এবং নীল-সবুজ স্ফটিক স্বচ্ছ জল এমন একটি অনন্য আকর্ষণ তৈরি করে, যা প্রত্যাখ্যান করা ভ্রমণ রসিকদের পক্ষে সম্ভব নয় ও এই জায়গা সারা বছর ঘোরার জন্যে আদর্শ। এর অমসৃণ বালি এবং রেশমি মসৃণ জলের মধ্যে রয়েছে একটি নিখুঁত বৈসাদৃশ্য। সংকোশের উৎপত্তি ভুটান থেকে যেখানে একে পুনাতসং ছু বলা হয়। পুনাখার কাছে নদীর দুটো বৃহত্তম উপনদী মো ছু এবং ফো ছু একসাথে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটা দুটো রাজ্যের মধ্যে সীমান্তরেখা হিসাবে ভারতের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ও অবশেষে আসামের ব্রহ্মপুত্রের কোলে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত এবং ভুটান বেশ কয়েকটা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে স্বাক্ষর করেছে যার মধ্যে দুটো হল পুনাতসাংছু-১ এইচইপি এবং পুনাতসাংছু-২ এইচইপি। পুনাৎসাংছু-১ পুনৎসাংছু-এর বাম তীরে ২০০৮ সালে শুরু হয় ও ১২০০ মেগাওয়াট রান-অব-দ্য রিভার প্রকল্প। এই প্রকল্প গড়ে বছরে ৫৭০০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে বলে মনে করা হয়। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা সংশোধিত খরচ অনুমোদন করেছেন ৯৩৭৫ কোটি টাকা এবং ২০২২ সালে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্য জলবিদ্যুৎ প্রকল্প পুনাতসাংচু-২ পশ্চিম ভুটানের ওয়াংডু ফোড্রং জংখাগে অবস্থিত। এটাও একটা ১০২০ মেগাওয়াট রান-অব-দ্য রিভার প্রকল্প যার আনুমানিক ক্ষমতা গড়ে বছরে ৪৩৫৭ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ। চললাম কালী খোলা বলে একটা জায়গায়। এটা ভারত ও ভুটানের বর্ডার, তাই মিলিটারি পোস্টিং আছে। অনুরোধ করতেই তাঁরা আমাদের কালী নদীতে যাবার অনুমতি দিলেন। সুন্দর এলাকা। মন্দির, নদী, দূরে হালকা কুয়াশামাখা ভুটানের পাহাড় আর নদীর জলে ছোট ছোট স্থানীয় ছেলেদের স্নান। খুব আনন্দ করে ফিরে এলাম গাড়িতে। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
sankoshenglish : "Sankosh:-It is known by different names according to the area of the Sankosh River. In India it is called Sankosh river, in Bhutan it is called Punatsang Chu or Wang Chu. Some other synonyms of the river are Swarnakosh and Gadadhar. The river has great significance in India as it flows along the border of Assam and West Bengal. The river is known for its beautiful blue-green water and natural beauty along its banks. The valleys, plains and all the places that the river flows through are rich in green and natural beauty. We went to a place called Sankosh in Eastern Duars where the Sankosh river flows through tea gardens, rivers, catkins and pebbles. Our car drove through the tea garden to the banks of the Sankosh River. There are white autumn clouds in the sky, high mountains standing like guards, flowing rivers of blue water, the forest of catkin flowers has created a natural intoxication, which no one wants to leave. We wandered around for a bit of time and tasted nature's colors, beauty and incredibly attractive dexterity. Sankosh is a popular picnic spot for the residents of the embankment areas of West Bengal and Assam. The white sand of the beach and the blue-green crystal clear waters create a unique appeal that is not possible for the travel enthusiasts to be reluctant and this place is ideal for visiting round the year. There is a perfect contrast between its uneven sand and silky smooth water. Sankosh originates from Bhutan where it is called Punatsang Chu. Mo Chu and Pho Chu, the two largest tributaries of the river near Punakha, flow together. The river flows through India as a boundary between the two states and eventually takes refuge in the lap of the Brahmaputra in Assam. India and Bhutan have signed a number of hydropower projects, two of which are Punatsangchu-1 HEP and Punatsangchu-2 HEP. Punatsangchu-1 is on the left bank of Punatsangchu was started in 2008 and is a 1,200 MW run-of-the-river project. The project is expected to generate an average of 5,600 million units of electricity a year. In July 2017, the Union Cabinet of India approved a revised expenditure of Rupees 9,375 crore and it is expected to be completed by 2022. Another hydroelectric project, Punatsanchu-2, is located at Wangdu Fodrong Junkhag in western Bhutan. It is also a 1,020 MW run-of-the-river project with an estimated capacity of 4356 million units of electricity per year.We went to a place named Kali Khola. It is the border of India and Bhutan, so there are military postings. At our request, they allowed us to go to the river Kali. It is a beautiful area. Temples, rivers, Bhutanese mountains with light fog in the distance and small local boys bathing in the river water is worth seeing.We got back in the car with great joy. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
sankoshhindi : "संकोश:-संकोश नदी को उसके क्षेत्र के अनुसार अलग-अलग नामों से जाना जाता है। भारत में इसे संकोश नदी, भूटान में पुनात्सांग चू या वांग चू कहते हैं। नदी के कुछ अन्य पर्यायवाची शब्द स्वर्णकोश और गदाधर हैं। असम और पश्चिम बंगाल की सीमा पर बहने के कारण इस नदी का भारत में बहुत महत्व है। यह नदी अपने सुंदर नीले-हरे पानी और किनारों की प्राकृतिक सुंदरता के लिए जानी जाती है। घाटियाँ, मैदान और वे सभी स्थान जहाँ से नदी बहती है, हरियाली और प्राकृतिक सुंदरता से भरपूर हैं। हम पूर्वी डुआर्स में संकोश नामक स्थान पर गए जहाँ संकोश नदी चाय के बागानों, नदियों, कटकिन और कंकड़ों के बीच से बहती है। हमारी कार चाय के बागानों से होते हुए संकोश नदी के किनारे तक गई। आसमान में सफ़ेद पतझड़ के बादल, पहरेदारों की तरह खड़े ऊँचे पहाड़, नीले पानी की बहती नदियाँ, कटकिन के फूलों के जंगल ने एक प्राकृतिक मादकता पैदा कर दी थी, जिसे कोई छोड़ना नहीं चाहता। हम कुछ देर इधर-उधर घूमते रहे और प्रकृति के रंगों, सुंदरता और अविश्वसनीय रूप से आकर्षक चपलता का स्वाद चखा। संकोश पश्चिम बंगाल और असम के तटबंध क्षेत्रों के निवासियों के लिए एक लोकप्रिय पिकनिक स्थल है। समुद्र तट की सफेद रेत और नीला-हरा क्रिस्टल साफ़ पानी एक अनोखा आकर्षण पैदा करते हैं, जिससे यात्रा के शौकीनों को परहेज़ नहीं होता और यह जगह साल भर घूमने के लिए आदर्श है। इसकी असमान रेत और रेशमी चिकने पानी के बीच एकदम विपरीतता है। संकोश भूटान से निकलती है जहाँ इसे पुनात्सांग चू कहा जाता है। पुनाखा के पास नदी की दो सबसे बड़ी सहायक नदियाँ मो चू और फो चू, एक साथ बहती हैं। नदी भारत में दोनों राज्यों के बीच सीमा के रूप में बहती है और अंततः असम में ब्रह्मपुत्र की गोद में समा जाती है। भारत और भूटान ने कई जलविद्युत परियोजनाओं पर हस्ताक्षर किए हैं, जिनमें से दो पुनात्सांगचू-1 जलविद्युत परियोजना और पुनात्सांगचू-2 जलविद्युत परियोजना हैं। पुनात्सांगचू-1, पुनात्सांगचू के बाएँ किनारे पर है इस परियोजना से प्रति वर्ष औसतन 5,600 मिलियन यूनिट बिजली पैदा होने की उम्मीद है। जुलाई 2017 में, भारत के केंद्रीय मंत्रिमंडल ने 9,375 करोड़ रुपये के संशोधित व्यय को मंजूरी दी और इसके 2022 तक पूरा होने की उम्मीद है। एक अन्य पनबिजली परियोजना, पुनात्संचू -2, पश्चिमी भूटान के वांगडू फोडरॉन्ग जुनखाग में स्थित है। यह भी 1,020 मेगावाट की रन-ऑफ-द-रिवर परियोजना है जिसकी अनुमानित क्षमता 4356 मिलियन यूनिट प्रति वर्ष है। हम काली खोला नामक स्थान पर गए। यह भारत और भूटान की सीमा है, इसलिए वहाँ सैन्य चौकियाँ हैं। हमारे अनुरोध पर, उन्होंने हमें काली नदी में जाने की अनुमति दी। यह एक खूबसूरत इलाका है। मंदिर, नदियाँ, दूर-दूर तक हल्के कोहरे के साथ भूटानी पहाड़ और नदी के पानी में नहाते छोटे स्थानीय लड़के देखने लायक हैं। हम लोग बड़ी खुशी के साथ कार में वापस आये। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photosankosh : ""+
""+
""+
""+
""+
""+
""+
""+
""+
"",
santlabarihatbengali : "সান্তলাবাড়িঃ-সান্তলাবাড়ি মূলত ট্রেকারদের জন্য একটা হল্ট স্টেশন। সান্তলাবাড়ি বক্সা জঙ্গলের মধ্যে একটা ছোট্ট গ্রাম এবং পঞ্চাশটা পরিবারের বাস। গ্রামের ভেতরে, তেমন কোন রিসর্ট নেই, তবে স্থানীয় কিছু লোকের সহায়তায় থাকার জায়গা হয়ে যায়। বর্তমানে ঠিক সান্তলাবাড়িতে নয় তবে গ্রামের থেকে কিছু দূরে দু-একটা হোমস্টে তৈরি হয়েছে। জায়গাটাতে বিস্তৃত সরষের ক্ষেতের হলুদ আভার সাথে ঘন সবুজ জঙ্গলের নির্মল সৌন্দর্য রয়েছে যা সত্যিই অপরূপ। সান্তলাবাড়ির প্রতিটি কোণে রয়েছে নির্জনতা। চারিদিকে সবুজ জঙ্গল আর বনের সোঁদা গন্ধ সেখানকার মানুষের কষ্টকর জীবনের বার্তা দেয়। তা সত্যেও গ্রামের সাধাসিধা মানুষ অত্যন্ত সহযোগীতামূলক ও মিসুকে। শহুরে সুযোগ-সুবিধা এখানে প্রায় শূন্য এবং স্থানটাতে পৌঁছানোর একমাত্র উপায় সাফারি এবং জীপের মাধ্যমে। তবে এখন কিছু অটো চলছে যার ফলে সেখানকার মানুষের অনেক উপকার হয়েছে। সান্তলাবাড়িতে সপ্তাহে একদিন হাট বসে। সেখান থেকে স্থানীয় মানুষজন তাদের সাপ্তাহিক জিনিসপত্র সংগ্রহ করে। সান্তলাবাড়ি থেকে বক্সা ফোর্ট, লেপচাখাঁ, চুনাভাঁটি ইত্যাদি গ্রাম দিনে দিনে ঘুরে নেওয়া যায়। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
santlabarihatenglish : "Santlabari:-Santlabari is basically a halt station for trekkers. Santlabari is a small village in the Buxa forest and is home to fifty families. Inside the village, there are no resorts, but with the help of some locals, one can stay there. At present it is not exactly in Santlabari but a little far, there are one or two homestays. The place has the pure beauty of dense green forest with yellow aura of vast mustard fields which is really amazing. There is solitude in every corner of Santlabari. The lush green jungle and the fragnance of wild forest give the message of the hard life of the people living there. In fact, the common people of the village are very cooperative and friendly. Urban amenities are almost non-existent here and the only way to reach the place is by safari and jeep. But now some autos are running so that the people there have benefited a lot. There is a market in Santlabari that opened once a week. From there the local people collect their weekly necessities. Villages like Buxa Fort, Lepchakhan, Chunabhanti etc. can be visited in a day from Santlabari. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
santlabarihathindi : "संतलाबाड़ी:-संतलाबाड़ी मूलतः ट्रेकर्स के लिए एक पड़ाव है। संतलाबाड़ी बक्सा जंगल में बसा एक छोटा सा गाँव है जहाँ पचास परिवार रहते हैं। गाँव के अंदर कोई रिसॉर्ट नहीं है, लेकिन कुछ स्थानीय लोगों की मदद से वहाँ रुका जा सकता है। फ़िलहाल यह संतलाबाड़ी में तो नहीं है, लेकिन थोड़ी दूर पर एक-दो होमस्टे ज़रूर हैं। यहाँ घने हरे-भरे जंगल और विशाल सरसों के खेतों की पीली आभा का अद्भुत नज़ारा है। संतलाबाड़ी के हर कोने में एकांत है। हरे-भरे जंगल और उसकी खुशबू यहाँ रहने वाले लोगों के कठिन जीवन का संदेश देती है। दरअसल, गाँव के आम लोग बहुत सहयोगी और मिलनसार हैं। यहाँ शहरी सुविधाएँ लगभग न के बराबर हैं और यहाँ पहुँचने का एकमात्र साधन सफारी और जीप है। लेकिन अब कुछ ऑटो चल रहे हैं जिससे वहाँ के लोगों को काफ़ी फ़ायदा हुआ है। संतलाबाड़ी में एक बाज़ार है जो हफ़्ते में एक बार खुलता है। वहाँ से स्थानीय लोग अपनी ज़रूरत का सामान ख़रीदते हैं। संतलाबाड़ी से एक दिन में बक्सा किला, लेपचाखान, चूनाभंती आदि गांवों का दौरा किया जा सकता है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"स्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"
"+
"पेज मेनू पर जाएँ ⇧",
photosantlabarihat : ""+
""+
""+
""+
""+
""+
""+
""+
""+
"",
alipurduarintrobengali : "মুখবন্ধঃ-আলিপুরদুয়ারের নাম প্রয়াত কর্নেল, হেদায়ত আলী খান থেকে এসেছে, যিনি ভুটান যুদ্ধে প্রশংসনীয় কর্তব্যসাধন করেছিলেন, এবং এই জেলায় প্রথম অতিরিক্ত সহকারী কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। ১৮৬৫ সালে দ্বিতীয় ইঙ্গ-ভুটান যুদ্ধের পর, সিনচুলার চুক্তি অনুসারে, এগারটা বেঙ্গল ডুয়ার্স ব্রিটিশদের দখলে চলে যায়। কর্নেল হেদায়ত আলী খান, কালজানী নদীর তীরে সামরিক বসতিতে, কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। সামরিক বন্দোবস্ত সংলগ্ন এলাকার সন্নিহিত, বক্সা দুয়ারের পুরো জমি হেদায়ত আলীকে তার চাকরি শেষ হবার পর, বার্ধক্য সুবিধা অনুযায়ী ইজারা দেওয়া হয়, এবং শহরটাতে ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন শুরু হতে থাকে। ঐতিহাসিক শৈলেন দেবনাথের মতে, সময়ের সাথে সাথে, আলিপুরদুয়ার শহরে সামরিক বন্দোবস্ত কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, কারণ, শহরের উত্তরে বক্সা দুর্গে, এবং কুচবিহারের চিলা রায় ব্যারাকে, সামরিক ক্যান্টনমেন্টের দ্রুত বিকাশ ঘটে। চা বাগানের সম্প্রসারণ, এবং রেললাইন স্থাপনের পাশাপাশি, আলিপুরদুয়ার যোগাযোগ ও প্রশাসনের দিক থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে শুরু করে। ২০১৪ সালের ২৫ জুন জলপাইগুড়ি জেলাকে ভাগ করে, পশ্চিমবঙ্গের ২০ তম জেলা হিসেবে আলিপুরদুয়ার জেলা তৈরি করা হয়। আলিপুরদুয়ার জেলার সদর দপ্তর আলিপুরদুয়ার, যা হিমালয়ের পাদদেশে কালজানি নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত। এই জেলা হল ভুটান এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যের প্রবেশদ্বার। এই জেলা, ঘন জঙ্গল, বন্যপ্রাণী, কাঠ, চা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যে বিখ্যাত ও ডুয়ার্স অঞ্চলে অবস্থিত।ভূগোলঃ-এই জেলার পাহাড়ি এলাকার উচ্চতা ৯০ মিটার থেকে ১৭৫০ মিটার অব্দি, গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত প্রায় ৩৫০ সেন্টিমিটার, ও তাপমাত্রা ৬ থেকে ৩৬ ডিগ্রি হয়ে থাকে। বর্ষা সাধারণত জুন মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয় এবং সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত চলতে থাকে। পুরো এলাকা তোর্সা, কালজানি, রায়ডাক এবং সংকোশ নদী দিয়ে, চারটে প্রধান জলাধারে বিভক্ত। সংলগ্ন ভুটানের পাহাড়ি এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নদী ও নালা উৎপন্ন হয়ে, এবং বর্ষার প্রবল বর্ষণে অতিরিক্ত জল, ব্রহ্মপুত্র হয়ে বঙ্গোপসাগরে নিয়ে যায়। ভারি বর্ষণে মাঝে মাঝে বর্ষাকালে আকস্মিক বন্যাও হয়ে থাকে। কুচবিহার বিভাগ এবং বক্সা টাইগার রিজার্ভ দ্বারা পরিচালিত এই জেলার একটা বড় অংশ বনের আওতায় রয়েছে। এই আর্দ্র মিশ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনগুলো আট ধরনের স্বতন্ত্র বনের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে ৩৫২ প্রজাতির গাছ, ১০০ প্রজাতির লতা, ৬ প্রজাতির বেত, ১৩৩ প্রজাতির গুল্ম, ১৪৪ প্রজাতির বাঁশ ও ২৫ প্রজাতির বিরল উদ্ভিদ রয়েছে। বনগুলোতে ৬৯ প্রজাতির স্তন্যপায়ী জীব, ৪১ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৪৯ প্রজাতির পাখি, চার প্রজাতির উভচর প্রাণী, ৩৩ প্রজাতির মাছ এবং ৩৫৩ প্রজাতির পোকামাকড় সহ প্রাণীজগতের একটা বিশাল দর্শনীয় নিবসতি রয়েছে।সংস্কৃতি এবং ভাষাঃ-১৮৭০ সালের শেষ দশকে বন ও জলাভূমি পুনরুদ্ধার করে, চা বাগান প্রতিষ্ঠার সূচনা হয়। এখানে ৬২টা চা বাগান রয়েছে, যা বনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং হিমালয়ের পটভূমিতে অনন্য সুন্দর লাবণ্য যোগ করে। এই জেলায় জনসংখ্যার একটা বড় অংশ তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্যে, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, এই চা বাগানের ওপর নির্ভরশীল। বেশিরভাগ বৃক্ষরোপণ শ্রমিক, ছোটোনাগপুর, পশ্চিম উড়িষ্যা, অন্ধ্রপ্রদেশ, এবং মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন অংশ থেকে প্রচরণ করা হয়েছিল। আবাদ শ্রমিকরা নিজেদের মধ্যে সাধারণত তাদের নিজস্ব উপজাতি ভাষায় কথা বলে। সাদরি, ছোটনাগপুর এলাকায় তাদের পূর্বপুরুষদের দ্বারা চর্চা করা একটা ভাষা, যা বিভিন্ন উপজাতির মধ্যে সংযোগকারী ভাষা হিসেবে এখনও ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমানে হিন্দিও বহুল ব্যবহৃত সংযোগকারী ভাষা। এই অঞ্চলে রাভা, গারো, মেচে, টোটো, ধিমাল, কোচ, নেপালি, এবং রাজবংশী, প্রভৃতি বিভিন্ন জাতি ও উপজাতি বসবাস করে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময়, পূর্ব বাংলা থেকে হিন্দুদের দেশত্যাগ, এই অঞ্চলে তাদের বসতি জমির পরিমাণ কমিয়ে দেয়, ও প্রতি বর্গকিলোমিটারে মানুষের অনুপাত অনেক বেশি হয়ে যায়। এই অভিবাসী হিন্দুদের সংস্কৃতি, আদিবাসীদের সমৃদ্ধ লোকসংস্কৃতির সাথে মিশে, এক নতুন লোকসংস্কৃতির উৎপত্তি হয়েছে, যার ফলে এই অঞ্চলের সামগ্রিক সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হয়েছে। সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে, ভারতের প্রায় সব কোণ থেকেই মানুষ এসে এই এলাকায় বসতি স্থাপন করেছে। এই সমস্ত মানুষজন কিছু স্বতন্ত্র উপভাষা সহ, প্রায় ১৪১ টা ভাষায় কথা বলে। তবে, বাংলা সাধারণত সার্বজনীন কথ্য ভাষা। ভিন্নধর্মী, জাতি ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর মিলন, প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে এই এলাকায় একটা শক্তিশালী পরিবেশ বান্ধব সংস্কৃতির বিকাশ লাভে সাহায্য করেছে। উন্নত প্রযুক্তির সাথে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যগত জ্ঞানের সংমিশ্রণ, দেশীয় উপকরণের সহজলভ্যতা, এবং এই অঞ্চলের জলবায়ু, এই প্রক্রিয়াকে বাংলার অন্যান্য অংশের তুলনায় একটা ভিন্ন মাত্রা দান করেছে। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"স্লাইডশোর জন্যে নীচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇩"+
"
"+
"পেজ মেনুতে যান ⇧",
alipurduarintroenglish : "Prelude:-Alipurduar derives its name from the late Colonel, Hedayat Ali Khan, who performed commendable duties in the Bhutan War, and was appointed as the first Additional Assistant Commissioner in the district. After the Second Anglo-Bhutan War in 1865, in accordance with the Treaty of Sinchula, eleven Bengal Duars passed into British possession. Colonel Hedayat Ali Khan was posted as the commander of the military settlement on the banks of the Kaljani River. Adjacent to the military settlement, the entire land of Buxa Duars was leased to Hedayat Ali after the end of his service, according to the old age benefits, and the city began to see cumulative development. According to historian Sailen Debnath, over time, the military settlement in the city of Alipurduar became less important, due to the rapid development of military cantonments at Buxa Fort, to the north of the city, and at Chila Roy Barracks in Cooch Behar. Along with the expansion of tea plantations, and the laying of railway lines, Alipurduar began to become more important in terms of communication and administration. Alipurduar district was created as the 20th district of West Bengal on 25 June 2014 by splitting Jalpaiguri district. The headquarters of Alipurduar district is Alipurduar, located on the eastern bank of the Kaljani River and in the foothills of the Himalayas. This district is the gateway to Bhutan, and the north-eastern states India. This district is famous for its dense forests, wildlife, wood, tea and natural beauty and is located in the Duars region.Geography:-The altitude of the hilly areas in this district is from 90 meters to 1750 meters, the average annual rainfall is about 350 cm, and the temperature is from 6 to 36 degrees. The rainy season usually begins in mid-June and continues until the end of September. The entire area is divided into four major watersheds by the Torsa, Kaljani, Raidak and Sankosh rivers. A large number of rivers and rivulets originate from the hilly areas of adjoining Bhutan, and during heavy monsoon rains, excess water is carried to the Bay of Bengal via the Brahmaputra. Sometimes there is a sudden flood with heavy rainfall. A large part of the district, administered by the Cooch Behar division and the Buxa Tiger Reserve, is under forest cover. These wet mixed tropical forests consist of eight distinct types of forests, with 352 species of trees, 100 species of vines, 6 species of cane, 133 species of shrubs, and 144 species of bamboo. There are 25 species of rare plants. The forests are home to a vast array of fauna, including 69 species of mammals, 41 species of reptiles, 249 species of birds, four species of amphibians, 33 species of fish, and 353 species of insects.Culture and Language:-The establishment of tea plantations by restoring forests and wetlands began in the last decade of the 1870s. There are 62 tea gardens here, which add unique gorgeousness to the natural beauty, under the backdrop of the forest and of the Himalayas. A large section of the population in this district is directly or indirectly dependent on this tea garden for their livelihood. Most of the plantation workers were brought from Chhota Nagpur, western Orissa, Andhra Pradesh, and various parts of Madhya Pradesh. Farm workers usually speak their own tribal language among themselves. Sadri, a language practiced by their ancestors in the Chhota Nagpur area, is still used as a connecting language between different tribes. Currently, Hindi is the most widely spoken language. The region is inhabited by various castes and tribes such as Rabha, Garo, Meche, Toto, Dhimal, Koch, Nepali, and Rajbangsi. At the time of Partition in 1947, the exodus of Hindus from East Bengal, reduced the amount of habitable land as they settled in the region, and the proportion of people per square kilometre became much higher. The culture of these migrant Hindus, mixed with the rich folk culture of the tribals, has given rise to a new folk culture, which has enriched the overall culture of the region. With the change of time, people from almost all corners of India have come and settled in this area. All these people speak in about 141 languages, with some distinct dialects. However, Bengali is the most commonly spoken language. The union of different religious, ethnic, and cultural groups has helped develop a strong eco-friendly culture in the area since prehistoric times. The combination of traditional knowledge of different ethnic groups with advanced technology, the availability of indigenous materials, and the climate of the region, has given this process a different dimension compared to other parts of Bengal. "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"Click any Picture for Slide Show ⇩"+
"
"+
"Go To Page Menu ⇧",
alipurduarintrohindi : "प्रस्तावना:-अलीपुरद्वार का नाम स्वर्गीय कर्नल हिदायत अली खान के नाम पर पड़ा, जिन्होंने भूटान युद्ध में सराहनीय कार्य किया और उन्हें जिले का पहला अतिरिक्त सहायक आयुक्त नियुक्त किया गया। 1865 में दूसरे एंग्लो-भूटान युद्ध के बाद, सिनचूला की संधि के अनुसार, ग्यारह बंगाल डुआर्स ब्रिटिश कब्जे में चले गए। कर्नल हिदायत अली खान को कालजानी नदी के तट पर सैन्य बस्ती के कमांडर के रूप में तैनात किया गया था। सैन्य बस्ती से सटे, बुक्सा डुआर्स की पूरी जमीन वृद्धावस्था लाभ के अनुसार, उनकी सेवा के अंत के बाद हिदायत अली को पट्टे पर दे दी गई थी, और शहर में संचयी विकास होने लगा। इतिहासकार सैलेन देबनाथ के अनुसार, समय के साथ, अलीपुरद्वार शहर में सैन्य बस्ती कम महत्वपूर्ण हो गई चाय बागानों के विस्तार और रेलवे लाइनों के बिछाने के साथ ही अलीपुरद्वार संचार और प्रशासन की दृष्टि से और अधिक महत्वपूर्ण होता गया। 25 जून 2014 को जलपाईगुड़ी जिले को विभाजित करके पश्चिम बंगाल के 20वें जिले के रूप में अलीपुरद्वार जिला बनाया गया था। अलीपुरद्वार जिले का मुख्यालय अलीपुरद्वार है, जो कालजानी नदी के पूर्वी तट पर और हिमालय की तलहटी में स्थित है। यह जिला भूटान और भारत के पूर्वोत्तर राज्यों का प्रवेश द्वार है। यह जिला अपने घने जंगलों, वन्य जीवन, लकड़ी, चाय और प्राकृतिक सुंदरता के लिए प्रसिद्ध है और डुआर्स क्षेत्र में स्थित है।भूगोल:-इस जिले में पहाड़ी क्षेत्रों की ऊँचाई 90 मीटर से 1750 मीटर तक है, औसत वार्षिक वर्षा लगभग 350 सेमी है, और तापमान 6 से 36 डिग्री सेल्सियस तक है। वर्षा ऋतु आमतौर पर जून के मध्य में शुरू होती है और सितंबर के अंत तक जारी रहती है। पूरा क्षेत्र तोरसा, कालजानी, रैदक और संकोश नदियों द्वारा चार प्रमुख जलग्रहण क्षेत्रों में विभाजित है। बड़ी संख्या में नदियाँ और छोटी नदियाँ पड़ोसी भूटान के पहाड़ी क्षेत्रों से निकलती हैं और भारी मानसूनी बारिश के दौरान, अतिरिक्त पानी ब्रह्मपुत्र के माध्यम से बंगाल की खाड़ी में चला जाता है। कभी-कभी भारी वर्षा के साथ अचानक बाढ़ आ जाती है। कूचबिहार डिवीजन और बक्सा टाइगर रिजर्व द्वारा प्रशासित जिले का एक बड़ा हिस्सा वनाच्छादित है। ये आर्द्र मिश्रित उष्णकटिबंधीय वन आठ अलग-अलग प्रकार के वनों से मिलकर बने हैं, जिनमें पेड़ों की 352 प्रजातियाँ, लताओं की 100 प्रजातियाँ, बेंत की 6 प्रजातियाँ, झाड़ियों की 133 प्रजातियाँ और बाँस की 144 प्रजातियाँ हैं। दुर्लभ पौधों की 25 प्रजातियाँ हैं। ये वन जीवों की एक विशाल श्रृंखला का घर हैं, जिनमें स्तनधारियों की 69 प्रजातियाँ, सरीसृपों की 41 प्रजातियाँ, पक्षियों की 249 प्रजातियाँ, उभयचरों की चार प्रजातियाँ, मछलियों की 33 प्रजातियाँ और कीड़ों की 353 प्रजातियाँ शामिल हैं।संस्कृति और भाषा:-वनों और आर्द्रभूमियों को पुनर्स्थापित करके चाय बागानों की स्थापना 1870 के दशक के अंतिम दशक में शुरू हुई। यहाँ 62 चाय बागान हैं, जो जंगल और हिमालय की पृष्ठभूमि में प्राकृतिक सौंदर्य में अद्वितीय भव्यता जोड़ते हैं। इस जिले की आबादी का एक बड़ा हिस्सा प्रत्यक्ष या अप्रत्यक्ष रूप से अपनी आजीविका के लिए इस चाय बागान पर निर्भर है। अधिकांश बागान श्रमिकों को छोटा नागपुर, पश्चिमी उड़ीसा, आंध्र प्रदेश और मध्य प्रदेश के विभिन्न हिस्सों से लाया गया था। खेत मजदूर आमतौर पर आपस में अपनी आदिवासी भाषा बोलते हैं। छोटा नागपुर क्षेत्र में उनके पूर्वजों द्वारा प्रचलित भाषा सादरी आज भी विभिन्न जनजातियों के बीच संपर्क भाषा के रूप में प्रयोग की जाती है। वर्तमान में, हिंदी सबसे अधिक बोली जाने वाली भाषा है। इस क्षेत्र में राभा, गारो, मेचे, टोटो, धीमल, कोच, नेपाली और राजबंगसी जैसी विभिन्न जातियाँ और जनजातियाँ निवास करती हैं। 1947 में विभाजन के समय, पूर्वी बंगाल से हिंदुओं के पलायन इन प्रवासी हिंदुओं की संस्कृति ने आदिवासियों की समृद्ध लोक संस्कृति के साथ मिलकर एक नई लोक संस्कृति को जन्म दिया है, जिसने इस क्षेत्र की समग्र संस्कृति को समृद्ध किया है। समय के बदलाव के साथ, भारत के लगभग सभी कोनों से लोग इस क्षेत्र में आकर बस गए हैं। ये सभी लोग लगभग 141 भाषाएँ बोलते हैं, जिनमें कुछ विशिष्ट बोलियाँ भी हैं। हालाँकि, बंगाली सबसे अधिक बोली जाने वाली भाषा है। प्रागैतिहासिक काल से ही विभिन्न धार्मिक, जातीय और सांस्कृतिक समूहों के मिलन ने इस क्षेत्र में एक मजबूत पर्यावरण-अनुकूल संस्कृति विकसित करने में मदद की है। उन्नत तकनीक के साथ विभिन्न जातीय समूहों के पारंपरिक ज्ञान, स्वदेशी सामग्रियों की उपलब्धता और क्षेत्र की जलवायु के संयोजन ने इस प्रक्रिया को बंगाल के अन्य हिस्सों की तुलना में एक अलग आयाम दिया है। "+
"Read More..."+
"
"+
"  🔊 "+
""+
"  🎞️"+
"সस्लाइड शो के लिए नीचे दी गई छवि पर क्लिक करें ⇩"+
"